অন্যান্য

আজ বিশ্ব এইডস দিবস

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ০১, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব এইডস দিবস প্রতিবছর ১ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। ১৯৮৮ সাল থেকে এ দিবসটি এইচআইভি/এইডস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতা এবং এই রোগে মৃত্যুবরণকারীদের স্মরণ করার উদ্দেশ্যে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। ২০২৫ সালের প্রতিপাদ্য হলো বাধা অতিক্রম করা, এইডস প্রতিক্রিয়া রূপান্তর করা।

 

এইডস হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি দ্বারা সৃষ্ট একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যা ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। ভাইরাসটি টি-কোষ আক্রমণ করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে ফেলে এবং পর্যায়ক্রমে দেহ বিভিন্ন সংক্রমণ ও জটিল রোগ প্রতিরোধে অক্ষম হয়ে পড়ে। যখন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে যায়, তখনই এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এইচআইভি সংক্রমণের প্রধান কারণ হলো আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে অনিরাপদ যৌনসম্পর্ক, দূষিত রক্ত বা রক্তজাত পণ্য গ্রহণ, মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে একই সুচ পুনঃব্যবহার, এবং আক্রান্ত মা থেকে গর্ভাবস্থা, প্রসব কিংবা বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ। তবে দৈনন্দিন সামাজিক আচরণ যেমন আলিঙ্গন, হাত মেলানো, একই টয়লেট বা থালাবাসন ব্যবহার করা কিংবা মশা বা পোকামাকড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় না।

গবেষণায় ধারণা করা হয়, ১৯২০ এর দশকে পশ্চিম আফ্রিকার শিম্পাঞ্জি থেকে মানুষের মধ্যে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। শিকার করা এবং মাংস খাওয়ার মাধ্যমে এই আন্তঃপ্রজাতি সংক্রমণ শুরু হয়। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে ভাইরাসটি আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এবং পরে বিশ্বের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে, যদিও দীর্ঘ সময় ধরে এটি চিকিৎসকদের নজরের বাইরে ছিল।

বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে প্রথম এইচআইভি রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১২,৪২২ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এবং এ সময়ে ২,২৮১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ১৬,৮৬৩ জন আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৩৮ এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৯৫ জন। সাধারণ জনগোষ্ঠীতে সংক্রমণের হার ০.১ শতাংশের নিচে থাকলেও কিছু ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীতে এ হার তুলনামূলকভাবে বেশি। উন্নত চিকিৎসা ও সচেতনতার কারণে মৃত্যুহার কমছে।

 

বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে এইডসকে একটি মানবিক ও জনস্বাস্থ্য বিষয় হিসেবে দেখা হয়। ধর্মীয় নেতারা বৈষম্যহীন আচরণ, সঠিক তথ্য প্রচার এবং আক্রান্তদের সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আজ রক্ত সঞ্চালনের আগে বাধ্যতামূলক রক্ত পরীক্ষা এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে গেছে। এইচআইভি/এইডস বর্তমানে নিয়ন্ত্রিত দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সচেতনতা এবং নিরাপদ জীবনধারা অনুসরণই এই ভাইরাস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আক্রান্তদের প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতা তাদের চিকিৎসা ও সুস্থ জীবনে ফিরে যাওয়ার পথ সহজ করে তোলে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
সোমবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে দলটির নেতারা বক্তব্য রাখেন। ছবি : সংগৃহীত
জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জামায়াতের

‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ এবং ‘গণভোট’ নিয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট পিটিশনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সরকারের ইন্ধন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে জাতীয় সংসদের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়কে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।   সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে দলটির নেতারা এসব কথা বলেন।   ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশে যাতে ফ্যাসিবাদী শাসন আর ফিরে না আসে, সেজন্য সংস্কার প্রস্তাবগুলো দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হয়েছে। আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে, যেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে আলোচনা করবেন। কিন্তু একটি মহল বিষয়টিকে আদালতের কাঁধে ঠেলে দিয়ে নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।   তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মতো রাজনৈতিক বিষয়গুলো আদালতের মাধ্যমে সমাধান করতে গিয়ে দেশে ১৬ বছরের দীর্ঘ জাতীয় বিপর্যয় নেমে এসেছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশবাসী আর দেখতে চায় না।   সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির ব্রিফিংয়ে আইনি বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, দুটি রিট পিটিশনের মাধ্যমে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ’ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। শিশির মনির বলেন, গণভোট ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং জনগণ তাদের রায় দিয়েছে। এখন প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ করার অর্থ হলো জনগণের ফলাফলকেই চ্যালেঞ্জ করা। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।   তিনি আরও বলেন, সংসদ অধিবেশন শুরু হতে মাত্র ১০ দিন বাকি। এই সময়ে তড়িঘড়ি করে রিট করার পেছনে তিনি স্পষ্টত সরকারের ইন্ধন লক্ষ্য করেছেন। উদ্দেশ্য হলো বিষয়টিকে ‘সাব-জুডিস’ বা বিচারাধীন দেখিয়ে সংসদকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা দেওয়া।   অ্যাডভোকেট শিশির মনির যুক্তি দেন যে, উচ্চমাত্রার রাজনৈতিক সংবেদনশীল বিষয়গুলো আদালতের বিবেচনার বাইরে থাকে, যাকে ‘ডকট্রিন অব পলিটিক্যাল কোয়েশ্চন’ বলা হয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘৫ আগস্টের বিপ্লব বা অন্তর্বর্তী সরকার কি আদালতের নিয়ম মেনে হয়েছে? যদি গণভোট অবৈধ হয়, তবে একই দিনে একই ব্যালটে হওয়া জাতীয় নির্বাচন কেন অবৈধ হবে না? কেন শুধু সুবিধাজনক অংশটুকু রাখা হচ্ছে আর অসুবিধাজনক অংশ বাতিলের দাবি উঠছে?’   তিনি বর্তমান বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। বলেন, যদি জুলাই সনদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো আদেশই বৈধ না হয়, তবে এই সরকারের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকদের অবস্থানও প্রশ্নের মুখে পড়বে। একটি বিপ্লব-পরবর্তী চার্টারকে অপ্রাসঙ্গিক করার উদ্যোগ নেওয়া হলে তা বড় ধরনের রাজনৈতিক ও আইনি ভুল হিসেবে গণ্য হবে।   ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমানসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ

রুমমেটকে হত্যার পর তার লাশ সাত টুকরো করার অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহিন আলমের পাঁচ দিনের রিমান্ড | ছবি : সংগৃহীত

রুমমেটকে হত্যার পর ৭ টুকরো : আসামি শাহিন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি : সংগৃহীত

মোস্তফা জুলফিকার হাসানকে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব পদে নিয়োগ

ছবি : সংগৃহীত
ডেপুটি স্পিকার পদ প্রধান বিরোধী দল জামায়াতকে দেওয়ার প্রস্তাব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদটি প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামকে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা এখন থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু করতে চাই। আমরা দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিক ও সাক্ষাতে অফার করেছি, তারা যেন ডেপুটি ঠিক করেন। এ ছাড়া স্পিকার নির্বাচনের দিনই যেন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হতে পারে। উচ্চকক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আলাপ-আলোচনার বিষয়। তবে আমরা ডেপুটি স্পিকার দেওয়ার বিষয়টি এখন অফার করতেই পারি। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার একজন বিরোধী দল থেকে হবেন। সেটা আমরা এখনই গুড উইল হিসেবে অফার করেছি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০২, ২০২৬ 0

বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ হবে এ সপ্তাহেই

জানাজায় শিক্ষার্থীরা।

জবিতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত

৯৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিট রিপোর্ট প্রকাশ: আত্মসাৎকৃত প্রায় ৯০ কোটি টাকা ফেরতের সুপারিশ

ছবি: সংগৃহীত
হাজিরা শিট জমায় গাফিলতি : ২৭ কেন্দ্র সচিবকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শোকজ

এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির পরীক্ষা-২০২৫ এর হাজিরা শিট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো বোর্ডে জমা না দেওয়ায় ২৭টি কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। আজ রোববার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ কথা বলা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০১২’ এবং বোর্ডের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের হাজিরা শিট, শিরোনামপত্র এবং অনুপস্থিত তালিকার হার্ডকপি বোর্ডের ভোকেশনাল শাখায় জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হওয়ায় এসব কাগজপত্র জমা দেওয়ার সর্বশেষ তারিখ ছিল ১০ ডিসেম্বর। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার দুই মাস পরও সংশ্লিষ্ট ২৭টি কেন্দ্র থেকে এসব নথিপত্র বোর্ডে পৌঁছায়নি। পরীক্ষা সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর কাজে এই ধরনের চরম গাফিলতিকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে বোর্ড। কেন ওইসব কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব পদসহ কেন্দ্রের স্বীকৃতি বাতিল করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার লিখিত জবাব আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০১, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

১২০০ নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ডাকসুর গণইফতার অনুষ্ঠিত

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।

‘ইরানে হামলা বন্ধ না হলে জামায়াত বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে’

শনিবার দুপুরে তিনি যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় যান অধ্যাপক ইউনূস | ছবি : সংগৃহীত

যমুনা ছেড়ে গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরলেন ড. ইউনূস

0 Comments