আন্তর্জাতিক

আগামী ৫০ বছরে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে যেসব দেশ

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্রকে সাধারণত স্থায়ী বলে মনে করা হলেও ইতিহাস বলছে—রাষ্ট্র, সীমানা ও সার্বভৌমত্ব সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। রোমান সাম্রাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়ার মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রও একসময় বিলুপ্ত বা বিভক্ত হয়েছে।

 

বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, গৃহযুদ্ধ ও জাতিগত বিভাজনের কারণে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্বের কিছু দেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশ:

 

মালদ্বীপ:  সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুবই নিচু অবস্থানে থাকায় মালদ্বীপ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সমুদ্রের উচ্চতা বাড়লে দেশের বড় অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

কিরিবাতি:  কিরিবাতির বহু দ্বীপ ইতোমধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে। সরকার নাগরিকদের পুনর্বাসনের জন্য বিদেশে জমি কেনার উদ্যোগও নিয়েছে।

 

তুভালু: নিয়মিত জোয়ার ও লবণাক্ত পানির কারণে তুভালুতে কৃষি ও সুপেয় পানির সংকট তৈরি হচ্ছে। ফলে মানুষ ধীরে ধীরে দেশ ছাড়তে বাধ্য হতে পারে।

 

রাজনৈতিক ও জাতিগত বিভাজনের চাপ:

 

বেলজিয়াম: ফ্ল্যান্ডার্স ও ওয়ালোনিয়া অঞ্চলের ভাষাগত ও রাজনৈতিক বিভাজন বেলজিয়ামকে কার্যত দুই ভিন্ন সমাজে পরিণত করেছে।

 

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা: জটিল শাসনব্যবস্থা ও জাতিগত বিভাজন দেশটির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করছে।

 

ইরাক: কুর্দি অঞ্চলসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দেশটির জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে তুলছে।

 

যুদ্ধ ও শাসন সংকটে ভঙ্গুর রাষ্ট্র: 

 

ইয়েমেন:  দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে দেশটি বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হয়ে গেছে।

 

লিবিয়া: ২০১১ সালের পর থেকে একাধিক সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত দেশ।

 

হাইতি: রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গ্যাং সহিংসতায় দেশের বড় অংশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

 

সোমালিয়া: দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বিভক্ত রাষ্ট্র কাঠামো; কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত।

 

বিচ্ছিন্নতাবাদ ও অভ্যন্তরীণ সংকট: 

 

যুক্তরাজ্য: স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার দাবি এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী অনিশ্চয়তা দেশের ঐক্যকে চাপে ফেলেছে।

 

স্পেন: কাতালোনিয়া ও বাস্ক অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী আন্দোলন স্পেনের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

 

মলদোভা: ট্রান্সনিস্ট্রিয়া অঞ্চলসহ ভূরাজনৈতিক বিভাজন দেশটিকে দুর্বল অবস্থায় রেখেছে।

 

সাইপ্রাস: উত্তর ও দক্ষিণ সাইপ্রাসের দীর্ঘ বিভাজন এখনো সমাধান হয়নি।

 

উত্তর কোরিয়ার অনিশ্চয়তা: 

 

উত্তর কোরিয়া: খাদ্য সংকট, কঠোর তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেশটির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে রেখেছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব দেশ একদিনে হারিয়ে যাবে না। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জাতিগত বিভাজন ধীরে ধীরে রাষ্ট্র কাঠামো দুর্বল করে দিতে পারে, যা ভবিষ্যতে বিশ্ব মানচিত্র পরিবর্তনের কারণ হতে পারে।

সূত্র: ট্রাভেল পাগ, নিউজব্রেক, ইউরোনিউজ

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আগামী ৫০ বছরে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে যেসব দেশ

বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্রকে সাধারণত স্থায়ী বলে মনে করা হলেও ইতিহাস বলছে—রাষ্ট্র, সীমানা ও সার্বভৌমত্ব সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। রোমান সাম্রাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়ার মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রও একসময় বিলুপ্ত বা বিভক্ত হয়েছে।   বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, গৃহযুদ্ধ ও জাতিগত বিভাজনের কারণে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্বের কিছু দেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে।   জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশ:   মালদ্বীপ:  সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুবই নিচু অবস্থানে থাকায় মালদ্বীপ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সমুদ্রের উচ্চতা বাড়লে দেশের বড় অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   কিরিবাতি:  কিরিবাতির বহু দ্বীপ ইতোমধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে। সরকার নাগরিকদের পুনর্বাসনের জন্য বিদেশে জমি কেনার উদ্যোগও নিয়েছে।   তুভালু: নিয়মিত জোয়ার ও লবণাক্ত পানির কারণে তুভালুতে কৃষি ও সুপেয় পানির সংকট তৈরি হচ্ছে। ফলে মানুষ ধীরে ধীরে দেশ ছাড়তে বাধ্য হতে পারে।   রাজনৈতিক ও জাতিগত বিভাজনের চাপ:   বেলজিয়াম: ফ্ল্যান্ডার্স ও ওয়ালোনিয়া অঞ্চলের ভাষাগত ও রাজনৈতিক বিভাজন বেলজিয়ামকে কার্যত দুই ভিন্ন সমাজে পরিণত করেছে।   বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা: জটিল শাসনব্যবস্থা ও জাতিগত বিভাজন দেশটির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করছে।   ইরাক: কুর্দি অঞ্চলসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দেশটির জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে তুলছে।   যুদ্ধ ও শাসন সংকটে ভঙ্গুর রাষ্ট্র:    ইয়েমেন:  দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে দেশটি বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হয়ে গেছে।   লিবিয়া: ২০১১ সালের পর থেকে একাধিক সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত দেশ।   হাইতি: রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গ্যাং সহিংসতায় দেশের বড় অংশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।   সোমালিয়া: দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বিভক্ত রাষ্ট্র কাঠামো; কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত।   বিচ্ছিন্নতাবাদ ও অভ্যন্তরীণ সংকট:    যুক্তরাজ্য: স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার দাবি এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী অনিশ্চয়তা দেশের ঐক্যকে চাপে ফেলেছে।   স্পেন: কাতালোনিয়া ও বাস্ক অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী আন্দোলন স্পেনের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।   মলদোভা: ট্রান্সনিস্ট্রিয়া অঞ্চলসহ ভূরাজনৈতিক বিভাজন দেশটিকে দুর্বল অবস্থায় রেখেছে।   সাইপ্রাস: উত্তর ও দক্ষিণ সাইপ্রাসের দীর্ঘ বিভাজন এখনো সমাধান হয়নি।   উত্তর কোরিয়ার অনিশ্চয়তা:    উত্তর কোরিয়া: খাদ্য সংকট, কঠোর তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেশটির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে রেখেছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব দেশ একদিনে হারিয়ে যাবে না। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জাতিগত বিভাজন ধীরে ধীরে রাষ্ট্র কাঠামো দুর্বল করে দিতে পারে, যা ভবিষ্যতে বিশ্ব মানচিত্র পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। সূত্র: ট্রাভেল পাগ, নিউজব্রেক, ইউরোনিউজ

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

কিউবার সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ক্যারিবিয়ান সাগরে মার্কিন রণতরী মোতায়েন

ছবি: সংগৃহীত

চার দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ

ছবি: সংগৃহীত
শিশু নিরাপত্তা আইন না মানায় অস্ট্রেলিয়ায় এক্সকে জরিমানা

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার আইন মানতে ব্যর্থ হওয়ায় ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সকে জরিমানা করেছে দেশটির আদালত।   অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট নিরাপত্তা সংস্থা ই-সেফটি ২০২৩ সালে টুইটারের কাছে জানতে চেয়েছিল, শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ক্ষতিকর কনটেন্ট ঠেকাতে তারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে।   পরে টুইটার এক্সে রূপান্তরিত হলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় তথ্য পুরোপুরি দেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়।   বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল আদালত সেই জরিমানা বহাল রেখে এক্সকে ৬ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পরিশোধের নির্দেশ দেয়।   আদালত বলেছে, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতেই এই জরিমানা দেওয়া হয়েছে।   ই-সেফটির প্রধান জুলি ইনম্যান গ্রান্ট বলেন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট ঠেকাতে কী করছে, তা জনগণের জানার অধিকার আছে।

আক্তারুজ্জামান মে ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসায়ও বাধ্যতামূলক করা হল ‘বন্দে মাতরম’

ছবি : সংগৃহীত

অর্ধেক কাজ শেষ, হরমুজের বিকল্প তৈরিতে মরিয়া আমিরাত

ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে শিশুসহ ২১ জন নিহত

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানকে কোনো ছাড় নেই: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই বিবেচনা করবেন না। ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের চলমান আলোচনার মধ্যেই হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এমন কঠোর বার্তা এলো।    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি তড়িঘড়ি করতে রাজি নন এবং প্রয়োজনে তিনি আরও কয়েক দিন বা তার চেয়েও বেশি সময় অপেক্ষা করতে প্রস্তুত আছেন।   বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে মূল সিদ্ধান্তের বিষয়টি দাঁড়িয়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নাকি তা ভেঙে দিয়ে পুনরায় নতুন করে সামরিক অভিযান বা আক্রমণ শুরু করা। ট্রাম্প দাবি করেছেন, কয়েকজন উপসাগরীয় (গাল্ফ) নেতা তাকে ফোন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানানোর পর তিনি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে যেকোনো মুহূর্তে, এমনকি মাত্র এক ঘণ্টার নোটিশেও তিনি পুনরায় আক্রমণ শুরু করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।   ইরানের সঙ্গে চলমান এই আলোচনার অগ্রগতি বা এর অভ্যন্তরীণ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যাদের সাথে এই মুহূর্তে যোগাযোগ রক্ষা করছে, তাদের কয়েকজন অত্যন্ত ‘যুক্তিপূর্ণ’ বা ‘বিবেচক’।   সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ইরানকে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা নিষেধাজ্ঞা ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প মূলত আলোচনার টেবিলে নিজের দর-কষাকষির অবস্থান আরও শক্ত করলেন। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থানের পর এখন পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে ইরানের পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এবং পদক্ষেপের ওপর। বেইজিং বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার পর এই মধ্যপ্রাচ্য নীতি বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।   সূত্র: আল-জাজিরা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২১, ২০২৬
রাউল কাস্ত্রো। ছবি: সংগৃহীত

রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ

ছবি : সংগৃহীত

প্যাট্রিস লুমুম্বা হত্যাকাণ্ডের শেষ জীবিত সন্দেহভাজন মৃত্যুবরণ করলেন

ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১৬

0 Comments