জাতীয়

৮ বছরের মধ্যে সব প্রতিবন্ধীকে সরকারি ভাতার আওতায় আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আক্তারুজ্জামান মে ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আগামী আট বছরের মধ্যে দেশের কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরকারি ভাতার বাইরে থাকবে না।

 

শনিবার বিকেলে নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে প্রতিবন্ধীদের তালিকাভুক্ত করে ভাতার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হবে। যেসব পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে, তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি বলেন, “সবাইকে ভাতা দেওয়া হবে। তবে এ জন্য কাউকে কোনো টাকা দিতে হবে না। কেউ টাকা দাবি করলে আমাদের জানাবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

নির্বাচনী অঙ্গীকারের প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সন্তানদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

দেশে হাম রোগ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন ওষুধ আমদানি করা হয়েছে এবং নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

 

এ সময় অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “একটি দালালচক্র লেবার পেইনের ভয় দেখিয়ে অপ্রয়োজনীয় সিজারের মাধ্যমে নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে।” এ সমস্যা মোকাবিলায় দ্রুত এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

 

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৬৬ জন উপকারভোগীর মধ্যে কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসরাত জাহান কেয়া। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মনজুর এলাহী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে চায় সৌদি আরব

বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব।   ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।   বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।     পুলিশ সদর দফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ এ বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক নিরাপত্তা কৌশল, গুজব ও ভুয়া তথ্য যাচাইসহ মানবপাচার এবং নিরাপত্তা সহায়তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।   আইজিপি উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত ডায়ালগ, উত্তম চর্চা ও তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।    তিনি সাইবার নিরাপত্তা, মানবপাচার ও বাংলাদেশ পুলিশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি পুলিশিং ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা করেন।   এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে মাহান এয়ারে ইরানে গেলেন স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত

বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর নিয়ে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধে যানজট

ছবি: সংগৃহীত
কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাকৃবির সমঝোতা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি শিক্ষা, গবেষণা এবং একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি (সিএইউ)। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে সিএইউ হাব ফর কান্ট্রি অ্যান্ড রিজিয়ন স্টাডিজ।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাকৃবির উপাচার্যের কার্যালয়ে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। পরে কৃষি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় নবগঠিত সিএইউ হাব উদ্বোধন করেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল।   এই চুক্তির মাধ্যমে চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার এবং বাকৃবির কৃষি অনুষদ ও কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলো।   সমঝোতা কার্যক্রমের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের এবং কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।   অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, এই চুক্তির আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। এছাড়া বাকৃবির চারজন শিক্ষার্থী চীনে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। নবপ্রতিষ্ঠিত সিএইউ হাব এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও বাস্তবায়নের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।   চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামসহ বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শিওলি জু ও অধ্যাপক ড. চুয়ানহং ঝাং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এই সমঝোতা চুক্তি বাংলাদেশের কৃষিকে আরও আধুনিক, টেকসই ও সহনশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।   তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত গবেষণা। এই সমঝোতা স্মারক সেই গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পথ সুগম করবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি হলেও ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পটিয়ার কবরস্থান থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

১০ জুলাই ঢাকা মেডিক্যাল পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি।

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ছবি : সংগৃহীত
সরকারি অফিসে টানা ছুটির সুযোগ, বেসরকারিতেও থাকছে সুখবর

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আগামী আগস্টে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ আগস্ট (বুধবার) এ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরদিন ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সরকারি অফিস খোলা থাকলেও, ২৮ ও ২৯ আগস্ট যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বৃহস্পতিবার এক দিনের ছুটি নিলে বা সরকারিভাবে সমন্বয় করা হলে সরকারি চাকরিজীবীরা একটানা চার দিনের অবকাশ উপভোগের সুযোগ পেতে পারেন। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা রয়েছে। তবে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট জরুরি সেবাগুলো স্বাভাবিকভাবেই চালু থাকবে। ছুটির সময় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, ডাকসেবা, হাসপাতাল, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এছাড়া জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথারীতি দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ছুটিকালীন কার্যক্রম সম্পর্কে পৃথক নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে উচ্চ ও নিম্ন আদালতের ছুটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় প্রতি বছরই অনেক চাকরিজীবী পরিবার নিয়ে ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত কাজের পরিকল্পনা করেন। এবারও টানা চার দিনের ছুটির সম্ভাবনায় তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর সরকারি ছুটির চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে চাঁদ দেখার ওপর।

মারিয়া রহমান জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ছবি : সংগৃহীত

দেশে উদ্ভাবিত হলো ধানের ৩টি নতুন জাত

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথ প্রকল্পের অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী

0 Comments