সর্বশেষ

রেজিস্ট্রেশন অধিদপ্তরে ঐতিহাসিক অর্জন

শাহ মোঃ সিজু মিয়া অক্টোবর ২০, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নিবন্ধন অধিদপ্তরের ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর অবশেষে প্রথমবারের মতো নিজস্ব নিয়োগবিধি পেলেন এ অধিদপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার (২০ অক্টোবর) আইন মন্ত্রণালয় ‘নিবন্ধন অধিদপ্তর (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ নামে গেজেট প্রকাশ করে।

 

এই বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে অধিদপ্তরের দীর্ঘদিনের একটি বড় দাবি পূরণ হলো। কর্মকর্তারা বলছেন, এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী নানা প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটবে এবং পেশাগত মর্যাদা ও পদোন্নতির পথ সুগম হবে। বিশেষত সাবরেজিস্ট্রাররা এখন থেকে ধাপে ধাপে সর্বোচ্চ পদ ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিস্ট্রেশন (আইজিআর) পর্যন্ত পদোন্নতির সুযোগ পাবেন।

 

গেজেট অনুযায়ী, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৫৯(১) ধারা ও সংবিধানের ১৪০(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে পরামর্শক্রমে এ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে প্রতিটি পদের জন্য সরাসরি নিয়োগ, পদোন্নতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দায়িত্বের বিস্তারিত নির্দেশনা উল্লেখ রয়েছে।

 

বিধিমালার মাধ্যমে নতুন করে অ্যাডিশনাল আইজিআর (AIGR) এবং ডেপুটি আইজিআর (DIGR) পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি আইআরও/এআইজিআর পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭টি। এর ফলে রেজিস্ট্রেশন অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, এ অধিদপ্তরের যাত্রা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দালিলিক প্রথা চালুর মধ্য দিয়ে। পরে ১৯০৮ সালে রেজিস্ট্রেশন আইন প্রবর্তিত হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে গেজেটেড অফিসার্স (রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট) রিক্রুটমেন্ট রুলস প্রণয়ন করা হয়, যা ১৯৯৬ সালে সংশোধিত হয়। তবে নিজস্ব নিয়োগবিধির দাবি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে ছিল।

 

২০২১ সালে নিয়োগবিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা ২০২২ সালের ১২ মে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়। বহু প্রশাসনিক বাধা ও সময়ক্ষেপণের পর অবশেষে পিএসসির মতামতসহ ২০২৫ সালে এই বিধিমালা আইন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন পায় এবং আজ তা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলো।

 

এই অর্জনকে রেজিস্ট্রেশন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য” হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রত্যাশা, নতুন নিয়োগবিধির মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও পেশাগত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সর্বশেষ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
রমজান ঘিরে রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি

রমজানের ইফতার ও সাহরির বিশেষ আয়োজনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম চড়া। বিশেষ করে মুরগি, গরুর মাংস এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিক্রেতারা জানান, স্বাভাবিকের তুলনায় সরবরাহ গত কয়েক সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। এছাড়া রমজানের বিভিন্ন পারিবারিক আয়োজন ও ইফতার-সাহরির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।   মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়।   লেবু পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। মরিচের দামও কেজিতে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন সবজির দামও বেড়েছে। গোল ও লম্বা বেগুন কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে কেজিপ্রতি ৪০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০-৫০ টাকায়। শিম কেজিপ্রতি ৪০ এবং টমেটো ৫০-৬০ টাকায়। বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০-৪০, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের লাউ পাওয়া যাচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। নতুন পিঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।   গরুর মাংস কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮২০-৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,০৫০-১,১০০ টাকায়।   মাছের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। চাষের তেলাপিয়া, পাঙাশ, পাবদা, কই, শিং, রুই, কাতলের দাম আগের তুলনায় কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে। রুই মাছ কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০ টাকায়, কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ৬৫০-৭৫০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।   চালের বাজারে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ টাকা এবং রশিদ মিনিকেটের দাম ৭৫-৮০ টাকা। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেল ৯০ টাকায়।   ডালের মধ্যে চিকন মসুর ১৫৫, মোটা মসুর ১০০, বড় মুগ ১৪০, ছোট মুগ ১৭০, খেসারি ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ৮০-৯০ এবং মাষকলাই ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।   বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজানজুড়ে চাহিদা বেশি থাকায় দামের এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। তারা সতর্ক করছেন, পণ্যের সরবরাহ ও বাজার পর্যবেক্ষণ না করলে ইফতার-সাহরির বিশেষ সময়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর চড়া দাম আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশে আজ থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ছবি : সংগৃহীত

টাইম ট্র্যাকিং সফটওয়্যার ‘টিমোডেস্ক’

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার

ছবি : সংগৃহীত
পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র ছাড়বেন না: জামায়াত আমীর

পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কেউ ভোটকেন্দ্র ত্যাগ না করার নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।       তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে দলের সকল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেন। পোস্টে তিনি বলেন, ভোট গণনা সম্পন্ন হওয়া এবং চূড়ান্ত ফলাফল   ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় তিনি সকলকে ধৈর্যশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

আক্তারুজ্জামান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের দায়ে বিএনপি-জামায়াতের ১৬ কর্মী আটক

ছবি: সংগৃহীত

রাত পোহালেই ভোট : ৯ লাখ বাহিনীর নিশ্ছিদ্র পাহারায় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

প্রিজাইডিং অফিসারকে ধাক্কা, জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের হাতাহাতি

ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

বগুড়ার ধুনট সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মিলন মিয়া (২২) ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকাশী ইউনিয়নের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।   আহত মিলন মিয়া চিকাশী ইউনিয়নের ছোনপঁচা গ্রামের ইদ্রীস আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।   চিকাশী ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের একজন এজেন্টের ছবি নিয়ে মিলন ভোটকেন্দ্রের সামনে দিয়ে ফিরছিলেন। এ সময় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থক জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন কর্মী তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে মিলনের মাথায় ছুরিকাঘাত করা হয়।   ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান বলেন, আহত ছাত্রদল নেতা মিলন মিয়াকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় সেলাই দেওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসক সিটি স্ক্যান করার পরামর্শ দিয়েছেন।   ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল নেতা মিলন মিয়ার মাথায় ছুরিকাঘাতের বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের লোকজনের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ করেছে বিএনপি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আক্তারুজ্জামান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

খাগড়াছড়ি আসনে প্রার্থীর নির্বাচন বয়কট

ছবি: সংগৃহীত

ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ

ছবি : সংগৃহীত

আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

0 Comments