খেলাধুলা

এশিয়ান যুব গেমসে কাবাডিতে বাংলাদেশের প্রথম পদক

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২১, ২০২৫

তৃতীয় এশিয়ান যুব গেমসে প্রথমবারের মতো পদক জিতেছে বাংলাদেশ। আজ (সোমবার) বাহরাইনের ঈসা স্পোর্টস সিটিতে অনুষ্ঠিত নারী কাবাডি ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪৭-৪০ পয়েন্টে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী কাবাডি দল।

এর আগে প্রথম দুই আসরে কোনো পদক পায়নি বাংলাদেশ। এবারের প্রতিযোগিতায় নারী কাবাডিতে অংশ নেয় পাঁচটি দেশ—ইরান, ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ। নিয়ম অনুযায়ী শীর্ষ চারটি দল পদক পায়। ফলে আজকের ম্যাচে জয় মানেই বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পদক।

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ২৫-১৮ পয়েন্টে। দ্বিতীয়ার্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে দুই দলই ২২ পয়েন্ট করে অর্জন করে। ফলে মোট ৪৭-৪০ পয়েন্টে জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশের মেয়েরা। কারণ, এশিয়ান যুব গেমসের ইতিহাসে এই প্রথমবার দেশের অনূর্ধ্ব-১৮ নারী কাবাডি দল এনে দিল পদক।

অন্যদিকে, পুরুষ বিভাগে সাতটি দল অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কা ও ইরানকে হারিয়েছে। আজ রাতেই থাইল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে পুরুষ দল। জয় পেলে তারাও পদকের দৌড়ে টিকে থাকবে।

এক যুগ পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া যুব এশিয়ান গেমসের তৃতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামীকাল। এবারের আসরে ২৫ ডিসিপ্লিনের মধ্যে বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে ১৩টিতে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আসিয়ান কাপের মিশনে বাংলাদেশের প্রস্তুতি শুরু, দেরিতে যোগ দেবেন মিতুল

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হচ্ছে ফিফা আসিয়ান কাপ টুর্নামেন্ট। প্রথমবারের মতো ফিফা স্বীকৃত কোনো চূড়ান্ত পর্যায়ের টুর্নামেন্টে খেলবে বাংলাদেশ। আর আসন্ন এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে রাজধানীর এক শীর্ষ হোটেলে আজ থেকে ক্যাম্প শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। আসিয়ান টুর্নামেন্টের জন্য জাতীয় দলের আমেরিকান-জার্মান কোচ থমাস ডুলি ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন। আজ সকালে ফুটবলারদের রিপোর্টিং ছিল। নির্ধারিত সময়ে রিপোর্ট করেছেন ১৮ জন ফুটবলার। মোহামেডানের মোট নয়জন ফুটবলাররা আজ সন্ধ্যায় যোগ দিয়েছেন। শুধুমাত্র গোলরক্ষক মিতুল মারমা আজ রিপোর্ট করেননি। জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার আমের খান বলেন, ‘মিতুলের স্ত্রী অসুস্থ। পরিবারের পাশে থাকতে তিনি সময় চেয়েছেন। কোচও তাতে সায় দিয়েছেন। পরিবারের সংকট কাটিয়ে মিতুল ক্যাম্পে ফিরবে।’ জাতীয় ফুটবল দলের জন্য খেলোয়াড়দের ছাড় দেওয়া নিয়ে খানিকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল ক্লাবগুলো। আজ সকালে মোহামেডান ক্লাব ফুটবলারদের ডেকেছিল। এরপরই বিকেলে জাতীয় দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত হয়। মোহামেডানের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূইয়া বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে আমরা অবশ্যই খেলোয়াড় ছাড়ব। তবে ফেডারেশন থেকে চিঠি তো পেতে হবে। চিঠি পাওয়ার পরেই আমরা জাতীয় দলে ছাড়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছি। ক্লাব ক্যাম্প শুরু হলে আবার ফিরে আসতে হবে।’ আজ বিকেলে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশ দলের অনুশীলন করার কথা থাকলেও হয়নি। কোচিং স্টাফ কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করেছে। আগামীকাল থেকে পুরোদমে প্র্যাকটিস হওয়ার কথা। ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার আগে কয়েকদিন জাতীয় স্টেডিয়ামেও হতে পারে অনুশীলন।

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের ৮০ শতাংশ স্বপ্ন পূরণ হয়েছে: হাসান মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

বার্সেলোনার নতুন গোলরক্ষক লিভাকোভিচ, চুক্তি ২০৩০ পর্যন্ত

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতে ঢাকায় ঋতুপর্ণা, ভিসা জটিলতায় অনিশ্চিত জিমির চীনযাত্রা

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে দল কমানোয় আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনায় স্টিভ ওয়াহ

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা কমিয়ে ১২ করায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট কিংবদন্তি স্টিভ ওয়াহ।   দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠেয় আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য শুরুতে ১৪ দল নিয়ে পরিকল্পনা করা হলেও পরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কমিয়ে ১২ করা হয়। আইসিসির এই পরিবর্তনকে ক্রিকেটের বৈশ্বিক বিস্তারের পথে বাধা হিসেবে দেখছেন ১৯৯৯ বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়ক।   নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা পাবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েও সরাসরি অংশ নেবে। অর্থাৎ র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০ দলের বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত হবে। বাকি দুটি জায়গা নির্ধারিত হবে বাছাইপর্বের মাধ্যমে।   একটি দল বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে উঠবে। অন্য দলটি নির্ধারিত হবে বাছাইপর্বে ১২, ১৩ ও ১৪তম অবস্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যকার ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।   ‘এটি পেছনের দিকে যাওয়ার প্রক্রিয়া’: ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইসিসির নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্টিভ ওয়াহ। তার মতে, বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া ক্রিকেটের বৈশ্বিক সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।   স্টিভ ওয়াহ বলেন, ওয়ানডে বিশ্বকাপ ১৪ থেকে ১২ দলে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তিনি বুঝতে পারছেন না। ফুটবল বিশ্বকাপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ফিফা যেখানে বিশ্বকাপের দল ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করেছে, ক্রিকেট সেখানে উল্টো পথে হাঁটছে।   ক্রিকেটকে সত্যিকার অর্থে বৈশ্বিক খেলায় পরিণত করতে হলে আরও বেশি দেশকে সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সাবেক এই অজি অধিনায়ক।   তার মতে, সহযোগী ও উদীয়মান দেশগুলোকে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আরও বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এসব দেশের খেলোয়াড় ও ক্রিকেট কাঠামোর উন্নতি সম্ভব।   সহযোগী দেশগুলোরও ক্ষোভ: ২০২৭ বিশ্বকাপের নতুন কাঠামো নিয়ে এর আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেট বোর্ড। চলতি আগস্টে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ক্রিকেট স্কটল্যান্ড ও রয়্যাল ডাচ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বিশ্বকাপ শুরুর ১৮ মাসেরও কম সময় আগে বাছাই প্রক্রিয়া ও টুর্নামেন্টের কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে তারা গভীরভাবে হতাশ। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মতে, এ ধরনের পরিবর্তন সহযোগী সদস্যদেশগুলোর ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের প্রসারে গত কয়েক বছরে যে অগ্রগতি হয়েছে, সেটিও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   তাদের দাবি, ক্রিকেট যখন নতুন দর্শক তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তখন উদীয়মান দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপে যাওয়ার অর্থবহ সুযোগ কমিয়ে দেওয়া ইতিবাচক বার্তা দেয় না। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে বেশি সংখ্যক দেশের অংশগ্রহণ ক্রিকেটের প্রসার ও প্রতিযোগিতার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে—স্টিভ ওয়াহর বক্তব্যেও মূলত সেই বিষয়টিই উঠে এসেছে। এখন আইসিসির নতুন কাঠামো আগামী বিশ্বকাপে কী প্রভাব ফেলে, সেটিই দেখার বিষয়।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ীদের সংবর্ধনা বাতিল করল বার্সেলোনা

ছবি: সংগৃহীত

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ শেষে ক্রিকেটকে বিদায় বলবেন ডিন এলগার

ছবি: সংগৃহীত

ইনস্টাগ্রাম বার্তা থেকে বাংলাদেশ দলে, সুলিভান ভাইদের তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা

ছবি- এএফপি
বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে প্রথমবার টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্টার্ক

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে বিধ্বংসী বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আইসিসি টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে উঠে এসেছেন ৩৬ বছর বয়সী স্টার্ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২ রানে ৬ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই দুই দিনের মধ্যে ইনিংস ও ৫১ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাকাই টেস্টের পারফরম্যান্সে ক্যারিয়ারসেরা ৮৭২ রেটিং পয়েন্ট পেয়েছে স্টার্ক। ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে ৮৬২ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বুমরাহ। নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠেছেন অজি পেসার। প্রায় ১৫ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে ছিলেন স্টার্ক। সম্প্রতি জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা তিনেও। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০ উইকেটের পারফরম্যান্স তাকে এনে দিল র‍্যাঙ্কিংয়ের মুকুট। অন্যদিকে ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়েও বড় লাফ দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। ১৭ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৫৭তম স্থানে উঠে এসেছেন বাঁহাতি এই পেসার। বুমরাহর র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতির পেছনে বড় কারণ চলমান শ্রীলঙ্কা সফরের টেস্ট সিরিজে তার না খেলা। চোট ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে সিরিজ থেকে বাইরে থাকা ভারতের এই পেসার ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন। এরপর মোট ৬৯৭ দিন এক নম্বরে থেকে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রেকর্ড গড়েন তিনি।  র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে স্টার্কের দুই সতীর্থেরও। এক ধাপ এগিয়ে প্যাট কামিন্স উঠেছেন চতুর্থ স্থানে। দুই ধাপ উন্নতি করে শীর্ষ দশে ঢুকেছেন নাথান লায়ন, তার অবস্থান এখন দশম। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে বড় লাফ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ওলি রবিনসনও। দুই ইনিংসে ৫১ রানে ৫ ও ৩৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ১৫ ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের জশ টাং ১৬ ধাপ এগিয়ে আছেন ১৭তম স্থানে। ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। ৮৫০ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা জো রুটের চেয়ে ২৪ পয়েন্ট এগিয়ে তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৯ ও ৬৬ রানের দুটি ইনিংস খেলে ছয় ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন ভারতের রিশাভ পান্ত।

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

১০০ মিলিয়ন ইউরোয় মরক্কোর বিশ্বকাপ তারকাকে দলে নিল ম্যান সিটি

ছবি: সংগৃহীত

মেসির সামনে ক্যারিয়ারের বিরল এক রেকর্ডের শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবল ক্লাব মালিক কারা?

0 Comments