সারাদেশ

টুঙ্গিপাড়ায় দুপুর পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়ায় ভোটার উপস্থিতির হার দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে শুরুতে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।

কেন্দ্রগুলো ঘুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও টহল লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী গড়ে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।


বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ভোটগ্রহণ দিনের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

সচিব বলেন, ‘সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সেখানে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’

ইসি সচিব আরও জানান, সারা দেশের ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে শুরু হবে ভোট গণনার কাজ।

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নিয়মিত বিরতিতে ভোটের সর্বশেষ তথ্য গণমাধ্যমকে জানানোর কথা রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ডিএমডি গ্রেপ্তার

আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (ডিএমডি) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম হায়দার কবির মিথুন (৫৪)। তিনি ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানের ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।   উত্তরা–পূর্ব থানায় করা একটি প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাঁকে আটক করা হয়।   মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি উত্তরখান থানার কাছে ১০ কাঠা জমির ওপর ৯ তলা ভবন নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫ লাখ টাকা। এই প্রলোভনে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন গ্রাহক প্রতিষ্ঠানটির উত্তরা সেক্টর–৪–এর কার্যালয়ে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করেন।   একজন গ্রাহক ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমে ১ লাখ টাকা এবং পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। একই সময়ে তাঁর এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা দেন। অর্থ গ্রহণের বিপরীতে কোম্পানি মানি রিসিট ও চেক দিলেও পরবর্তীতে জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি।   তদন্তে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া নেওয়া থ্রি-স্টার হোটেল ও বিভিন্ন জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।   গ্রাহকেরা টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের ভয়ভীতি দেখানো হতো। পরে জানা যায়, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আত্মগোপনে চলে গেছেন এবং নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে, যারা আগের আর্থিক লেনদেনের দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।   সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ডিএমডি হায়দার কবির মিথুন গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং মামলার পর আত্মগোপনে চলে যান। তাঁর বিরুদ্ধে আরও একাধিক প্রতারণা মামলা রয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১১, ২০২৬ 0
শিশু ঋত্বিক সাহা। ছবি : সংগৃহীত

লিচুর বিচি গলায় আটকে কিশোরগঞ্জে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জামায়াত-বিএনপির ৫ নেতা থানা হেফাজতে

ছবি: সংগৃহীত

মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

ছবি: সংগৃহীত
রোববার টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের কাছাকাছি থাকা গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের কাজ করা হবে। এ কারণে রোববার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।   নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৫ এর আওতাধীন দেওয়ানপাড়া ফিডারের (সোর্স থেকে উকিলের মোড় আইসোলেটর পর্যন্ত) বিভিন্ন এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ থাকবে না।   যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সেগুলো হলো— দেওয়ানপাড়া, বাখরাবাজ, আমিনের মোড়, চেয়ারম্যানের মোড়, নজিরের মোড়, বেলঘড়িয়া, পশ্চিমপাড়া ও উকিলের মোড়।   সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে নেসকো রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নির্বাচিত হলেন সালাহউদ্দিন সুমন

সংগৃহীত ছবি

বিএসএফের গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির লাশ হস্তান্তর

সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি নেতার কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই

ছবি: সংগৃহীত
প্রথম বেতনে বেদে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

দেবিদ্বার উপজেলার পিছিয়ে পড়া বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা চালিয়ে যেতে সহায়তা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। নিজের প্রথম মাসের বেতন থেকে তিনি ৩৪ জন বেদে শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন।   বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘লেটস মিট জিপসি জিনিয়াস’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কর্মসূচির কথা জানান। সেখানে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আয়োজিত একটি সচেতনতামূলক সেশনের ভিডিওও প্রকাশ করা হয়।   অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি। তার মতে, বেদে সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারে মাধ্যমিকের পর মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, যা বন্ধ করা প্রয়োজন।   তিনি জানান, যেসব শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যাবে, তাদের প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে। পড়াশোনা অব্যাহত থাকা পর্যন্ত এই সহায়তা নিয়মিত চলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৩৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রয়োজন ও শিক্ষাগত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়।   তবে বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্তও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে এবং পরীক্ষায় ভালো ফল করতে হবে। অবহেলা বা ফল খারাপ হলে বৃত্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।   হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বেদে সম্প্রদায়ের মেয়েদের শিক্ষিত করা শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং জীবন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্যও জরুরি। শিক্ষা ছাড়া এই সম্প্রদায়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত অন্তত ৫০

ছবি - সংগৃহীত

দীর্ঘ ২১ মাস পর স্কুলে ফিরেই আবেগে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন প্রধান শিক্ষক

ছবি - সংগৃহীত

কেরানীগঞ্জে অবৈধ সিসা কারখানায় অভিযান, গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

0 Comments