আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফরে মাস্ক-কুকসহ যেসব সিইও থাকতে পারেন

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে তার চীন সফরে শীর্ষ মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

বিবিসি লিখেছে, বেইজিংয়ে ট্রাম্পের এ সরকারি সফরে যারা যোগ দিতে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক, ব্ল্যাকরক-এর ল্যারি ফিঙ্ক এবং মেটা, ভিসা, জেপি মরগান, বোয়িং, কার্গিলসহ আরও বেশ কিছু কোম্পানি শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন।

 

সফর পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, ট্রাম্পের এই সফরে মোট ১৭ জন মার্কিন নির্বাহী যোগ দেবেন।

 

দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বৈরিতার মধ্যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের এ সফরকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

মাস্ক, কুক, ফিঙ্ক ছাড়াও আরও যেসব নির্বাহী মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকতে পারেন, তারা হলেন-

 

• ডিনা পাওয়েল ম্যাককর্মিক: প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ারম্যান, মেটা

• কেলি ওর্টবার্গ: প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী, বোয়িং

• রায়ান ম্যাকলনার্নি: প্রধান নির্বাহী, ভিসা

• স্টিফেন শোয়ার্জম্যান: প্রধান নির্বাহী, ব্ল্যাকস্টোন

• ব্রায়ান সাইকস: প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান, কার্গিল

• জেন ফ্রেজার: প্রধান নির্বাহী, সিটি

• জিম অ্যান্ডারসন: প্রধান নির্বাহী, কোহারেন্ট

• হেনরি লরেন্স কাল্প: প্রধান নির্বাহী, জিই অ্যারোস্পেস

• ডেভিড সলোমন: প্রধান নির্বাহী, গোল্ডম্যান স্যাকস

• জ্যাকব থায়সেন: প্রধান নির্বাহী, ইলুমিনা

• মাইকেল মাইব্যাখ: প্রেসিডেন্ট, মাস্টারকার্ড

 

বিবিসি লিখেছে, এই তালিকায় এনভিডিয়া প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তার কোম্পানি কম্পিউটার চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে মার্কিন-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রে রয়েছে।

 

এ বিষয়ে এনভিডিয়ার বক্তব্য জানার চেষ্টা করছে বিবিসি।

 

গত সপ্তাহে হুয়াং সিএনবিসিকে বলেছিলেন, যদি তাকে এই সফরে আমন্ত্রণ জানানো হতো, তবে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে চীনে যাওয়াটা তার জন্য একটা ‘সম্মানের বিষয়’ হতো।

 

সিসকো’র প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান চাক রবিন্সকে এই সফরে যেতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে আয় সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশের কারণে তিনি যেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন কোম্পানির মুখপাত্র।

 

বিবিসি লিখেছে, প্রতিনিধি দলের এ নির্বাহীরা সোশাল মিডিয়া, কনজিউমার হার্ডওয়্যার থেকে শুরু করে কম্পিউটার চিপ এবং ফিনটেকের মত মার্কিন ব্যবসায়িক স্বার্থের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

 

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক বায়োটেকনোলজি কোম্পানি ইলুমিনার একজন মুখপাত্র বলেন, প্রধান নির্বাহী জ্যাকব থায়সেন “প্রতিনিধি দলের অংশ হতে পেরে সম্মানিতবোধ করছেন। কোম্পানি আশা করে, এই সফর “সম্পর্ক জোরদার করার এবং প্রিসিশন মেডিসিনের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি সুযোগ হবে।

 

অন্যান্য কোম্পানির প্রতিনিধিরা মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি।

 

বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্পের চীন সফরকে দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর বাণিজ্য চুক্তির একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে দুই দেশ পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করেছিল, যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছিল।

 

২০২৫ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের শেষ বৈঠকের পর ওই শুল্ক স্থগিত করা হয়েছিল।

 

এবারের বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বড় প্রভাব ফেলছে, যে কারণে ইতোমধ্যে ট্রাম্প ও শির বৈঠক বিলম্বিত হয়েছে।

 

বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্প চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতায় বেইজিং সহায়তা করে।

 

ইরান থেকে সস্তা দরে তেল কেনা চীনও সংঘাতের অবসান চায়। তেলের সরবরাহ সীমিত হয়ে যাওয়ায় চীনা পণ্য কিনে থাকে এমন বহু দেশের ক্রয়ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

তবে তেলের বিশাল মজুদ এবং বহুমুখী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা থাকার কারণে চীন প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় এই যুদ্ধের প্রভাব এখন পর্যন্ত ভালোভাবে সামলে নিতে পেরেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের পর ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা প্যাক্সসন গতকাল সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, চলতি শিক্ষাবর্ষ শেষে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেডারেল অর্থায়ন কমিয়ে দেওয়ার হুমকি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ভীষণ বৈরী সময় পার করার পর তিনি এ ঘোষণা দিলেন।   রোড আইল্যান্ডের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক খোলাচিঠিতে প্যাক্সসন লিখেছেন, তিনি আসলে এক বছর আগেই পদত্যাগের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও কার্যক্রম হুমকির মুখে ফেলা ফেডারেল অর্থায়ন স্থগিতের সংকট মোকাবিলা করার জন্য তিনি আরও এক বছর দায়িত্বে থাকেন।   প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তাঁর প্রশাসনের প্রথম দিককার নিশানাগুলোর একটি। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের বিরোধিতা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়া ছাত্রবিক্ষোভকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দেন। পাশাপাশি বৈচিত্র্যনীতি ও আরও বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন।   ওই বিক্ষোভে কয়েকটি ইহুদি সংগঠনও শামিল হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের সমালোচনাকে ভুলভাবে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে চিহ্নিত করছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলাকেও চরমপন্থার সমর্থন হিসেবে উপস্থাপন করছে।   ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত ৫১ কোটি ডলার ফেডারেল অনুদান আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এরপর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্যাক্সসন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছান। এর মধ্য দিয়ে সে অর্থায়ন পুনর্বহাল হয়। ওই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়কে ইহুদি শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতাসহ পুরো ক্যাম্পাসের পরিবেশ নিয়ে একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মূল্যায়ন করাতে এবং তা উন্নত করার জন্য সুপারিশ উপস্থাপন করতে সম্মত হতে হয়।   তবে একই বছরের অক্টোবরে প্যাক্সসন ট্রাম্প প্রশাসনের আরেকটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। প্রস্তাবটি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করা, শুধু জন্মগত জৈবিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে লৈঙ্গিক পরিচয়কে সংজ্ঞায়িত করা এবং শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়ায় জাতি বা লিঙ্গকে বিবেচনার বাইরে রাখা হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ফেডারেল অর্থায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।   প্যাক্সসন সে সময় বলেছিলেন, ওই প্রস্তাব মেনে নিলে শিক্ষার স্বাধীনতা সীমিত হবে এবং ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন হবে।   গতকাল প্রকাশিত বিদায়ী চিঠিতে প্যাক্সসন লিখেছেন, ‘যদিও ফেডারেল নীতিগুলো এখনো দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করে রেখেছে, তবু ব্রাউন অগ্রণী গবেষণার জন্য যে বড় অঙ্কের অনুদান পাচ্ছে, তা যুক্তরাষ্ট্রে যুগান্তকারী উদ্ভাবনের পথ তৈরি করবে।’   দায়িত্ব পালনকালে প্যাক্সসনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কঠিন ও মর্মান্তিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে।   গত ডিসেম্বরে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং ৯ জন আহত হন। পরে হামলাকারী ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) একজন অধ্যাপককে হত্যা করেন। ওই হামলাকারী নিজেও নিজেকে গুলি করেন এবং মারা যান।   এরপর ফেডারেল কর্তৃপক্ষ ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সতর্কতা এবং ক্যাম্পাসের নজরদারি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা শুরু করে।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মান নিয়ে আপত্তি, ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

সংগৃহীত ছবি

ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা

ছবি: সংগৃহীত

ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসীবাহী নৌকায় আগুন, ১৫৭ জনকে উদ্ধার

যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকটে বাড়ছে ইসরায়েলিদের দেশত্যাগ

ইসরায়েল থেকে নাগরিকদের দেশত্যাগের প্রবণতা ২০২৫ সালেও অব্যাহত রয়েছে। টানা তৃতীয় বছরের মতো প্রায় ৫০ হাজার ইসরায়েলি এক বছরের বেশি সময়ের জন্য দেশ ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের (টিএইউ) এক গবেষণা। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।   সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে প্রায় ৪৯ হাজার করে ইসরায়েলি এক বছরের বেশি সময়ের জন্য দেশ ছেড়েছিলেন। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর (সিবিএস) ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা মনে করছেন, ২০২৫ সালেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ইতাই আতের, স্কুল অব ইকোনমিকসের প্রধান নিত্তাই বার্গম্যান এবং গবেষক ডরন জামির। গবেষণার অন্যতম প্রধান লেখক ও টিএইউর কলার স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ইতাই আতের বলেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা দেশত্যাগের হার বাড়িয়ে দিয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।   প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধীদলীয় রাজনীতিকরা এটিকে বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিবিএস ২০২৫ সালের দেশত্যাগসংক্রান্ত প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করলেও তাদের পদ্ধতিতে একজনকে অভিবাসী হিসেবে গণ্য করা হয় তখনই, যখন তিনি বছরের অধিকাংশ সময় দেশের বাইরে কাটান। ফলে ২০২৫ সালের হিসেবে অন্তর্ভুক্ত অনেকেই বাস্তবে ২০২৪ সালে দেশ ছেড়েছেন। এ কারণে ২০২৫ সালের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান ২০২৭ সালের শুরুতে প্রকাশিত হবে। এর আগে প্রবণতা বোঝার জন্য গবেষকরা তিন মাসের বেশি সময় বিদেশে অবস্থানকারীদের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। তাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিন মাসের বেশি সময় বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের সংখ্যা এবং শেষ পর্যন্ত এক বছরের বেশি সময় বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের সংখ্যার মধ্যে ০.৯৬ মাত্রার উচ্চ পরিসংখ্যানগত সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের সম্ভাব্য দেশত্যাগের হিসাব করা হয়েছে।   গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অন্তত তিন মাসের জন্য দেশের বাইরে ছিলেন ৯০ হাজার ৯২২ জন ইসরায়েলি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৯১ হাজার ৪৯৯ এবং ২০২৩ সালে ৮৬ হাজার ৫০৯ জন। অর্থাৎ ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ জন ইসরায়েলি অন্তত তিন মাসের জন্য দেশ ছেড়েছেন।   এর বিপরীতে ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ একই ধরনের সময়ের জন্য দেশ ছাড়তেন। আর ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের পুরো তিন বছরে এমন মানুষের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ২১৯ জন।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২৫ সালে এক বছরের বেশি সময়ের জন্য দেশত্যাগকারীর সংখ্যা ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে থাকবে।   গবেষক ইতাই আতের বলেন, এই সংখ্যা সিবিএসের আগে প্রকাশিত ৬৯ হাজারের হিসাবের চেয়ে কম। কারণ তাদের বিশ্লেষণে গত তিন বছরে আসা নতুন অভিবাসীদের, বিশেষ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আসা ব্যক্তিদের, অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।   তিনি বলেন, সরকারপক্ষের দাবি ছিল দেশত্যাগকারীদের বড় অংশই নতুন আগত অভিবাসী। তাই দীর্ঘদিনের ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রকৃত দেশত্যাগের চিত্র তুলে ধরতেই এই বিশ্লেষণ করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল বিরল এক নিট অভিবাসন ঘাটতির মুখে পড়েছে। অর্থাৎ দেশে আসার চেয়ে দেশ ছেড়ে যাওয়ার সংখ্যা বেশি।   ইহুদি জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞ সার্জিও ডেলা পেরগোলার মতে, ১৯৫০ ও ১৯৮০-এর দশকের কিছু সময় ছাড়া ইসরায়েলের ইতিহাসে সাধারণত দেশত্যাগের তুলনায় দেশটিতে ইহুদি অভিবাসনের সংখ্যাই বেশি ছিল।   প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অতীতে অর্থনৈতিক সুযোগের খোঁজে অনেকেই ইসরায়েল ছেড়ে গেলেও বর্তমানে দেশত্যাগের পেছনে সরকারের নীতি, গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে। এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞানী লিলাচ লেভ আরির সাম্প্রতিক গবেষণারও উল্লেখ করা হয়েছে।   ইতাই আতের বলেন, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মতো ২০২৫ সালেও উদ্বেগজনক হারে মানুষ দেশ ছাড়ছে। এখনই এটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি নয়। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে দেশত্যাগের হার এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে।   প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক সংকট তৈরি না করলেও দেশকে একটি সম্ভাব্য ‘টার্নিং পয়েন্ট’-এর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।   এতে বলা হয়, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা নিরাপত্তাজনিত নতুন কোনো নেতিবাচক ধাক্কা দেশত্যাগের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আর একবার নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে সেই প্রবণতা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন হবে এবং এর বড় ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে।   প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডেমোক্র্যাটস পার্টির জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভ বলেন, রেকর্ডসংখ্যক দেশত্যাগের বিষয়টি মোকাবিলায় সরকারকে বারবার পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।   এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, এটি ইসরায়েলের ভবিষ্যতের জন্য একটি কৌশলগত হুমকি এবং এর সঙ্গে সরকারের আচরণের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।   ইয়েশ আতিদ দলের এমপি মেইরাভ কোহেন ব্যঙ্গ করে বলেন, যে সরকার গাজার বাসিন্দাদের স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার কথা বলেছিল, শেষ পর্যন্ত সেই ৭ অক্টোবরের সরকারই ইসরাইলিদের স্বেচ্ছায় দেশত্যাগে উৎসাহিত করেছে।   একই দলের আরেক এমপি কারিন এলহারার বলেন, সরকারের বড় ধরনের ব্যর্থতা ও দুর্নীতি দেখে প্রতিদিন আরও বেশি ইসরায়েলি হতাশ হয়ে দেশ ছাড়ছেন।   সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ওয়াশিংটনে দাবানলে ঘরছাড়া ৬৫ হাজার মানুষ

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নেই: সাবেক সেনাপ্রধান জালুঝনি

ছবি : সংগৃহীত
আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের আশা কমে এসেছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে।  আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।   মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬২ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪.৩৯ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে টানা দরপতনের কারণে ব্রেন্টের দাম তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই)  দামও ৬১ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০.৯৫ ডলারে উঠেছে।  আগের লেনদেনে এটির দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রায় এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। এদিকে, সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে তেহরান। ট্রাম্প জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতারসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (৩ আগস্ট) স্পষ্টভাবে জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। তেহরানের এই বক্তব্যের বিপরীতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই কথা বলছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাদের জন্য একটি ভালো চুক্তিতে সই করার এটাই শেষ সুযোগ। শিরশ্ছেদের আগে আমি তাদের সম্ভাব্য সবশেষ সুযোগ দিতে চাই।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা, একদিনেই নিহত ২৬

ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে ৪৪টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত ইরানের বাহিনী

0 Comments