বিনোদন

তারেক রহমানের প্রিয় সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৯, ২০২৬

দীর্ঘ দেড় যুগের প্রবাস জীবন কাটিয়ে, হঠাৎ করেই ঘরে ফেরা। সব মিলিয়ে যেন বাস্তবের মঞ্চে এক পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক সিনেমা। প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশে উপস্থিতি, কৌশলগত বার্তা, পরিকল্পনার ঝাঁপি—সব মিলিয়ে তিনি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনে তাকে তুলে ধরা হয়েছে ‘বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তিত সন্তান’ হিসেবে—যা রাজনীতির অন্দর-বাহিরে নতুন করে তৈরি করেছে তর্ক, উত্তাপ আর কৌতূহল।


প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত পছন্দ, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা দিক উঠে এসেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, লন্ডনে অবস্থানকালে তার প্রিয় সময় কাটানোর জায়গা ছিল রিচমন্ড পার্ক—যেখানে তিনি হাঁটতেন, চিন্তায় ডুবে থাকতেন কিংবা ইতিহাসের বই পড়তেন।

নিজের প্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন হলিউড সিনেমা এয়ার ফোর্স ওয়ান–এর নাম। এ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আমি সম্ভবত আটবার এটি দেখেছি! প্রতিবেদনে বলা হয়, সিনেমার সংলাপ ও প্রতীকী বার্তা থেকেও তিনি অনুপ্রেরণা নেন।

টাইম ম্যাগাজিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানকে একজন তথ্যনির্ভর নীতিনির্ধারক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি বিভিন্ন খাতে পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেন। তার ভাবনায় রয়েছে জলস্তর পুনরুদ্ধারে ১২ হাজার মাইল খাল খনন, ভূমির অবক্ষয় ঠেকাতে বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানো এবং দূষণে বিপর্যস্ত রাজধানীর জন্য ৫০টি নতুন সবুজ এলাকা গড়ে তোলা।

এছাড়া আবর্জনা পোড়ানো বিদ্যুৎ জেনারেটর স্থাপন, অভিবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি কলেজ পুনর্গঠন এবং চাপে থাকা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে সহায়তা দিতে বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদারত্বের পরিকল্পনার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের একপর্যায়ে তারেক রহমান নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে ব্যবহার করেন একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্রের উক্তি—তবে সেটি এয়ার ফোর্স ওয়ান নয়, স্পাইডার-ম্যান থেকে নেওয়া। তিনি বলেন, মহান শক্তির সাথে মহান দায়িত্ব আসে—আমি এটা খুব বিশ্বাস করি।


সব মিলিয়ে, তার প্রত্যাবর্তন কেবল রাজনৈতিক পদচারণা নয়—বরং পরিকল্পনা, প্রতীক আর বার্তার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এক নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত—এমনটাই তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক এই সাময়িকী।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইতালিতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ

ইতালির মেস্ত্রে শহরে বর্তমানে অবস্থানরত জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে করা লাইভে তিনি এই অভিযোগ করেন।   যেখানে তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) প্রবাসী কর্মীদের জড়িয়ে এই হামলার অভিযোগ তুলেন।   ফেসবুক লাইভে তিনি অভিযোগ করেন, ‘এখানে আমি আমার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের অনেক বাঙালি ভাই এসে আমাকে ‘ফিজিক্যালি হ্যারাস’ করেছে। আমার শরীরে পানি, কোক ছুঁড়ে মেরেছে। এতে আমি একদম ভিজে যাই।   এ সময় তার সঙ্গে ভাইয়ের ছোট বাচ্চা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা আমার শরীরে হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে। আমার কানের পাশে আঘাত করেছে। তারা বলেছে- আমি জুলাই যোদ্ধা, ইয়েস আই অ্যাম। আমি অবশ্যই জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি।’   হামলাকারীদের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক দাবি করে বাঁধন বলেন, তারা আমাকে জোর করে ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বলেছে। তারা সেগুলো ভিডিও করেছে। সেগুলো তারা লাইভ করছিল। আপলোড করছিল।   ভিডিওর এক অংশে আজমেরী হক বাঁধন বলেন, ‘আমি বলবো- আপনাদের এই অসংলগ্ন আচরণ থেকে আপনাদের বেরিয়ে আসা উচিৎ ছিল, আপনারা তা করতে পারেননাই।’ আপনারা ভেবেছেন- এভাবে করেই হয়তো পরবর্তীকালে নিজেদের জায়গাটা ফের সুগঠিত করতে পারবেন। সেটা আমার মনে হচ্ছে না।   জানা যায়, ইতালির ভেনিসে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তার ভাই ও ভাইয়ের পরিবারের সাথে সেখানে গেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।   উল্লেখ্য, ইতিহাস গড়ে ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক ‘অরিজন্তি’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ২টায়, বাংলাদেশ সময় ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সালা দারসেনা থিয়েটারে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়।   সিনেমাটির মুখ্য চার নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবাইয়াত হোসেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

বয়সের চেয়ে দ্রুত কমছে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা: নেপথ্যে ৭ কারণ

ছবি: সংগৃহীত

ইউটিউবে ১০০ কোটি ভিউ, নতুন ইতিহাস ‘পাসুরি’র

দীপিকা-প্রীতি।

দীপিকার ‘না’ যেখানে, প্রীতির সেখানে ১৮ ঘণ্টা!

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ হয়েছেন জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জিতলেন জোহেইরি মোলা

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি।   এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।    জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী।    শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।   এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী।    প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

গোপনীয়তার অবসান, ভালোবাসার মানুষকে প্রকাশ্যে আনলেন সিদ্ধার্থ

দিনে সর্বোচ্চ কতটুকু ক্যাফেইন নিরাপদ, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

ছবি: সংগৃহীত

প্রথম সিনেমায় কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন পরীমনি

জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ছবি: সংগৃহীত
কত কোটি টাকার সম্পদের মালিক ‘প্রেমালু’ অভিনেত্রী মামিতা

পার্শ্ব চরিত্র থেকে ব্লকবাস্টার মালয়ালম সিনেমা ‘প্রেমালু’র রিণু চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেয়ে যাওয়া দক্ষিণ ভারতের তরুণ অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ২০২৪ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইতোমধ্যে থালাপতি বিজয়, সুরিয়ার মতো দক্ষিণী তারকাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।    সম্প্রতি এ অভিনেত্রীর মুক্তি পাওয়া নতুন সিনেমা ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করছে। তবে বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মামিতা। শরীর ব্যথা ও জ্বরের জেরে অস্ট্রেলিয়ায় ওনাম উৎসব উদযাপনের পরিকল্পনা থাকলেও চিকিৎসকদের কঠোর নির্দেশ মেনে তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।    ‘লেন্ড্যাক্সিস ক্লাইড ওনাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। এক বার্তায় অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, নির্ধারিত তারিখে আমি উপস্থিত থাকতে পারছি না। বর্তমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কোনোভাবেই আসার উপায় থাকলে আমি ঠিক আসতাম, তবে চিকিৎসকরা আমাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।’    এদিকে অভিনেত্রীর সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি দেখে নেওয়া যাক তার কোটি টাকার সাম্রাজ্য, সম্পদ এবং আয়ের উৎস সম্পর্কে কিছু তথ্য।   আয় ও সম্পত্তির পরিমাণ  চলতি বছরের শুরুতে মুক্তি পাওয়া অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের ছবি ‘জন নায়গন’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন মামিতা। এর আগে ‘প্রেমালু’, ‘বিদ্রোহী’, ‘অপারেশন জাভা’ ও ‘বারথান’-এর মতো ছবিতেও নজর কেড়েছেন তিনি।    ২০১৬ সালে পৃথ্বীরাজ অভিনীত ‘পাভাদা’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে ২৫ বছর বয়সি মামিতা প্রতিটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। মূলত মালয়ালম, তেলেগু এবং তামিল সিনেমাতেই তার কাজের পরিধি বেশি।    ‘প্রেমালু’ ছবির সাফল্যের পর তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে।    অভিনয় ছাড়াও ফ্যাশন, স্কিন কেয়ার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জুয়েলারি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও তার বড় অংকের আয় হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন জায়গায় তার করা বিনিয়োগও অভিনেত্রীর আয়ের উৎসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।    বাড়ি ও দামি গাড়ি  কোচির একটি অভিজাত এলাকায় মামিতার ৩ থেকে ৫ কোটি রুপি মূল্যের একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যেখানে তিনি কাজের ফাঁকে বেশি সময় কাটান। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং গোপনীয়তা বজায় রাখার মতো চমৎকার সব ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে।    পাশাপাশি কেরালার কোট্টায়ামের কিডঙ্গুরে অবস্থিত তার পৈতৃক বাড়িটিরও যত্ন নেন তিনি, যেখানে কেটেছে তার সোনালী শৈশব। সুযোগ পেলেই তিনি সেখানে ছুটে যান। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তার সংগ্রহে রয়েছে একটি ভক্সওয়াগান তাইগুন এবং একটি মারুতি সুজুকি জিমনি গাড়ি।    ‘জন নায়গন’-এর পর ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ সিনেমাটি অভিনেত্রী হিসেবে মামিতাকে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে আরও শক্ত আসন উপহার দিয়েছে। 

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কোমরে চোট পেয়ে একটা লাভ হয়েছে : রাশমিকা

আসিফ আকবর

বাবার শান্তি কমিটিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে আসিফ আকবরের ব্যাখ্যা

ছবি: সংগৃহীত

রণবীর-ক্যাটরিনার প্রেমের গল্প ফাঁস

0 Comments