বিশ্ব

সুদানে আরএসএফ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬


সুদানের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) একে অপরের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। গত সোমবার দেশটির দারফুর ও কর্দোফান অঞ্চলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সামরিক সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমাঞ্চলের দারফুর প্রদেশের জালিংগেই শহরে সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে।


শহরটি বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপিকে জানায়, হামলার পর শহরের একটি ভবন থেকে ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী বের হতে দেখা গেছে। সামরিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে ওই ভবনটি আরএসএফের একটি গুদাম ছিল।

এদিকে পাশের কর্দোফান অঞ্চলের ডিলিং শহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আরএসএফ।


সম্প্রতি সেনাবাহিনী সেখানে আধাসামরিক বাহিনীর দীর্ঘদিনের অবরোধ ভেঙে দেয়। এর পরই পাল্টা হিসেবে আরএসএফ এই হামলা চালাল। ড্রোনটি সরকারি একটি মানবিক সহায়তা সংস্থার কার্যালয়ে আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ডিলিং শহরটি যুদ্ধের অন্যতম সম্মুখভাগ হয়ে উঠেছে।

 
সামরিক সূত্র আরো জানায়, গত সপ্তাহে ডিলিংয়ের চারপাশে দুটি করিডর খোলার ঘোষণা দেওয়ার পর সেনাবাহিনী দক্ষিণ কর্দোফানের রাজধানী কাদুগলির দিকে অগ্রসর হতে থাকে। 

জাতিসংঘের তথ্য মতে, সংঘাতের কারণে কাদুগলি শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ (প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার) ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। গত অক্টোবরে দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি এল-ফাশের দখলের পর আরএসএফ এখন উর্বর ও বিস্তৃত অঞ্চল কর্দোফানের দিকে নজর দিয়েছে।

দক্ষিণ কর্দোফানের পরিস্থিতিকে ‘সুদানের সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং অবহেলিত এলাকা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের (এনআরসি) মহাসচিব জ্যান এগেল্যান্ড। 

সোমবার ওই অঞ্চল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পুরো শহরের মানুষ ক্ষুধার্ত।

মানুষ সবকিছু ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এটি একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ, যা দ্রুত এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের দিকে যাচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব যদি এখনই সুদানের দিকে নজর না দেয়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করেছে যে, কর্দোফানেও এল-ফাশের মতো ভয়াবহ নির্যাতন ও গণহত্যার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। এর আগে এল-ফাশের পতনের পর আরএসএফের বিরুদ্ধে নিরপরাধ মানুষ হত্যা, যৌন সহিংসতা ও অপহরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।

সেনাবাহিনী ও তার প্রাক্তন মিত্র আরএসএফের এই গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ একে বিশ্বের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে অভিহিত করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রতীকী ছবি
জব্দকৃত সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানবে না ইরান

জব্দকৃত ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার পর তার একটি বড় অংশ মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যয় করা হবে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।   তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র শুধু ভঙ্গ করা প্রতিশ্রুতি এবং ফাঁকা কথাবার্তাই রপ্তানি করে। তারা মিথ্যা দাবি করছে যে, আমাদের অবমুক্ত সম্পদ দিয়ে তাদের কৃষিপণ্য কেনা হবে। সত্যিই হাস্যকর ব্যাপার।   যুক্তরাষ্ট্রের এমন শর্তের সমালোচনা করে গালিবাফ আরও বলেন, আমরা এখন কেবল সেই ফসলই কাটছি, যা আপনারা রোপণ করেছেন। আর তা হলো, দশকের পর দশক ধরে জমে থাকা অবিশ্বাস। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত এবং আমাদের নিজেদের মাটিতে জন্মানো। কিন্তু মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের তালিকায় রয়েছে শুধু জিএমও সয়াবিন, ভঙ্গ প্রতিশ্রুতি এবং অর্থহীন বক্তব্য।   এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ইরানের অবমুক্ত সম্পদের একটি বড় অংশ মার্কিন খাদ্যপণ্য ও ওষুধ কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে।   তবে তেহরান বরাবরই বলে আসছে, অবমুক্ত হওয়া সম্পদ কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে সিদ্ধান্ত ইরান নিজেই নেবে এবং এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের শর্ত গ্রহণ করবে না।   উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের কিছু আর্থিক সম্পদ অবমুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে অর্থ ব্যবহারের শর্ত নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থানে এখনও স্পষ্ট মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। সূত্র : এএফপি

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ভূমিকম্পের আগেই সতর্কবার্তা, ভেনেজুয়েলায় হাজারো প্রাণ বাঁচাল গুগল

ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপে এল নিনোর প্রভাব কতটা পড়ছে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ছবি: সংগৃহীত

বজ্রপাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ সদস্য নিহত

ছবি: সংগৃহীত
ইরান আলোচনায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।   উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য বর্তমানে ওই অঞ্চল সফর করছেন রুবিও। কুয়েতে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ যেকোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্তের আগে যুক্তরাষ্ট্র তার আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।   রুবিওর ভাষায়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অংশীদারদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে একজোট থাকবে এবং আলোচনার প্রতিটি ধাপে তাদের মতামত বিবেচনা করা হবে।   সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সময় উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়েছিল। এছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল ও গ্যাস পরিবহনও ব্যাহত হয়েছিল।   তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে, সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগের বিষয়গুলো এখনও সমাধান হয়নি।   রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না, যা তার মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করতে পারে।   এদিকে হোয়াইট হাউসে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুতের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র খুব ভালো অগ্রগতি অর্জন করেছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে প্রচণ্ড গরম, পানিতে নেমে ৪০ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ডলারে তেল বিক্রি করতে পারে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

তীব্র গরমেও ইউরোপে কেন এসি এত বিরল

ছবি: সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় পরপর দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।   স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (২৫ জুন) দেশটির রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় পরপর দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।   ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভেরস (ইউএসজিএস) বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে; এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।   ইউএসজিএস বলছে, এই ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি প্রাথমিকভাবে অনুমান করেছে যে মৃতের সংখ্যা সম্ভবত ১০ হাজার থেকে এক লাখের মধ্যে হতে পারে।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৫, ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি ও আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্যই শান্তি বজায় রেখেছে : রাশিয়া

ছবি : সংগৃহীত

নিজের ৩ পরকীয়ার কথা জানালেন স্বয়ং বিল গেটস

0 Comments