প্রবাসী

শিগগিরই চালু হচ্ছে ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশের ভিসা!

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬

ওমানসহ উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশে ভ্রমণ সহজ করতে শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একক বা ইউনিফায়েড ট্যুরিস্ট ভিসা। নতুন এই ব্যবস্থায় জিসিসির বাইরে থাকা দেশের নাগরিকরা একবার আবেদন করেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েতে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভিসাটির সম্ভাব্য মেয়াদ ৩০ দিন এবং ফি নির্ধারণ করা হতে পারে আনুমানিক ৯০ থেকে ১৩০ মার্কিন ডলারের মধ্যে।

 

নতুন উদ্যোগটিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে বাস্তবভিত্তিক আঞ্চলিক সংযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে আলাদা আলাদা ভিসা ব্যবস্থার কারণে একাধিক দেশে ভ্রমণে যে প্রশাসনিক জটিলতা ও সময়ক্ষেপণ হতো, একক ভিসা চালু হলে তা অনেকটাই কমে আসবে। তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে পর্যটনকে বিকল্প আয়ের প্রধান খাত হিসেবে গড়ে তোলার কৌশলের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

তবে ভিসাটি কার্যকর করতে বিলম্ব হওয়ার পেছনে নিরাপত্তা ও তথ্যসমন্বয় সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একক ভিসার আওতায় অঞ্চলজুড়ে চলাচল নিশ্চিত করতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বায়োমেট্রিক তথ্য, প্রবেশ ও প্রস্থান ডেটা এবং নজরদারি তালিকার সমন্বয় প্রয়োজন। এসব প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তাগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা করছে জিসিসি কর্তৃপক্ষ।

 

ইউরোপের শেঙ্গেন ভিসা ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হলেও জিসিসির এই ভিসা কাঠামো তুলনামূলকভাবে সীমিত পরিসরের। এতে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত বিলুপ্ত হচ্ছে না এবং কাজ, বসবাস বা স্থায়ী অভিবাসনের সুযোগও রাখা হয়নি। এটি কেবল পর্যটন ও স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে ভিসার শর্ত ভঙ্গ বা মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থানের ক্ষেত্রে ছয় দেশেই সমন্বিত জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার বিধান রাখা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই একক ভিসা চালু হলে যেমন ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে, তেমনি অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতাও আরও সুসংহত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান বিমান ও যাতায়াত কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান আরও দৃঢ় করবে। সার্বিকভাবে, ইউনিফায়েড জিসিসি ট্যুরিস্ট ভিসাকে উপসাগরীয় সহযোগিতাকে নীতিগত ঘোষণার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব সুবিধায় রূপ দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সৌদিতে ডিপ ফ্রিজ থেকে বাংলাদেশি প্রবাসী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে নিখোঁজ এক বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। নিহতের নাম রত্না। পরিবার জানিয়েছে, প্রায় দুই মাস ধরে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।   স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গতকাল (স্থানীয় সময়) রিয়াদের মারকাব এলাকার একটি বাসার ডিপ ফ্রিজের ভেতর থেকে রত্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।   পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রত্নার বাড়ি ঢাকায়। তাঁর নিকটাত্মীয় বলতে শুধু একজন খালা রয়েছেন। দেশে তাঁর একটি শারীরিক প্রতিবন্ধী কন্যাসন্তান রয়েছে। সন্তানের চিকিৎসা এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় তিনি সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়েছিলেন।   নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জীবিকার সন্ধানে বিদেশে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।   এ ঘটনায় সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সৌদি পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে বাংলাদেশ দূতাবাসও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।   পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ওমানে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী

ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ছবি : সংগৃহীত

ইতালির রোমে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন

প্রবাসী মেজবাহ উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
মালদ্বীপে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মালদ্বীপে মাত্র চার মাস আগে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বাংলাদেশি মেজবাহ উদ্দিনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহত মেজবাহ উদ্দিনের বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মাহাদিয়া গ্রামে। তিনি মোজিবুল হকের (সুরুজ মিয়া) ছেলে।   বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানী মালের সিট্রন বাই লেমনগ্রাস কোম্পানির স্টাফ কোয়ার্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।   একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কবির আহমেদ জানান, স্টাফ কোয়ার্টারের একটি কক্ষে চারজন একসঙ্গে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় দুইজন কর্মস্থলে এবং দুইজন ছুটিতে ছিলেন।   রাতের খাবার খেতে বের হওয়ার পর ফিরে এসে এক সহকর্মী মেজবাহ উদ্দিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।   নিহতের মামা মো. জহিরুল ইসলাম (সুমন) জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জীবিকার সন্ধানে মেজবাহ উদ্দিন মালদ্বীপে আসেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানসিক অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।   তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন এবং মালদ্বীপ পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।   বর্তমানে মরদেহ রাজধানী মালের একটি মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। নিহতের পরিবার মালদ্বীপে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছে।   এ বিষয়ে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশির এই মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। বিষয়টি সম্পর্কে হাইকমিশন অবগত রয়েছে এবং ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি জানতে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৬, ২০২৬

সৌদি প্রবাসীদের যে বিষয়ে সতর্ক করলো কনস্যুলেট

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে দাবদাহের তাণ্ডব, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বাংলাদেশি প্রবাসীরা

ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, সৌদিতে সম্পত্তি মালিকানার সুযোগ সম্প্রসারণ

ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীদের জন্য সুখবর, ভিসা ও আবাসন নীতি সহজ করল ওমান

বিদেশি বিনিয়োগকারী ও সম্পত্তি মালিকদের জন্য ভিসা ও আবাসন সুবিধা আরও সহজ করেছে ওমান। নতুন নীতিমালার আওতায় এখন নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বিদেশি নাগরিকরা কোনো স্থানীয় স্পনসর বা কফিল ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি ভিসা এবং বসবাসের অনুমতি (রেসিডেন্স পারমিট) পাবেন।   সম্প্রতি ওমান পুলিশ আবাসন সংক্রান্ত নির্বাহী বিধিমালায় সংশোধনী এনে এ সুবিধা চালু করেছে। সংশোধিত বিধিমালা ইতোমধ্যে দেশটির সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে।   নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ওমানে জমি বা আবাসিক ইউনিটের মালিক বিদেশি নাগরিকরা সরাসরি রেসিডেন্সি সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এমনকি যেসব সম্পত্তির নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, সেগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত সনদ থাকলে ভিসা ও বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে।   এই সুবিধা শুধু মূল সম্পত্তি মালিকের জন্যই নয়, তার প্রথম স্তরের পরিবারের সদস্য—যেমন স্ত্রী ও সন্তানদের জন্যও প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকানাধীন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত প্রতিনিধিরাও এ সুবিধার আওতায় আসবেন।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কিন্তু অনুমোদিত সম্পত্তির ভিত্তিতে ইস্যুকৃত ভিসাগুলোর মেয়াদ সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা নবায়ন করা যাবে। ভিসাধারীরা প্রতিবার ওমানে প্রবেশের পর সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন।   এ ছাড়া ‘ওনার ভিসা’ বা সম্পত্তি মালিকানা-ভিত্তিক ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এখন বিদেশি সম্পত্তি মালিক ও কোম্পানির অনুমোদিত প্রতিনিধিরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।   তবে নতুন নীতিমালায় একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হয়েছে। ভিসা অনুমোদনের পর তিন মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে অবশ্যই ওমানে প্রবেশ করতে হবে।   ওমান সরকার মনে করছে, এই উদ্যোগ দেশের আবাসন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশটিকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে মানবিক সংকটে থাকা তিন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরাল দূতাবাস

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসী আটক

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

0 Comments