সর্বশেষ

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণায় সোহেল তাজের স্ট্যাটাস

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, এ বছরই দেশে ফিরছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে দেশে-বিদেশে। এবার এতে যুক্ত হলেন শেখ হাসিনার সরকারের এক সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজও। 

 

শনিবার (৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন তিনি।

 

সোহেল তাজ বলেন, ‘একজন মানুষের ইগো বা অহঙ্কার যে একটি দেশ এবং দলকে ধ্বংস করতে পারে, তার প্রমাণ হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবার।

 

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি করে, গণতন্ত্র কবর দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপব্যবহার করে, দেশ এবং মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে, ছাত্র-জনতার ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে গিয়ে, দুর্নীতি ও লুটপাট করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে, সেই টাকার পাহাড়ে বসে আবার এখন ফেরার কথা বলে আওয়ামী লীগের নিরীহ নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলার আরেকটি ভণ্ডামি করছে।’

 

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে একই আসন থেকে দ্বিতীয়বার জয় পান তিনি।

 

সোহেল তাজ ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তবে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে একই বছরের ৩১ মে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি। সে সময় তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা না হলেও একই বছর ৭ জুলাই তিনি আবার পদত্যাগপত্র দিলে সেটি গ্রহণ করা হয়।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সর্বশেষ

আরও দেখুন
টুথপেস্ট। ছবি : সংগৃহীত
ইএসডিওর গবেষণা: যেসব টুথপেস্টে মেলেনি মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের গবেষণা চালিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। এর মধ্যে ২৬টি টুথপেস্টে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ পাওয়া গেছে এবং বাকি ৮টিতে এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।   রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট’ শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করে ইএসডিও। গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০-৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।   ইএসডিও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পরিচালিত এ গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন সুপারশপ, খুচরা দোকান ও পাইকারি বাজার থেকে স্থানীয় ও আমদানি করা ১৯ ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই) ল্যাবরেটরিতে নমুনাগুলো বিশ্লেষণ করা হয়।   গবেষণায় পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের পাঁচটির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুটির মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুটির দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। তবে এসবের মধ্যে ৮ টি টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।   ইএসডিওর এই গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট পরীক্ষায় মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে সর্বোচ্চ ৩২০টি কণা পাওয়া যায়। ক্লোজ আপ রেড হটে ১৬০টি কণা, ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশে ১৬০টি কণা, কোডোমো আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা-স্ট্রবেরিতে ১৪০টি কণা, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি কণা, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টে ১০০টি কণা, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারে ১০০টি কণা, সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি কণা, পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্টে ৬০টি কণা, হোয়াইট প্লাস রেডে ৬০টি কণা, হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেলে ৬০টি কণা, মেরিল বেবি-স্ট্রবেরিতে ৬০টি কণা পাওয়া যায়।   এ ছাড়া সিগন্যাল হোয়াইটেনিংয়ে ৬০টি কণা, মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা টুথপেস্টে ৬০টি কণা, এএম.পিএম. হার্বাল টুথপেস্টে ৪০টি কণা, মেডিপ্লাস ডিএসে ৪০টি কণা, পেপসোডেন্ট জার্মিচেক প্লাসে ৪০টি কণা, মেরিল বেবি-অরেঞ্জে ৪০টি কণা, ম্যাজিক হার্বালে ৪০টি কণা, মেসবাকে ৪০টি কণা, ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশেতে ৪০টি কণা, ডেন্টিন জেল টুথপেস্টে ২০টি কণা, পেপসোডেন্ট কিডস-অরেঞ্জে ২০টি কণা, ক্লোজ আপ লেমন সি সল্টে ২০টি কণা, ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেলে ২০টি কণা এবং হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভে ২০টি কণা পাওয়া যায়।   মাইক্রোপ্লাস্টিক না পাওয়া ৮ টি টুথপেস্টের মধ্যে রয়েছে- জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড), প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড), ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড), প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত), সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত), কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত), কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত), কুডুমু-অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।   ইএসডিও জানায়, এ গবেষণার উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা নয়। বরং বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে জাতীয় মানদণ্ড, গ্রহণযোগ্য সীমা, পরীক্ষার নির্দেশিকা বা লেবেলে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি বৈজ্ঞানিকভাবে তুলে ধরাই ছিল গবেষণার মূল লক্ষ্য।   এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের জন্য জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন এবং কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।   গবেষণায় আরও বলা হয়, দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় মানদণ্ডের অভাব, নিয়মিত বাজার তদারকির সীমাবদ্ধতা এবং পরীক্ষাগারের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়টি যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   ইএসডিও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রস্তুতকারক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন, নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের লেবেলে উপাদানের স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৬, ২০২৬
টুথপেস্টের টিউব। ছবি: সংগৃহীত

টুথপেস্টের টিউবে নিচের রঙিন দাগ কী নির্দেশ করে?

সালমান শাহ হত্যা: ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

ইউপি চেয়ারম্যান হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত
এশিয়া ল’ জার্নালের তালিকায় বাংলাদেশের ৫৬ সেরা আইনজীবী

বাংলাদেশের ৫৬ জন সেরা আইনজীবীর তালিকা প্রকাশ করেছে হংকংভিত্তিক এশিয়া বিজনেস ল’ জার্নাল। এই ৫৬ শীর্ষ আইনজীবীর তালিকায় ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম, ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কেসি, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম, ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ড. শাহদীন মালিকের মতো প্রখ্যাত আইনজীবীরা রয়েছেন।   মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করেছে। শীর্ষ আইনজীবীর তালিকায় থাকা অন্যরা হলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, ব্যারিস্টার জুনায়েদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার আনিতা রহমান, ড. শরীফ ভুঁইয়া, ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ, ব্যারিস্টার আশরাফুল হাদী,  ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম, ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনওয়ার, ব্যারিস্টার সামির সাত্তার, ব্যারিস্টার আনাম হোসাইন, ব্যারিস্টার তানজীবুল আলম, ব্যারিস্টার ওমর এইচ খান, ব্যারিস্টার ইউসুফ আলী, ব্যারিস্টার মারগুব কবির, ব্যারিস্টার সোহান খান, ব্যারিস্টার খান খালিদ আদনান, ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার সাজেদ সামী আহমেদ, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আসিফ, ব্যারিস্টার এ এস এ বারী, এন এম ইফতেখারুল আলম ভুঁইয়া, মামুন চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাসির-উদ দৌলা, সামস-উদ দৌলা, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ ফারুক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, এম আর আলভী হাকিম, ব্যারিস্টার মারগুব কবির, ব্যারিস্টার মাসুদ খান, মাইদুল হক খান, ওয়াহিদ সাদিক খান, ব্যারিস্টার রাকিব খোন্দকার, আমিনা খাতুন, সাহওয়ার নিজাম, ব্যারিস্টার শাওন এস নোবেল, ব্যারিস্টার আলামিন রহমান, ফেরদৌস রহমান, মোহাম্মদ ফারুক রহমান, ব্যারিস্টার এ এস এম সাকিব শিকদার ও এম আর উদ্দিন।    তালিকায় নাম থাকা কয়েকজন আইনজীবী ঢাকা পোস্টকে বলেন, স্বাধীন গবেষণা, পিয়ার ল ফার্ম ও আইনজীবী এবং ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে এ র‍্যাংকিং করা হয়েছে। এটিই একমাত্র প্ল্যাটফর্‌ম যেখানে এশিয়ার আঞ্চলিক ও দেশীয় ফার্ম ও এই অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই তালিকার বাইরেও দেশে অনেক প্রখ্যাত আইনজীবী রয়েছেন। 

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির ক্ষতিপূরণ এখনো অনিশ্চয়তায়

ছবি: সংগৃহীত

যশোরে ট্রলি–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই তরুণের

কথা বলছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

তদন্তে ৬১ জনের মৃত্যুর প্রমাণ, ২১ জুলাই চার্জশিট দাখিলের সম্ভাবনা

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্ক গেলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্ক গেছেন। তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে রবিবার (১৯ জুলাই) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর-আইএসপিআর এ তথ্য জানিয়েছে।   সফরকালে সেনাপ্রধান তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন। দেশটির প্রতিরক্ষা খাতের সক্ষমতা, প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন কার্যক্রম সম্পর্কেও তিনি ধারণা নেবেন।   এ ছাড়া বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন সেনাপ্রধান।   সফরে দুই দেশের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় ও প্রতিরক্ষা শিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৯, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

এয়ারলাইন্স সেবায় ভোগান্তি, অভিযোগেও মিলছে না সমাধান

ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

0 Comments