খেলাধুলা

শান্ত-মুমিনুলের দৃঢ় জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ

আক্তারুজ্জামান মে ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শুরুর ধাক্কা সামলে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার দ্রুত ফিরলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুমিনুল হকের ব্যাটে ভর করে মধ্যাহ্ন বিরতিতে দুই উইকেটে শতরান পার করেছে টাইগাররা।

 

প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০১ রান। তৃতীয় উইকেটে শান্ত ও মুমিনুল মিলে গড়েছেন অপরাজিত ৭০ রানের জুটি। ৯৫ বলের এই জুটিতে দুজনই সাবলীল ব্যাটিং করেছেন। শান্ত ৫০ বলে ৩৯ এবং মুমিনুল ৫৭ বলে ৩১ রান নিয়ে বিরতিতে যান।

 

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ১৮ বলে তিনি করেন ৮ রান।

 

জয়ের উইকেটের মধ্য দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের প্রথম পেসার হিসেবে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন শাহিন আফ্রিদি। সবমিলিয়ে এই কীর্তি গড়া তিনি ১৯তম বোলার।

 

এরপর হাসান আলি আক্রমণে এসে প্রথম বলেই ফেরান আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামকে। স্লিপে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩০ বলে ১৩ রান করেন সাদমান। তখন মাত্র ৩১ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

 

সেখান থেকেই দলকে টেনে তোলেন শান্ত ও মুমিনুল। পাকিস্তান প্রথম সেশনে পাঁচজন বোলার ব্যবহার করলেও এই জুটি ভাঙতে পারেনি। এমনকি পার্ট-টাইম স্পিনার সালমান আগা ও বাঁহাতি স্পিনার নোমান আলিকেও আক্রমণে আনা হয়। তবে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে উইকেট আগলে রেখে ধীরে ধীরে রান বাড়িয়েছেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বার্সেলোনায় অ্যান্থনি গর্ডন, পাঁচ বছরের চুক্তি ঘোষণা

ইংলিশ উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন-কে পাঁচ বছরের চুক্তিতে দলে ভিড়িয়েছে এফসি বার্সেলোনা। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নতুন ক্লাবে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই ২৫ বছর বয়সী ফুটবলার।   গত মার্চে নিউক্যাসল ইউনাইটেড-এর হয়ে ন্যু ক্যাম্পে খেলতে এসে বড় ব্যবধানে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল গর্ডনের। তবে কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই মাঠেই বার্সেলোনার খেলোয়াড় হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন তিনি।   গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৭ কোটি ইউরোতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্ত পূরণ হলে ট্রান্সফারের মূল্য ৮ কোটি ইউরো পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। গর্ডনকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে বায়ার্ন মিউনিখ এবং লিভারপুল এফসি-ও আগ্রহী ছিল বলে জানা যায়।   বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর গর্ডন বলেন, এটি বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাব এবং ছোটবেলা থেকেই তিনি এখানে খেলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।   উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে উপস্থিতদের মুগ্ধ করেন গর্ডন। তিনি জানান, একদিন বার্সেলোনার হয়ে খেলবেন—এই বিশ্বাস থেকেই আগে থেকেই স্প্যানিশ ভাষা শেখা শুরু করেছিলেন। নিউক্যাসলে থাকা এক স্প্যানিশ ফিজিওথেরাপিস্টের সহায়তায় তিনি ভাষাটি চর্চা করেন।   ক্যারিয়ারের শুরুতে এভারটন এফসি-এর হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক ঘটে গর্ডনের। ২০২৩ সালে নিউক্যাসলে যোগ দেওয়ার পর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। সর্বশেষ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১৭ গোল করে ইউরোপের অন্যতম আলোচিত আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ে পরিণত হন তিনি।   বার্সেলোনা আশা করছে, অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডোভস্কি-এর পরবর্তী প্রজন্মের আক্রমণভাগ গড়ে তুলতে গর্ডন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

আক্তারুজ্জামান মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের ম্যাচসূচি নির্ধারণ, দেখে নিন বিস্তারিত

ছবি : সংগৃহীত

কিউইদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ আয়ারল্যান্ডের

মরিনহোর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফেরা, রিয়ালের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি

ছবি : সংগৃহীত
আলভারেজকে দলে নেবার আশা করছে বার্সেলোনা

এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের তারকা ফরোয়ার্ড জুলিয়ান আলভারেজকে দলে নেবার আশা করছে বার্সেলোনা। ইতোমধ্যেই তারা এন্থনি গর্ডনের সাথে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। বিভিন্ন সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   যদিও আলভারেজকে দলে পেতে ইতোমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে পিএসজি ও আর্সেনাল। কিন্তু স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা তাকে দলে পেতে আশাবাদী। বার্সেলোনার বিভিন্ন ধরনের চুক্তির শর্ত অন্য দলগুলোর তুলনায় ভাল হওয়ায় আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড তাদের দিকেই ঝুঁকছে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যেই ২৬ বছর বয়সী আলভারেজের সাথে বার্সেলোনার প্রতিনিধি দলের একাধিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।   ইএসপিএন জানিয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ইংলিশ ফরোয়ার্ড গর্ডনকে দলে নিতে ৮০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। আগামী মৌসুমে কাতালান জায়ান্টরা তাদের আক্রমনভাগকে শক্তিশালী করার দিকেই বেশী মনোযোগ দিচ্ছে।    জুনে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় পোলিম তারকা রবার্ট লিওয়ানদোস্কি ফ্রি ট্রান্সফারে বার্সেলোনা ছাড়ছেন। গর্ডনের ক্ষেতে যেভাবে হয়েছে তেমন কোন সম্ভাব্য চুক্তি আলভারেজের কাছ থেকে আশা করছেনা বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ। স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকো এ সপ্তাহে ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে গর্ডনের চুক্তি চূড়ান্ত করে এসেছেন।  এ্যাথলেটিকো যেহেতু উচ্চ মূল্যের ট্যাগ আলভারেজের ক্ষেত্রে দিয়ে রেখেছে সে কারনে ধারণা করা হচ্ছে বিশ^কাপের আগে এ ব্যপারে নিশ্চিতভাবে কিছু না হবার সম্ভাবনাই বেশী।    এর আগে মার্চে ইএসপিএন প্রথম রিপোর্ট করেছিল এবারের গ্রীষ্মে বার্সেলোনা অন্তত দুইজন এ্যাটাকার দলে ভেড়াতে চায়। ২০২৭ সালে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়া ফেরান তোরেসের ভবিষ্যতও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আলভারেজের ক্ষেত্রে চুক্তির পরিমান ১০০ মিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়ে যেতে পারে। যে কারনে তোরেসের মত খেলোয়াড়দের ছেড়ে দিয়ে বার্সেলোনা অর্থ জোগাড় করতে পারে। বার্সেলোনা খুব ভালমতই জানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালিস্ট পিএসজি ও আর্সেনালের সাথে তারা বিডে পারবে না।    আলভারেজের সাথে এ্যাথলেটিকোর চুক্তির মেয়াদ রয়েছে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তার রিলিজ ক্লজ ধরা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ইউরো। ক্লাব চাচ্ছে সে যাতে দল না ছাড়ে। কিন্তু ক্লাবের চাওয়া অনুযায়ী চুক্তির পরিমান পাওয়া গেলে কোচ দিয়েগো সিমিওনের কোন আপত্তি নেই।    ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৮৫ মিলিয়ন ইউরোতে আলভারেজ ২০২৪ সালে এ্যাথলেটিকোতে যোগ দিয়েছিলেন। এ পর্যন্ত ১০৬ ম্যাচে করেছেন ৪৯ গোল।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৯, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

স্কটল্যান্ডের সাথে চার বছরের চুক্তি নবায়ন করেছেন ক্লার্ক

ছবি: সংগৃহীত

মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

মেসিকে প্রশংসায় ভাসিয়ে আর্জেন্টিনাকেই এগিয়ে রাখলেন ভিনিসিয়ুস

সংগৃহীত ছবি
নতুন দুই মুখ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

দুই নতুন মুখকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১০ সালের পর দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে আবারও বিশ্বকাপ মঞ্চে ফিরছে প্রোটিয়ারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপের দলে ডাক পেয়েছেন নতুন দুই মুখ ডিফেন্ডার অলওয়েথু মাখানিয়া ও ব্র্যাডলি ক্রস। আর দলটিতে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে বড় শিরোপা জেতা দুই ক্লাব ‌মামেলোদি সানডাউনস ও অরল্যান্ডো পাইরেটসের ফুটবলাররা।দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে সানডাউনস ও পাইরেটস দুই ক্লাব থেকেই জায়গা পেয়েছেন আটজন করে খেলোয়াড়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল: গোলরক্ষক: সিফো চেইনে (অরল্যান্ডো পাইরেটস), রিকার্ডো গস (সিওয়েলেলে), রনওয়েন উইলিয়ামস (মামেলোদি সানডাউনস); ডিফেন্ডার: অব্রি মোদিবা, খুলিসো মুদাউ, খুলুমানি এনদামানে (সবাই সানডাউনসের), কামোগেলো সেবেলেবেলে, এনকোসিনাথি সিবিসি (দুজনই পাইরেটস), ব্র্যাডলি ক্রস (কাইজার চিফস), সামুকেলে কাবিনি (মোলদে/নরওয়ে), অলওয়েথু মাখানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন/যুক্তরাষ্ট্র), থাবাং মাতুলুদি (পোলোকওয়ানে সিটি), এমবেকেজেলি এমবোকাজি (শিকাগো ফায়ার/যুক্তরাষ্ট্র), ইমে ওকন (হ্যানোভার/জার্মানি); মিডফিল্ডার: অসউইন অ্যাপোলিস, থালেন্তে এমবাথা, রেলেবোহিলে মোফোকেং (সবাই পাইরেটস), জেডেন অ্যাডামস, তেবোহো মোকোয়েনা, থেম্বা জোয়ানে (সবাই সানডাউনস), স্পেহেফেলো সিথোলে (তোনদেলা/পর্তুগাল); ফরোয়ার্ড: এভিডেন্স মাকগোপা, ছেপাং মোরেমি (দুজনই পাইরেটস), লাইল ফস্টার (বার্নলি/ইংল্যান্ড), থাপেলো মাসেকো (এইইএল লিমাসল/সাইপ্রাস), ইকরাম রেইনার্স (সানডাউনস)। দক্ষিণ আফ্রিকা এর আগে তিনবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলেছে।১৯৯৮ সালে প্রথমবার অংশ নেওয়ার পর তারা আবার ২০০২ সালে যোগ্যতা অর্জন করে এবং ২০১০ সালে নিজেদের মাটিতে টুর্নামেন্ট আয়োজনও করে। তবে প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

মারিয়া রহমান মে ২৯, ২০২৬
পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল

পাকিস্তানের ক্যারিবীয় টেস্ট সফর, সূচি প্রকাশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ছবি: সংগৃহীত

সাফল্য পেতে হলে ব্যক্তিগত অহংকার ত্যাগ করতে হবে’

ব্যালন ডি’অর

৭০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ব্যালন ডি’অরের ভেন্যু বদল

0 Comments