বিনোদন

সেন্সর জটিলতায় ‘প্রিন্স’: অনুমোদন স্থগিত বোর্ডের

মারিয়া রহমান মে ০৬, ২০২৬
‘প্রিন্স’ সিনেমার পোস্টার
‘প্রিন্স’ সিনেমার পোস্টার

বীভৎসতা ও অশালীনতার অভিযোগে জটিলতায় পড়েছে শাকিব খান অভিনীত চলচ্চিত্র ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’। ছবিটির সেন্সর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড।

পিআইডির বরাতে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেন্সর বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই কিছু গান ও দৃশ্য সংযোজন করে ছবিটি প্রদর্শন করা হয়েছে। একইসঙ্গে, অনুমোদিত কপিতে ধূমপান ও মাদক সেবনের সতর্কবার্তা পরিবর্তন বা টেম্পার করার অভিযোগও উঠেছে। এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে ছবিটির সার্টিফিকেশন সনদ (এলএল নং ১০/২০২৬, তারিখ: ১৬ মার্চ ২০২৬) স্থগিত করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘তোমাকে ছাড়া’ শিরোনামের একটি গান এবং ভারতের মরুভূমি প্রেক্ষাপটে নির্মম হত্যাযজ্ঞের বীভৎস দৃশ্য ছবিতে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সেন্সর বোর্ড পূর্বে যেসব দৃশ্য বাদ দিতে বলেছিল—যেমন চাপাতি দিয়ে হাত কেটে ফেলা, গলার রগ কেটে দেওয়ার দৃশ্য, এবং নারীদের অশালীন ও অরুচিকর উপস্থাপন—সেগুলো পুনরায় সংযোজনের অভিযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিচালক  আবু হায়াত মাহমুদ জানান, এখনো তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো স্থগিতাদেশের নোটিশ হাতে পাননি। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সেন্সর বোর্ড থেকে একটি নোটিশ পেয়েছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তার জবাবও দেওয়া হয়েছে।

সেন্সরবিহীন দৃশ্য প্রদর্শনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা দেন, ‘ভুলবশত সিনেমা হলে ছবিটির ইন্ডিয়ান বা ওটিটি ভার্সন প্রদর্শিত হয়েছিল। যখন সেন্সর বোর্ড থেকে নোটিশ আসে, তখন ছবিটি আর হলে চলছিল না। আমরা জানিয়েছিলাম, ভবিষ্যতে শুধুমাত্র অনুমোদিত সংস্করণই প্রদর্শন করা হবে এবং সে অনুযায়ী কাজও চলছিল।’

তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ এবং প্রযোজক শিরিন সুলতানার এই অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্রটি গত ২১ মার্চ ফিতরে উপলক্ষে দেশজুড়ে মুক্তি পেয়েছিল। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিন ও জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুসহ অনেকে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মারা গেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার

ভারতীয় চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ায় নিজ বাসভবনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রায় ৪৫ মিনিটের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর নানা পাটেকারকে টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তার হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্রম আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।   এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সময় নানা পাটেকারের ছেলে মালহার পাটেকার পুনেতে অবস্থান করছিলেন। বাবার মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর তিনি গোয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।   নানা পাটেকারের মৃত্যুর ঘটনায় একটি মেডিকেল-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।   ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া নানা পাটেকারের প্রকৃত নাম বিশ্বনাথ পাটেকার। তীব্র অভিনয়, দৃঢ় সংলাপ উপস্থাপন এবং ব্যতিক্রমী চরিত্রকে বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলার দক্ষতার কারণে ভারতীয় সিনেমায় তিনি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।   তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেতা ‘নাটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘অব তক ছাপ্পান’ ও ‘ইয়েশবন্ত’-এর মতো আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন।   ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তী সময়ে নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়েন তিনি।   ২০০০-এর দশকে ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ (২০০২), ‘অব তক ছাপ্পান’ (২০০৪), ‘অপহরণ’ (২০০৫) এবং ‘ট্যাক্সি নাম্বার ৯২১১’ (২০০৬) সিনেমায় তার অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।   ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। চরিত্রটির জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ সিনেমাতেও একই ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি।   এ ছাড়া ২০১০ সালের রাজনৈতিক থ্রিলার ‘রাজনীতি’ সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা পাটেকার বলিউডে শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র অভিনয়ের জন্য দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শাহরুখের যে জীবনমন্ত্র আজও মেনে চলেন অভিষেক

ছবি: সংগৃহীত

মেসির বিদায়ে পূর্ণিমার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিলেন কিয়ারা আদভানি

ছবি: সংগৃহীত
আইনি বিপাকে হানি সিং

বিতর্ক আর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড যেন বলিউড র‍্যাপার হানি সিংয়ের জীবনের নিত্যসঙ্গী। প্রায়শই নানা মন্তব্য ও কাণ্ড ঘটিয়ে শিরোনামে উঠে আসা এই তারকা এবার বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছেন। চলতি বছরের গোড়ার দিকে একটি কনসার্টে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র সাইবার সেলে মামলা দায়ের করা হয়। সেই প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হওয়ার সমন পাঠানো হলেও তা এড়িয়ে গিয়েছেন এই গায়ক।   ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কনসার্টে বিতর্কিত মন্তব্যের পর আইনি জটিলতায় পড়া হানি সিংকে গত ৫ অক্টোবর মহারাষ্ট্র সাইবার সেলে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি পুলিশি জেরা এড়াতে প্রতিনিধি মারফত বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।   ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। দিল্লির একটি কনসার্টে পারফর্ম করতে গিয়ে তীব্র শীতের মধ্যে গাড়িতে সঙ্গম করার পরামর্শ দেন হানি সিং। সেই সাথে অসংযত ভাষায় কনডম ব্যবহারের উপদেশ দেন শ্রোতা-দর্শকদের। মুহূর্তেই তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে। চরম কটাক্ষের মুখে পড়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ক্ষমা চান হানি।   ক্ষমা চাইতে গিয়ে তিনি জানান, অনিরাপদ যৌনতার কারণে তরুণ প্রজন্ম যে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে, সে সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতেই তিনি এমন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জেন-জি বা বর্তমান প্রজন্মের কাছে কথাটি সহজ ও বোধগম্য উপায়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এমন রূপক ও অনানুষ্ঠানিক ভাষা বেছে নিয়েছিলাম।’    তবে চিকিৎসকদের দোহাই দিয়ে এমন মন্তব্য করায় বিতর্ক না কমে আরও দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। ভাষার শালীনতা বজায় না রাখা ও অশালীন মন্তব্য ছড়ানোর দায়ে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ০৭, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে এক বছর পর নায়িকার মুখে স্বস্তির কথা

সংগৃহীত ছবি

বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য পেল অজয় দেবগণের ‘দৃশ্যম ৩’

ছবি: সংগৃহীত

চোট কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই নতুন সমস্যায় অমিতাভ বচ্চন

ছবি: সংগৃহীত
প্রীতম-শেহতাজের দাম্পত্য জীবনের অবসান

দীর্ঘ ১০ বছরের পথচলার পর দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং অভিনেত্রী ও গায়িকা শেহতাজ মনিরা। পারস্পরিক সম্মতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশেই তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান শেহতাজ। রাত ১০টা ৪২ মিনিটে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি জানান, প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর দুজনের সম্মিলিত সিদ্ধান্তেই তারা বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটানোর পথে এগোচ্ছেন।   শেহতাজ তার পোস্টে বলেন, একসঙ্গে কাটানো দীর্ঘ সময় ও নানা স্মৃতির জন্য তারা দুজনই কৃতজ্ঞ। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও একে অপরের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও যত্নের জায়গাটি এখনও অটুট রয়েছে।   তবে সময়ের সঙ্গে তারা বুঝতে পেরেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই তাদের জন্য ভালো হবে। দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা ও নিজেদের মধ্যে আলোচনার পরই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান শেহতাজ।   তিনি আরও জানান, দুই পরিবারের সমর্থন ও সম্মতি নিয়ে তারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছেন।   নতুন এই অধ্যায়ে প্রবেশের সময়ে বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতি ব্যক্তিগত বিষয়টির প্রতি সম্মান দেখানোর পাশাপাশি তাদের গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন শেহতাজ। একই সঙ্গে সবার সহমর্মিতা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।   উল্লেখ্য, প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মুনিরা হাশেমের পরিচয় ও সম্পর্কের শুরু বিয়ের কয়েক বছর আগেই। প্রায় পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। শ্রীমঙ্গলের মনোরম পরিবেশে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।   দাম্পত্য জীবনের কয়েক বছর পর এবার পারস্পরিক সিদ্ধান্তে আলাদা হওয়ার পথে হাঁটছেন দেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত এই দুই তারকা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দশ বছরের পথচলার পর আলাদা হচ্ছেন প্রীতম ও শাহতাজ

সংগৃহীত ছবি

সবুজ-নীল শাড়িতে নজর কাড়লেন সাবিলা

ছবি: সংগৃহীত

রান্নায় সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ কমানোর সহজ উপায়

0 Comments