জাতীয়

স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : প্রধান উপদেষ্টা

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২১, ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। তিনি একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের সকল শহীদ, আহত ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, আসন্ন নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী দেশের জন্য অব্যাহতভাবে ত্যাগ ও তৎপরতা বজায় রাখবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা এবং চলমান দেশ পুনর্গঠন ও সংস্কারের কাজে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তিনি স্মরণ করান, সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের রণক্ষেত্রে। ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে, যা মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছে।

ড. ইউনূস বলেন, মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর বীর সেনানীরা জীবন উৎসর্গ করে দেশের জনগণকে সাহস জুগিয়েছে। সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তারা দেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সশস্ত্র বাহিনী আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত। এছাড়া, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩টি মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের ১০টি বিপজ্জনক অঞ্চলে নিয়োজিত রয়েছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের অন্যতম দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত।

 

উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও অতিথিবৃন্দ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এসব রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকেই মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন তারা।   সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় উদযাপন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ছাড়াও যানজট নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিতে রাজধানীর নিউমার্কেট, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ সাভারের নবীনগর ও বাইপাইল, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।   সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদ ঘিরে জনসাধারণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিতের পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঈদের আগে ৭ দিন ও পরবর্তী ৩ দিন বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ছাড়াও মহাসড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে তারা দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ড. ইউনূসের সময় নিয়োগ পাওয়া ভিসিদের পদত্যাগ ও পুনর্বিন্যাস: কারা কোথায় আছেন

ছবি: সংগৃহীত

জাপানের সঙ্গে সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

ছবি: সংগৃহীত

সরকারে নতুন ‘এস আলম’ তৈরির প্রতিযোগিতা চলছে: নাহিদ ইসলাম

ছবি : সংগৃহীত
আসছে ‘বেসরকারি সার্ভিস রুলস’; চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

দেশের বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর আসছে। চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করতে যুগোপযোগী ও সমন্বিত ‘বেসরকারি সার্ভিস রুলস’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।   এ লক্ষ্যে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বেসরকারি খাতে ন্যূনতম বেতন, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি, বাধ্যতামূলক নিয়োগপত্র, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য ও হয়রানি প্রতিরোধ, মাতৃত্বকালীন সুবিধা এবং চাকরির স্থায়িত্বের মতো বিষয়গুলো আইনি সুরক্ষার আওতায় আসতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে সচিবালয়ে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সবার মতামতের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬’ এবং ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা নতুন সংযোজন আনা হতে পারে। এ কাজ তদারকির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান মোস্তফা জামান বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রে কর্মীরা চাকরির নিরাপত্তাহীনতা, হঠাৎ ছাঁটাই, মাতৃত্বকালীন ছুটি না পাওয়া কিংবা সার্ভিস বেনিফিট থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো সমস্যায় পড়েন। এসব সংকট কমাতেই সমন্বিত বিধিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   এ ছাড়া উবার, পাঠাও, ফুডপান্ডার মতো অ্যাপভিত্তিক বা গিগ অর্থনীতির কর্মীদের জন্যও আলাদা নীতিমালার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বর্তমানে এসব খাতের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট সার্ভিস রুলস না থাকায় নতুন কাঠামোয় তাদের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশের মোট কর্মজীবী মানুষের বড় অংশই বেসরকারি খাতে কাজ করেন। তাই এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লাখো চাকরিজীবীর কর্মজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২২, ২০২৬
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

রামিসার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক ও থেরাপিস্ট নেবে মালদ্বীপ, ওষুধ আমদানির আগ্রহ

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার গুঞ্জন ও আইনি অবস্থান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমরা তো তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে যেন তিনি বাংলাদেশে মামলার মুখোমুখি হন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট’ (সিএএ) কার্যকর এবং পুশব্যাক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতের ‘সিএএ’ বা আসামের ‘এনআরসি’ তাদের নাগরিকদের জন্য নিজস্ব আইন-কানুন। সেখানে আমাদের কোনো মন্তব্য করার অবকাশ নেই। তবে, মন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা জোরপূর্বক প্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

রামিসা হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে ১০ দিন মাঠে থাকবে বিজিবি

ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশ খাতে বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কমেছে, ভুগছে প্রান্তিক মানুষ

0 Comments