খেলা

সরে দাঁড়ালেন ৩ জন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতছেন নান্নু-মঈন

মারিয়া রহমান মে ২৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই বড়সড় চমক এসেছে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়। আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় কোনো প্রকার ভোটযুদ্ধ ছাড়াই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং মঈন উদ্দিন।

জেলা ও বিভাগীয় কোটা (ক্যাটাগরি-১) থেকে ফেনী জেলার প্রার্থী শরিফুল ইসলাম অপু শেষ মুহূর্তে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় চট্টগ্রাম বিভাগের এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া ক্লাব কোটা (ক্যাটাগরি-২) থেকেও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফর রহমান বাদল ও ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মাহমুদুর রহমান সরে দাঁড়িয়েছেন।

বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে ১ জন করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই ৩ বিভাগ থেকে মনোনয়ন দাখিলই করেছেন ১ জন করে। ঢাকা বিভাগ থেকে ২ জনের বিপরীতে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করলেও যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়েন একজন। ফলে ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালকও নির্ধারিত হয়ে গেছে।

এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরি, বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, ঠাঁকুরগাও জেলা ক্রীড়া সংস্থার মির্জা ফয়সাল আমিন। ঢাকা বিভাগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন- সাইদ বিন জামান এবং এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

খুলনা বিভাগ থেকে নির্বাচনে লড়বেন শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম এবং আব্দুস সালাম। এই বিভাগ থেকে নির্বাচিত হবেন ২ জন। বরিশাল থেকে নির্বাচনে লড়বেন ২ জন- মিজানুর রহমান, মুনতাসির আলম চৌধুরি, নির্বাচিত হবেন ১ জন।

ক্যাটাগরি-৩ থেকে একাই মনোনয়ন দাখিল এবং বৈধতা নিয়ে  রিচালক নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর।

ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২ পদের বিপরীতে লড়বেন ১৬ জন কাউন্সিলর। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইশরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
সরে দাঁড়ালেন ৩ জন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতছেন নান্নু-মঈন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই বড়সড় চমক এসেছে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়। আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় কোনো প্রকার ভোটযুদ্ধ ছাড়াই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং মঈন উদ্দিন। জেলা ও বিভাগীয় কোটা (ক্যাটাগরি-১) থেকে ফেনী জেলার প্রার্থী শরিফুল ইসলাম অপু শেষ মুহূর্তে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় চট্টগ্রাম বিভাগের এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া ক্লাব কোটা (ক্যাটাগরি-২) থেকেও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফর রহমান বাদল ও ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মাহমুদুর রহমান সরে দাঁড়িয়েছেন। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে ১ জন করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই ৩ বিভাগ থেকে মনোনয়ন দাখিলই করেছেন ১ জন করে। ঢাকা বিভাগ থেকে ২ জনের বিপরীতে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করলেও যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়েন একজন। ফলে ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালকও নির্ধারিত হয়ে গেছে। এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরি, বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, ঠাঁকুরগাও জেলা ক্রীড়া সংস্থার মির্জা ফয়সাল আমিন। ঢাকা বিভাগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন- সাইদ বিন জামান এবং এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ। খুলনা বিভাগ থেকে নির্বাচনে লড়বেন শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম এবং আব্দুস সালাম। এই বিভাগ থেকে নির্বাচিত হবেন ২ জন। বরিশাল থেকে নির্বাচনে লড়বেন ২ জন- মিজানুর রহমান, মুনতাসির আলম চৌধুরি, নির্বাচিত হবেন ১ জন। ক্যাটাগরি-৩ থেকে একাই মনোনয়ন দাখিল এবং বৈধতা নিয়ে  রিচালক নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর। ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২ পদের বিপরীতে লড়বেন ১৬ জন কাউন্সিলর। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইশরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনরা।

মারিয়া রহমান মে ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ঘিরে স্কুল ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত বাতিল করল মেক্সিকো

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ রক্ষার মিশনে কি থাকছেন লিওনেল মেসি?

ছবি: সংগৃহীত

টানা দ্বিতীয়বার লিগ ওয়ানের বর্ষসেরা খেলোয়াড় দেম্বেলে

ছবি: সংগৃহীত
ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ, ঘরের মাঠে প্রথমবার হারল পাকিস্তান

ঐতিহাসিক এক জয়ে নতুন অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে হারিয়ে ক্রিকেটে স্মরণীয় সাফল্য তুলে নিয়েছে টাইগাররা।   দুর্দান্ত ব্যাটিং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংসের পর বোলারদের শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্সে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের দাপুটে পারফরম্যান্সের সামনে টিকতে পারেনি সফরকারীরা।   এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটল বাংলাদেশের। এর আগে দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বেশ কয়েকবার লড়াই করেও জয় পায়নি টাইগাররা। অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে ইতিহাস গড়ল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।   ম্যাচ শেষে ক্রিকেটপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। সাবেক ক্রিকেটার ও বিশ্লেষকরাও বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন।   অধিনায়ক বলেন, দলের সবাই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছেন এবং এই জয় পুরো দেশের জন্য বিশেষ কিছু। অন্যদিকে পাকিস্তান অধিনায়ক স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাদের দল চাপ সামলাতে পারেনি।   এই ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগাবে বলেই মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আর্সেনালের ইতিহাস বদলে দিতে পারে: আর্তেতা

ছবি: সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা উৎসবে বার্সেলোনা

ছবি: সংগৃহীত

লা লিগার ৯৭ বছরের ইতিহাসে এমন উপলক্ষ কখনো আসেনি

ছবি: সংগৃহীত
শিরোপার নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া, স্বীকার করলেন পেপ গার্দিওলা

এভারটনের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্রয়ের পর প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা দৌড়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আর হাতে নেই বলে স্বীকার করেছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা।   ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “এখন আর এটা আমাদের হাতে নেই; আগে ছিল, এখন নেই। সামনে চারটি ম্যাচ বাকি, প্রতিটি ম্যাচই কঠিন হবে। দেখি কী হয়।”   এভারটন ও ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ জিততে পারলে পয়েন্ট টেবিলে আর্সেনালের সমতায় যাওয়ার সুযোগ ছিল সিটির সামনে। কিন্তু ড্রয়ের কারণে তারা এখন পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে, যদিও একটি ম্যাচ কম খেলেছে। ফলে শিরোপা জিততে এখন আর্সেনালের পয়েন্ট হারানোর অপেক্ষায় থাকতে হবে গার্দিওলার দলকে।   লিভারপুলের গুডিসন পার্কে ম্যাচ শেষে তিন পয়েন্ট না পেলেও এক পয়েন্টকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন গার্দিওলা। তিনি বলেন, “হারার চেয়ে এটা ভালো। আমরা জিততেই খেলি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। আজ আমরা দেখিয়েছি আমরা কেমন দল। খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক ছিল এবং সবকিছু চেষ্টা করেছে।”   ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, ৯৭তম মিনিটে জেরেমি ডোকুর গোলে সমতা ফেরায় সিটি। এই উইঙ্গারও হতাশা প্রকাশ করলেও শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে যাননি। তিনি বলেন, “এখন কষ্ট লাগছে, কিন্তু এখনও অনেক ম্যাচ বাকি। যেকোনো কিছুই হতে পারে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”   ৮৩তম মিনিটে গোল করা আর্লিং হলান্ডও ম্যাচ শেষে সতীর্থদের সঙ্গে করমর্দনের সময় বলেন, “আমরা এখনও লড়াইয়ে আছি।”   সিটির সামনে এখন ব্রেন্টফোর্ড, ক্রিস্টাল প্যালেস, বোর্নমাউথ ও অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে চারটি ম্যাচ বাকি। অন্যদিকে তুলনামূলক সহজ সূচি পেয়েছে আর্সেনাল, যারা খেলবে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড, ইতোমধ্যে অবনমিত বার্নলি এবং প্যালেসের বিপক্ষে।   শিরোপা দৌড়ে ধাক্কা খেলেও ঘরোয়া ট্রেবল জয়ের সুযোগ এখনো রয়েছে সিটির সামনে। ইতোমধ্যে তারা লিগ কাপ জিতেছে এবং আগামী ১৬ মে এফএ কাপ ফাইনালে চেলসির মুখোমুখি হবে গার্দিওলার দল।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ক্রীড়াজগতের প্রথম প্রচ্ছদকন্যা জিমন্যাস্ট খুশি আর নেই

ছবি : সংগৃহীত

মিরপুরে লর্ডসের আদলে হবে ব্যালকনি, থাকছে বিশেষ লাউঞ্জ

ছবি : সংগৃহীত

‘গার্লফ্রেন্ড কালচার’ বন্ধ করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

0 Comments