ক্রীড়া সাংবাদিক পিয়ার্স মরগান আবারও বিতর্ক ছড়ালেন লিওনেল মেসিকে নিয়ে মন্তব্য করে। এবার তিনি দাবি করেছেন, মেসি সর্বকালের সেরা তো নন-ই, আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়ও নন।
নিজের সর্বকালের সেরা ফুটবল একাদশ প্রকাশ করে সেখানে জায়গা দেননি মেসিকে। এরপর সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়লেও নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন এই ব্রিটিশ সাংবাদিক।
এক্সে দেওয়া পোস্টে মরগান লিখেছেন, ‘এটা মোটেও অবাক হওয়ার কিছু নয়। মেসি আর্জেন্টিনারও সেরা খেলোয়াড় নন। আমার সর্বকালের সেরা একাদশ তাকে ছাড়াই পরিপূর্ণ।’
মরগানের এই মন্তব্যে নতুন করে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বের চিরন্তন বিতর্ক।
অনেকেই মনে করছেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর প্রতি সমর্থন দেখাতে গিয়ে মেসিকে ছোট করার চেষ্টা করেছেন।
তার নির্বাচিত একাদশে জায়গা পেয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, দিয়েগো ম্যারাডোনা, জিনেদিন জিদান, রোনালদিনহো ও রোনালদো নাজারিওদের মতো তারকারা।
বিশেষ করে আর্জেন্টিনার সেরা হিসেবে মেসির বদলে দিয়েগো ম্যারাডোনাকে এগিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়েই বেশি আলোচনা হচ্ছে।
যদিও ফুটবল বিশ্লেষকদের বড় একটি অংশ মনে করে, বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা এবং অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জনের কারণে লিওনেল মেসি ইতিমধ্যেই ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজের জায়গা নিশ্চিত করেছেন।
তবু, পিয়ার্স মরগানের এই মন্তব্য আবারও উসকে দিল মেসি-রোনালদো বিতর্ককে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনেক কিছুই ঘটেছে। তার মধ্যে আলোচিত একটা ঘটনা ছিল প্রথম গোলের পর লিওনেল মেসির কান্না। সে কান্না কেন, মেসি মুখ খুলেছিলেন বটে, কিন্তু কারণটা পুরোপুরি খোলাসা করেননি। সেদিন রাতেই জানা গিয়েছিল, তার বাবা হোর্হে মেসি অসুস্থ। তিনি এখন চিকিৎসাধীন আছেন। তার অসুস্থতার কারণ এখনও জানানো হয়নি। তবে মেসির বিশ্বকাপে খেলার মধ্যেই বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টাইন এক সাংবাদিক জানান হোর্হে মেসি নাকি মৃত্যুবরণ করেছেন। বিষয়টি চোখে পড়েছে মেসির পরিবারেরও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিবৃতি এসেছে তাদের পক্ষ থেকে। পরিবারটি গণমাধ্যমের কাছে ‘মানবিকতা’ দেখানোর অনুরোধ জানায়। মেসি পরিবার এক বিবৃতিতে বলে, ‘হোর্হে একটি স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।’ ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি ঠিক কী রোগে ভুগছেন, তা পরিবার থেকে খোলাসা করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তিনি এখন চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং ভালোর দিকে এগোচ্ছেন।’ এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের পর মেসি বলেছিলেন, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন একটা সময় পার করছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। মেসির মিডিয়া অফিস থেকে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। একই দিনে আর্জেন্টিনায় হোর্হে মেসির মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার থেকে বলা হয়, ‘এই সময়ে আমরা দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা এবং মানবিকতা চাই। একজন মানুষের স্বাস্থ্য এবং তার পরিবারের মানসিক শান্তি জল্পনা বা দায়িত্বহীন গণমাধ্যমের আগ্রহের বিষয় হওয়া উচিত নয়।’ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে পরিবার নিজেই তা জানাবে।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে আবারও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বুধবার (১৭ জুন) ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে পর্তুগাল ১-১ গোলে ড্র করার পর থেকেই মূলত এই সমালোচনার শুরু। ৪১ বছর বয়সে এসেও রোনালদোকে পর্তুগালের আক্রমণভাগ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটিতে ১৪৩টি আন্তর্জাতিক গোলের রেকর্ডধারী এই তারকাকে নিজের ছায়া হয়ে থাকতেই দেখা গেছে। এই একটি ম্যাচই পণ্ডিত এবং সমর্থকদের জন্য দলে তার নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল। তবে রোনালদো যখন তীব্র সমালোচনায় কোণঠাসা, ঠিক তখনই আজ থেকে তিন বছর আগে বিরাট কোহলির দেওয়া একটি সতর্কবার্তা বিশ্ববাসীর মনে করা প্রয়োজন। কারণ কোহলিকেও তার ক্যারিয়ারের শেষ কয়েক বছরে রোনালদোর মতোই প্রায় একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিন বছর আগের সেই সতর্কবার্তা সে সময় আল হিলাল এবং আল নাসরের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত ‘রিয়াদ অল-স্টার্স’-এর হয়ে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের পিএসজির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন রোনালদো। ম্যাচটিতে রোনালদোর দল ৪-৩ ব্যবধানে জয়ী হয় এবং পর্তুগাল তারকা একাই দুটি গোল করেন। ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল পণ্ডিতদের ধুয়ে দিয়েছিলেন কোহলি। রোনালদোর প্রতি সবসময়ই নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করা কোহলি লিখেছিলেন, ‘৩৮ বছর বয়সেও সর্বোচ্চ স্তরে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা যারা প্রতি সপ্তাহে স্রেফ প্রচার পাওয়ার জন্য তার সমালোচনা করেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবের বিরুদ্ধে এমন পারফরম্যান্সের পর তারা আজ সুবিধাজনকভাবে চুপ হয়ে গেছেন। অথচ বলা হচ্ছিল তিনি নাকি ফুরিয়ে গেছেন!’ ফর্ম নাকি বোঝাপড়ার অভাব? এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে রোনালদো এখন আর আগের সেই খেলোয়াড়টি নন—যিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা জুভেন্টাসের হয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তটস্থ করে রাখতেন। কিন্তু অনেকেই এই সত্যটি এড়িয়ে যাচ্ছেন যে, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমেও তিনি আল নাসরের হয়ে ৩০ ম্যাচে ২৮টি গোল করেছেন। বর্তমান পর্তুগাল দলে তার যা অভাব, তা আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়ার; কারণ তার সতীর্থরা রোনালদোর চেয়ে অনেক দ্রুতগতির এবং চ্যালেন্জিং লিগে খেলে থাকেন। প্রশ্ন তোলা বা সমালোচনা করা যেতেই পারে, তবে রোনালদোর মতো একজন কিংবদন্তি—যিনি ফুটবল ইতিহাসের বহু সোনালী মুহূর্তের কারিগর, তাকে এভাবে উপহাস করার একটা সীমা থাকা উচিত। ২০২২ বিশ্বকাপ এবং কোহলির শ্রদ্ধাঞ্জলি ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে যখন পর্তুগাল বিদায় নেয়, তখনও রোনালদোর প্রতি নিজের গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছিলেন কোহলি। তার সেই আবেগঘন বার্তা আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দেয়, ‘কোনো ট্রফি বা খেতাবই এই খেলাধুলার প্রতি এবং বিশ্বজুড়ে ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে আপনার অবদানকে কেড়ে নিতে পারবে না। আপনি মানুষের মনে যে প্রভাব ফেলেছেন, তা কোনো খেতাব দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। প্রতিবার মাঠে নেমে আপনি যেভাবে উজাড় করে খেলেন, তা কঠোর পরিশ্রম এবং উৎসর্গের এক অনন্য প্রতীক এবং যেকোনো ক্রীড়াবিদের জন্য এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। আমার কাছে আপনিই সর্বকালের সেরা।’ রোনালদোর সামনে এখন কীসের অপেক্ষা? বিশ্বকাপের পর রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় পর্তুগাল জার্সিতে তার ভবিষ্যৎ কী, তা লুকিয়ে আছে ২০১৯ সালে কোহলির দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে। দীর্ঘ সাত বছর পরেও রোনালদোর কাজের প্রতি নিষ্ঠা বিন্দুমাত্র কমেনি। কোহলি ফিফা ডট কম-কে বলেছিলেন, ‘আমার কাছে ক্রিশ্চিয়ানো সবার উপরে। তার প্রতিশ্রুতি এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা অতুলনীয়। প্রতি ম্যাচেই জেতার জন্য তার সেই তীব্র ক্ষুধা দেখা যায়। তিনি আমাকে অনুপ্রাণিত করেন।’ ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাক্কাই রোনালদোকে আরও শক্তিশালী করে, নিজেকে নতুনভাবে মেলে ধরতে এবং সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করতে বাধ্য করে। পর্তুগাল যখন বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায়, তখন রোনালদোর কাছ থেকে সেরা পারফরম্যান্সের চেয়ে কম কিছু আশা করা ভুল হবে। মাঠে রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি হতে পারেন, তবে মাঠের বাইরে অন্য একটি খেলায় বিরাট কোহলির আচরণ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাওয়ার জেদ পুরোপুরি রোনালদোর সঙ্গে মিলে যায়। ভারতীয় ওয়ানডে দলের ৩ নম্বর পজিশনে যেভাবে কোহলি সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন, ঠিক একইভাবে আগামী ম্যাচগুলোতে রোনালদোও বিশ্বকে চমকে দেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা তার ভক্তদের। সূত্র: এনডিটিভি
ম্যাচের ৬ মিনিটেই জোয়াও নেভেসের গোল দেখে মনে হয়েছিল চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় জয়ই পেতে যাচ্ছে পর্তুগাল। সেই আভাস প্রথমার্ধের শেষ দিকেই দিয়ে দিল দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গো। ইয়োনে উইসার দুর্দান্ত এক গোলে ম্যাচে আসে সমতা। সেখান থেকে আর লিড নিতে পারেনি পর্তুগাল। ড্রয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় পর্তুগালকে। আর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট পায় ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়ায় পর্তুগাল। কিন্তু একের পর এক মিস বল জালের দেখা পায়নি। ৫৪ মিনিটে হোয়াও ক্যানসেলোর একটি ওভারহেড শট জালে গেলেও অফসাইডে বাদ পড়ে। এরপর আক্রমণ তৈরি করলেও সেটিতে ধার ছিল না। সবমিলিয়ে ফিফা র্যাংকিংয়ের ৫ নম্বর দলকে আটকে দিয়েছে ৪৬ নম্বরে থাকা ডিআর কঙ্গো। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া কঙ্গোর ফুটবলে দিনটি ঐতিহাসিক হয়ে থাকবে।