আন্তর্জাতিক

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৮, ২০২৬

গাজায় নিহত শেষ ইসরাইলি জিম্মি রন গিভিলির দেহাবশেষ দ্রুত ফিরিয়ে আনার দাবিতে ইসরাইলজুড়ে নতুন করে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পেছনে থাকা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ব্যর্থতা তদন্তে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠনের দাবিও তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা।

 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষ অংশ নেয়। টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে অস্বীকৃতি জানানোয় ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড হাতে সমাবেশে যোগ দেন। তাদের অভিযোগ, সরকার প্রকৃত তদন্ত এড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি কমিটি গঠনের পথে এগোচ্ছে।

 

বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিচারিক সংস্কার পরিকল্পনারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাদের দাবি, এই সংস্কারের মাধ্যমে আদালতের ক্ষমতা খর্ব করে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চলছে, যা গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ।

 

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান মোশে ইয়ালোন। তিনি বলেন, ইসরাইলের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি এখন বাহ্যিক নয়, বরং অভ্যন্তরীণ। তিনি চলমান পরিস্থিতির সঙ্গে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের উদাহরণ টেনে ইসরাইল সরকারের অবস্থানের তুলনা করেন।

 

এদিকে, রন গিভিলির নিজ শহর মেইতারেও আলাদা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে তার পরিবার ও সমর্থকরা গাজায় নিহত জিম্মিদের মরদেহ ফেরত আনা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে দায় নির্ধারণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করে বলেন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছ তদন্ত ছাড়া এই সংকটের রাজনৈতিক ও সামাজিক সমাধান সম্ভব নয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সৌদির তেল স্থাপনায় হুতি হামলার দাবি, জিজানে ধোঁয়ার কুণ্ডলির ছবি প্রকাশ

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবু অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সংঘটিত এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জিজানে একটি তেল স্থাপনা থেকে ধোঁয়া বের হওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়ে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপির তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে আরামকোর একটি স্থাপনা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়। এএফপি ছবিটির সত্যতা যাচাই করেছে।   তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।   এর আগে সৌদি সরকার জিজান ও ইয়ানবু অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।   সম্প্রতি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ইরান থেকে আসা একটি বিমানকে ইয়েমেনের রাজধানী সানার বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।   এর পর থেকে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। শনিবারও ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে। এর কিছু সময় পরই আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি জানায় হুতি বিদ্রোহীরা।   ঘটনার বিষয়ে সৌদি সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস, বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ নিয়ে চীন-রাশিয়াকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা

সংগৃহীত ছবি

ইউক্রেনের ড্রোন প্রদর্শনীতে ভয়াবহ হামলা, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত অন্তত ১০

ছবি: সংগৃহীত
দাবানলে পুড়ছে স্পেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ফ্রান্সের পর এবার ভয়াবহ দাবানলের মুখে পড়েছে স্পেন। রাজধানী মাদ্রিদের আশপাশের বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া একাধিক আগুন একত্রিত হয়ে বড় ধরনের দাবানলে রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) মাদ্রিদ ও পার্শ্ববর্তী আভিলা প্রদেশে দাবানল মোকাবিলায় জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্পেন সরকার। দেশটির ইতিহাসে শুধু দাবানলের কারণে এমন সিদ্ধান্ত এই প্রথম।   স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাজারো দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও প্রবল বাতাসের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।   স্পেনে বসবাসরত কয়েকজন বাংলাদেশি জানিয়েছেন, দাবানলের কারণে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এতে বাংলাদেশিদের পরিচালিত অনেক রেস্তোরাঁয় ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশির হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।   স্পেন সরকারের বরাত দিয়ে জার্মানির বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রথমে সান মার্তিন ও ভিয়া দেল প্রাদো এলাকায় দাবানলের সূত্রপাত হয়। শুক্রবার আগুন দ্রুত ছড়িয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হয়। পরে তা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।   জার্মান সংবাদমাধ্যম টাগেসশাউয়ের খবরে বলা হয়েছে, দাবানলের কারণে মাদ্রিদ-সংলগ্ন এলাকা থেকে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রের সংকট দেখা দেওয়ায় অনেককে স্কুল ও জিমনেশিয়ামের মেঝেতে রাত কাটাতে হচ্ছে।   স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ভয়াবহ উল্লেখ করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিভিল প্রোটেকশন ব্যবস্থার আওতায় চারটি অগ্নিনির্বাপণ বিমান চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিস দুটি বিমান পাঠাতে সম্মতি দিয়েছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা বলেন, শত শত দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। তবে প্রবল বাতাসের কারণে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।   তিনি বলেন, বর্তমান আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল। এরপরও সব ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত অর্থ ও সম্পদ ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি স্পেনের সামরিক বাহিনীর দুর্যোগ মোকাবিলা ইউনিটের সহায়তায় উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সমুদ্রের অতল গহ্বরে বিরল খনিজ আহরণে নতুন পরীক্ষা জাপানের

ছবি: সংগৃহীত

কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, নিহত ভারতীয় নাগরিক

ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে গভীর রাতে মোদির ভিডিও বার্তা, তরুণদের জানালেন ধন্যবাদ

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানে নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা, ১২ সেনাসহ নিহত ১৫

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিস্ফোরকবোঝাই যান দিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এতে ১২ সেনাসদস্যসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে ১২ হামলাকারীও নিহত হয়েছেন।   শুক্রবার (২৪ জুলাই) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী টাংক জেলার একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হামলাটি হয়। হামলাকারীরা প্রথমে চৌকির দেয়াল ভেদ করার চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে তারা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি চৌকির বাইরের দেয়ালে আঘাত করলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১২ সেনাসদস্যসহ ১৫ জন নিহত হন।   হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১২ সন্ত্রাসীরা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।   নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটির দাবি, হামলায় চারজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী অংশ নিয়েছিল।   ২০০৭ সাল থেকে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে টিটিপি। দেশটির সরকারের অভিযোগ, আফগানিস্তানের নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করে গোষ্ঠীটির সদস্যরা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে।   তবে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাগুলো পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সমস্যা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৫, ২০২৬
শাহবাজ শরিফ, ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

চীনের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় নতুন তৎপর পাকিস্তান

ইইউ ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ইউরোপীয় ইউনিয়নের

সংগৃহীত ছবি

মোদী সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিলেন বিক্ষোভকারীরা

0 Comments