অর্থনীতি

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমাল সরকার, কার্যকর আজ থেকে

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ০১, ২০২৬

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। স্কিমের ধরন অনুযায়ী নতুন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত।


বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে এই নতুন হার কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার পুনর্নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয় মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করে সরকার। সর্বশেষ গত জুলাই মাসেও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানো হয়েছিল।
পরিবার সঞ্চয়পত্র
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় সবচেয়ে জনপ্রিয় সঞ্চয় স্কিম হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ
সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে—
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা প্রথম বছরে ৮.৮৩%, দ্বিতীয় বছরে ৯.২৩%, তৃতীয় বছরে ৯.৬৪%, চতুর্থ বছরে ১০.০৮% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৫৪% হারে মুনাফা পাবেন।
দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা প্রথম বছরে ৮.৭৪%, দ্বিতীয় বছরে ৯.১২%, তৃতীয় বছরে ৯.৫৩%, চতুর্থ বছরে ৯.৯৬% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৪১% হারে মুনাফা পাবেন।
তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র
সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ
সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ
নগদায়নের ক্ষেত্রে—
প্রথম ধাপে প্রথম বছরে ৯.৫৪%, দ্বিতীয় বছরে ১০% এবং তৃতীয় বছরে ১০.৪৮%
দ্বিতীয় ধাপে প্রথম বছরে ৯.৫০%, দ্বিতীয় বছরে ৯.৯৫% এবং তৃতীয় বছরে ১০.৪৩%
পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র
সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফা ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ
সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ
নগদায়নের ক্ষেত্রে—
প্রথম ধাপে প্রথম বছরে ৮.৭৬%, দ্বিতীয় বছরে ৯.১৫%, তৃতীয় বছরে ৯.৫৫%, চতুর্থ বছরে ৯.৯৮% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৪৪%
দ্বিতীয় ধাপে প্রথম বছরে ৮.৭৪%, দ্বিতীয় বছরে ৯.১২%, তৃতীয় বছরে ৯.৫৩%, চতুর্থ বছরে ৯.৯৬% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৪১%
পেনশনার সঞ্চয়পত্র
সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফা ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ
সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ
নগদায়নের ক্ষেত্রে—
প্রথম ধাপে প্রথম বছরে ৮.৮৭%, দ্বিতীয় বছরে ৯.২৬%, তৃতীয় বছরে ৯.৬৮%, চতুর্থ বছরে ১০.১২% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৫৯%
দ্বিতীয় ধাপে প্রথম বছরে ৮.৭৪%, দ্বিতীয় বছরে ৯.১২%, তৃতীয় বছরে ৯.৫৩%, চতুর্থ বছরে ৯.৯৬% এবং পঞ্চম বছরে ১০.৪১%
পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট
তিন বছর মেয়াদি পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিটে—
সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ
সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ
নগদায়নের ক্ষেত্রে—
প্রথম ধাপে প্রথম বছরে ৯.৫৪%, দ্বিতীয় বছরে ১০% এবং তৃতীয় বছরে ১০.৪৮%
দ্বিতীয় ধাপে প্রথম বছরে ৫.৫০%, দ্বিতীয় বছরে ৯.৯৫% এবং তৃতীয় বছরে ১০.৪৩%
কার্যকারিতা ও প্রযোজ্যতা
চলতি বছরের জানুয়ারি–জুন মেয়াদে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই নতুন মুনাফার হার কার্যকর থাকবে। ছয় মাস পর পুনরায় মুনাফার হার পর্যালোচনা করা হবে।
তবে বিনিয়োগকারীরা ইস্যুকালীন সময়ে যে মুনাফার হার কার্যকর ছিল, পুরো বিনিয়োগ মেয়াদজুড়েই সেই হারেই মুনাফা পাবেন।


এ ছাড়া ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা সব জাতীয় সঞ্চয় স্কিমে ইস্যুকালীন মুনাফার হারই প্রযোজ্য থাকবে। পুনঃবিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনঃবিনিয়োগের তারিখের মুনাফার হার কার্যকর হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

অর্থনীতি

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশে নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে চিংফেং ঝাংকে নিয়োগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছে এডিবির ঢাকা অফিস।   এডিবি জানায়, বাংলাদেশে সংস্থাটির অন্যতম বৃহৎ দেশভিত্তিক কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন চিংফেং ঝাং। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্ব আরও জোরদার করবেন, উন্নয়ন অংশীজনদের সঙ্গে কৌশলগত নীতিসংলাপে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশের জন্য এডিবির পরবর্তী উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।   দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বার্তায় চিংফেং ঝাং বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্যোগ ও অন্যান্য প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা গভীর করার লক্ষ্যে সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে এডিবি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।   দীর্ঘ উন্নয়ন অভিজ্ঞতা: টেকসই উন্নয়ন খাতে চিংফেং ঝাংয়ের ৩০ বছরের বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মধ্যে ২০ বছরেরও বেশি সময় তিনি এডিবিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষি, খাদ্যব্যবস্থা, পানি সম্পদ, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে বিভিন্ন রূপান্তরমূলক কর্মসূচি ও কৌশলগত উদ্যোগে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।   বর্তমান নিয়োগের আগে তিনি এডিবির অ্যাগ্রিকালচার, ফুড, নেচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেক্টর অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই পদে তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই ও স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এডিবির কৌশলগত কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।   শিক্ষা ও পেশাগত পটভূমি: চীনের নাগরিক চিংফেং ঝাং সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ প্রকৌশলে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর এবং হাইড্রোলজিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে বিশেষায়িত পেশাগত শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।   বাংলাদেশে এডিবির কার্যক্রম: বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবির সদস্যপদ লাভ করে। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে এডিবির চলমান সরকারি ও বেসরকারি খাতের অনুদান ও প্রকল্প-অর্থায়নের পরিমাণ প্রায় ১২.৫ বিলিয়ন ডলার। সংস্থাটি এ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ ও অনুদান অনুমোদন করেছে।   আগামী কয়েক বছরে টেকসই প্রবৃদ্ধি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যে এডিবি প্রতিবছর প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তা অনুমোদনের পরিকল্পনা করছে।   ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি বর্তমানে ৬৯টি সদস্যদেশ নিয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ৩০, ২০২৬
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন

ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে ফের কর্মসূচি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

কঠোর মুদ্রানীতিতে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে: ডিসিসিআই

ছবি: সংগৃহীত
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে জুতা কারখানা গড়বে ইতালি-আয়ারল্যান্ডের যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) পরিচালিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ যুক্ত হয়েছে। ইতালি ও আয়ারল্যান্ডের যৌথ মালিকানাধীন ডেল্টাপোর্ট ফুটওয়্যার লিমিটেড চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে অত্যাধুনিক জুতা উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য বেপজার সঙ্গে ভূমি ইজারা চুক্তি সম্পন্ন করেছে।   মঙ্গলবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বেপজার পক্ষে নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং ডেল্টাপোর্ট ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুনায়েদ ইকবাল উমরানি চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।   প্রকল্পটির জন্য প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। এই কারখানায় ইনজেক্টেড, সিমেন্টেড, ক্যাজুয়াল, ফরমাল, লেডিস ও সেফটি জুতাসহ বিভিন্ন ধরনের পাদুকা উৎপাদন করা হবে। বছরে প্রায় ৩০ লাখ জোড়া জুতা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।   কারখানাটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে গেলে প্রায় ৪৬৮ জন বাংলাদেশির কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি বছরে প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদিত জুতা ইতালি, যুক্তরাজ্য, ইউরোপের অন্যান্য দেশ, যুক্তরাষ্ট্র এবং কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হবে।   চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আধুনিক, সহজ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেপজা ধারাবাহিকভাবে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়নে কাজ করছে। নতুন এ বিনিয়োগ দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।   ডেল্টাপোর্ট ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুনায়েদ ইকবাল উমরানি জানান, বাংলাদেশে এটি তাদের তৃতীয় বিনিয়োগ এবং তিনটিই বেপজার আওতাধীন এলাকায়। ভারত ও ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশ বিবেচনায় থাকলেও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, দক্ষ সেবা ও নির্ভরযোগ্য অবকাঠামোর কারণে তারা আবারও বাংলাদেশকেই বেছে নিয়েছেন।   তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে কুমিল্লা ইপিজেডে প্রথম বিনিয়োগের পর থেকে বেপজার সঙ্গে ইতিবাচক অভিজ্ঞতাই তাদের নতুন বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে।   অনুষ্ঠানে বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ডেল্টাপোর্ট ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

গুলশান থেকে আটক সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ

সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধি নিয়ে ফেসবুকে গুজব, যা বলছে অর্থ মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাটপণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক বহাল রাখল ভারত

ছবি: সংগৃহীত
শেয়ারবাজারে ৬২ কোম্পানিতে ‘রেড এলার্ট’

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৬২টি কোম্পানি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এর মধ্যে ৩২টি কোম্পানি বন্ধ এবং ৩০টি আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বা অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা বাড়াতে আলাদা দুটি তালিকা সম্প্রতি ডিএসইর তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।   ডিএসই-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আর্থিকভাবে দুর্বল ও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগ করে যাতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এসব কোম্পানির বিষয়ে ‘রেড এলার্ট’ বা ‘সতর্কসংকেত’ জারি করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এই কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করাই এর উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বন্ধ ও দুর্বল মানের কিছু কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এ রকম দুটি কোম্পানির লেনদেন এরই মধ্যে তাৎক্ষণিক নির্দেশে স্থগিত করা হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো শ্যামপুর সুগার ও সোনারগাঁও টেক্সটাইলস। এখন দ্বিতীয় ধাপে এসে দুর্বল ও আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানিগুলোর বিষয়ে সতর্কসংকেত জারি করা হলো। জানতে চাইলে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টিকে আমরা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। বিনিয়োগকারীরা যাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির হালনাগাদ সব তথ্য একসঙ্গে জানতে পারেন, সেই চেষ্টাও করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে বন্ধ ও আর্থিকভাবে ঝুঁকিতে থাকা কোম্পানিগুলোর আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাজারে কারসাজি বন্ধে আমরা আরও বেশি সক্রিয় ও জোরদার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাই। তারই অংশ হিসেবে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগে বিচ্ছিন্নভাবে নানা কাজ করা হলেও এখন আমরা গুছিয়ে করার চেষ্টা করছি।’ বন্ধ কোম্পানি ৩২টি ডিএসইর তালিকা অনুযায়ী বন্ধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বারাকা পাওয়ার, বিডি ওয়েল্ডিং, দুলামিয়া কটন, এমারেল্ড অয়েল, ফ্যামিলিটেক্স, জিবিবি পাওয়ার, জেনারেশন নেক্সট, হামিদ ফেব্রিকস, খুলনা পাওয়ার, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পিইটি, মেট্রো স্পিনিং, মিথুন নিটিং, নিউলাইন ক্লথিংস, নর্দার্ন জুট, নুরানী ডায়িং, প্যাসিফিক ডেনিমস, প্রাইম টেক্সটাইলস, রহিমা ফুড, আরএসআরএম স্টিল, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, শ্যামপুর সুগার মিলস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, তুংহাই নিটিং, উসমানিয়া গ্লাস, ইয়াকিন পলিমার ও জাহিন স্পিনিং। তবে সতর্কসংকেত জারির পরও গতকাল এসব বন্ধ কোম্পানির বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে। তালিকাভুক্ত ৩২টি বন্ধ কোম্পানির মধ্যে ২২টিরই শেয়ারদর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এর মধ্যে হামিদ ফেব্রিকস, প্রাইম টেক্সটাইলস ও নিউলাইন ক্লথিংসের শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ হারে বেড়েছে। ৪ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নেতৃত্বে পরিবর্তন আসে। সরকার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় মাসুদ খানকে। পাশাপাশি আরও তিনজন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার দিনই সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ খান ঘোষণা দেন, বাজার কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে কমিশন রিয়েল টাইম বা প্রকৃত সময়ভিত্তিক ব্যবস্থা নেবে। কারসাজি নিয়ন্ত্রণে জেড শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলোর ওপর শুরু থেকেই বিশেষ নজরদারি থাকবে। বিএসইসির সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা। দায়িত্ব গ্রহণের পর বিএসইসির নবনিযুক্ত কমিশন ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে নির্দেশনা দেওয়া হয়, দুর্বল মানের যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে বাড়বে, সেগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে এসব শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করে মূল্যবৃদ্ধির কারণ দ্রুত খতিয়ে দেখতে হবে। বিএসইসির ওই নির্দেশনার পর দুর্বল মানের যেসব কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে, সেগুলোর লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করতে শুরু করেছে ডিএসই। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোম্পানিসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আগে বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হলেও এখন তা আরও গুছিয়ে ও নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসই।   ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় ৩০ কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত ৪২টি কোম্পানিকে ‘গোয়িং কনসার্ন থ্রেট’ বা ‘ব্যবসা পরিচালনায় অনিশ্চয়তার ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে চিহ্নিত করেছেন সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষকেরা। অর্থাৎ নগদ অর্থসংকটসহ নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনায় ঝুঁকি রয়েছে। নিরীক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে এসব ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির পৃথক তালিকা প্রকাশ করেছে ডিএসই। এই তালিকায় থাকা ১০টি কোম্পানি আবার বন্ধ কোম্পানির তালিকাতেও রয়েছে। এ ছাড়া দুটি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ রয়েছে। ফলে বন্ধ কোম্পানির বাইরে কার্যত ৩০টি কোম্পানি এই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো অলটেক্স, আনলিমা ইয়ার্ন, বিডি সার্ভিসেস, বিডিথাই ফুড, বিআইএফসি, সেন্ট্রাল ফার্মা, ঢাকা ডায়িং, ডরিন পাওয়ার, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস, জিএসপি ফাইন্যান্স, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ইনটেক, জুট স্পিনার্স, খান ব্রাদার্স পিপিওভেন ব্যাগ, মেঘনা সিমেন্ট, এনটিসি, পিপলস লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স, সাফকো স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, সানলাইফ ইনস্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, উসমানিয়া গ্লাস ও ঝিল বাংলা। এর বাইরে লেনদেন বন্ধ থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকও এই তালিকায় রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি: তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন তদন্তে বিএসইসি

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮.৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

সাজিয়ে রাখা স্বর্ণের গহনা। পুরোনো ছবি

বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, নতুন দর কার্যকর

0 Comments