খেলাধুলা

রোনালদোকে হতাশ করে ইতিহাস গড়ল গাম্বা ওসাকা

মারিয়া রহমান মে ১৭, ২০২৬
সৌদিতে রোনালদোর ট্রফি-অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো। ছবি : রয়টার্স
সৌদিতে রোনালদোর ট্রফি-অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচের আগের সব আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে। সৌদিতে যোগ দেওয়ার পর অবশেষে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারবেন কি না, সেটাই ছিল বড় প্রশ্ন।

তবে ফাইনালে সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে জাপানের গাম্বা ওসাকা।শনিবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর ফাইনালে আল নাসরকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে গাম্বা ওসাকা।

২০০৮ সালে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা গাম্বা এই ট্রফি জিতে ইতিহাসও গড়েছে। তারাই প্রথম জাপানি ক্লাব হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু শিরোপা জিতল।

ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ২৯তম মিনিটে। আক্রমণের শুরুটা হয়েছিল রোনালদোর ভুল থেকে। পরে ডেনিজ হুমেত বক্সের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় জাল খুঁজে নেন।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় আল নাসর।তবে গাম্বার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখান।

রোনালদো পুরো ম্যাচেই অনেকটা নিষ্প্রভ ছিলেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একটি সুযোগ পেলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন তিনি। এ ছাড়া সাদিও মানে ও জোয়াও ফেলিক্সও চেষ্টা করেছিলেন। ফেলিক্সের একটি শট পোস্টে লাগে, আরেকটি শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেয় গাম্বার ডিফেন্ডাররা।

শেষ পর্যন্ত আল নাসরের সব আক্রমণ ঠেকিয়ে ১-০ গোলের জয় ধরে রাখে গাম্বা ওসাকা। আর রোনালদোর সৌদি অধ্যায়ে আরো একবার শিরোপা হাতছাড়া হলো।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, শেষ ষোলোতে স্পেন

দীর্ঘ চার দশকের পুরোনো একটি বিশ্বকাপ রেকর্ডে নিজের নাম লিখিয়েছেন স্পেনের ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবাল। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে জোড়া গোল করে ১৯৮৬ সালের পর নকআউট পর্বে এক ম্যাচে দুই গোল করা প্রথম স্প্যানিশ ফুটবলার হয়েছেন তিনি।   এর আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ডেনমার্কের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন স্পেনের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড এমিলিও বুত্রাগেনিও। প্রায় ৪০ বছর পর সেই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করলেন ওইয়ারসাবাল।   লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। ৩৬তম মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ওইয়ারসাবাল। ম্যাচের শেষ দিকে, ৮৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। স্পেনের হয়ে অপর একটি গোল আসে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।   ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর নকআউট পর্বে আর কোনো জয় পায়নি স্পেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা, আর ২০১৮ ও ২০২২ আসরে শেষ ষোলো পেরোতে পারেনি। এবার সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টেনে নতুন আশার বার্তা দিল স্প্যানিশরা।   অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচজুড়েই বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। দারুণ ছন্দে থাকা ওইয়ারসাবালের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী দলটি এখন চোখ রাখছে বিশ্বকাপের পরবর্তী লড়াইয়ে।  

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৩, ২০২৬
গোলের পর স্প্যানিশ ফুটবলারদের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

কঙ্গোর কোচ সেবাস্তিয়ান। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের এক ঘণ্টার মাথায় শুনলেন ‘বাবাও নেই’

ছবি : সংগৃহীত

ইনজুরি কাটিয়ে ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত ইয়ামাল: স্পেনের কোচ

ছবি : সংগৃহীত
১০ জনের দল নিয়েও শেষ ষোলোয় স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র

বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন থেমে গেল প্রথম নকআউট ম্যাচেই। সান ফ্রান্সিসকোর ঘরের মাঠে দারুণ দাপট দেখিয়ে বসনিয়াকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে রাউন্ড অব সিক্সটিনের টিকিট কেটেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ১০ জন নিয়ে খেলেও তারা সাফল্যের দেখা পেল। আগামী ৭ জুলাই (বাংলাদেশ সময়) কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক এই দলটি। ম্যাচের শুরু থেকেই খেলার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলারদের পায়ে। প্রথমার্ধের হাইড্রেশন ব্রেক (তীব্র গরমে পানি পানের বিরতি) পর্যন্ত কোনো দল গোলের দেখা না পেলেও মাঠের আধিপত্যে একচ্ছত্র রাজত্ব করেছে স্বাগতিকরাই। ম্যাচের প্রথম ২৪ মিনিট পর্যন্ত শতকরা ৭৮ ভাগ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেই সময় পর্যন্ত নেওয়া দুটি শটের কোনোটিই লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকরা। তবে আমরিকান স্ট্রাইকারদের ক্রমাগত আক্রমণের চাপ বসনিয়া বেশি সময় সামাল দিতে পারেনি। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ৪৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় যুক্তরাষ্ট্র। মালিক টিলম্যানের চমৎকার এক পাস থেকে এই আক্রমণের সূত্রপাত হয়। তার বাড়িয়ে দেওয়া বলটি বসনিয়ার দুজন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে চলে যায় ফ্লোরিয়ান বালোগানের সামনে। এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি, সামনে তেড়ে আসা বসনিয়ান গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলকে বোকা বানিয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান এই আমেরিকান স্ট্রাইকার। বালোগানের সেই গোলে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫২ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বসনিয়া। তাদের ইতিহাসের শীর্ষ গোলদাতা ও ভরসার প্রতীক এডিন জেকো হালকা চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তা সত্ত্বেও বলের দখল ধরে রেখে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা চাপে রাখার চেষ্টা করে। ম্যাচের ৬১ মিনিটে বড় অঘটনের শিকার হয় যুক্তরাষ্ট্র। বলের দখল নিতে গিয়ে বসনিয়ার মুহারেমোভিচ এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোলদাতা বালোগান একসাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ফাউলের তীব্রতা দেখে রেফারি ভিএআর-এর সাহায্য নেন এবং চার মিনিট পর ৬৫ মিনিটে বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন।  ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরার দারুণ সুযোগ পায় বসনিয়া। তবে দেমিরোভিচ ও বাজারাকতারেভিচের নেওয়া বেশ কয়েকটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। উল্টো ম্যাচের ৭৯ মিনিটে আবারও বসনিয়ার জাল কাঁপিয়েছিল স্বাগতিকরা। ম্যাককেন্নির বাড়ানো বল ধরে ডেস্ট পাস দেন পুলিসিককে, আর তিনি সহজেই বল জালে ঠেলে দেন। তবে আমেরিকানদের উদযাপনের মাঝেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অবশ্য সেই গোল বাতিলের ধাক্কা ভুলে যেতে মাত্র তিন মিনিট সময় নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের ৮২ মিনিটে স্কোরলাইন ২-০ করে উল্লাসে মাতে তারা। এবার বক্সের ঠিক বাইরে থেকে অসাধারণ এক ফ্রি-কিক নেন মালিক টিলম্যান। তাঁর নেওয়া নিখুঁত শটটি দারুণভাবে কার্ভ (বক্রপথ) করে বসনিয়ার পোস্টের ডান কোণ দিয়ে জালে প্রবেশ করে। বসনিয়ান গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিল ডানদিকে পুরো শরীর ছুড়েও সেই বলের নাগাল পাননি। টিলম্যানের এই অবিশ্বাস্য ও চোখধাঁধানো গোলের সাথে সাথেই পুরো সান ফ্রান্সিসকো স্টেডিয়াম উল্লাসে মেতে ওঠে। ১ জন কম নিয়ে খেলার সব ক্লান্তি ও প্রতিকূলতা দূর করে এই গোলটিই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ষোলোর জয় নিশ্চিত করে দেয়।

মারিয়া রহমান জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

ছবি : সংগৃহীত

২৪ বছর পর পুরোনো সাফল্যের ছায়া ফিরল ব্রাজিলে

ছবি : সংগৃহীত

ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করলেন ডাচ কোচ

ছবি : সংগৃহীত
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইংল্যান্ডের দারুণ জয়

ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক প্রত্যাবর্তন করেছে তারা।   কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।   ৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও জালে বল জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।   ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল ইংল্যান্ড। আর সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক অধিনায়ক হ্যারি কেইন। অন্যদিকে অসাধারণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হৃদয়ের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা, নেই লিটন-তাসকিন

ছবি: সংগৃহীত

জিম্বাবুয়ের কাছে লজ্জার হারে টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের পতন

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনাকে হারালে ধরে নেব বিশ্বকাপ জিতে গেছি: কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট

0 Comments