বিনোদন

পর্ন সাইটে দৃশ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে অভিনেত্রীর ক্ষোভ

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১০, ২০২৫ 0
ত্রিধা চৌধুরী I ছবি : সংগৃহীত
ত্রিধা চৌধুরী I ছবি : সংগৃহীত

টালিউডে সৃজিত মুখার্জির ‘মিসর রহস্য’ দিয়ে অভিনয় যাত্রা শুরু করেছিলেন ত্রিধা চৌধুরী। তবে বর্তমানে তিনি মুম্বাইয়ের হিন্দি ওটিটি অঙ্গনে বেশ পরিচিত মুখ। বিশেষ করে প্রকাশ ঝা পরিচালিত জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘আশ্রম’-এ ববি দেওলের সঙ্গে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন, একইসঙ্গে জড়ান বিতর্কেও। দীর্ঘদিন পর সেই বিতর্কিত দৃশ্য এবং অন্তরঙ্গ অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন এই অভিনেত্রী।

 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ত্রিধা স্পষ্ট জানান, পর্দার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলো তিনি মোটেও উপভোগ করেন না। চরিত্রের প্রয়োজনে পেশাদারত্বের খাতিরেই তিনি তা করেন।

ত্রিধা বলেন, “একজন অভিনয়শিল্পী যে সীমা মেনে কোনো চরিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সম্মত হয়েছেন, তার পেছনে অনেক নিবেদন থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ‘আশ্রম’-এ আমার চরিত্রটি ছিল যৌনকর্মীর, তাই পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকতেই পারে। তবে শুটিংয়ের সময় আমি এটি উপভোগ করি না, এটি আমার কাজের অংশ মাত্র।”

পর্ন সাইটে দৃশ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে ক্ষোভ সিরিজ বা সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্য কেটে বিভিন্ন পর্ন সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, এর দায়ভার প্রোডাকশন টিমের। ত্রিধা বলেন, ‘প্রোডাকশন টিমের উচিত ছিল নিশ্চিত করা যে এ ধরনের অন্তরঙ্গ দৃশ্য যেন পর্ন সাইটে ছড়িয়ে না পড়ে। এটি নির্মাতারও দায়িত্ব। কোনো কারণে ছড়িয়ে গেলে তা দ্রুত বন্ধ করতে হবে।”

রিলস ও দর্শকদের ভুল ধারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি এবং রিলস বা শর্টসের কারণে অভিনেত্রীদের কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন তিনি। ত্রিধার ভাষ্যে, ‘এখন সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্য রিলস বা শর্টসেও ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। দর্শকরা প্রায়ই ভুলে যান, আমরা পর্দায় অভিনেত্রীকে শুধু চরিত্রের অংশ হিসেবে দেখি, বাস্তব জীবনের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।

 

ববি দেওলের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ‘আশ্রম’ সিরিজের সেই দৃশ্যগুলোর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ত্রিধা বলেন, শুরুতে তিনি বেশ নার্ভাস ছিলেন। তবে সহঅভিনেতা ববি দেওল এবং পরিচালক প্রকাশ ঝা তাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ত্রিধা মনে করেন, সংবেদনশীল দৃশ্যে সবার সহযোগিতা থাকলেই শিল্পীর আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং কাজ করা সহজ হয়ে যায়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
অস্কারে ধর্মেন্দ্রর নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হেমা মালিনী

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র পুরস্কার অস্কার এর মঞ্চে ভারতীয় চলচ্চিত্রের মেগাস্টার ধর্মেন্দ্রকে যথাযথ সম্মান না জানানোয় তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অস্কার কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে তার নাম থাকলেও, মূল অনুষ্ঠানের ইন মেমোরিয়াম (স্মরণিকা) অংশে তার নাম বা ছবি না দেখানোয় ভক্তদের পাশাপাশি ক্ষুব্ধ তার পরিবারও। প্রতি বছর অস্কারের মূল আয়োজনে গত এক বছরে প্রয়াত হওয়া বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এবার অস্কারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ধর্মেন্দ্রর নাম তালিকাভুক্ত থাকলেও সরাসরি সম্প্রচারের সময় তাকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া হয়। তবে কিছুদিন আগেই ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (বাফটা)-এর মঞ্চে ধর্মেন্দ্রকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছিল। অস্কার কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী ও অভিনেত্রী হেমা মালিনী। তবে পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে তিনি যে খুব একটা অবাক হননি, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন। হেমা বলেন, তিনি বেঁচে থাকাকালীনও খুব বেশি পুরস্কার পাননি, তাই অস্কার নিয়ে আমরা বিশেষ পাত্তা দিচ্ছি না। অস্কারের মঞ্চে কী করা হলো, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। হেমা মালিনী আক্ষেপের সুরে জানান যে, ধর্মেন্দ্র তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বারবার পুরস্কার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে পুরস্কারের চেয়েও নিজ দেশের মানুষের ভালোবাসাকেই তারা বড় করে দেখেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভারতীয় অনুরাগীরা অস্কারের এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সূত্র : আনন্দবাজার

মারিয়া রহমান মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ইজে । ছবি : সংগৃহীত

অস্বীকৃতির আঁধার পেরিয়ে অস্কারের আলোয় কে-পপ কন্যা

ছবি: সংগৃহীত

নিহতের খবরে যা বললেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব

শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি । ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া ট্রল সীমা ছাড়াতেই আইনি পথে শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি

সালমান খান, সামান্থা রুথ প্রভু ও নয়নতারা । ছবি : সংগৃহীত
নতুন ছবিতে সালমানের বিপরীতে সামান্থা-নয়নতারা

বলিউডে আবারও ঝড় তুলতে প্রস্তুত সালমান খান। একদিকে সীমান্তের উত্তেজনাপূর্ণ গল্পে তৈরি হচ্ছে তার বহুল আলোচিত সিনেমা, অন্যদিকে দক্ষিণের দুই তারকা সুন্দরীর সঙ্গে নতুন জুটি—সব মিলিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এখন বলিউড ভাইজান। ভক্তরা যখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’–এর জন্য, ঠিক তখনই সামনে এলো আরেক চমক, দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়নতারা ও সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে আলাদা দুটি সিনেমায় পর্দা ভাগ করতে যাচ্ছেন এই বলিউড সুপারস্টার।   জানা যায়, সালমানের অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন অপূর্ব লাখিয়া এবং এতে প্রধান নারী চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রাঙ্গদা সিংকে। এই সিনেমার কাজ শেষ হলেই নতুন আরেকটি বড় প্রকল্পে হাত দেবেন সালমান। তেলেগু পরিচালক বংশী পাইদিপল্লি পরিচালিত এবং প্রযোজক দিল রাজুর প্রযোজনায় নির্মিতব্য ওই সিনেমায় মূল নায়িকা হিসেবে থাকছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়নতারা। জানা যায়, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়েই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতেই শেষ নয়। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিতে চলেছেন সালমান। জনপ্রিয় নির্মাতা জুটি রাজ নিদিমরু ও কৃষ্ণা ডিকের সঙ্গে একটি সুপারহিরো ঘরানার সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। অ্যাকশন ও বিনোদনে ভরপুর এই সিনেমাটি প্রযোজনা করবে মিথ্রি মুভি মেকার্স। সেখানে সালমানের বিপরীতে দেখা যাবে দক্ষিণী তারকা সামান্থাকে। এদিকে হাসপাতালে ভর্তি বাবা সেলিম খান এর শারীরিক অবস্থা এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি সিনেমার বক্স অফিস ব্যর্থতা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সালমান। তবে সামনে থাকা নতুন প্রকল্পগুলো তাকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। সামান্থাকে নিয়ে তৈরি হতে যাওয়া সুপারহিরো সিনেমাটির নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। রিল লাইফ এন্টারটেইনমেন্টের সহযোগিতায় নির্মিত এই সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে চলতি বছরের নভেম্বরে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ ভারতের শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রীদের সঙ্গে সালমান খানের কাজ করার ঘটনা খুব বেশি নেই। এর আগে শাহরুখ খান ও নয়নতারার জুটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছিল। এবার নয়নতারা ও সামান্থার সঙ্গে সালমানের নতুন জুটি দর্শকদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে,তা নিয়েই এখন বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। ছবি: সংগৃহীত

নতুন চরিত্রে চমক দিলেন মাহিরা খান

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।  ছবি: সংগৃহীত

খেয়েদেয়ে কাজ নেই বলেই ট্রল করে

পূজা চেরি। ছবি: সংগৃহীত

সম্পর্কের গুরুত্ব নিয়ে যা বললেন পূজা চেরি

শাকিব খান ও সাবিলা নূর । ছবি : সংগৃহীত
ফের এক ফ্রেমে শাকিব–সাবিলা

মার্চ মাসের শেষের দিক দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমার শুটিং। সামনে ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে শাকিব খান এর রকস্টার আসছে, তবে সিনেমায় তার বিপরীতে কে থাকবেন সেটা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এমনকি গুঞ্জন উঠেছিল, পাকিস্তানের এক অভিনেত্রী তার সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন।   তবে প্রথম থেকেই পরিচালক জানিয়ে ছিলেন, সিনেমার গল্প যেহেতু দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি, তাই নায়িকাও দেশেরই একজন হবেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ‘রকস্টার’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে আবারও জুটি বাঁধছেন সাবিলা নূর। ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ঘনিষ্ঠ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, প্রথমে নতুন কোনো মুখ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও সময় স্বল্পতার কারণে সেই ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত বুধবার সাবিলা নূরকেই নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করেছেন সাবিলা নূর। ‘রকস্টার’-এর মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো শাকিব-সাবিলা জুটি একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন। সূত্র জানায়, ছবিটি মূলত একটি রোমান্টিক মিউজিক্যাল ঘরানার হবে। সে কারণে এতে অ্যাকশন দৃশ্যের উপস্থিতি খুব কম থাকবে। তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২২ মার্চ মালয়েশিয়ায় সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে এবং সেটা চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। এরপর ঢাকায় ২ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত টানা শুটিং চলবে। আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমায় শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি তানজিয়া জামান মিথিলা সহ আরও অনেক শিল্পী অভিনয় করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ঈদুল আযহা উপলক্ষে ‘রকস্টার’ সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
থালাপতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণান। ছবি: সংগৃহীত

বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন, মুখ খোলেননি তৃষা

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি : সংগৃহীত

নোংরামির মধ্যে থাকতে চাইনি : প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

0 Comments