বিনোদন

পরকীয়া নিয়ে মন্তব্য অক্ষয়ের স্ত্রী টুইঙ্কেলের, আলোচনায় অভিনেতার অতীত

আক্তারুজ্জামান নভেম্বর ০৭, ২০২৫

বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের স্ত্রী ও অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্না তার নতুন টকশোতে পরকীয়া ও একাধিক সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেছেন; যা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। সম্প্রতি তার শোয়ে সহ-সঞ্চালক কাজলের সঙ্গে আলাপচারিতায় নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। 

 

টুইঙ্কেল খান্না ও কাজলের সঞ্চালনায় এই টকশোটি বর্তমানে বলিউডের বিনোদন জগতে টক অফ দ্য টাউন। এর মধ্যে পরকীয়া নিয়ে টুইঙ্কেলের অকপট মতামতগুলো সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যদিও স্বামী অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতীতে ওঠা বিতর্কে বরাবরের মতোই চুপ থেকেছেন।

 

সেই শোয়ে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন পরিচালক ফারাহ খান ও অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে। সেখানে তরুণ প্রজন্মের প্রেম, পরকীয়া ও একাধিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। তরুণ প্রজন্মের প্রশংসা করে টুইঙ্কেল বলেন, ‘তাদের একটি বিষয় তার খুব ভালো লাগে; যা করে, তা সোজাসাপটাভাবে করে। সম্পর্কে থাকা বা সঙ্গী বদলে ফেলা, কোনো কিছুই তারা লুকিয়ে রাখে না।’

 

টুইঙ্কেলের এই মন্তব্যের পরই সামাজিকমাধ্যমে পুরোনো বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। নেটিজেনরা বরাবরের মতো তার স্বামী অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অতীতে ওঠা পরকীয়া সংক্রান্ত জল্পনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। অতীতে অক্ষয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল।

 

তবে বিতর্ক আরও ছড়িয়ে পড়ার আগেই টুইঙ্কেল স্পষ্ট করে দেন যে তার এই মন্তব্য বা মতামত ব্যক্তিগত জীবনে প্রযোজ্য নয়। সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, সামাজিক মাধ্যমে অক্ষয়ের অতীত প্রসঙ্গ পুনরায় উঠে আসতেই টুইঙ্কেল দ্রুত নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে এই বিতর্কের বাইরে রাখার চেষ্টা করেছেন।

 

এর আগে পরকীয়া প্রসঙ্গে টুইঙ্কেল বলেছিলেন, ‘যৌনতা একটা রাতের ঘটনা। মজা শেষ, গল্প শেষ। ওটা কখনই দীর্ঘ প্রেম হতে পারে না।’ তার সেই বক্তব্য নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উঠেছিল, যেখানে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন যে অক্ষয় কুমার যদি এমনটা করেন, তাহলেও কি তার একই ধরনের মনোভাব থাকবে? সমস্ত বিতর্কের মধ্যেও অক্ষয়ের স্ত্রী চুপ থেকেছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
শরীরে দ্রুত আয়রনের ঘাটতি মেটাতে কীভা‌বে খাবেন সজনে?

অনেকেরই রক্তশূন্যতার সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। কেউ কেউ রক্তশূন্যতা দূর করতে নানাবিধ ওষুধ খান। এর পাশাপাশি খাবারদাবার নিয়েও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে সজনে খুবই জনপ্রিয়। অনেকেই সজনে দিয়ে ডাল বা স্যুপ বানিয়ে খান শরীরে আয়রন বৃদ্ধি করতে। কিন্তু সজনে গাছের কোন অংশটি সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর? তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন আছে।      সজনেডাঁটার মতো সজনেপাতাও পুষ্টিতে ভরপুর। এতে আয়রনের পাশাপাশি ভিটামিন ও অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টও রয়েছে। এ কারণে আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ বাড়াতে চাইলে সজনেডাঁটার সঙ্গে পাতা যোগ করা যেতে পারে।     বিশেষ করে সজনে দিয়ে স্যুপ বানালে শুধু ডাঁটা ব্যবহার না করে কিছু তাজা পাতা যোগ করা যায়। এতে স্যুপে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও আয়রনের পরিমাণ আরও বাড়ে।      ডাঁটা না পাতা, কোনটিতে বেশি আয়রন? একই গাছের অংশ হলেও সজনে পাতায় ডাঁটার তুলনায় অনেক বেশি আয়রন রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম সজনে ডাঁটায় আয়রন থাকে প্রায় ০.৩৬ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে সেই পরিমাণ পাতায় তা রয়েছে প্রায় ৪-৭ মিলিগ্রাম। শুকনো সজনেপাতার গুঁড়োয় এই পরিমাণটি আরও বেশি। প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২৫-২৮.২ মিলিগ্রাম পর্যন্ত আয়রন থাকে। আয়রনের দিক থেকে বিচার করলে পাতায় ডাঁটার তুলনায় প্রায় ৭-১১ গুণ বেশি আয়রন মেলে। বেশিরভাগ বাড়িতে রান্নায় শুধু সজনের ডাঁটাই বেশি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তার সঙ্গে পাতা যোগ করে দিলে আয়রন বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে।     যেভাবে সজনের স্যুপ বা ডাল বানালে বেশি আয়রন মিলবে ১. ভিটামিন সি-এর সঙ্গে খেলে আয়রন বেশি পরিমাণে শোষিত হবে। এ কারণে রান্নায় সামান্য লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে।   ২. সজনেপাতা রান্না করার সময়ে খুব বেশিক্ষণ ধরে সেদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। এ কারণে রান্নার শেষের দিকে পাতা যোগ করা ভালো, তাহলে তাপের কারণে ভিটামিনগুলি নষ্ট হবে না।   ৩. সজনেগুঁড়ো ব্যবহার করলে শুরুর দিকে অল্প পরিমাণে নেওয়া ভালো। রোজ আধ চা-চামচ নিলেই যথেষ্ট। তাহলে পাচনতন্ত্র এই গুঁড়োর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় পাবে।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

কবে মুক্তি পাবে শাহরুখ খানের ‘কিং’, জানালেন অভিনেতা নিজেই

ছবি: পিন্টারেস্ট

কারো রক্ত কি সত্যিই মিষ্টি, নাকি মশারা ধরে অন্য সংকেত

সংগৃহীত ছবি

সঙ্গীত ও অভিনয় অঙ্গনে শোকের ছায়া, চলে গেলেন মুকুল জামিল

ছবি: সংগৃহীত
‘মুনলাইট মেলোডিজ’ নিয়ে মঞ্চে ফিরছেন বাপ্পা মজুমদার

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় আয়োজনের একক কনসার্ট নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পা মজুমদার। ‘মুনলাইট মেলোডিজ’ নামের এই বিশেষ আয়োজন আগামী ৯ অক্টোবর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।   গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনসার্টটির ঘোষণা দেন বাপ্পা মজুমদার। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানের পোস্টার প্রকাশ করে ভক্তদের তারিখটি মনে রাখার অনুরোধ জানান তিনি। কনসার্টটির আয়োজন করছে ম্যাভিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান।   তবে অনুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি এখনো শুরু হয়নি। আয়োজকদের পক্ষ থেকে শিগগিরই টিকিট বিক্রি শুরুর কথা জানা গেছে। তখনই টিকিটের মূল্য, বিক্রির পদ্ধতি ও অন্যান্য নিয়ম-শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।   বাপ্পা মজুমদারের একক কনসার্টের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বেশ আগ্রহ। শিল্পীর ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অনেক ভক্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে কনসার্টে উপস্থিত থাকার কথাও জানিয়েছেন।   বাংলা সংগীতাঙ্গনে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় বাপ্পা মজুমদার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি যেমন অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন, তেমনি সুর ও সংগীতায়োজনের মাধ্যমেও নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।   একক কনসার্টের দিক থেকে অবশ্য তাকে নিয়মিত দেখা যায় না। ২০২২ সালে প্রথমবার বড় পরিসরে একক কনসার্ট করেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় একক শো আয়োজন করা হয়। গত বছরের জুলাইয়েও একটি একক পরিবেশনায় অংশ নেন বাপ্পা, যদিও সেটি ছিল তুলনামূলক ছোট পরিসরের আয়োজন।   নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন কনসার্ট ও ইনস্ট্রুমেন্টাল সংগীতের মাধ্যমে এখনো শ্রোতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এই শিল্পী। ‘মুনলাইট মেলোডিজ’ তার ভক্তদের জন্য সেই ধারাবাহিকতায় আরেকটি বিশেষ আয়োজন হতে যাচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আলিয়ার সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে ভক্তকে ধাক্কা, নীরব থাকলেন অভিনেত্রী

অভিনেত্রী ও মডেল শেহনাজ গিল

ভক্তের বুকে নিজের ছবি দেখে অবাক অভিনেত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আমিশার বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি, গ্রেপ্তার পরিচারিকা

‘আলহামদুলিল্লাহ’ লিখে বিয়ের খবর দিলেন ইসরাত পায়েল

‘আলহামদুলিল্লাহ’ একটি ছোট্ট শব্দেই বদলে গেল উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েলের জীবনের গল্প। এত দিন মঞ্চের আলোয় অন্যদের গল্প বললেও এবার নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় খবরটি নিজেই জানালেন তিনি। বিয়ের ছবি প্রকাশ করে জানালেন, পরিবারের সম্মতিতেই ব্যবসায়ী আল-আমিন চৌধুরীর সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।   শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন ইসরাত পায়েল। ছবিতে লাল জমকালো শাড়িতে স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় তাকে।   ছবির সঙ্গে পায়েল লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ, পরিবারের সম্মতিতে আল-আমিন চৌধুরীর সাথে আমার বিয়ে হয়েছে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে চালু হচ্ছে ‘উত্তম পুরস্কার’

ছবি: সংগৃহীত

কমলা গাউনে সাফা কবিরের নতুন লুক, প্রশংসায় ভক্তরা

সংগৃহীত ছবি

আমেরিকা ছেড়ে নতুন জীবনের পথে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

0 Comments