খেলাধুলা

নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

 

স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে আবারও সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লাপোর্তা। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন ভিক্টর ফন্ট।

বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে সাবেক তারকা ফুটবলারদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে লিওনেল মেসি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভালো নয় বলে আলোচনায় রয়েছে। সে কারণে ফন্টকে সমর্থনের সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে।

তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট–এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বার্সেলোনার চলমান নির্বাচনে সরাসরি যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি। তিনি ভোটদান করবেন না এবং কোনো প্রার্থীর পক্ষেও অবস্থান নেবেন না। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইয়াহু স্পোর্টস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। এমনকি ভিক্টর ফন্টের সঙ্গেও নয়। যদিও ফন্ট আগেই জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে তার প্রথম ফোনকল যাবে মেসির কাছেই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। তবুও এবার নির্বাচনে ভোট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর তুলনায় এটি বড় পরিবর্তন। কারণ অতীতে বার্সেলোনার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিয়মিতভাবে অংশ নিয়েছেন মেসি।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন মেসি। তিনি কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করতে চান না। তার আশঙ্কা, সামান্য ইঙ্গিতও নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার পেছনে মূল কারণ হিসেবে তার যুক্তরাষ্ট্রে ব্যস্ত জীবনকেই দেখানো হচ্ছে। ইন্টার মায়ামির হয়ে সক্রিয় ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়ায় আপাতত বার্সেলোনার ক্লাব রাজনীতির বাইরে থাকতে চান তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জবাব দিতে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিল উয়েফা

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশ ও কয়েকটি বিতর্কিত বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এসব প্রশ্নের জবাব দিতে তাঁকে আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চায় সংস্থাটি।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ফিফা কাউন্সিলের সভায় বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব নিয়ে বিতর্কিত একটি পরিকল্পনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন ইনফান্তিনো। তবে কীভাবে ওই পরিকল্পনা তৈরি হয়েছিল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কী ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। এতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত থাকায় ফিফার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে উয়েফা।   বিবিসি স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, উয়েফার মহাসচিব থিওদোর থিওদোরিদিসের পাঠানো আট পৃষ্ঠার চিঠিতে বলা হয়েছে, ফিফা এখনো কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দেয়নি এবং চাওয়া নথিপত্রও সরবরাহ করেনি। চিঠিতে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজেস (এফএফই) প্রকল্পে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা, ফিফা শান্তি পুরস্কার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার ফোলারিন বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।   এফএফই প্রকল্পের আওতায় বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর ফিফার ভেতরে ও বাইরে সমালোচনা শুরু হয়। পরে পরিকল্পনাটি বাতিল করা হলেও সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল এবং কেন ফিফা কাউন্সিলকে যথাসময়ে সম্পৃক্ত করা হয়নি, তা জানতে চাইছে উয়েফা।   চিঠিতে থিওদোরিদিস উল্লেখ করেছেন, কোনো নথি বা তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব না হলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ আলাদাভাবে জানাতে হবে। ভবিষ্যতে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতীতে নেওয়া সিদ্ধান্তের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে।   এদিকে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ফিফার সহসভাপতি ডেবি হিউইটও ইনফান্তিনোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ইনফান্তিনোর ফিফা সভাপতি পদে থাকার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।   আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে ফিফা জবাব না দিলে উয়েফা কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি ঘিরে ফিফার নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে দুই সংস্থার মধ্যে বিরোধ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অনুশীলনে ফিরলেন মিরাজ

সংগৃহীত ছবি

লারা-ব্র্যাডম্যানের ক্লাবে নাম লেখালেন মিজোরামের তরুণ চিন্ময় সুতার

সংগৃহীত ছবি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি বধের লড়াইয়ে ফ্লিকের চমক অ্যালেক্স ক্যাম্পোস

বাঁয়ে ওঝা ডানে রমেশ। ছবি : সংগৃহীত
ভারতীয় ক্রিকেট দলের নতুন প্রধান নির্বাচক হলেন প্রজ্ঞান ওঝা

ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটিতে বড়সড় রদবদল এনেছে দেশটির ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই)। সদ্যবিদায়ি প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকরের স্থলাভিষিক্ত করে পাঁচ সদস্যের এই প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সাবেক অফ-স্পিনার রমেশ পাওয়ারকে।     একই সাথে, সর্বাধিক টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতাতে কমিটির নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে সাবেক বামহাতি স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।    টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিটির নাম ঘোষণা করেন বিসিসিআই। অশোক মালহোত্রা এবং যতীন পরাঞ্জপেকে নিয়ে গঠিত বিসিসিআই-এর ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি (সিএসি) নতুন সদস্য নেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেন।       বিসিসিআই-এর নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচক কমিটির সদস্যদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন, তিনিই প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পান।     সেই নিয়মে বর্তমান প্যানেলের পাঁচ সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র (২৪টি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন) প্রজ্ঞান ওঝাকে এই শীর্ষ পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে । এর আগে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন।     এদিকে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেওয়া আগরকরকে স্মরণ করে এক বিবৃতিতে বোর্ড জানিয়েছে, তার মেয়াদেই ভারত তিনটি আইসিসি ট্রফি, দুটি এশিয়া কাপ এবং পরপর দু'বার এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছে।      আগরকরের বিদায়ে নতুন রূপ পেল পুরুষদের নির্বাচক কমিটি।     ওঝা ও নবাগত পাওয়ার ছাড়া পাঁচ সদস্যের এই প্যানেলে আগের মতোই থাকছেন শিবসুন্দর দাস, আরপি সিং এবং অজয় রাত্রা।      ভারতের নতুন নির্বাচক কমিটি: প্রজ্ঞান ওঝা (প্রধান নির্বাচক), শিবসুন্দর দাস, আরপি সিং, অজয় রাতরা এবং রমেশ পাওয়ার।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শুবমান শ্রেয়াস অভিষেককে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ট্রান্স ক্রিকেটারের

ছবি: সংগৃহীত

লা লিগায় প্রথম দল হিসেবে ৬০০ পেনাল্টির মাইলফলকে রিয়াল মাদ্রিদ

ছবি: সংগৃহীত

৩৫০ দিন পর হারের স্বাদ পেল বার্সেলোনা

ছবি: সংগৃহীত
দুর্দান্ত সব গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিল রিয়াল মাদ্রিদ

সাত মিনিটের মধ্যে আর্দা গুল্যার ও কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত দুটি গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিল রেয়াল মাদ্রিদ। বিরতির পর পানেনকা পেনাল্টিতে আরেকটি গোল করলেন ফরাসি তারকা। সেভিয়াকে উড়িয়ে শীর্ষস্থানের সঙ্গে ব্যবধান কমাল জুজে মরিনিয়োর দল।   সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে রোববার রাতে লা লিগার ম্যাচটি ৪-১ গোলে জিতেছে স্পেনের সফলতম দলটি।   ইয়ান ডিওমান্ডের করা স্বাগতিকদের অন্য গোলটিও ছিল দেখার মতো। সেভিয়ার একমাত্র গোলটি করেন মানু বুয়েনো।   চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার লাইপজিগ ও লা লিগায় আগামী রোববার বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রস্তুতিটা দারুণ হলো রেয়াল মাদ্রিদের।   ৯ ম্যাচে সাত জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে এক ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছে মরিনিয়োর দল। তাদের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে দুই নম্বরে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।   শুরুতে কয়েক দফায় রেয়ালের রক্ষণে ভীতি ছড়ায় সেভিয়া। ষোড়শ মিনিটে অল্পের জন্য গোল পায়নি সফরকারীরা। বক্সের ভেতর থেকে রুবেন ভার্গাসের জোরাল হাফ ভলি পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।   ধীরে ধীরে গুছিয়ে ওঠে রেয়াল। ২১তম মিনিট বক্সের বাইরে থেকে এন্দ্রিকের নিচু শট সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়। দুই মিনিট পর বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ডিওমান্ডের শট পাশের জালে লাগে।   ওই আক্রমণের সময় মাঝমাঠে গুল্যারের কনুইয়ের আঘাতে মাটিতে পড়ে যান সেভিয়ার ফের্নান্দেস, তাকে টেনে তুলতে যান ডিন হাউসেন। পরে রেয়ালের এই ডিফেন্ডার ও সেভিয়ার একজনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। খেলা বন্ধ থাকে বেশ কিছুক্ষণ।   ৩০তম মিনিটে গুল্যারের চমৎকার গোলে এগিয়ে যায় রেয়াল। ডিওমান্ডের পাসে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে ওপরের কোণা দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তুরস্কের মিডফিল্ডার।   তিন মিনিট পর দ্বিগুণ হতে পারত ব্যবধান। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে এমবাপের নেওয়া শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক। একটু পরই চোখধাঁধানো এক গোল করেন এমবাপে।   ডান দিক থেকে ডিওমান্ডের পাস জুড বেলিংহ্যাম ব্যাকহিল ফ্লিকে বাড়ান এমবাপের উদ্দেশ্যে, বক্সের ঢোকার মুখে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে দারুণভাবে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে জালে পাঠান ফরাসি তারকা।   প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ সেভে জাল অক্ষত রাখেন তিবো কোর্তোয়া। বক্সের ভেতর থেকে প্রতিপক্ষের নিচু শট ঝাঁপিয়ে এক হাতে আটকান বেলজিয়ান গোলরক্ষক।   ৫৫তম মিনিটে সুযোগ হারান ডিওমান্ডে। এমবাপের পাস ধরে বক্সে ঢুকে বাইরে মারেন আইভরি কোস্টের তরুণ উইঙ্গার।   ৬৩তম মিনিটে পানেনকা পেনাল্টিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে। বক্সে তিনি নিজেই ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।   এই মৌসুমে রেয়ালের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে এমবাপের গোল হলো ১১টি, যার ৯টি লা লিগায়।   ৮০তম মিনিটে একটি গোল শোধ করে লড়াইয়ে কিছুটা উত্তেজনা ফেরায় সেভিয়া। নিচু শটে গোলটি করেন দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা মানু বুয়েনো।   তবে দুই মিনিট পরই তিন গোলের লিড পুনরুদ্ধার করে সব অনিশ্চয়তার ইতি টেনে দেন ডিওমান্ডে। মাঝমাঠ থেকে অহেলিয়া চুয়ামেনির পাস বাঁ দিকে ধরে এগিয়ে যান তিনি। সামনে ছিল প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়। বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শটে তাদের মাঝ দিয়েই জালে পাঠান ১৯ বছর বয়সি ফুটবলার।   আসরে তৃতীয় হারের স্বাদ পেল সেভিয়া। ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে আছে তারা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হকি এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য বাংলাদেশের দল চূড়ান্ত, ফিরলেন নতুন তিন খেলোয়াড়

ছবি: সংগৃহীত

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ২৮ ফুটবলারের তালিকা জমা দিলেন ডুলি

ছবি: সংগৃহীত

বার্সেলোনার মূল দলে সুযোগ না পাওয়া হামজাকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ ইউসেবিওর

0 Comments