বিশ্ব

লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার নগরীতে অপরাধ দমনে ‘ব্যাপক অভিযান’ শুরু

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম লিবিয়ার জাওইয়া শহরের কর্তৃপক্ষ অপরাধী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে একটি ‘ব্যাপক অভিযান’ শুরু করেছে। শুক্রবার তারা এ কথা জানিয়েছে।

এই শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল ও বড় একটি তেল শোধনাগার রয়েছে। 

এই অভিযানের সময় শহরজুড়ে সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘সকাল থেকে রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের এই শহরজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও সামরিক ইউনিট বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তল্লাশি ও গ্রেফতার কার্যক্রম চালিয়েছে।’ 

কর্তৃপক্ষ জানায়, এই অভিযান ‘হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টা, অপহরণ ও চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র ও মানব পাচার এবং অবৈধ অভিবাসনের’ মতো ‘গুরুতর কর্মকাণ্ডে জড়িত’ ‘অপরাধীদের আস্তানা ও পলাতক ব্যক্তিদের’ বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে।

যদিও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের আনুষ্ঠানিক তথ্য নিশ্চিত করেনি। জাতিসংঘ লিবিয়া সহায়তা মিশন (ইউএনএসএমআইএল) পরে এক বিবৃতিতে সংঘর্ষের ঘটনায় ‘বেসামরিক হতাহতের উদ্বেগজনক খবরের’ নিয়ে নিন্দা জানিয়েছে।

জাতিসংঘ মিশন বলেছে, ‘ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী অস্ত্রের ব্যবহার ও নির্বিচার গুলি চালানো গ্রহণযোগ্য নয়।’

তারা আরও বলেছে, ‘বেসামরিক অবকাঠামোকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা যাবে না। সকল পক্ষকে অবিলম্বে এসব কার্যক্রম বন্ধ করে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আবাসিক এলাকা ও শহরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার কমপ্লেক্সের কাছাকাছি সংঘর্ষ চলছে। 

একজন স্থানীয় বাসিন্দা ফোনে এএফপিকে জানান, ‘শুক্রবার ভোরে প্রথম সংঘর্ষ শুরু হয়।’ 
তিনি শহরজুড়ে ‘বিস্ফোরণের শব্দ’ শুনেছেন বলে উল্লেখ করেন।

স্থানীয় জরুরি পরিষেবা বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে শুক্রবার জুমার নামাজের সময়, মানুষ মসজিদে যাওয়ার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায়।

প্রায় আড়াই লাখ জনসংখ্যার এই শহরে বহুবার বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো থাকার পাশাপাশি জাওইয়া শহরটি জ্বালানি ও অন্যান্য চোরাচালানের জন্য তিউনিসিয়ার সীমান্তঘেঁষা একটি কুখ্যাত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। 

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, বছরের পর বছর ধরে চলা অস্থিরতার কারণে উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি এখনও বিভাজন ও অস্থিতিশীলতায় জর্জরিত।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে জাতিসংঘ-স্বীকৃত সরকার ও প্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার-সমর্থিত পূর্বাঞ্চলের মধ্যে বিভক্ত রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘটনায় বিজেপিকে দায়ী করে বলেছেন, ‘শাসকই খুনি হয়ে গেছে।’   শনিবার (৩০ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে দলীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দাবি, নির্বাচনে ভরাডুবির পর তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর সহিংসতা চালানো হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ নিতে সেখানে যান তিনি।   স্থানীয় একটি জনসমাবেশের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা হয় বলে জানা গেছে। এ সময় একদল ব্যক্তি তাকে ধাক্কাধাক্কি করে, ডিম ও পাথর ছুড়ে মারে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে তাকে এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তাকে চড় ও ঘুষিও মারা হয়।   ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘শাসকই খুনি হয়ে গেছে। লজ্জা হওয়া উচিত, বিজেপি।’ সম্প্রতি ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিজেপি।   অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এ হামলাকে ‘বিজেপি-প্ররোচিত’ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘দেখুন তারা আমার সঙ্গে কী করেছে। এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা। এলাকায় কোনো পুলিশ নেই। তারা আমাকে হত্যা করতে চায়। স্থানীয় পুলিশ এসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমি এই এলাকা ছাড়ব না।’   তবে বিজেপি এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি সামিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘ডিম নিক্ষেপ বা হেনস্তার ঘটনায় বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। গত ১৫ বছরে তৃণমূল কীভাবে রাজ্য পরিচালনা করেছে, তা মানুষ জানে। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। তাদের কাছে যাওয়ার নৈতিক বা রাজনৈতিক অধিকার তৃণমূলের নেই।’   তিনি হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘কোনো সুস্থ সমাজে এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। মানুষের ক্ষোভ বা অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু এ ধরনের আচরণ গণতন্ত্রের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের দল এসব ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নয়।’   এদিকে কংগ্রেসও হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে বিরোধী নেতার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করার অভিযোগও তোলা হয়েছে।   পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই সহিংসতা একটি বড় ইস্যু। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা না ঘটলেও ভোটের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানিয়েছিল, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পর্তুগাল ছাড়ছেন হাজারো অভিবাসী, বাড়ছে ফেরার ঢল

ছবি : সংগৃহীত

আইনস্টাইন কেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন

ছবি : সংগৃহীত

ইরান চুক্তিতে নিজের শর্তে অনড় ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত
রোমানিয়ার আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলা নিয়ে রাশিয়া-ন্যাটো উত্তেজনা

রোমানিয়ার একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানা একটি ড্রোনের ঘটনায় শুক্রবার রোমানিয়া ও তার ন্যাটো মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।    তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করার কোনো প্রমাণ নেই।    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   গত ২০২২ সালে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের বাইরে কোনো আবাসিক ভবনে ড্রোন আঘাতের ঘটনায় দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন।   রোমানিয়া এই ঘটনাকে তার প্রতিবেশী দেশটির দ্বারা একটি ‘গুরুতর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় একজন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে।   তবে পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ‘কখনোই ইউরোপীয় দেশগুলোকে হুমকি দেয়নি ও এখনও হুমকি দিচ্ছে না।’   কাজাখস্তান সফরের সময় তিনি বলেন, ‘কোনো বিমান বা ড্রোনের উৎস সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না যে এটি কোথা থেকে এসেছে।’   তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমাদের কাছে কোনো নিরপেক্ষ ও বাস্তব তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ঘটনাটি পর্যালোচনা করে বিষয়টি খতিয়ে দেখব কী ঘটেছে।’   রোমানিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাদু-দিনেল মিরুতা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটির গায়ে থাকা ক্রমিক সংখ্যা থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে এটি ‘নিঃসন্দেহে’ রাশিয়ার তৈরি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়েছে : চীনের শীর্ষ কূটনীতিক

ছবি : সংগৃহীত

আফগানিস্তানে ট্রাক উল্টে ১০ শিশুসহ ১৮ জনের প্রাণহানি

ছবি : সংগৃহীত

ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ বৈঠক হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত
নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না : ইরান

ইরানের হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে সংস্থাটি তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছে।   শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে পারস্য উপসাগরীয় প্রণালি কর্তৃপক্ষ (পিজিএসএ) এ মন্তব্য করে। এর তিন দিন আগে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নবগঠিত এই সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয়। সংস্থাটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি ও ব্যবস্থাপনা তদারকির দায়িত্ব পালন করছে। খবর প্রেস টিভির।   বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আপনারা স্থলভাগে কিংবা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’   এতে আরও বলা হয়, ‘নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমেও সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে না।’   ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ‘আগ্রাসনের’ জবাবে ইরান তাদের শত্রু ও মিত্রদের জন্য এই কৌশলগত নৌপথ বন্ধ করে দেয়।   সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৩ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর হরমুজে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হয়। ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতির শর্তের পরিপন্থি ছিল   মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে পিজিএসএ বলেছে, ‘যে দেশের প্রেসিডেন্ট জলদস্যুতার প্রশংসা করেন, সেই দেশের নিষেধাজ্ঞাকে আমরা আমাদের কার্যক্রমের ইতিবাচক স্বীকৃতি হিসেবে দেখি।’শ   বিবৃতির শেষে জানানো হয়, পিজিএসএর কার্যক্রম শুরুর প্রথম মাসের পরিসংখ্যান শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ৩০, ২০২৬
ইসরায়েলি সেনারা লিতানি নদী অতিক্রম করে নতুন অবস্থানে পৌঁছেছে। ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে স্থল হামলা চালিয়ে নতুন অভিযান ইসরায়েলের

আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ছবি : সংগৃহীত

খামেনির জন্য ‘বিশাল’ রাষ্ট্রীয় জানাজার প্রস্তুতি ইরানের

ছবি : সংগৃহীত

কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম যুক্ত করতে পারবেন না ট্রাম্প : আদালত

0 Comments