বিশ্ব

কে আগে হামলা করেছে, পাকিস্তান নাকি আফগানিস্তান

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
আফগানিস্তানে হামলা। ছবি : সংগৃহীত
আফগানিস্তানে হামলা। ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। আগের মতোই পাকিস্তান ও আফগান বাহিনী উভয়পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে আগে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে। দুই দেশই দাবি করছে, তারা প্রতিপক্ষের হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে।

পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানায়, ‘অকারণ আফগান হামলার’ জবাবে তারা কাবুল ও কান্দাহারসহ বিভিন্ন শহরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে আফগান তালেবান জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকের হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা ‘বৃহৎ পরিসরে’ অভিযান শুরু করেছে। তাদের দাবি, ওই হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইসলামাবাদ বলেছে, তারা সন্দেহভাজন জঙ্গি ক্যাম্প ও আস্তানা লক্ষ্য করেই হামলা চালিয়েছে।

তালেবানের সামরিক মুখপাত্র মাওলাভি ওয়াহিদুল্লাহ মোহাম্মদি বলেন, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা (গ্রিনিচ সময় ১৫:৩০) থেকে ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান’ শুরু হয়।

তালেবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেন, এ অভিযানে বহু পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ এই দাবি অস্বীকার করেছে।

পাকিস্তানের দাবি, হামলায় ১৩৩ আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

তালেবান মুখপাত্র মুজাহিদ দাবি করে বলেন, ৫৫ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৯টি পোস্ট দখল করা হয়েছে, অন্যদিকে নাঙ্গারহার প্রদেশে আট তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১১ জন আহত এবং ১৩ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
নারীর প্রতি সহিংসতা ‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’: জাতিসংঘ

বিশ্বজুড়ে নারীর অধিকার ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে পড়েছে এবং নারীর প্রতি সহিংসতা এখন ‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান। জেনেভা থেকে এএফপি জানায়,  জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বলেন, এমন সামাজিক ব্যবস্থা এখনও বিদ্যমান যা নারী ও কন্যাশিশুদের কণ্ঠরোধ করে এবং ক্ষমতাবান পুরুষদের দায়মুক্তি দেয়। তিনি বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা, যার মধ্যে নারীহত্যা  (ফেমিসাইড) অন্তর্ভুক্ত, একটি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা।’ তুর্ক আফগানিস্তানের পরিস্থিতিকে চরম উদ্বেগজনক উল্লেখ করে বলেন, সেখানে নারীদের ওপর আরোপিত পৃথকীকরণ ব্যবস্থা বর্ণবাদের বদলে লিঙ্গভিত্তিক ‘বিদ্বেষ’-এর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত দুটি ঘটনার উল্লেখ করেন—মার্কিন দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন এবং ফরাসি ধর্ষণ থেকে বেঁচে যাওয়া জিজেল পেলিকোর মামলা। তুর্ক বলেন, ‘এই দুই ঘটনা নারী ও কন্যাশিশুদের শোষণ ও নির্যাতনের ব্যাপকতা তুলে ধরে।’  তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ডমিনিক পেলিকো বা জেফ্রি এপস্টেইনের মতো আরও কত পুরুষ রয়েছে বলে কেউ কি মনে করেন না?’ এপস্টেইন ২০০৮ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ককে পতিতাবৃত্তিতে প্ররোচিত করার দায়ে দণ্ডিত হন এবং ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচার চলাকালে আত্মহত্যা করেন বলে ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, জিজেল পেলিকো ২০২৪ সালে ফ্রান্সে তার সাবেক স্বামী ডমিনিক পেলিকো ও তার সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বিচারের সময় নিজের পরিচয় গোপন রাখার অধিকার ত্যাগ করে জনসমক্ষে আসেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্বামী অচেতন অবস্থায় তাকে ধর্ষণের জন্য অপরিচিতদের নিয়ে আসতেন। তুর্ক বলেন, ‘এ ধরনের ভয়াবহ নির্যাতন সম্ভব হয় সেই সামাজিক কাঠামোর কারণে, যা নারী ও কন্যাশিশুদের চুপ করিয়ে রাখে এবং ক্ষমতাবান পুরুষদের জবাবদিহিতা থেকে রক্ষা করে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রগুলোকে সব অভিযোগের তদন্ত করতে হবে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রকাশ্যে সক্রিয় নারীদের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে অনলাইনে, বাড়তে থাকা হামলা ও বিদ্বেষ নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। তুর্ক উল্লেখ করেন, শুধু ২০২৪ সালেই বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ হাজার নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। তনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ‘নারীহত্যাসহ নারীর প্রতি সহিংসতা একটি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0

দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন কেজরিওয়াল

ছবি : সংগৃহীত

মাদকবিরোধী অভিযানে হাজারো মানুষ হত্যা করেছেন দুতার্তে: আইসিসি প্রসিকিউটর

ছবি : সংগৃহীত

রেকর্ড তহবিল সংগ্রহে ১১০ বিলিয়ন ডলার তুলেছে ওপেনএআই

ছবি : সংগৃহীত
বাণিজ্য জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভারত সফর শুরু কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার ভারত সফর শুরু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত ও বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েই তার এ সফর। কার্নির এই সফর ২০২৩ সালে শিখ কর্মী হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক ভেঙে পড়ার পর এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই সময় অটোয়া অভিযোগ করেছিল যে, কানাডায় শিখ কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অভিযানে নয়াদিল্লি জড়িত ছিল। মুম্বাই থেকে এএফপি জানায়, মুম্বাইয়ে পৌঁছে কার্নির ব্যবসায়িক নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সফরের শেষ দিনে সোমবার তিনি রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। কার্নির দপ্তর জানিয়েছে, আলোচনা হবে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মানবসম্পদ ও সংস্কৃতি এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন অংশীদারিত্ব নিয়ে। গত বছর দুই দেশ প্রস্তাবিত মুক্তবাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়। কার্নি ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-কানাডা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৫১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। কার্নি ক্ষমতায় আসার আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকার ২০২৩ সালে কানাডার নাগরিক হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলে। ভারত এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে। পরে ২০২৪ সালে উভয় দেশ শীর্ষ কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে এবং সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে। ২০২৫ সালের মার্চে কার্নি দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্পর্কের উন্নতি শুরু হয় এবং পুনরায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হয়। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনীতা আনন্দ বলেছেন, আন্তঃদেশীয় দমন-পীড়ন নিয়ে উদ্বেগ তাদের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারত, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আগ্রহী। দেশটি আশা করছে, কানাডা তার উচ্চাকাক্ষী পারমাণবিক বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় সহায়তা করবে। ভারত সফর শেষে কার্নি অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সফরে যাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিনির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপ ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো তার কৌশলের অংশ। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে কানাডার ৭৫ শতাংশের বেশি রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রে যেত এবং দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৯০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যদিও উত্তর আমেরিকার মুক্তবাণিজ্য চুক্তির আওতায় প্রায় ৮৫ শতাংশ বাণিজ্য এখনো শুল্কমুক্ত, তবু খাতভিত্তিক শুল্ক আরোপ ও চুক্তি বাতিলের আশঙ্কা কানাডার অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে কার্নি ইউরোপ ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মাটির উপাদান সরবরাহ শৃঙ্খলে সহযোগিতা জোরদার করা তার সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

যে কারণে আফগানিস্তানে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান

শাহবাজ, পুতিন ও আরাঘচি। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান, কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া

আফগানিস্তানে হামলা। ছবি : সংগৃহীত

কে আগে হামলা করেছে, পাকিস্তান নাকি আফগানিস্তান

ছবি : সংগৃহীত
আজ আন্তর্জাতিক বাজারে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক বাজারে শুক্রবার স্বর্ণের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেনের শুরুতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়ায় স্বর্ণ ধারণের সুযোগ-ব্যয় হ্রাস পেয়েছে, যা শক্তিশালী ডলার ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিতের প্রভাবকে কিছুটা ভারসাম্য করেছে। আজ স্পট গোল্ডের দাম জিএমটি সময় ০৩:০১ মিনিটে প্রতি আউন্স ৫,১৮৪.৬৯ ডলারে স্থির ছিল। ফেব্রুয়ারিতে স্বর্ণের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, ফলে টানা সপ্তম মাসের মতো ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকার পথে রয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়িয়েছে। আর এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারস ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,২০১.৪০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশের বাজারে আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
বোর্জ ব্রেন্দে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধানের পদত্যাগ

২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে গোলাগুলির ঘটনার পর কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক এলাকায় আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে টহল দিচ্ছে তালেবান যোদ্ধারা | ছবি : রয়টার্স

পাকিস্তানে আফগানিস্তানের হামলা, সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষ

মহড়ার সংবাদে ছবিটি ব্যবহার করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

বঙ্গোপসাগরে ৪২ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর মহড়া

0 Comments