বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১২ জন

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৭, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরের একটি এলাকায় দুই বন্দুকধারীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (০৭ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই ব্যক্তি একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে এ ঘটনা ঘটে। টলেডো পুলিশের লেফটেন্যান্ট ড্যান গারকেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অনেক ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেছি, কিন্তু এটি সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে।’ খবর রয়টার্সের।


পুলিশের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের সবার বয়স ১৪ থেকে ৬১ বছরের মধ্যে।


ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। টলেডো পুলিশের উপপ্রধান জোসেফ হেফারনান জানান, তদন্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কিছু আলামত রয়েছে এবং কয়েকটি সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’


টলেডোর জননিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক জর্জ ক্রালও সাধারণ মানুষের কাছে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। ক্রালের মতে, ঘটনাস্থলে কয়েক শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘এটি টলেডোর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় উৎসব। এমন একটি ঘটনা উৎসবের আনন্দ নষ্ট করেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’


টলেডো পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটের দিকে ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভ্যালের কাছে একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে এক ফেসবুক পোস্টে পুলিশ জানায়, আহত অনেককে চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত
সেনা প্রত্যাহারের সুস্পষ্ট সময়সূচি ছাড়া চুক্তি টেকসই হবে না: ইরান

লেবাননের দখলকৃত অঞ্চল থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারের জন্য একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দেশটি বলেছে, স্থায়ী শান্তি চুক্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এটি একটি অপরিহার্য শর্ত। রোববার (২৮ জুন) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। তিনি ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) প্রথম ধারা বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন। বাঘাই বলেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে লেবাননের সার্বভৌমত্বের প্রতি তার অবস্থান স্পষ্ট করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, লেবাননের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং দেশটির সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেকোন স্থায়ী শান্তি চুক্তির মৌলিক শর্ত। তিনি আরও বলেন, ইরানের এই অবস্থান জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির ওপর ভিত্তি করে গঠিত। লেবাননের সার্বভৌমত্ব ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান ছাড়া কোনো চুক্তিই টেকসই হতে পারে না। বাঘাই জানান, ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি এবং ১৮ জুনের সমঝোতা স্মারক উভয় ক্ষেত্রেই ইরানের অবস্থান একই ছিল। তিনি বলেন, ইরান শুরু থেকেই লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধকে মূল শর্ত হিসেবে বিবেচনা করে আসছে এবং এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও আহ্বান জানান, যাতে ওয়াশিংটন তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইসরায়েলকে লেবাননে সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করে। প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১৪ দফা একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার লক্ষ্য সীমান্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসন। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৪৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১৯০ জন আহত হয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুন ২৮, ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: এএফপি

হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় ঘোষণা ইরানের

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ’ বলে প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

আফগানিস্তানে ৪০০ একর পপি ক্ষেত ধ্বংস, জব্দ সাড়ে ৩ কেজি হাশিশ

নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
আগামী বছর ভারত সফরে আসছেন ট্রাম্প, জানালেন মোদি

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের নানা কূটনৈতিক টানাপড়েন কাটিয়ে সম্পর্ক আবারও উষ্ণতার দিকে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে আগামী বছরের শুরুতে ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।   রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি, তার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ওমান উপকূলে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর সেই দূরত্ব অনেকটাই কমেছে বলে কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।   ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মোদি ও ট্রাম্পের নেতৃত্বের ধরনে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। তাঁর ভাষায়, দুই নেতা শুধু পরিকল্পনা করেন না, বাস্তবে কাজ করে দৃশ্যমান ফলাফল অর্জন করতে বিশ্বাসী।   তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তাঁদের সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো—তাঁরা একইভাবে চিন্তা করেন এবং ফলাফলমুখী নেতৃত্বে বিশ্বাস করেন।’ গোর আরও বলেন, ট্রাম্প ও মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে। দুই নেতার নিয়মিত যোগাযোগ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ইতিবাচক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   ভারতের প্রতি ট্রাম্পের মনোভাব প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি—উভয়ের প্রতিই অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদাবোধ পোষণ করেন। তিনি প্রায়ই মোদিকে তাঁর ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। গোর জানান, ট্রাম্প এখনও তাঁর প্রথম ভারত সফরের স্মৃতি স্মরণ করেন। বিশেষ করে সেখানে জনগণের উচ্ছ্বাস ও প্রাণচাঞ্চল্য তাঁকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল, যা তিনি কখনও ভুলতে পারেননি।   হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে গোর বলেন, “প্রেসিডেন্ট আমাকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করেছেন, ‘তাহলে আমি কবে ভারত যাচ্ছি?’ তিনি ভারত সফর নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী মোদি ইতোমধ্যেই তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।”   এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভারত সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। সফরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে তিনি নিজেও চলতি বছরের শেষ দিকে ভারত সফর করবেন। রুবিও বলেন, ‘ভারত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ অংশীদার ও মিত্র। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এ ধরনের ব্যক্তিগত বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুই রাষ্ট্রের কোনো সুযোগ নেই: নেতানিয়াহু

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলা

ছবি : সংগৃহীত

লেবাননের সঙ্গে আরও চুক্তি আসছে: নেতানিয়াহু

ছবি : সংগৃহীত
আগাম নির্বাচনের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। তারা আগাম নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।   ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি রাজধানী তেল আবিবে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বামপন্থি দল ও বিভিন্ন বিরোধী গোষ্ঠীর সমর্থকেরা অংশ নেন। তারা সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণেরও বিরোধিতা করেন।   বিক্ষোভকারীরা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ঠেকাতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার তদন্তে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, ওই নিরাপত্তা ব্যর্থতার কারণেই ইসরায়েল দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।   এদিকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেও দেশের ভেতরে রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন। ২০২০ সালে শুরু হওয়া দুর্নীতি মামলায় তার বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলার বিচার কার্যক্রম বারবার পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

লেবানন-ইসরায়েল চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

চীনের এআই উত্থানে কেন চাপে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত ইরানের

0 Comments