সারাদেশ

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত : স্বামী আটক

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0


জামালপুরের সরিষাবাড়ী সীমান্তবর্তী চরলোটাবর এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার অভিযোগে স্বামী রবিউল ইসলামকে (২৬) আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে সরিষাবাড়ী সীমান্তবর্তী মাদারগঞ্জ উপজেলার চরলোটাবর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২০২৩ সালে উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চরলোটাবর এলাকার সামছুল হকের মেয়ে সানজিদার সঙ্গে বিয়ে হয় জামালপুর সদর এলাকার পশ্চিম ফুলবাড়িয়া এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রবিউল ইসলামের সঙ্গে।


তাদের সংসারে একটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে সানজিদার স্বামী রবিউল ইসলাম। যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
শুক্রবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রবিউল ইসলাম স্ত্রী সানজিদাকে বাবার বাড়ি থেকে নিতে যান।


স্ত্রী তার সঙ্গে যেতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ফল কাটার একটি ছুরি দিয়ে সানজিদার গলার পেছনে ও পেটে আঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের পর সানজিদা চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রবিউলকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়। আহত সানজিদাকে উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত আসামিকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাংবাদিকদের জানান মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত : স্বামী আটক

জামালপুরের সরিষাবাড়ী সীমান্তবর্তী চরলোটাবর এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার অভিযোগে স্বামী রবিউল ইসলামকে (২৬) আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে সরিষাবাড়ী সীমান্তবর্তী মাদারগঞ্জ উপজেলার চরলোটাবর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২০২৩ সালে উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চরলোটাবর এলাকার সামছুল হকের মেয়ে সানজিদার সঙ্গে বিয়ে হয় জামালপুর সদর এলাকার পশ্চিম ফুলবাড়িয়া এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রবিউল ইসলামের সঙ্গে। তাদের সংসারে একটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে সানজিদার স্বামী রবিউল ইসলাম। যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। শুক্রবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রবিউল ইসলাম স্ত্রী সানজিদাকে বাবার বাড়ি থেকে নিতে যান। স্ত্রী তার সঙ্গে যেতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ফল কাটার একটি ছুরি দিয়ে সানজিদার গলার পেছনে ও পেটে আঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের পর সানজিদা চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রবিউলকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়। আহত সানজিদাকে উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অভিযুক্ত আসামিকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাংবাদিকদের জানান মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জামায়াতে যোগ দেন গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার। ছবি : সংগৃহীত

শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপি নেতা মাহাবুবের জামায়াতে যোগদান

সংগৃহীত ছবি

পাটের কৃত্রিম সংকটে জুটমিলের চরম দুরাবস্থা

গোপালগঞ্জে আনসার ব্যাটালিয়ান অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ

কুমিল্লা টাউন হল মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
‘মেয়েদের মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ালেখা ফ্রি করবে জামায়াত’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে মেয়েদের মাস্টার্স পর্যন্ত বিনা খরচে পড়ালেখার সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন, কুমিল্লাকে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করা হবে এবং দল ক্ষমতায় না এলেও কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করতে বাধ্য করা হবে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ৯টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, যুবসমাজ বেকার ভাতা পাওয়ার জন্য আন্দোলন করেনি, বরং সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, যারা নিপীড়িত হওয়ার পরিবর্তে নিপীড়ক হয়ে উঠেছে, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে জনগণ তাদের পরাজিত করবে। এ ছাড়া তিনি মায়েদের অপমান করা হলে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের আবারও মাঠে নামার আহ্বান জানান। ডা. শফিক বলেছেন, বিভাগ গঠনের আগে কুমিল্লা বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করতে হবে এবং কুমিল্লা ইপিজেডকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা গেলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। তিনি বলেন, আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করি না, প্রতিশোধ আমাদের নীতি নয়। আমরা সুনীতির রাজনীতি করি, রাজার নীতি নয়। সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. শফিক বলেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দমন-পীড়নের শিকার হলেও ১/১১ পরবর্তী সময়ে কোনো দলের অফিস বন্ধ হয়নি বা প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, গুমের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা ৩৬ জুলাই সেজদায় শুকরিয়া আদায় করেছি। আমরা ঘোষণা দিয়েছি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেব না। তিনি আরও বলেন, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও জামায়াত চাঁদাবাজিতে জড়াবে না এবং খুব সীমিত আকারে মামলা করেছে। আমরা একজনকে আসামি করে মামলা করেছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের অবদানের কারণেই আজ আমরা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি। তাদের চোখের পানি ও রক্ত আমরা দেখেছি। ডা. শফিক অভিযোগ করে বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। শিল্পপতি থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ী, কেউই রেহাই পাচ্ছেন না। রাতে ফোন দিয়ে চাঁদা চাওয়া হয়, সকালে লোক পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়। সাড়ে ১৫ বছর আমরা নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তবু দেশের মানুষের ভালোবাসার কারণে দেশ ছেড়ে যাইনি এবং যাবও না। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলের আমির বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান জানাতে হবে। ভোটের আগে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরাও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। মা-বোনদের সম্মান নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে যুব সমাজ চুপ থাকবে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে দাঁড়াতে হবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এক বৃদ্ধা মা তাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, একজন মাকে জড়িয়ে ধরলে এত আপত্তি কেন? তাদের কি মা নেই? কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাগপার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির মোহাম্মদ শাহজাহানসহ ১১ দলীয় জোটের দলীয় নেতাকর্মীরা।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ওয়ারী পাস্তা ক্লাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধসহ আহত ৮

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত
দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালাশীঘাট এলাকার রসুলপুর গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন মো. মিলন মিয়া (৪৪), যিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন সরকারের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় তার হেফাজত থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা কালবেলা জানান, উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিকে সেনাবাহিনীর টিম থানায় হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

শরীয়তপুর–চাঁদপুর নৌরুটে আটকা চার শতাধিক যানবাহন

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দুই যুগ পর রংপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনী প্রচারণায় নওগাঁয় তারেক রহমান

0 Comments