সারাদেশ

যেসব কারণে হঠাৎ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হতে পারে

মো: দেলোয়ার হোসাইন ডিসেম্বর ২০, ২০২৫

নির্দিষ্ট কিছু কারণে ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা অনেক ব্যবহারকারীর জন্য চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করতে পারে। অনেক সময় আগাম কোনো সতর্কতা বা নোটিশ ছাড়া এমন ঘটনা ঘটে। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এর কারণ জানতে চাইলে আপনি অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন, যেমন: "আমি কি কিছু ভুল করেছি?", "অথবা অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে কিনা?" তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হওয়ার পেছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকে। আসুন, জানি কেন ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে পারে এবং এ থেকে কিভাবে রক্ষা পেতে পারেন।

 

১. অন্যের পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা

যদি আপনি অন্য কারো নাম বা ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালান, তা ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতির লঙ্ঘন। সেলিব্রিটি বা পরিচিত ব্যক্তির নামেও অ্যাকাউন্ট খোলা হলে, অভিযোগ আসলে ফেসবুক দ্রুত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়।

২. ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর নাম ব্যবহার

ফেসবুক চায় ব্যবহারকারীরা তাদের আসল নাম ব্যবহার করুক। ভুয়া বা অবাস্তব নাম ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে সাধারণ ডাকনাম বা নামের সংক্ষিপ্ত রূপ গ্রহণযোগ্য।

৩. ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ

ফেসবুকের Community Standards (কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডস) যদি ভঙ্গ করেন, তবে প্রথমে পোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়। বারবার নিয়ম ভাঙলে, অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সহিংসতা, ঘৃণামূলক বক্তব্য বা আত্মহানির বিষয়গুলোর প্রতি ফেসবুক এখন অনেক বেশি সতর্ক।

৪. আপত্তিকর বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য

গালাগালি, বিদ্বেষমূলক মন্তব্য বা অন্যকে হেনস্থা করা নিয়মিত হলে, প্রথমে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং পরে একাধিক রিপোর্টের পর অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৫. বয়স ১৩ বছরের কম হওয়া

ফেসবুক ব্যবহারের জন্য বয়স কমপক্ষে ১৩ বছর হতে হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে আপনি ১৩ বছরের কম, তবে কোনো রিভিউ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট ডিজেবল করা হয়। শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে রয়েছে Messenger Kids।

৬. অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া

অ্যাকাউন্ট যদি হ্যাক হয়ে যায়, তবে অপরিচিত ব্যক্তি আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিয়ম ভাঙতে পারে। এতে আপনার অজান্তে অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে। তবে ফেসবুক হ্যাকড অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য সাহায্য প্রদান করে, তবে দেরি হলে এটি কঠিন হয়ে যায়।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হওয়া থেকে বাঁচার উপায়

  • আসল নাম ও তথ্য ব্যবহার করুন
  • নিয়মিত Community Standards অনুসরণ করুন
  • সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলুন
  • টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু রাখুন
  • আপত্তিকর পোস্ট বা মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন

ফেসবুক শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, এটি আমাদের স্মৃতি, যোগাযোগ এবং পরিচয়ের বড় একটি অংশ। তাই অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হলে তা অনেক বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে, ফেসবুকের নিয়মগুলো মেনে সচেতনভাবে ব্যবহার করলে এই সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারে ইয়াবাসহ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আটক

কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় মাদক বিরোধী কোস্ট গার্ডের অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে।    শনিবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার বিএন সুমন আল মুকিত স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।    আটক হওয়া টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ড ডেইল পাড়া এলাকার মৃত তমিম গোলালের ছেলে মো. হাফেজ উল্লাহ (৬৬)।    বিএন সুমন আল মুকিত বলেন, কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় গত শুক্রবার সকালে কোস্ট গার্ড স্টেশন ইনানী কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় টেকনাফ হতে কক্সবাজার গামী একটি যাত্রীবাহী বাসে আরোহণকৃত সন্দেহজনক এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করে প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের চার হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।   জব্দকৃত ইয়াবা ও আটককৃত মাদক কারবারির পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।   স্থানীয়রা জানান, আটক মো. হাফেজ উল্লাহ এর আগেও অনেক বার মাদক নিয়ে আটক হয়। সে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন, পাশাপাশি তিনি একটি ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিল। বার বার মাদক নিয়ে আটক হওয়ায় তাকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে অনেক আগেই বহিষ্কার করেছিল। 

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের নালা থেকে উদ্ধার ১ হাজার ৩৫০ বুলেট

কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। ছবি : সংগৃহীত

গোপনে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

ছবি - সংগৃহীত

রাজধানীতে গ্যাসের সংকট: সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, বিপাকে চালকেরা

ছবি - সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে ৩৬ দিন ভেসে থাকার পর উদ্ধার দুই শ্রীলঙ্কান জেলে

বঙ্গোপসাগরে ভয়াবহ বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে দীর্ঘ ৩৬ দিন ভাসমান অবস্থায় কাটানো পিতা-পুত্র দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার উদ্ধার হওয়া জেলেদের মহেশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।     উদ্ধার শ্রীলঙ্কান জেলেদের ভাষ্যমতে, সাগরে গভীর রাতে মাছ শিকারের সময় হঠাৎ প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাঁদের বহনকারী ড্যানিশ ফিশিং বোটের ইঞ্জিন পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়ে। ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় ভাসতে ভাসতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে তাঁরা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেন।      শ্রীলঙ্কান ওই জেলেদের দাবি, সাগরে চরম অসহায় অবস্থায় ভেসে থাকার সময় তাঁরা জলদস্যুদের নির্মম হামলার শিকার হন। দস্যুরা তাঁদের বোটের সমস্ত মূল্যবান মালামাল ও যাবতীয় খাবারের রসদ লুট করে নিয়ে যায়।     স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার সাগরে গভীর রাতে মাছ শিকার শেষে ঘাটে ফেরার পথে ‘গুলিরধার’ নামক সামুদ্রিক এলাকায় ভাসমান ওই ড্যানিশ বোটসহ দুই বিদেশি জেলেকে দেখতে পায়। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের ট্রলারের জেলেরা মানবিক কারণে বাবা-ছেলে উভয়কে উদ্ধার করেন এবং বিকল বোটটি নিজেদের ফিশিংবোটের পেছনে বেঁধে তাজিয়াকাটা ঘাটে নিয়ে আসেন।   উদ্ধারের পর ওই দুই শ্রীলঙ্কান জেলে বোটের মালিক জিয়াউর রহমানের বাড়িতেই সাময়িকভাবে আশ্রয়ে ছিলেন। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধারকৃত ড্যানিশ বোটে কোনো জিনিসপত্র বা মালামাল ছিল না।     ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সুলতান জানান, উদ্ধার দুই বিদেশি জেলেকে বর্তমানে নিরাপদ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিতকরণসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কয়েল জ্বালাতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ শ্রমিক দম্পতি

সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক। ছবি: সংগৃহীত

আগের বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সাতক্ষীরার এমপি আব্দুল খালেক

বিদ্যুতের খুঁটি, মোববাতি ও বাল্ব। ছবি : সংগৃহীত

শনিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা

ঘটনাস্থল। ছবি : সংগৃহীত
মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে ছাতার ভেতর মিলল বোমা

রাজধানীর মতিঝিলের মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি বোমা পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর স্টেশনের নিচে একটি ছাতার মধ্যে বোমাটি পাওয়া যায়।   ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার।   কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি ছাতার মধ্যে মিটমিট করে বাতি জ্বলছিল। স্থানীয়রা তা দেখে থানায় খবর দেয়। পরে মতিঝিল থানা পুলিশ সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দিলে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নিশ্চিত করে যে, ছাতার ভেতর বোমা ছিল।’   পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা সেটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই নিষ্ক্রিয় করেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২৪, ২০২৬
ফাইল ছবি

বিয়ের তিন দিনের মাথায় সড়কে ঝরল যুবকের প্রাণ

প্রতীকী ছবি

আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকবে যেসব এলাকা

গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

জাসদ-ছাত্রলীগ থেকে জামায়াত, ভিডিও বিতর্কে সব হারালেন এমপি নজরুল

0 Comments