অন্যান্য

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৩, ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন ডা. তাসনিম জারা। পরে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। তবে এখন তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন।

 

স্বতন্ত্র নির্বাচন করার কারণ জানিয়ে তাসনিম জারা বলেছেন, জনগণ পরিবর্তন চায়। তারা পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। এই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই আমি আমার দল থেকে সরে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিটিজেনম প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন-২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জবাবদিহির কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। সব জায়গায় জটিলতা রয়েছে। এখানে যে যার কাছে জবাবদিহি করবে, সেই আবার তার নিয়োগকর্তা, এটি একটি বড় সংকট।

 

জবাবদিহি বিষয়ে তাসনিম জারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে যারা ক্ষমতায় থাকবে, তাদের কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

 

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির হয়ে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল ডা. তাসনিম জারার। তবে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে অংশ নেবেন।

 

এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাবেদ মিয়া রাসিন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা

কোরবানি শব্দটির মূল উৎস আরবি ‘কোরবান’ থেকে এসেছে, যার অর্থ দাঁড়ায় নৈকট্য লাভ করা। অর্থাৎ, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জনের জন্য নির্ধারিত পশু জবাই করাই কোরবানি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো। (সুরা কাওসার: ০২) ইসলাম ধর্ম মানবজাতির জন্য একটি উত্তম জীবনব্যবস্থা। বাড়াবাড়ি-ছাড়াছাড়ি কোনোটিই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে না। আমাদের ধর্মে বেশকিছু ইবাদত আছে, যা সময় এবং অর্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারমধ্যে রয়েছে এই কোরবানি। কোরবানি ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার এক মহান শিক্ষা। প্রতি বছর আরবি মাস জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে বিশ্বের মুসলমানরা মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে কোরবানি আদায় দিয়ে থাকেন। কোরবানির মাধ্যমে মানুষ আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও আল্লাহভীতির শিক্ষা লাভ করে। প্রকৃতপক্ষে ইসলাম ধর্মে কোরবানির তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক একটি বিষয়। এখানে পশু জবাই করার পাশাপাশি মনের পশুত্বের বড় কোরবানি প্রাধান্য এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, ত্যাগ ও তাকওয়ার এক অনন্য শিক্ষার নামই কোরবানি। কোরবানির প্রধান তাৎপর্য ১. মহান রবের আদেশের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন আসলে কোরবানির মূল শিক্ষাটা পরিলক্ষিত হয় হজরত ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হহরত ইসমাইল (আ.)-র শিক্ষণীয় ঘটনা থেকে। আল্লাহর আদেশ পালনে তাঁরা সর্বোচ্চ ত্যাগের মানসিকতা প্রদর্শন করেন। মূলত এই আত্মত্যাগের ঘটনার মাধ্যমে মুসলমানরা অর্জন করে: ‘আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় জিনিসও ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।’ ২. ত্যাগের মানসিকতা সৃষ্টি কোরবানি মানুষের অন্তরে আত্মত্যাগ, ধৈর্য, নিঃস্বার্থতা সহমর্মিতার গুণ সৃষ্টি করে। এটি মানুষকে স্বার্থপরতা থেকে দূরে রেখে মহানুভব হতে শিক্ষা দেয়। ৩. তাকওয়া অর্জনের মাধ্যম পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহর কাছে এগুলোর (কোরবানির পশুর) গোশত ও রক্ত পৌঁছায় না; বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের মনের তাকওয়া তথা মনের ভীতি ও ভালোবাসা (সুরা হজ: ৩৭)। সহজভাবে বললে কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে; অন্তরে খাঁটি ঈমান ও আল্লাহভীতি অর্জন। ৪. সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা কোরবানির গোশত আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করা হয়। ফলশ্রুতিতে সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি একে-অপরের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হয় এবং সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতি বৃদ্ধি পায়। ৫. অহংকার ও কৃপণতা দূরীকরণ মানুষ তার সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করার মাধ্যমে এটি বুঝতে পারে; এই আমার জানমাল ইত্যাদির প্রকৃত মালিক আল্লাহ তাআ'লা। এতে হৃদয়ের অহংকার ও কৃপণতা দূরীভূত হয়। ৬. ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করা ঈদুল আজহার সময়ে মুসলমানরা একসঙ্গে ইবাদত, কোরবানি ও আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া সুবর্ণ সুযোগ। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় হয় এবং উম্মাহর ঐক্য বৃদ্ধি পায়। মোটাদাগে কথা হলো: কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য হল, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ স্বীকার, তাকওয়া অর্জন, মানবতার সেবা ও আত্মশুদ্ধি। কোরবানি মুসলিমজীবনে এক মহিমান্বিত ইবাদত। এটি মানুষের হৃদয়ে তাকওয়া, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে। তাই কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করা খুবই প্রয়োজন। তাহলেই কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য দৃশ্যমান হবে। কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে; আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ স্বীকার করা, মনের পশুত্বের জবাই করা, মানবতার সেবা করা এবং নিজের অন্তরকে পবিত্র করা। যদি আমরা নিম্নোক্ত কোরবানির শিক্ষাগুলো বাস্তবজীবনে অনুসরণ করি, তাহলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। কোরবানির শিক্ষা আল্লাহর আদেশ পালনে দৃঢ় থাকা। আত্মত্যাগের মনমানসিকতা গড়ে তোলা। গরিব-দুঃখীর প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করা। অহংকার ও লোভ থেকে দূরে থাকা। সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। লেখক: পেশ ইমাম, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, বিয়ানীবাজার, সিলেট

মারিয়া রহমান মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন প্রায় চূড়ান্ত

ফাইল ছবি

অভিযানে গিয়ে বারবার হামলার শিকার পুলিশ

ফাইল ছবি

বিচারের মুখোমুখি হতে দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা

ছবি : সংগৃহীত
দুই ‘শিবির নেতা’র বিরুদ্ধে অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ ছাত্রদল সম্পাদকের

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।    শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘মব ও সংঘাত উসকে দেওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে আখ্যা দেন।  একইসঙ্গে, ঘটনাস্থলে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরা দুজনকে ‘শিবির নেতা’ দাবি করে তাদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদলের এই শীর্ষ নেতা। ফেসবুক স্ট্যাটাসে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সমালোচিত এবং মব ও সংঘাত উসকে দেওয়া ব্যক্তি হচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নাসির উদ্দীন নাসির অভিযোগ করে বলেন, আজ ঝিনাইদহে তিনি মব সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে স্থানীয় সাধারণ জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তার ওপর ডিম নিক্ষেপ করে। এই ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা ‘সন্ত্রাসীরা’ সাধারণ জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা চালায়। স্ট্যাটাসে অস্ত্রধারী দুজনকে ‘শিবিরের সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় প্রকাশ করেছেন ছাত্রদল সম্পাদক। তিনি দাবি করেন- ১. সিয়াম উদ্দিন তুর্য (পাঞ্জাবি পরা) : তার বাবা স্থানীয় জামায়াত নেতা সল্টু মাস্টার, যিনি বদরগঞ্জ মাদ্রাসার শিক্ষক। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের মাস্টারপাড়া, কোর্টপাড়া এলাকায়। ২. আশিক (টি-শার্ট পরা) : তার বাবা মৃত বাদশা। তিনি ঝিনাইদহের কাষ্টসাগরা গ্রামের বাসিন্দা এবং শিবিরের একজন নেতা। ছাত্রদলের এই শীর্ষ নেতা ঝিনাইদহের স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকাশ্য স্থানে অস্ত্র প্রদর্শনকারী এই দুই ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পরপরই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে হকিস্টিক ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।  

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামে যেসব পরিস্থিতিতে বদলি হজ করানোর বিধান রয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক হলেন মুফতি মুহিববুল্লা হিল বাকী

ছবি : সংগৃহীত

পরিবারে ব্যক্তিত্ব বজায় রাখার মহানবী (সা.)–এর ১০ শিক্ষা

ছবি : সংগৃহীত
আসামির পক্ষে মামলা লড়বে না ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী

ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না বলে জানা গেছে। শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান। তিনি পোস্টে বলেন, ‘ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোন বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।’ গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ঘাতক সোহেল রানা। পুলিশ জানায়, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্দেহভাজন সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরো জানায়, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

শরীর ও মানসিক প্রশান্তির জন্য নবীজির ১০ সুন্নাহ

ছবি : সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত

রামিসার পরিবারের হয়ে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিলেন শিশির মনির

0 Comments