বিশ্ব

ইসরায়েলে আর সামরিক সহায়তা চায় না মার্কিন জনগণ: সিনেটর স্যান্ডার্স

মারিয়া রহমান জুন ১০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের একটি ধারার তীব্র সমালোচনা করেছেন, যা মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক বাহিনীকে আরও নিবিড়ভাবে একীভূত করবে। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হচ্ছে কোনো ধরনের তদারকি ছাড়াই।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে স্যান্ডার্স বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই ধারাটির পক্ষে লবিং বা জোর তদবির করছেন—যা ‘সেকশন ২২৪’ (ধারা ২২৪) নামে পরিচিত। কারণ এটি “প্রায় শূন্য তদারকির মধ্য দিয়ে নীরবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সামরিক সহযোগিতা এবং অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচীকে আরও প্রসারিত করবে।”


স্যান্ডার্স স্পষ্ট করে বলেন, “আমেরিকার জনগণ ইসরাইলে আর কোনো মার্কিন সামরিক সহায়তা চায় না। আমাদের অবশ্যই ‘সেকশন ২২৪’ ধারাটিকে রুখে দিতে হবে।”


এই ‘সেকশন ২২৪’ ধারার অধীনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবকে একজন “এক্সিকিউটিভ এজেন্ট” বা বিশেষ কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে, যিনি এককভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি সমন্বয় করবেন।


এই সমন্বয়ের আওতায় থাকবে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন, যৌথভাবে অস্ত্র উৎপাদন এবং দুই দেশের সামরিক ব্যবস্থা ও ডেটা বা তথ্যভাণ্ডারকে একে অপরের সাথে যুক্ত করা। এছাড়াও, এই বিলটি পাস হলে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের আরও বহু ক্ষেত্র, যেমন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ড্রোন এবং সাইবার-অপারেশনের মতো বিষয়েও তাদের যৌথ কাজ অনেক দূর বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র: আল জাজিরা

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটি (বাঁয়ে) ও আইআরজিসির হামলার দৃশ্য (ডানে)। ছবি : সংগৃহীত
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২৫তম ধাপে জর্ডানের কিং ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে চালানো হামলায় মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার।   বুধবার (২২ জুলাই) প্রকাশিত আইআরজিসির ৪২তম বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইয়া হাসান ইবনে আলী’ কোডনামে পরিচালিত এই অভিযান মিনাবের শাজারে তাইয়্যেবা বিদ্যালয়ের শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে।   বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে কিং ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।   আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার হামলায় এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানা হয়। পরবর্তী হামলায় ড্রোন সংরক্ষণাগারে থাকা সংযোজনের আগের অবস্থায় থাকা আটটি নতুন এমকিউ-৯ ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও দুটি ড্রোন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ।   এছাড়া হেলিকপ্টার সংরক্ষণাগারে হামলায় দুটি ভারী মার্কিন হেলিকপ্টার বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও জানিয়েছে আইআরজিসি।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন সেনাদের আবাসন ভবনে হামলায় আগ্রাসী বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত ও আহত হয়েছে। তবে হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।   আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাগুলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে চালানো হয়েছে। অথচ আগের রাতে কোনো জাহাজ দক্ষিণ রুট দিয়ে চলাচলের সাহস করেনি এবং কোনো বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেনি।   বিবৃতিতে বলা হয়, তবুও শিশুহত্যাকারী মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের আগ্রাসী চরিত্র থেকে সরে আসেনি এবং আমাদের সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তারা এখন কঠোর প্রতিশোধের মুখোমুখি হচ্ছে।   আইআরজিসি জানিয়েছে, আগ্রাসীর শাস্তি অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, হামলার যথাযথ মূল্য না পরিশোধ করলে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও যুদ্ধ শুরু, আলোচনা এবং পুনরায় যুদ্ধের একই কৌশল অনুসরণ করবে।   বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান জবাব যথেষ্ট না হলে এবং যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে এমন একটি অভিযান চালানো হবে, যার পরিণতিতে পুরো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে শোক ঘোষণা করতে হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২২, ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরান করলে বিশ্বজুড়ে ঝুঁকি তৈরি হবে: রুবিও

নিট পরীক্ষা পুরোপুরি বাতিল চায় বিজয়ের টিভিকে

‘সময় নষ্ট করবেন না’, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি বলপ্রয়োগ নিয়ে আবেদন নাকচ সুপ্রিম কোর্টের

ছবি: সংগৃহীত
অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার ছাড়িয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা বাড়ছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।   বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ১ ডলারে ওঠে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮২ সেন্ট বা ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৮৫ দশমিক ১৬ ডলারে।   বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা ১১তম রাতের মতো ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা ইরানি হামলার কারণে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে। এর প্রভাবেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে।   এদিকে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চীন ও ভারতের উদ্দেশে সৌদি তেল নিয়ে যাওয়া অন্তত তিনটি ট্যাংকার লোহিত সাগর থেকে ঘুরে সুয়েজ খালের পথে চলে যায়।   বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতিতে এশিয়াগামী জাহাজগুলোর যাত্রাপথ দীর্ঘ হবে এবং পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।   এদিকে কৃষ্ণসাগর অঞ্চলেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে কাজাখস্তানের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ রুট ক্যাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম সাময়িকভাবে তেল গ্রহণ বন্ধ করেছে। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কাজাখস্তানকে তেল উৎপাদনও কমাতে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।   অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মজুদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটির অপরিশোধিত তেল ও ডিজেলের মজুত বেড়েছে, তবে পেট্রলের মজুত কমেছে। বাজার এখন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি জ্বালানি তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।   সূত্র: রয়টার্স

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের সমর্থনে রাহুলের আন্দোলন, মোদি সরকারের কাছে ৫ দাবি

ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি পেল যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

ইরানবিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ব্রিটেন, ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া ও চীন বিভিন্নভাবে ইরানকে সহায়তা করছে, দাবি পিট হেগসেথের

ছবি: সংগৃহীত
টানা দশম রাতে ইরানে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর টানা দশম রাতের মতো ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ইরানকে চড়া মূল্য দিতে হবে। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বিমান হামলা শুরু করে। খবর রয়টার্সের।   ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের লোরেস্তান প্রদেশের খোররামাবাদের পার্বত্য এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। খোররামাবাদ শহরের আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত একটি স্থাপনায় এ হামলা চালানো হয়। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন দফা হামলা চালায়।   এরই মধ্যে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার কথা জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে সংঘাতের নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে এবং উপসাগরের বাইরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।   যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রক্ষেপণের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে নাবিকরা জাহাজ ত্যাগ করে লাইফবোটে আশ্রয় নেন।   অন্যদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশ দিয়ে চলাচলের সময় বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। তবে ঘটনাগুলো ঠিক কখন ঘটেছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।   এদিকে, ওয়াশিংটনে মঙ্গলবার ব্যস্ত কূটনৈতিক সূচি রয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন তিনি।   এ ছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সিনেটের বরাদ্দবিষয়ক কমিটির সামনে উপস্থিত হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেবেন। ওই বাজেটে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬
বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুতি বিদ্রোহীরা। ছবি : সংগৃহীত

বাব আল-মান্দেবে উত্তেজনা, বাড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের উদ্বেগ

ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে একাধিক তেলবাহী জাহাজে হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা

সংগৃহীত ছবি

“ককরোচ পার্টির আন্দোলন: মোদি সরকারের জন্য কি সত্যিই বিপদের সংকেত?”

0 Comments