আন্তর্জাতিক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় সরাসরি অংশ নয় ইসরায়েল - নেতানিয়াহু

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চললেও সেই চুক্তির কোনো পক্ষ বা অংশীদার হবে না ইসরায়েল। এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার উদ্যোগ চলছে। তবে এ বিষয়ে ইসরায়েল স্বাধীন অবস্থান বজায় রাখবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

 

খবরে আরও বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, সম্ভাব্য এই সমঝোতা লেবানন যুদ্ধের অবসানে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দখলকৃত কিছু এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হতে পারে।

 

তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ও লেবাননের ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, যেকোনো নিরাপত্তা হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েল তার স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার অক্ষুণ্ন রাখবে।

 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক রোববার স্বাক্ষরিত হবে না বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাঈ বলেছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

 

এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছিলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, আলোচনা চলমান থাকলেও রোববার চুক্তি সই হচ্ছে না।

 

ইসমাঈল বাঘাঈ বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

 

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শেহবাজ শরিফ বলেন, সম্ভাব্য ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী সময়ে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

 

তিনি আরও বলেন, শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এবং আলোচনা এগিয়ে নিতে সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

 

সূত্র: রয়টার্স ও এএফপি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি - সংগৃহীত
তেহরানে লাখো মানুষের ঢল, খামেনি হত্যার প্রতিশোধ চায়

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা একসময় মুখরিত থাকত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে। আজ সেই জায়গাটিই পরিণত হয়েছে জাতীয় শোকের কেন্দ্রে। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে সেখানে ঢল নেমেছে লাখো মানুষের। সবার মুখে একটাই কথা— ‘আমরা খামেনি হত্যার প্রতিশোধ চাই’।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী খামেনি। শনিবার তার জানাজা শুরু হয়েছে। সেখানকার পরিবেশ এখন খুবই আবেগঘন। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা ও খামেনির ছবি হাতে নিয়ে প্রার্থনা করছেন। পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের পাশে রাখা হয়েছে হামলায় নিহত তার ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট কফিনটিও।   এই শোকের মাঝেও তীব্র রাজনৈতিক ক্ষোভ ফুটে উঠেছে। চারদিকে স্লোগান উঠছে, ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক, ইসরায়েল ধ্বংস হোক’। জানাজায় আসা মানুষ খামেনির হত্যার কঠোর প্রতিশোধ চাইছেন। তাদের হাতে উড়ছে প্রতিশোধের লাল নিশান।   দেশের এমন কঠিন সময়ে এই বিশাল জানাজা নতুন নেতাদের জন্য এক হওয়ার বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তারা বিশ্বকে দেখাতে চাইছেন, খামেনির মৃত্যু তাদের দুর্বল করেনি, বরং আরও এক করেছে। নতুন নেতৃত্ব এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বার্তা দিচ্ছেন।   ১৯৮৯ সালে ক্ষমতায় আসা খামেনির এই বিদায় অনুষ্ঠান টানা ছয় দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে চলবে। আগামী শুক্রবার তার জন্মশহর মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত

জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থি দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ

ছবি - সংগৃহীত

ইউক্রেইনের কৌশলগত শহর কোস্তিয়ান্তিনিভ্‌কা দখলের দাবি রাশিয়ার

ছবি - সংগৃহীত

সৌদি প্রতিনিধিদের সূরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শোনাল ইরান

ছবি - সংগৃহীত
রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

রাশিয়ার দ্বিতীয় প্রধান শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ ও সংলগ্ন অঞ্চলে বড় ধরনের দূর পাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেইন।   শনিবার স্থানীয় সময় রাতে চালানো এ হামলায় স্থানীয় বন্দর ও তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   রয়টার্স বলছে, রুশ তেল পরিশোধনাগারগুলোতে ইউক্রেইনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়াজুড়ে জ্বালানি ঘাটতি আরও গভীর হয়েছে।   সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকজান্দার বেলগভ জানিয়েছেন, ৬০ লাখ বাসিন্দার শহরটি ‘ব্যাপক মাত্রার’ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। নগরীর তেল টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   তবে এসব হামলায় কেউ হতাহত হয়নি দাবি করে তিনি বলেছেন, হামলার পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।   সংলগ্ন লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্দার দ্রোজদেঙ্কো জানিয়েছেন, সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে বাল্টিক সাগরের ভিসোৎস্ক বন্দর এলাকায় একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে। বন্দরটি তেল, শস্য, কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির জন্য ব্যবহার করা হয়।   দ্রোজদেঙ্কো জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের আকাশ থেকে ৭২টি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়। এসব ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে বেশ কয়েকটি এলাকায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ভিসোৎস্ক বন্দরে কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।   টেলিগ্রামে এক পোস্টে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, “ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা বাহিনী বন্দর, তেল অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে যেগুলো রাশিয়ার যুদ্ধ খরচ যোগায়। (রাশিয়ার) ক্রনস্টাট অঞ্চলেও আঘাত হানা হয়েছে। এটি ইউক্রেইনের রাষ্ট্রীয় সীমান্ত থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দূরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্য।”   তবে ক্রনস্টাটে কোনো হামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। এটি সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছে রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি। এর আগে জুনে এই ঘাঁটিটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইউক্রেইন।   চলতি বছর ইউক্রেইন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা জোরদার করেছে। এতে রাশিয়ার পরিশোধনাগারগুলো বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছে আর তাতে দেশটির ১১টি সময় অঞ্চলজুড়ে গ্যাসোলিনের সংকট দেখা দিয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত

পাকিস্তানে বিনিয়োগ বাড়াতে তুর্কি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান শাহবাজ শরিফের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের সূচনায় কমিউনিস্টবিরোধী বক্তব্য ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় বলসোনেরোর গৃহবন্দিত্ব বহাল রাখল ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট

ছবি: সংগৃহীত
খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানে কোটি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে রাজধানী তেহরানে ১ কোটির বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন। খবর শাফাক নিউজের।   যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। এরপর তার স্মরণে তেহরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষ বিদায়ের আয়োজন করা হয়েছে।   এদিকে, খামেনির শেষ বিদায়ের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের সঙ্গে সংঘাত বন্ধে কাঠামোগত চুক্তি হলেও দক্ষিণ লেবাননের একাধিক স্থানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। একই সময়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার খবরও পাওয়া গেছে।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩০১ জন এবং আহত হয়েছেন ১২ হাজার ১৯৯ জন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে নৌ চলাচল ব্যাহত করলে ধৈর্যের সীমা থাকবে না: যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের তীব্র তাপপ্রবাহে ৩,৭০০ প্রাণহানি

ছবি: সংগৃহীত

অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে শ্রীলঙ্কা

0 Comments