পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গনের পরিচিত মুখ অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমের ব্যক্তিগত জীবনে নেমে এসেছে বড় ঝড়। স্ত্রী সানিয়া আশফাকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করার কথা নিজেই প্রকাশ করেছেন এই ক্রিকেটার। আর সেই ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন সানিয়া। খবর ডন'র।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইমাদ ওয়াসিম জানান, দীর্ঘদিনের মতবিরোধ ও সমস্যার কারণে তিনি আইনগতভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। একই সঙ্গে তিনি অনুরোধ করেন, তাদের ব্যক্তিগত বিষয় যেন জনসমক্ষে আলোচনা না করা হয় এবং পুরোনো ছবি বা সম্পর্কের স্মৃতি শেয়ার করা থেকে সবাই বিরত থাকেন। সন্তানদের দায়িত্ব তিনি পালন করবেন বলেও উল্লেখ করেন ইমাদ।
তবে ইমাদের এই ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই সানিয়া আশফাকের পোস্ট নতুন মাত্রা যোগ করে আলোচনায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, দাম্পত্য জীবনে তিনি মানসিক নির্যাতন আর অবহেলার শিকার হয়েছেন। এমনকি গর্ভাবস্থায়ও তাকে একা ফেলে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সানিয়ার অভিযোগ, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপই তাদের সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ।
তিনি আরও জানান, এসব বিষয়ে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে এবং সত্য আড়াল করতে কেউ তাকে হুমকি দিলে আইনি পথে যাবেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে সিলেটে অবস্থান করছেন পাকিস্তানি তারকা ইমাদ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রথম লেগের দুই গোলের ব্যবধান শুরুর আধা ঘন্টার মধ্যেই ঘুচিয়ে দিল বার্সেলোনা। জাগাল ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ এক সম্ভাবনা। কিন্তু তাদের সেই স্বস্তি উবে গেল একটু পরেই। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হলো না হান্সি ফ্লিকের দলের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠল আতলেতিকো মাদ্রিদ। কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে বার্সেলোনা ২-১ গোলে জিতলেও, দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলের অগ্রগামিতায় পরের ধাপে জায়গা করে নিয়েছে দিয়েগো সিমেওনের দল। মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে লামিনে ইয়ামাল ও ফেররান তরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। দুই লেগ মিলিয়ে তখন সমতা। তবে প্রথমার্ধেই ব্যবধান কমিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে আতলেতিকোকে এগিয়ে নেন আদেমোলা লুকমান। পরে আর কেউ জালের দেখা পায়নি। ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া লাল কার্ড দেখলে দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময় মিলিয়ে শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বার্সেলোনাকে। প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হারা ম্যাচে পাউ কুবার্সির লাল কার্ডে প্রথমার্ধেই ১০ জনে পরিণত হয়েছিল কাতালান দলটি। ৯ বছরের মধ্যে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠল আতলেতিকো। ফিরতি লেগে বার্সেলোনা প্রায় ৭১ শতাংশ পজেশন রাখলেও, গোলের জন্য দুই দলই শট নেয় ১৫টি করে। লক্ষ্যে ছিল সফরকারীদের আটটি, স্বাগতিকদের পাঁচটি। বার্সেলোনার শুরুটা হয় ইতিবাচক। প্রথম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত তারা। বক্সের বাইরে থেকে ইয়ামালের নিচু শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক হুয়ান মুসো। গোলের জন্য বেশিক্ষণ অবশ্য অপেক্ষায় থাকতে হয়নি বার্সেলোনাকে। চতুর্থ মিনিটে আতলেতিকোর ক্লেমোঁ লংলের থেকে আলগা বল পেয়ে তরেস পাস দেন বক্সে। অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠান ইয়ামাল। অষ্টম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় আতলেতিকো। তবে বক্সের ভেতর থেকে কোনাকুনি শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড লুকমান। নবম মিনিটে অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল পায়নি বার্সেলোনা। ইয়ামালের থ্রু বলে ছুটে গিয়ে এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে চিপ করতে চেয়েছিলেন দানি ওলমো, কিন্তু হাত বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন মুসো। চাপ ধরে রেখে আক্রমণ করে যায় বার্সেলোনা। ২৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা টানে তারা। ওলমোর পাস বক্সে ঢুকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে একটু এগিয়ে বাঁ পায়ের দারুণ শটে জালে পাঠান তরেস। পরের মিনিটেই আরেকটি গোল হতে পারত। ডান দিক থেকে ইয়ামালের ক্রসে ফের্মিন লোপেসের হেড কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন মুসো। ফলো থ্রুতে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের বুট আঘাত করে ফের্মিনের মুখে, রক্তাক্ত হয়ে মাঠে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। খেলা বন্ধ থাকে কিছুক্ষণ। ৩১তম মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। ডান দিক থেকে মার্কোস ইয়োরেন্তের পাস বক্সে পেয়ে অনায়াসে জালে পাঠান অরক্ষিত লুকমান। ৪১তম মিনিটে ইয়োরেন্তের ধাক্কায় বক্সে ওলমো পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরাল আবেদন করে বার্সেলোনা, তবে রেফারির সাড়া মেলেনি। ভিএআরও হস্তক্ষেপ করেনি। পরক্ষণে তরেসের শট ঠেকিয়ে দেন মুসো। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আতলেতিকোর বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় বার্সেলোনা। তবে অনেক ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন তরেস। দ্বিতীয়ার্ধেও বেশিরভাগ সময় খেলা হতে থাকে আতলেতিকোর অর্ধে। ৫৫তম মিনিটে কাছ থেকে তরেসের প্রচেষ্টা ফিরিয়ে দেন মুসো। পরক্ষণে বক্সে গাভির শট লংলে আটকে দেওয়ার পর, ভলিতে জালে পাঠান তরেস। তবে বার্সেলোনার উল্লাস থামিয়ে ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। ৬৫তম মিনিটে আতলেতিকোর বক্সে পায়ের দারুণ কারিকুরিতে কয়েক ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে পাস দেন ইয়ামাল, কিন্তু উড়িয়ে মারেন ওলমো। ৬৮তম মিনিটে তরেস ও লোপেসকে উঠিয়ে মার্কাস র্যাশফোর্ড ও রবের্ত লেভানদোভস্কিকে নামান বার্সেলোনা কোচ। ৭৪তম মিনিটে বিপদে পড়তে বসেছিল বার্সেলোনা। কাছ থেকে প্রতিপক্ষের প্রচেষ্টা পা দিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক গার্সিয়া। ৭৭তম মিনিটে আলেকসান্দার সরলথকে পেছন থেকে টেনে ধরে শুরুতে হলুদ কার্ড দেখেন এরিক গার্সিয়া। পরে মনিটরে রিপ্লে দেখে বার্সেলোনা ডিফেন্ডারকে সরাসরি লাল কার্ড দেন রেফারি। আট মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লেভানদোভস্কির হেড ঠেকান মুসো। সপ্তম মিনিটে দারুণ সুযোগ পান রোনাল্দ আরাউহো, কিন্তু দূরের পোস্টে হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি বার্সেলোনা ডিফেন্ডার। একটু পরই বাজে শেষ বাঁশি, উল্লাসে মাতে আতলেতিকো শিবির, তখন হতাশায় নিমজ্জিত বার্সেলোনা।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৯তম আসর চলছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর) খেলার সুযোগ পান বাংলাদেশ দলের তারকা পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু হুমকির মুখে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। মোস্তাফিজ ইস্যুত নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ দল। সেই মোস্তাফিজের পরিবর্তে আইপিএলে সুযোগ পেয়েও বিপদে পড়েছেন জিম্বাবুয়ের তারকা পেস বোলার ব্লেসিং মুজারাবানি। ২৯ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলারকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে দলে নেয় পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। কিন্তু পিএসএলে চুক্তি করে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে প্রস্তাব পেয়ে ইসলামাবাদের সঙ্গে করা চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ান এই তারকা। যে কারণে পিএসএলে আগামী দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে। পিএসএল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক লিগে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে অংশগ্রহণকারীদের স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা অপরিহার্য। পূর্ববর্তী বাধ্যতামূলক চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় অন্য কোনো লিগে সম্পৃক্ত হওয়া প্রত্যাশিত মানদণ্ডের পরিপন্থি। এ ধরনের আচরণ উপেক্ষা করা হলে চুক্তির নির্ভরযোগ্যতা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই লঙ্ঘনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব নেওয়ার পরই তামিম ইকবাল দেশীয় ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পেশোয়ার জালমির মালিক জাভেদ আফ্রিদি। জালমির হয়ে খেলা দুই বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলামকে অতিরিক্ত একটি ম্যাচ খেলার অনুমতি দেওয়ায় আফ্রিদি সামাজিক মাধ্যমে তামিমকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও তাদের দলে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এবারের পিএসএল আসরে মোট ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার সুযোগ পান। জালমির হয়ে নাহিদ রানা ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে ৫.৪২ ইকোনমিতে দারুণ পারফরম্যান্স করেন। অন্যদিকে শরীফুল ইসলাম ৫ ম্যাচে ২ উইকেট নেন। নাহিদ প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও পরের ম্যাচেই ৩ উইকেট নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং করেন। শরীফুল শেষ ম্যাচে উইকেট না পেলেও দলকে সহায়তা করেন। এছাড়া লাহোর কালান্দার্সে খেলেছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও পারভেজ হোসেন ইমন। উল্লেখ্য, তানজিদ হাসান তামিম এই আসরে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। তবে আন্তর্জাতিক লিগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ও পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।