জাতীয়

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত সোনারগাঁ

আক্তারুজ্জামান মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের বরণে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে সোনারগাঁর বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র। ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

ঈদের দিন থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, ঐতিহাসিক পানাম নগরী, এবং অন্যান্য দর্শনীয় স্থান যেমন বাংলার তাজমহল ও পিরামিড এলাকা।

 

বাড়তি পর্যটক সামলাতে নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

 

সারোয়ার হোমেন বলেন, ঈদের সময় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণেও কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

অন্যদিকে সাখাওয়াত হোসেন জানান, দর্শনার্থীদের জন্য পুরো জাদুঘর ও প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়েছে এবং সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

টুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
‘গুমের শিকারদের সুবিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে কঠোর আইন হয়েছে’

গুমের শিকার প্রতিটি ব্যক্তির সুবিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   তিনি বলেন, অতীতে গুমের ঘটনা শুধু তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও নতুন আইনে সরাসরি আদালতে প্রতিকার পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।   আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’-এর মাধ্যমে অপরাধের সংজ্ঞা ও উপযুক্ত সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে। গুম হওয়া ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তার পরিবার যাতে সম্পত্তি ভোগদখল করে জীবনধারণ করতে পারে, সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এছাড়া অপরাধীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধানও আইনে যুক্ত করা হয়েছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনে ‘সিস্টেমেটিক ও ওয়াইডস্প্রেড এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’-এর বিচারের যে বিধান রয়েছে, তা বহাল থাকছে। পাশাপাশি সাধারণ আদালতে গুমসংক্রান্ত অপরাধের বিচার ও সাজা কার্যকর করতে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) বিধানেও জোর দেওয়া হয়েছে।   প্রয়োজনে যেকোনো আইন সংশোধনের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি অংশীজনদের গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানান।   বিগত সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি ভঙ্গুর বাহিনী পেয়েছি। গত ছয় মাসে তাদের মনোবল ফেরানো এবং মোটিভেট করার কাজ চলছে। এখন থেকে রিওয়ার্ড ও পানিশমেন্ট নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’   প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে জবাবদিহি ও মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করেই আধুনিক বাহিনী গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট যাবে গাবতলীতে

ছবি: সংগৃহীত

আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কাটবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ : প্রতিমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন ও সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।   শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।   মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনগুলো চলতি অর্থবছরের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণ করা হয়েছে।   তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে পাঁচটি অর্ডিন্যান্স জারি করেছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়েছে। নতুন আইনের ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী মনোনয়নের বিধান থাকছে না।   প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে সাধারণ প্রতীকে এবং নির্দলীয়ভাবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পছন্দের প্রার্থীদের দলীয়ভাবে সমর্থন দিতে পারবে।   স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বাজেটে রাখা অর্থ নির্বাচনী কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   এর আগে নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার নবনিযুক্ত নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মীর শাহে আলম। পরে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ২৯, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশনা

ফাইল ছবি

দীর্ঘ বিরতির পর কুয়েত-ঢাকা রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু

‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

ছবি: সংগৃহীত
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।   শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর সোসাইটির উদ্যোগে শহরের টাউন হল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।   মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব বাড়াতে হবে। শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ সমাজই একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে নষ্ট করতে মাদকের বিস্তার বড় ধরনের হুমকি। তাই তরুণদের মাদক থেকে দূরে রেখে শিক্ষা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।   শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে সরকার দেশ পরিচালনা করছে। নির্বাচনের পর একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।   তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে সমাজের নানা ধরনের অবক্ষয় থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখা সম্ভব হবে।   লক্ষ্মীপুর সোসাইটির সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হানিফ মুরাদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু এবং লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইউছুফসহ অন্যরা।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কৃষকের সার সংকট সমাধানে ‘সার কার্ড’

ছবি: সংগৃহীত

দুই কার্যদিবসের মধ্যেই সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন : আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী

0 Comments