জাতীয়

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা কেন, ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন।


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে ‘না’ ভোট জয়ী হলে পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী দল জুলাই সনদের আলোকে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে না। অন্যদিকে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে নির্বাচিত সরকারকে অবশ্যই জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
এই প্রেক্ষাপটে সরকার প্রকাশ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক জানতে চান, সরকার যখন গণভোটের আয়োজন করছে, তখন তারা কীভাবে একটি নির্দিষ্ট পক্ষ নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারে। এর জবাবে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এ বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে সরকার তাদের অবস্থান গোপন করছে না।
তিনি বলেন, সরকার স্পষ্টভাবেই জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাবে এবং ইতোমধ্যে জানাচ্ছেও। সরকারের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে এবং সরকারের উপদেষ্টারাও একইভাবে জনগণের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।


প্রেস সচিব আরও বলেন, এই অন্তর্বর্তী সরকার একটি সংস্কারভিত্তিক সরকার। ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে যেসব সংস্কার প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে, সেগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। ফলে এসব সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াকে সরকার তাদের দায়িত্ব হিসেবেই দেখছে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণকে জানাতে চায়—যদি তারা ভবিষ্যতে অপশাসন না চান এবং স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখতে না চান, তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোটই হবে সেই পথ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের সামনে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা এবং নিজেদের দায়িত্ব পালন করাই এই সরকারের লক্ষ্য।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
সন্ত্রাস ও সাইবার অপরাধ দমনে জার্মানির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ পুলিশ

সন্ত্রাসবাদ ও সাইবার অপরাধ দমনে সক্ষমতা বাড়াতে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।   সোমবার (১৩ এপ্রিল) পুলিশ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এর সঙ্গে দেখা করেন জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন আনজা কার্স্টেন।   সাক্ষাতে জার্মান প্রতিনিধি নবনিযুক্ত আইজিপিকে অভিনন্দন জানান এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।   তিনি ক্রাউড কন্ট্রোল, সাইবার সিকিউরিটি, ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা, ভুয়া দলিল যাচাই এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।   আইজিপি এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জার্মানির সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   সাক্ষাৎকালে পুলিশ সদরদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরে আমের গুটিতে পোকার আক্রমণ, বাম্পার ফলনের আশায় শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল: একাধিক কর্মকর্তার বদলি, কয়েকজন ওএসডি

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যাকাণ্ড: মামলা করবে না পরিবার, প্রয়োজনে পুলিশই বাদী

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারসেলো কার্লোস সেসা।   সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।   বৈঠকে বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত ও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।   এ সময় উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কৃষিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন।   এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (২০২৬–২০২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানানোর জন্য আর্জেন্টিনা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।   সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন জেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে তিতাসের অভিযান

আজ সোমবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আজ জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম এর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি : জাতীয় সংসদ

স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ; সংসদীয় কূটনীতিতে সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ফাইল ছবি
‘অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষা’ এখন নাগরিক অধিকার: তথ্যমন্ত্রী

 তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপতথ্য ও ভুল তথ্যের হাত থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া এখন অন্যতম নাগরিক অধিকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ সুফল নিশ্চিত করতে একটি জনবান্ধব নীতি কাঠামো ও অবকাঠামোগত সংস্কার জরুরি। আজ সোমবার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আজাদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কিছুদিন আগেও গণমাধ্যম বলতে যা বুঝতাম, এখনকার গণমাধ্যমের সংজ্ঞার সঙ্গে তার বিরাট গুণগত পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এক সময় তথ্য প্রবাহের বাধা বা ‘প্রেস ফ্রিডম’ ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এখন সমস্যা হচ্ছে- তথ্যের অপব্যবহার।’ তিনি বলেন, এখন অপতথ্য বা মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন থেকে সুরক্ষা পাওয়া মানুষের অধিকার। যদি আমরা এর সুরক্ষায় মনোযোগ না দিয়ে কেবল অবাধ তথ্য প্রবাহ নিয়ে কাজ করি; তবে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের বড় দায়িত্ব হলো ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে জনবান্ধব নীতি ও ট্যাক্স কাঠামো নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, অ্যানালগ মানসিকতা থেকে ডিজিটাল মনোজগতে শিফট করা এখনো সম্ভব হয়নি বলেই ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনাগুলোকে মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহার করছে। দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক ট্যাক্স কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘নীতিগত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিকাশে বড় প্রতিবন্ধকতা। সরকার, বিটিআরসি এবং সকল অংশীজন মিলে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করলে দ্রুত এই খাতের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।’ টেলিকমিউনিকেশন ও আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সময়োপযোগী সংস্কার করা যাবে; তত দ্রুত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারসহ সকল উদ্যোক্তার পথ সুগম হবে এবং সাধারণ মানুষ ঘরে বসে সর্বোচ্চ সেবা পাবে। অনুষ্ঠানে বিটিআরসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আইসিটি বিশেষজ্ঞ এবং ব্রডব্যান্ড খাতের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

গণভোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করলে অস্থিতিশীলতা বাড়বে: শিশির মনির

ছবি : সংগৃহীত

আগামী সপ্তাহ থেকে চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা সহজ করছে ভারত

ছবি : সংগৃহীত

ডা. কামরুল-এর হাসপাতালে যুবদল পরিচয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪

0 Comments