খেলাধুলা

দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার, সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে মোস্তাফিজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে নাম দিয়েছেন ২৩ বাংলাদেশি ক্রিকেটার। নিলামে ৭১০ জন ক্রিকেটারের মধ্যে থেকে দল গুছিয়ে নেবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। একঝাঁক বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, জাকের আলী, সাইফ হাসানরা। নিলামে বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্যের ক্যাটেগরিতে রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ১ লাখ পাউন্ড ভিত্তিমূল্য রয়েছে তার।

 

কিছুদিন আগে বিগ ব্যাশে খেলা রিশাদ হোসেন আছেন পরের ক্যাটেগরিতে। এই লেগ স্পিনারের ভিত্তিমূল্য রিশাদ ৭৫ হাজার পাউন্ড। এরপর ৫০ হাজার পাউন্ডের ক্যাটেগরিতে জায়গা হয়নি কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের।

৩১ হাজার পাউন্ডের ক্যাটেগরিতে রয়েছেন একঝাঁক বাংলাদেশি তারকা। তাদের মধ্যে আছেন নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, জাকের আলী অনিক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদী হাসান, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিব, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, পারভেজ হোসেন ইমন, নাজমুল হোসেন শান্ত, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, রিপন মন্ডল, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ নাঈম, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকাররা।

আগামী ১২ মার্চ দ্যা হান্ড্রেডের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। খেলা শুরু হবে আগামী ২১ জুলাই যা চলবে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত। ইংল্যান্ডের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এর আগে কখনো কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পাননি।

 

দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে থাকা বাংলাদেশিরা :

মুস্তাফিজুর রহমান ভিত্তিমূল্য ১ লাখ পাউন্ড রিশাদ হোসেন ভিত্তিমূল্য ৭৫ হাজার পাউন্ড

 

৩১ হাজার পাউন্ড ভিত্তিমূল্য :

নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, জাকের আলী অনিক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদী হাসান, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিব, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, পারভেজ হোসেন ইমন, নাজমুল হোসেন শান্ত, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, রিপন মন্ডল, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ নাঈম, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকাররা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
সেঞ্চুরির লোভে ‘স্বার্থপর’ হননি স্যামসন

এই ৮৭ কি সেঞ্চুরিই চেয়েও ভালো?’, প্রশ্নটি শুনে মুচকি হাসলেন সাঞ্জু স্যামসন। ইনিংসটি তারা দেখেছেন, তারা হয়তো প্রশ্নের সঙ্গে দ্বিমত করবেন না। তবে হাসির রেখা ঠোঁটে ঝুলিয়ে স্যামসন সৎ উত্তরই দিলেন, নাহ, সেঞ্চুরি মানে সেঞ্চুরিই, সবসময়ই তা স্পেশাল। শতরানের জন্য ছোটার ইচ্ছেও যে মনে উঁকি দিয়েছিল, চেন্নাই সুপা কিংসের ব্যাটসম্যান লুকালেন না সেটিও। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের মাইলফলকের জন্য স্বার্থপর হতে চাননি তিনি।   আইপিএলে মঙ্গলবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে চেন্নাই সুপার কিংসের ৮ উইকেটের জয়ে ৫২ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন স্যামসন।   চলতি মৌসুমে দুটি সেঞ্চুরি আগেই করে ফেলেছিলেন তিনি। তিন নম্বরটির হাতছানি ছিল এ দিন দিল্লিতে। দলের জয়ের জন্য যখন প্রয়োজন ১৯ রান, তার শতরানের জন্য লাগে তখন ১৬ রান। তবে এরপর তিনি রান কেবল ৩ রান যোগ করেন, আরেক প্রান্তে ছক্কা-চার মেরে ১৫ বল বাকি রেখেই খেলা শেষ করে দেন কার্তিক শার্মা।   ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কার নিয়ে স্যামসন বললেন, তিন অঙ্ক তার দৃ্ষ্টিতে ছিল, কিন্তু দলের জয় নিশ্চিত করাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।   হ্যাঁ, ভাবনা এসেছিল (শতরানের)। তবে এরপর মনে হয়েছিল, এটা (শতরান) করতে হলে একটু বেশিই স্বার্থপর হতে হবে আমাকে। কাজেই মনে হলো, ম্যাচটি ভালোভাবে জেতা নিশ্চিত করা যাক। আমার সঙ্গীও ভালো ব্যাট করছিল এবং তাকে বলতে চাইনি যে, ‘সিঙ্গল নিয়ে আমাকে স্ট্রাইক দাও, শতরান করতে চাই।’ আমার তা বলতে ইচ্ছে করেনি।   স্যামসনের সেই সঙ্গী ছিলেন কার্তিক শার্মা। যে তরুণকে আইপিএলের নিলামে ১৪ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল চেন্নাই। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে ‘সিরিয়াল সিক্স হিটার’ নামে পরিচিত ২০ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান আগের ম্যাচে অপরাজিত ৫৪ রান করার পর এ দিন অপরাজিত থাকেন ৩১ বলে ৪১ রান করে।   দুজন যখন জুটি বেঁধেছিলেন, সপ্তম ওভারে চেন্নাইয়ের রান ছিল ২ উইকেটে ৪৫। দিল্লি ম্যাচে ছিল ভালোভাবেই। কিন্তু ৬৬ বলে ১১৪ রানের অপরাজিত জুটিতেই শেষ হয়ে যায় খেলা।   এই ম্যাচে সেঞ্চুরি না পেলেও স্যামসন অবশ্য আশা ছাড়ছেন না সামনের ম্যাচগুলিতে।   আমার মনে হয়, খেলা শেষ করতে আসতে পারার তৃপ্তি আরও বেশি। সেটিই উপভোগ করেছি। আরও কিছু ম্যাচ বাকি আছে। দেখা যাক, আবার তিন অঙ্ক ছুঁতে পারি কি না।   আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দলবদলে ১৮ কোটি রুপিতে রাজস্থান রয়্যালস থেকে চেন্নাইয়ে নাম লেখানোর পর মৌসুমের শুরুটা খুব ভালো ছিল না স্যামসনের। তবে ক্রমেই নিজেকে ফিরে পান তিনি। ১০ ম্যাচে তার রান এখন ৫৭.৪২ গড়ে ৪০২, স্ট্রাইক রেট ১৬৭.৫০।   দুটি সেঞ্চুরি, এই ৮৭ ছাড়াও আরেকটি ম্যাচে ৪৮ রান করেছেন তিনি। এই চার ম্যাচেই জিতেছে চেন্নাই। যে ছয় ম্যাচের চারটিতে আউট হয়েছেন তিনি দু অঙ্ক ছোঁয়ার আগে, দুটিতে ফিরেছেন ১১ রানে। এই ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে তার দল।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পিএসজির বিপক্ষে স্মরণীয় মুহূর্ত গড়তে প্রস্তুত বায়ার্ন

ছবি : সংগৃহীত

এগিয়ে থেকেও জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে পিএসজি

ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের ২৬ সুপারস্টারের একজন রাফিনিয়া

ছবি : সংগৃহীত
জাতীয় দলে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত অমিত

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের টেস্ট দলে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ২৪  বছর বয়সী অমিত হাসান। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে পারফরমেন্স করেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি।  আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় অমিত জানান, জাতীয় দলের পরিবেশ তার পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।  তিনি বলেন, ‘আমি আগেও ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছি। কিন্তু জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম অন্য সবকিছু থেকে আলাদা।’ ২০১৯ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের পর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরমেন্স করার সুবাদে পাকিস্তান সিরিজে দিয়ে প্রথমবারের মত জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন অমিত। নারায়নগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই ব্যাটার ৪৯ ম্যাচে ৪৯.৩২ গড়ে ৩৬৫০ রান করেছেন। তার ব্যাটে ১১টি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফ-সেঞ্চুরি ছিল। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ২১৩।  ধারাবাহিক পারফরমেন্সের মাধ্যমে দলে সুযোগ পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অমিত। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি বেশ কয়েক বছর ধরে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেট খেলছি এবং ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করছি। এজন্য আমি এখন জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছি।’ বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মুশফিকুর রহিমকে আদর্শ হিসেবে মনে করেন অমিত। ছোটবেলা থেকেই মুশফিককে অনুসরণ করেন জানিয়ে অমিত বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি মুশফিক ভাইকে অনুসরণ করি, তিনি আমার প্রিয় ক্রিকেটার। ব্যক্তিগতভাবে আমরা কোন লক্ষ্য নেই। আমি দলের প্রয়োজন অনুযায়ী অবদান রাখতে চাই।’ আগামী ৮ মে থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ১৬ মে থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলবে দু’দল।  টেস্ট সিরিজ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ চক্রের অংশ। এখন পর্যন্ত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে ২টি করে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ১টি করে হার ও ড্র’তে ১৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে আছে বাংলাদেশ। ১টি করে জয়-হারে ৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে আছে পাকিস্তান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকায় পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম

ছবি : সংগৃহীত

নতুন কুঁড়িতে অংশ নিয়ে ফেরার পথে দূর্ঘটনায় আহত সোহাদার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তান সিরিজে বিনামূল্যে খেলা দেখতে পারবে শিক্ষার্থী ও একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা

পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বিনামূল্যে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখতে পারবে শিক্ষার্থী এবং ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা।  আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ উপলক্ষে স্ট্যান্ড ও গ্যালারি থেকে তরুণ ক্রিকেটপ্রেমীদের টেস্ট ম্যাচ উপভোগ করার বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হবে। বিসিবি আরও জানায়, ‘নিজ নিজ স্কুলের বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিহিত এবং স্কুল/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈধ পরিচয়পত্রসহ শিক্ষার্থীরা মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নির্ধারিত স্ট্যান্ড ও গ্যালারিতে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে।’ এই সুবিধা বেসরকারি ক্রিকেট একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত ১৫ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণার্থীদের নিজ নিজ একাডেমির নির্ধারিত পোশাক পরিহিত অবস্থায় স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে হবে। আগামী ৮ মে থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট এবং ১৬ মে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আতলেতিকো ম্যাচের আগে স্বস্তির খবর, দুই তারকা ফিরে পেল আর্সেনাল

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাদার্সকে উড়িয়ে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে বসুন্ধরা কিংস

২০২২ সালের জানুয়ারিতে ক্যাবরেরা বাংলাদেশের দায়িত্ব নেন।ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশকে নিয়ে আবেগভরা বিদায়ী বার্তা দিলেন ক্যাবরেরা

0 Comments