বিশ্ব

ডিএনএ বদলাতে শুরু করেছে মেরু ভালুক

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১২, ২০২৫

বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ভয়াবহভাবে মেরু ভালুকের বিলুপ্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে এরই মধ্যেই এক নতুন গবেষণা সবাইকে আশার আলো দেখাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এমন কিছু জিনগত পরিবর্তন শনাক্ত করেছেন যা এই প্রাণীগুলিকে উষ্ণ আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

মনে করা হচ্ছে, এই প্রথম কোনো বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ডিএনএ-তে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পরিসংখ্যানগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ খুঁজে পাওয়া গেল। ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাংলিয়ার গবেষকরা দেখেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের মেরু ভালুকদের মধ্যে তাপ চাপ, বার্ধক্য এবং মেটাবলিজমের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু জিন ভিন্নভাবে কাজ করছে।

এই অঞ্চলের পরিবেশ উত্তর গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে উষ্ণ এবং কম বরফযুক্ত। গবেষকরা ভালুকের রক্ত নমুনা বিশ্লেষণ করে দেখেন, দক্ষিণ-পূর্বের ভাল্লুকদের ডিএনএ-তে জাম্পিং জিন বা মোবাইল জিনোম খণ্ডগুলির কার্যকলাপ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। এই জাম্পিং জিনগুলি অন্যান্য জিনের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধান গবেষক ড. অ্যালিস গডেন বলেন, এই ভালুকগুলি সম্ভবত দ্রুত গলে যাওয়া সামুদ্রিক বরফের বিরুদ্ধে বাঁচার জন্য তাদের ডিএনএ দ্রুত পুনবিন্যাস করছে। অন্যদিকে, এ ভালুকদের খাদ্যাভ্যাসও বদলেছে— তারা কম চর্বিযুক্ত উদ্ভিদজাত খাবার খাচ্ছে, আর তাদের ডিএনএ-তে চর্বি প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, যা খাদ্যের অভাবের সময়ে তাদের বাঁচতে সাহায্য করছে।

 

আর এই পরিবর্তনগুলোই মেরু ভালুকের বেঁচে থাকার আশা জাগায়। তবে গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে এই পরিবর্তনগুলি তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকিকে পুরোপুরি কমাচ্ছে না। সুতরাং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধ করা এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

লেবাননের যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন চুক্তির প্রভাব: জাওতার আল-গারবিয়েহ ছেড়ে সরছে ইসরায়েলি সেনাদল

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-গারবিয়েহ এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে। প্রায় একই সময় সেখানে মোতায়েন শুরু করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।     লেবাননের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ নাগরিকদের শহরটিতে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে মোতায়েন করা সেনা সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধও জানানো হয়েছে।     এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।     এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, জাওতার আল-গারবিয়েহসহ দক্ষিণ লেবাননের তিনটি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে। অন্য দুটি এলাকা হলো ফ্রুন ও স্রিফা।     চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে দখল করা অবস্থানগুলো থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। এরপর সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে।     তবে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা এই পরিকল্পনায় ফ্রুন ও স্রিফাকে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, এসব গ্রাম কখনোই ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে ছিল না।

মারিয়া রহমান জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সামরিক মহড়া চালাল চীন

ছবি : সংগৃহীত

পুলিশি বাধায় সংসদ অভিমুখে আর মিছিল করবে না ‘ককরোচ পার্টি’

ছবি : সংগৃহীত

নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানকে আরও শক্তিশালী করা হবে: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত
একাধিকবার প্রবেশের সুযোগসহ ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

ওমরাহ পালনে নতুন ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। নতুন এই ভিসার আওতায় ৩৬৫ দিনের মধ্যে একাধিকবার দেশটিতে প্রবেশ করা যাবে। তবে এই ভিসায় একজন ভ্রমণকারী সব মিলিয়ে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ ৯০ দিন অবস্থান করতে পারবে।   সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সোমবার (২০ জুলাই) এক বছরের মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসা চালুর ঘোষণা দেয়। ভিসাটি ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকবে।   সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানা যায়, সৌদি সরকারের ভিশন ২০৩০ ও পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের আওতায় ওমরাহযাত্রীদের জন্য ভ্রমণ আরও সহজ করতেই নতুন এই ভিসা চালু করা হয়েছে। নতুন ভিসার আওতায় একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও প্রতিবার প্রবেশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও শর্ত পূরণ করতে হবে। দেশ ছাড়ার পর ভিসাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হবে এবং পরবর্তী সফরের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে পুনরায় সক্রিয় হবে।   তবে হজ মৌসুমে এই ভিসা কার্যকর থাকবে না। জিলকদ মাসের প্রথম দিন থেকে জিলহজ মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত ভিসাটি নিষ্ক্রিয় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২১, ২০২৬
জোহরান মামদানি।

নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে গ্রেপ্তারের আইনি পথ খুঁজছেন মেয়র মামদানি

বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে নৌ চলাচল। ছবি: রয়টার্স

রেড সি রুটে নতুন উত্তেজনা, সৌদির বিরুদ্ধে হুতিদের নৌ-অবরোধ

ছবি - সংগৃহীত

লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি রক্ষায় সহযোগিতার আশ্বাস সৌদির

ছবি: সংগৃহীত
ওয়াংচুককে সরানোর পর আরও উত্তাল বিক্ষোভ

ভারতে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার ও প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন নতুন মোড় নিয়েছে। গত মে মাসে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই আন্দোলনের ডাক দেয়। আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গত ২৮ জুন থেকে অনশন শুরু করেন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। টানা ২০ দিন অনশনের পর তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতির কথা বলে গত শনিবার দিল্লি পুলিশ ওয়াংচুককে প্রতিবাদস্থল থেকে জোর করে সরিয়ে নিয়ে যায়। তবে পুলিশের এই পদক্ষেপ আন্দোলনকে দমাতে পারেনি, বরং বিক্ষোভের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।   অব্যাহত থাকবে আন্দোলন ওয়াংচুককে সরিয়ে নেওয়ার পর বিক্ষোভ ও অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরতরা। এরই মধ্যে গতকাল রোববার অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের অনশন ২১ দিনে পদার্পণ করেছে। অনশনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।   পদযাত্রা ঘিরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা আন্দোলনের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছেন, আজ সোমবার প্রস্তাবিত সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রা বানচাল করতে বহিরাগতরা ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের উস্কানি দিতে পারে। তাদের ভয়, এই ধরনের উস্কানিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে আন্দোলন নস্যাৎ করার চেষ্টা করতে পারে।   ওয়াংচুকের স্ত্রীর আইনি লড়াই  সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। ওয়াংচুককে অবৈধভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে অভিযোগ তুলে তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আঙমো দিল্লি হাইকোর্টে একটি জরুরি আবেদন করেন। আবেদনে সোনম ওয়াংচুককে সরকারি হাসপাতাল থেকে তাদের পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানান।  তবে ভারতীয় হাইকোর্ট তাঁর আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালত জানান, ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সরকারের এই পদক্ষেপ কোনো খামখেয়ালি নয়, এতে ওয়াংচুকের স্বাধীনতাও খর্ব হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁর সম্মতিক্রমে কেবল মুখে খাওয়ার তরল দিচ্ছেন। আদালত সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসকদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়ে আগামী ২৪ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।   হাসপাতাল থেকে ওয়াংচুকের বার্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই গতকাল সোনম ওয়াংচুক তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে একটি হাতে লেখা বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি নিজেকে অবৈধ বন্দি উল্লেখ করে দেশবাসীকে আজ সোমবারের সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এই আন্দোলনকে তিনি ‘ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম’ বলে অভিহিত করেন। খবর দ্য প্রিন্ট ও এনডিটিভির। 

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২০, ২০২৬

ভারতে অনুমোদন পেলো ডেঙ্গুর প্রথম টিকা

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে যা বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের নতুন প্রধানের নাম ঘোষণা

0 Comments