অন্যান্য

ঢাবি গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের ‘বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী’ শুরু

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী আজ সোমবার জয়নুল গ্যালারিতে শুরু হয়েছে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

বিভাগীয় চেয়ারপার্সন ড. ভদ্রেশু রীটার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো.  আজহারুল ইসলাম শেখ ও শিল্পী কামরুল হাসানের কন্যা সুমনা হাসান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারজানা আহমেদ স্বাগত বক্তব্য দেন। 

৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী শানীলা শাবনাম ও ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাইয়ান কায়েস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন। 

এ সময় অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী সেরা শিল্পকর্মের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। 

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন— বিএফএ প্রথম বর্ষের এস এম মাহমুদুল হাসান (সৈয়দ আলী আজম স্মৃতি পুরস্কার), বিএফএ দ্বিতীয় বর্ষের দুর্জয় গোস্বামী (খাজা শফিক আহমেদ স্মৃতি পুরস্কার), বিএফএ তৃতীয় বর্ষের আবদুল্লাহ আল মানিক (সমরজিৎ রায় চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার), বিএফএ চতুর্থ বর্ষের অন্তর কুমার বিশ্বাস (কাইয়্যুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার)।

শ্রেণি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন— আল আলিফ দিপু (এমএফএ ২য় পর্ব), রওশন জাহান (এমএফএ ১ম পর্ব), মোছা. মিথিলা ফারজানা (বিএফএ ৪র্থ বর্ষ), শানীলা শাবনাম (বিএফএ ৩য় বর্ষ), ইরিন জাহান অন্তরা (বিএফএ ২য় বর্ষ) ও দীপ্ত আচার্য্য (বিএফএ ১ম বর্ষ)।

নিরীক্ষামূলক শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন এমএফএ ২য় পর্বের শিক্ষার্থী রাহাত ভূঁইয়া। 

বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন বিএফএ চতুর্থ বর্ষের  সজীব জোয়ার্দার।

কামরুল হাসান স্বর্ণপদক লাভ করেছেন বিএফএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয় কর্মকার। 

স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার পুরস্কার লাভ করেছেন এমএফএ ২য় পর্বের শিক্ষার্থী রাহাত ভূঁইয়া।

পরে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, শিল্পকর্ম প্রদর্শনী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে।  

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিলেও থামাতে ব্যর্থ সরকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বারবার ‘মব কালচার’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মাজারে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও পীর হত্যার ঘটনায় সরকারের এই ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলছে, সরকার একদিকে মব কালচার দমনের কথা বললেও অন্যদিকে সরকার-সমর্থিত পক্ষগুলোকে সরাসরি প্রশ্রয় দিচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। এতে বলা হয়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি মাজারে হামলা চালিয়ে প্রধান পীর শামীম রেজা জাহাঙ্গীরকে হত্যা করেছে, যা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। বিবৃতিতে এনসিপি উল্লেখ করে, ধর্ম অবমাননা বা এ ধরনের যেকোনো সংবেদনশীল অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের আইনগত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে আদালত। ‘মব-সহিংসতা’র মাধ্যমে যারা হত্যা ও অগ্নিসংযোগ করেছে, তারা আইনের চরম লঙ্ঘন করেছে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এই হামলার উসকানিদাতা, পরিকল্পনাকারী ও জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় দলটি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের সহিংসতা স্থানীয় ক্ষমতার ছত্রছায়া ছাড়া সম্ভব নয়। এর আগে রাজবাড়ীতে মাজার ভাঙচুর ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাতেও রাজনৈতিক শক্তির প্রভাব দেখা গেছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকেই নিহত পীর শামীম রেজা জাহাঙ্গীরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে দুপুরে মাজারে হামলার ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন সতর্কতা অবলম্বন ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এনসিপি। এনসিপির দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিলেও ‘প্রকৃত মব’ থামাতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) সরকার-সমর্থিত পক্ষের ‘মব’ করে কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করার উদাহরণ টেনে বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার একদিকে মব দমনের বুলি আওড়াচ্ছে, অন্যদিকে নিজ সমর্থকদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। এমনকি ‘মব কালচার’ পরিভাষাটিকে সরকারি দল এখন রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। পরিশেষে, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার ভঙ্গ করছে এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এনসিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরকারের সব বিষয়ের মুখপাত্র না হয়ে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিড়াল প্রেমীদের নিয়ে বাকৃবিতে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘ক্যাট শো’

ছবি : সংগৃহীত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ওপর জোর ডিএনসিসির

ছবি : সংগৃহীত

মেয়াদোত্তীর্ণ ৭ ইউনিট ভেঙে দিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

ছবি : সংগৃহীত
ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি, মুখ খুললেন জামায়াত আমির

দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।   শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির।    শফিকুর রহমান বলেন, ‘অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম দেশের শুধু একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই নন; তিনি অসহায় ও গরিবের বন্ধু, মানবিক ডাক্তার হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত ও প্রশংসিত।’   তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে একটি অশুভ চাঁদাবাজ চক্র রাজনৈতিক খুঁটির জোরে তার কাছে চাঁদা চেয়ে আসছিল। তিনি অবৈধ চাঁদা দিতে বরাবরই অপারগতা প্রকাশ করেছেন। শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজরা এমন একজন জ্যেষ্ঠ, প্রথিতযশা, মানবিক চিকিৎসককেও সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হলো। তার সঙ্গে গর্হিত আচরণ করল।’   জামায়াত আমির বলেন, ‘এ রকম অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামদের সামাজিক সেবা থেকে কারা জনগণকে বঞ্চিত করছে, তা দিবালোকের মতোই পরিষ্কার। এই দুষ্টদের কঠোর হস্তে দমন করা সময়ের দাবি, জনতার দাবি। আমরা এ দাবির দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’   সর্বশেষ তিনি অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের জন্য দোয়া করে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দিন এবং দুষ্ট চক্রকে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিন। আমিন।’

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর

অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে গেলেন ঢাবি উপাচার্য

অনশনে বসা তিন শিক্ষার্থীর দাবি শুনতে রাজু ভাস্কর্যে যান ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

অনশনস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি শুনলেন ঢাবি ভিসি

ছবি : সংগৃহীত
টানা তিন দিন বন্ধ থাকছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা তিন দিনের ছুটিতে যাচ্ছে। রোববার (১২ এপ্রিল) থেকে এ ছুটি শুরু হবে, যা চলবে আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত।   এর আগে শুক্র ও শনিবার (১০-১১ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকছে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাৎসরিক ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। বুধবার (১৫ এপ্রিল) থেকে সব প্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস চলবে। এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলাদা নোটিশ দিয়ে ছুটির ঘোষণা দিয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক নোটিশে জানিয়েছে, ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্কুল ও কলেজ শাখার সব শ্রেণি পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সংগৃহীত ছবি

প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

গোবিপ্রবির ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন। ছবি : সংগৃহীত

গোবিপ্রবিতে পিএইচডি জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

সংগৃহীত ছবি

অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, ছুটে গেলেন ঢাবি উপাচার্য

0 Comments