সারাদেশ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল

চিকিৎসককে পিটিয়ে আহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৬

মারিয়া রহমান মে ১৭, ২০২৬
ভাঙচুর করা হয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগ।
ভাঙচুর করা হয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগ।

চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক চিকিৎসককে পিটিয়ে ও মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে হাসপাতালের অফিস সহায়ক, পাঁচ আনসার সদস্যসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। 

গত শুক্রবার রাতে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসির ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পর ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে –এমন অভিযোগ তুলে রাত ১টার দিকে নিহতের স্বজনদের ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল জরুরি বিভাগে ঢুকে হামলা চালায়। 

আহত চিকিৎসক নাসির ইসলাম বলেন, ‘রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে আমি ঢাকা মেডিকেলে রেফার করেছিলাম কিন্তু স্বজনরা রাতে যেতে রাজি হয়নি। মৃত্যুর পর আচমকা তারা কক্ষে ঢুকে আমার মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে।’  

অন্যদিকে, মৃতের পুত্রবধূ লাকি আক্তারের অভিযোগ, রোগীর অবস্থা খারাপ হলে বারবার ডাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক কেবিনে আসেননি। প্রায় এক ঘণ্টা পর এসে জানান, রোগী মারা গেছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মিতু আক্তার জানান, আহত চিকিৎসকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম জানান, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৫০% ছাড়ের ঘোষণা দিয়ে ‘বিপাকে’ আইনজীবী

আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ কে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের জার্সি পরে মক্কেলদের আইনি ফিতে ৫০ শতাংশ বিশেষ ছাড়ের অফার দিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন আইনজীবী মিঠুন শাহা। অভিনব এই বাণিজ্যিক প্রচারণা ও আচরণকে পেশাগত শৃঙ্খলার চরম পরিপন্থী উল্লেখ করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ওই আইনজীবীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি করেছে। একই সঙ্গে এই শোকজ নোটিশ পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তার ওকালতি বা আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে না, সে বিষয়ে বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারের বিশেষ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই কড়া শোকজ নোটিশটি আইনজীবী মিঠুন শাহার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হয়।   আইনজীবী মিঠুন শাহাকে পাঠানো বার কাউন্সিলের ওই অফিশিয়াল নোটিশে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত নির্ভরযোগ্য সংবাদ এবং সংযুক্ত স্থিরচিত্রে দেখা গেছে যে, আপনি একজন নিবন্ধিত আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট পেশাগত পোশাকের (কালো কোট ও গাউন) পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে নিজস্ব চেম্বারে বা অফিসে বসে মক্কেলদের সরাসরি আইনি সেবা প্রদান করছেন। একই সঙ্গে আপনি আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আর্জেন্টিনা দলের জার্সি পরে আইনি পরামর্শ নিতে আসলেই আইনি ফি অর্ধেক বা ৫০% নেওয়ার একটি বিশেষ বাণিজ্যিক অফার ঘোষণা করেছেন। আপনার এমন সস্তা প্রচারণা ও আচরণ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত ঐতিহাসিক ‘ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড ইটিকেটি’ এর সুস্পষ্ট ও গুরুতর লঙ্ঘন।   বিশেষত, আইনজীবীর পেশাগত আচরণ সর্বদা সর্বোচ্চ শৃঙ্খলাপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ হতে হবে এবং দেশের পবিত্র আইনি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাণিজ্যিক অফার, ডিসকাউন্ট বা ডিজিটাল প্রচারণা চালানো আইনজীবীদের মূল নীতি, মর্যাদা ও মহান পেশার আচরণের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’   বার কাউন্সিলের শোকজ নোটিশে আরও গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ‘আইনজীবী মিঠুন শাহার এ ধরনের খামখেয়ালি কর্মকাণ্ড সমগ্র আইনজীবী সমাজের পেশাগত ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং বিচারপ্রার্থী সাধারণ জনগণের মনে আইনজীবীদের পেশাদারিত্ব নিয়ে গভীর আস্থা নষ্ট করেছে। এর চেয়েও বড় বিষয় হলো, হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারের মতো ব্যক্তিগত যোগাযোগমাধ্যমে ইতোপূর্বে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের বিজ্ঞ চেয়ারম্যান মহোদয় ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে এই বিষয়ে বারবার ও একাধিকবার সতর্ক করার পরও আপনি বার কাউন্সিলের সেই নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে এহেন কর্মকাণ্ড অবলীলায় চালিয়ে যাচ্ছেন, যা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।’   এই অবস্থায় বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি ভঙ্গ করার মতো কর্মকাণ্ড চলমান রাখায় কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আইনজীবী মিঠুন শাহার ওকালতি সনদ অবিলম্বে স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল সচিবালয়ে তার সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক সংকটের ধাক্কায় কাঁপছে খাতুনগঞ্জ

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ২

মগবাজারে মোটরসাইকেল চালকের ধাক্কা, বাসচাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ছবি : সংগৃহীত
অসহায়ের ছদ্মবেশে আশ্রয়, পরে আশ্রয়দাতার শিশু অপহরণ

কক্সবাজার কারাগারে বন্দি স্বামীকে দেখতে এসে মোবাইল ফোন হারানোর কথা অসহায়ের ছদ্মবেশে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন এক রোহিঙ্গা নারী। পরে ওই বাড়ির এক শিশুকে (৪) অপহরণ করেছেন তিনি। রোববার (৭ জুন) বিকালে ঘটনার চারদিন পর মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালীর দেবাঙ্গাপাহাড় এলাকার পাহাড়তলী থেকে অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত রংবাহারকে আটক করা হয়।   পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৩ জুন কক্সবাজার কারাগারে বন্দি স্বামীকে দেখতে আসেন কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রংবাহার। এ সময় তার মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে তিনি বিপাকে পড়েন। পরে প্রথমে একবেলা ভাত খাওয়ার অনুরোধ এবং পরবর্তীতে রাতযাপনের জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করলে কারাগারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও তার স্ত্রী সুমি আক্তার মানবিক কারণে তাকে আশ্রয় দেন। পরিবারটির অভিযোগ, আশ্রয় নেওয়ার সময় নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করেছিলেন রংবাহার। স্থানীয়দের সঙ্গে অবস্থানকালে তিনি স্বাভাবিক আচরণ করলেও পরবর্তীতে ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। পরিবারের দাবি, আশ্রয় নেওয়ার দুদিন পর ৫ জুন দোকান থেকে নাস্তা কিনে দেওয়ার কথা বলে সাদ্দাম হোসেনের চার বছরের শিশুকে সঙ্গে নিয়ে বের হন রংবাহার। এরপর শিশুটিকে জিম্মি করে পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। একপর্যায়ে অপহরণকারীদের চাপে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধও করা হয়। কিন্তু শিশুটিকে ফেরত দেওয়া হয়নি। ঘটনার পর বিষয়টি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় জানানো হলে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। তদন্তের সূত্র ধরে মহেশখালীর দেবাঙ্গাপাহাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রংবাহার নিজেকে রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, কলাতলীর গইয়ুমতলী ভাঙারমোড় এলাকার এখলাস নামের এক ব্যক্তির পরামর্শে শিশুটিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ওই ব্যক্তি অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। শিশুটির মা সুমি আক্তার বলেন, মানবিক কারণে আমরা তাকে আশ্রয় দিয়েছিলাম। পরে বুঝতে পেরেছি, সে পরিকল্পিতভাবেই আমাদের বাসায় অবস্থান নিয়েছিল। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র থাকতে পারে বলে আমাদের সন্দেহ। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। আটক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুন ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের উত্তেজনায় টিভি শোরুমে ক্রেতাদের ঢল

ছবি: সংগৃহীত

‘শুধু ফাঁসির রায় নয়, তা কার্যকরও করতে হবে’

ছবি: সংগৃহীত

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে চমেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

ছবি : সংগৃহীত
শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে

দক্ষিণ সুদানে মিশনে গিয়ে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে উগান্ডার হাসপাতালে মারা যাওয়া সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মহিউদ্দিন চপলের লাশ ৭ দিন পর হেলিকপ্টার যোগে শনিবার নিজ বাড়ি লালমোহনে পৌঁছেছে। বিকাল সাড়ে ৩টায় হেলিকপ্টারটি লালমোহন সরকারি শাহবাজপুর কলেজ মাঠে অবতরণ করে।   এরপর লাশ নেওয়া হয় নিজ গ্রাম কালমা ইউনিয়নের ফরাজীবাজার এলাকায়। সেখানে যথাযথ মর্যাদায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করেন।   দাফনের আগে সেনাবাহিনীর মেজর আকিব হাসানের নেতৃত্বে মরণোত্তর সালাম প্রদর্শন করা হয়। মেজর আকিব হাসানের নেতৃত্বেই শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন মিশন থেকে লাশ লালমোহনে নিজ গ্রামে আনা হয়।     এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল ৪৬ বীর ব্যাটালিয়েনের লেপ্টেন্যান্ট ওমর ফারুকসহ ১৩ সদস্যের টিম।    মো. মহিউদ্দিন চপলের বাবা এলাকার সাবেক মেম্বার দেলোয়ার হোসেন। তার স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। দুই মাস আগে শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন মিশনে দক্ষিণ সুদান যান তিনি। 

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইজারা ইস্যুতে সরকারের মধ্যেই দুইটি পক্ষ তৈরি হয়ে গেছে

ছবি : সংগৃহীত

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: রায় ঘোষণা আজ

ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, ব্যর্থ করে দিচ্ছে বিজিবি

0 Comments