বিশ্ব

বিজয়কে ছেড়ে যাননি তৃষা!

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকদিন ধরেই তামিল চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় তারকা তৃষা কৃষ্ণন ও থালাপতি বিজয়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছিল নানা আলোচনা। বিশেষ করে বিজয়ের জন্মদিনে তৃষার নীরবতা অনেকের মনে প্রশ্নের জন্ম দেয়। কেউ কেউ তাদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও জল্পনা শুরু করেন। তবে শেষ পর্যন্ত একটি পোস্টেই সেই সব গুঞ্জনের জবাব দিলেন তৃষা।

 

গত ২২ জুন ছিল বিজয়ের ৫২তম জন্মদিন। সেদিন তৃষার পক্ষ থেকে কোনো শুভেচ্ছাবার্তা না আসায় ভক্তদের একাংশের মধ্যে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করতে থাকেন, তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

 

তবে জন্মদিনের একদিন পরই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজয়ের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করেন তৃষা। ছবিতে জন্মদিনের কেকের পাশে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দুজনকে।

 

ছবির ক্যাপশনে তৃষা লিখেছেন, “যিনি সবকিছু সার্থক করে তোলেন, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।”

 

তৃষার এই বার্তা প্রকাশের পর ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, তাদের সম্পর্ক নিয়ে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, তার কোনো ভিত্তি নেই। বরং অভিনেত্রীর এই শুভেচ্ছাবার্তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

তৃষা ও বিজয় এর আগে ঘিল্লি, থিরুপাচি, আধি, কুরুভি এবং সর্বশেষ দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত—দুই ক্ষেত্রেই এই দুই তারকাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ সবসময়ই তুঙ্গে থাকে।

 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি দুই তারকার কেউই। তবে বিজয়ের জন্মদিন উপলক্ষে তৃষার সর্বশেষ পোস্টকে অনেকেই সেই গুঞ্জনের জবাব হিসেবেই দেখছেন। অনেক ভক্তের মতে, এই বার্তাই প্রমাণ করে—বিজয়কে ছেড়ে যাননি তৃষা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি : সংগৃহীত
সীমান্তে অভিবাসী প্রবেশ, স্পেনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান ইইউর

মরক্কো থেকে স্পেনের সেউতা অঞ্চলে হাজারো অভিবাসী প্রবেশের ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে। খবর বিবিসির।   ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন বলেছেন, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় ইইউ দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজকে লেখা এক চিঠিতে বলেন, সেউতার ঘটনা দেখিয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকাগুলোতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।   গত সপ্তাহে মরক্কো থেকে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী সাঁতরে বা সমুদ্রপথে স্পেনের নিয়ন্ত্রিত সেউতা অঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করেন। স্পেনের হিসাব অনুযায়ী, এ ঘটনায় প্রায় ৬৯ হাজার ৫০০ অভিবাসীকে আবার মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে। সীমান্তে নিহতের সংখ্যা স্পেনের দিকে ৭২ জন এবং মরক্কোর দিকে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে।   ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার ইইউর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা জরুরি বৈঠক করবেন।   ফন ডার লেইন বলেন, অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ইইউকে পাঁচটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—অভিবাসন ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো, সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করা, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করা, মানবপাচারকারী চক্র ভেঙে দেওয়া এবং অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।   সেউতা সংকটের পর কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ স্পেনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইতালি সাময়িকভাবে স্পেনের সঙ্গে শেনজেন ব্যবস্থার কিছু সুবিধা স্থগিত করে। ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কও ইতালির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।   তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এ ধরনের সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেন, কিছু ইউরোপীয় দেশ ভুল তথ্য ও রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে স্পেনকে আক্রমণ করছে।   ইইউ কমিশন প্রধান বলেন, ইউরোপের বাইরের সব সীমান্ত সুরক্ষা পুরো ইউনিয়নের যৌথ দায়িত্ব। প্রয়োজন হলে সীমান্তে নজরদারি ও ভৌত বাধা ব্যবহারের ওপরও জোর দেন তিনি।   স্পেন জানিয়েছে, বর্তমানে সেউতার পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়েছে। অবৈধ সমুদ্রপথে প্রবেশ ঠেকাতে নতুন ধরনের ভাসমান বাধা তৈরির কাজও চলছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন আগস্ট ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হামাস চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতপার্থক্য আছে: নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে হরমুজ ও জ্বালানি নৌপথকে হাতিয়ার করছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সামনে শুধু চুক্তি বা আত্মসমর্পণের পথ খোলা: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

  ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।   নিহত দুই ব্যক্তি হলেন ওমিদ বেহজাদ ও পুরিয়া সাফভাত। ইরানের অভিযোগ, তারা ইসরায়েলের কাছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনার অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য পাঠিয়েছিলেন।   ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, সাম্প্রতিক ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধে ওই তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।   এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ইরান একটি কথিত গুপ্তচর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করে। ওই অভিযানে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার তথ্য সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়েছিল।   ইরান দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন গুপ্তচর তৎপরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ০৩, ২০২৬

ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে ইরানি দূতাবাসের পোস্টে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ইউক্রেন-রাশিয়ার পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১৪

ছবি: সংগৃহীত

দারফুরে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫: মানবাধিকার সংগঠন

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে

মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে যুদ্ধের আশঙ্কা কিছুটা কমায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। খবর সিএনবিসির।   সোমবার এশিয়ার বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮০ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে প্রতি ব্যারেল ৮৪ দশমিক ১০ ডলারে।   এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের ওপর পরিকল্পিত হামলা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। প্রস্তাবিত চুক্তির মধ্যে হরমুজ প্রণালি দ্রুত ও সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমাধানের বিষয় রয়েছে।   হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তেলের দাম সাধারণত বেড়ে যায়।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা তৈরি হলে বাজারে উদ্বেগ বাড়ে।   তবে ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর বিনিয়োগকারীরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন এবং তেলের দামে ঝুঁকির প্রভাব কমেছে।   এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের বিষয়ে সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ মজিদ ইবনে আল-রেজা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন আগস্ট ০৩, ২০২৬

আবার শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের নতুন আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

শান্তি পরিকল্পনার মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৯

সার তৈরির গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল সালফারের দাম ১৩৪ শতাংশ বেড়েছে

0 Comments