খেলাধুলা

ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে বার্সার আরও কাছে রিয়াল

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬

২০২৬ সালে লা লিগায় নিজেদের শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। মেস্তায়ায় তারা হারাল ভ্যালেন্সিয়াকে। ম্যাচটি সহজ ছিল না। তবু শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাদ্রিদ।

 

এই ম্যাচে আলভারো আরবেলোয়া খেলান ৪-৪-২ ফরমেশনে। কারণ ভিনিসিয়াস জুনিয়র ছিলেন না। তিনি নিষেধাজ্ঞায় ছিলেন। রদ্রিগো গোয়েস ছিলেন চোটে। আক্রমণে একসঙ্গে খেলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও গঞ্জালো গার্সিয়া। প্রথমার্ধে তারা তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।

 

ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে সুযোগ ছিল খুব কম। সেরা সুযোগটি পান রাইট-ব্যাক ডেভিড হিমেনেজ। এটি ছিল তার লা লিগা অভিষেক ম্যাচ। ডান দিক থেকে নেওয়া তার শট ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষক স্তোল দিমিত্রিয়েভস্কি ঠেকিয়ে দেন। এর আগে তাকে খুব বেশি পরীক্ষা দিতে হয়নি।

 

৬৫ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। আলভারো কারেরাস আলো জ্বালান রিয়াল শিবিরে। তিনি দুই ভ্যালেন্সিয়া ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যান। এরপর কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান।

 

গোল হজমের পরই সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পায় ভ্যালেন্সিয়া। লুকাস বেলত্রানের শট পোস্ট ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। এটিই ছিল তাদের সবচেয়ে কাছাকাছি চেষ্টা। এরপর আর ম্যাচে ফেরা হয়নি তাদের।

 

স্টপেজ টাইমের প্রথম মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ। ব্রাহিম দিয়াসের পাস থেকে এমবাপ্পে গোল করেন। এটি ছিল ম্যাচে রিয়ালের দ্বিতীয় গোল।

 

মোটের ওপর এটি রিয়াল মাদ্রিদের আরেকটি দুর্বল পারফরম্যান্স ছিল। তবু তারা তা নিয়ে ভাববে না। জয়ই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই জয়ে তারা লা লিগা তালিকায় বার্সেলোনার থেকে এক পয়েন্টের মধ্যে চলে এসেছে। আগামী সপ্তাহে ফর্মে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদের হারাতে পারলে তারা সাময়িকভাবে শীর্ষেও উঠতে পারে। বার্সেলোনা খেলবে সোমবার রাতে জিরোনার বিপক্ষে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তান

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়াকে ৪৪.১ ওভারে ২০০ রানেই অলআউট করে পাকিস্তান।    শনিবার রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বের তৃতীয় দল হিসেবে ১০০০তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করে পাকিস্তান। এদিন টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় স্বাগতিকরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া আরাফাত মিনহাজের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ৫০ ওভারও খেলার সুযোগ পায়নি অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন ম্যাট রেনশ। তার ইনিংসটি ৬৩ বলে ৫টি চার আর একটি ছক্কায় সাজানো। এছাড়া ৭৬ বলে ৬টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৫ রান করেন ম্যাথিউ শর্ট।  পাকিস্তানের হয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান খরচ করে ৫ উইকেট শিকার করেন অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাজ। ২ উইকেট নেন লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পান্ডিয়াকে নিয়ে বিপদে মুম্বাই

ছবি : সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল দেখার সময় নেই ডুলির

ছবি : সংগৃহীত

পন্টিংয়ের রেকর্ড ভাঙার পথে পিক

ছবি : সংগৃহীত
রানের বন্যায় ভাসলেন রাশিদ খান, ২ ওভারেই খরচ ৪৫ রান

প্রথম ওভারে যেমন-তেমন, পরের ওভারে স্রেফ তুলাধুনা হলেন রাশিদ খান। বল ফেলার জায়গাই যেন পাচ্ছিলেন না তিনি। তার চেহারায় নেমে এসেছিল আঁধার। সেখানেই ফুটে উঠছিল পারফরম্যান্সের প্রতিচ্ছবি। এই ম্যাচে যে অভিজ্ঞতা হলো, ৫৩৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এত তেতো স্বাদ তিনি পাননি।   আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ২ ওভারে ৪৫ রান দেন গুজরাট টাইটান্সের এই লেগ স্পিনার। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ২২.৫ করে। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ওভারপ্রতি রান এত বেশি খরচের নজির তার নেই আর। একসময় তার বোলিংয়ে বড় শট খেলার চেয়ে কঠিন কাজ ক্রিকেটে কমই ছিল। দুনিয়ার সব উইকেট, সব কন্ডিশনে, সব ব্যাটসম্যানের সামনে দিনের পর পর আঁটসাঁট বোলিং করেছেন তিনি। প্রতিপক্ষের জন্য তিনি ছিলেন আতঙ্ক। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর তার সেই আগের ধার ততটা দেখা যায় না ইদানিং। মাঝেমধ্যে দারুণ বোলিং করেন বটে। কিন্তু আগের সেই ধারাল ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে না অনেক দিন ধরেই। এবারের আসরেই গত ১৬ মে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৪ ওভারে গুনেছেন ৫৭ রান। তার আইপিএল ক্যারিয়ারেই যা সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলিং। গোটা টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এর চেয়ে বেশি রান দিয়েছেন তিনি আর একবারই। গত বছর দা হান্ড্রেড-এ ওভাল ইনভিন্সিবলসের হয়ে বার্মিংহাম ফিনিক্সের বিপক্ষে দিয়েছিলেন ৫৯ রান। আইপিএলে তার আগের সবচেয়ে খরুচে বোলিং ছিল গত আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ৪ ওভারে ৫৪ রান। পরিসংখ্যানেই পরিষ্কার, সাম্প্রতিক বছরগুলোতেই এত বেশি রান বিলিয়ে দিচ্ছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১০ ম্যাচে পঞ্চাশ বা এর বেশি রান দিয়েছেন তিনি। এর ছয়টিই গত তিন বছরে। তার খরুচের বোলিংয়ের ঘটনা তাই এখন আর ততটা বিস্ময়কর নয়। তার পরও তার ২ ওভারে ৪৫ রান অনেকটা অভাবনীয়ই। নিউ চান্ডিগাড়ে এ দিন রাশিদকে বোলিংয়ে আনা হয় নবম ওভারে। প্রথম দুই বলেই চার ও ছক্কা হজম করেন তিনি রিয়ান পারাগের ব্যাটে। এরপর একটি সিঙ্গল। চতুর্থ বলে তাকে ছক্কায় ওড়ান বৈভাব সুরিয়াভানশি। ওই ওভার থেকে আসে ১৮ রান। এরপর আর বোলিংই পাচ্ছিলেন না রেকর্ড ৭২১ উইকেট শিকারি বোলার। সুরিয়াভানশির বিদায়ের পর তাকে আবার বোলিংয়ে আনা হয় ইনিংসের শেষ ওভারে। এবার তাকে স্রেফ কচুকাটা করেন ডোনোভান ফেরেইরা। প্রথম বলে রাভিন্দ্রা জাদেজার সিঙ্গলের পর বাকি পাঁচ বলের চারটিতেই ছক্কা মারেন দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার, একটিতে নেন দুই রান। ওভার থেকে আসে ২৭ রান। ক্যারিয়ারে এর চেয়ে খরুচে ওভার তার আছে আর একটি। সেই ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার ওভারে চার ছক্কা ও এক চারসহ ২৯ রান নিয়েছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। তবে তিনি তখনও নবীন, সত্যিকারের রাশিদ খান হয়ে ওঠেননি। ১০ বছর পর আবার একইরকম অভিজ্ঞতা হলো তার। ওভারপ্রতি রানে এই ম্যাচের আগে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন তিনি এবারের আসরের এক ম্যাচেই। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে এক ওভার বোলিং করে রান দিয়েছিলেন ২১। একাধিক ওভার বোলিং করা ম্যাচগুলোর মধ্যে এবারের আগে ওভারপ্রতি রান সবচেয়ে বেশি দিয়েছিলেন গত আইপিএলে। লাক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে দুই ওভারে দিয়েছিলেন ৩৬ রান। ওভারপ্রতি রান ছিল ১৮। এবার অবশ্য গোটা আসর মিলিয়ে খুব খারাপ করেননি রাশিদ। বিশেষ করে গত দুই আসরে বিবর্ণতা কিছুটা ঝেরে ফেলেছেন। গত আইপিএলে ১৫ ম্যাচে মাত্র ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি ওভারপ্রতি সাড়ে ৯ করে রান দিয়ে। ২০২৪ আসরে ১২ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট। এবারের আসরে এখনও পর্যন্ত ১৬ ম্যাচে রাশিদের প্রাপ্তি ১৯ উইকেট। ওভারপ্রতি রানে (৯.২৯) অবশ্য এবারও প্রবল ব্যয়বহুল তিনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কঠিন গ্রুপ ‘আই’-এর শিরোনামে ফ্রান্স; এমবাপ্পের সামনে হালান্ডের চ্যালেঞ্জ

ছবি : সংগৃহীত

শঙ্কা উড়িয়ে কানাডার বিশ্বকাপ দলে ডেভিস

ছবি : সংগৃহীত

ইনজুরি সত্তেও কানাডার বিশ্বকাপ দলে আলফোনসো ডেভিস

ছবি : সংগৃহীত
স্লটকে ছাঁটাই করল লিভারপুল

অ্যানফিল্ডে শুরুটা কী দুর্দান্তই না ছিল আর্না স্লটের! প্রথম মৌসুমেই লিভারপুলকে এনে দেন ২০তম লিগ শিরোপা। তবে এবার ভুগতে হলো খুব। সেটার মাশুল দিয়ে চাকরি হারালেন এই ডাচ কোচ।   অ‍্যানফিল্ডে দুই মৌসুম থাকার পর ছাঁটাই হলেন লিভারপুল কোচ। ৪৭ বছর বয়সী স্লটের দ্বিতীয় মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পঞ্চম হয় লিভারপুল। বোর্নমাউথ থেকে বিদায় নেওয়া আন্দোনি ইরাওলা হতে পারেন দলটির নতুন কোচ। মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিকতা খুঁজে ফিরেছে লিভারপুল। কঠিন সময়ে অবশ্য কোচের পাশেই ছিল ক্লাব। বারবারই বলেছে, প্রধান কোচ বদলানোর কথা ভাবছে না তারা। তবে গত সপ্তাহে মৌসুম শেষ হওয়ার পর, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে চুক্তি শেষ করে দিল ক্লাবটি। লিভারপুলের ডাগআউটে ৯ বছর থাকার পর, ২০২৪ সালে অ‍্যানফিল্ড ছাড়েন ইয়ুর্গেন ক্লপ। তার জায়গায় কোচ হয়ে আসেন স্লট। সামনে দলকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলাবে, এমন কোচের সন্ধান করছে লিভারপুল। চলতি মাসে অ‍্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে হারের পর, ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ লিভারপুলকে আগ্রাসী ফুটবল খেলার তাগিদ দেন। যে ঘরানার ফুটবলের জন‍্য প্রতিপক্ষ তাদের ভয় পেত। ক্লপের সময়ে লিভারপুল জিতেছে প্রতিটি বড় শিরোপা। জার্মান কোচের আগ্রাসী ফুটবলের ভূমিকা ছিল এই সব সাফল‍্যে। বিদায় বেলায় স্লটকে তার কাজের জন‍্য ধনবাদ জানিয়েছে লিভারপুল। বিবৃতিতে বলেছে, এই ডাচ কোচ এবং তার পরিবারের জন‍্য সবসময়ই অ‍্যানফিল্ডের দুয়ার খোলা থাকবে। তার কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই সামনের দিনগুলোতে ভিন্ন ঘরানার ফুটবলের পথে হাঁটার প্রত‍্যয় জানিয়েছে লিভারপুল।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

টানা পঞ্চমবারের মত বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবল ক্লাব হিসেবে রিয়ালের রেকর্ড

ছবি : সংগৃহীত

রোনাল্ডো ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন : রবার্তো মার্টিনেজ

ছবি: সংগৃহীত

‘বলের পেছনে নয়, বল নিয়েই খেলতে চাই’—জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ ডুলি

0 Comments