খেলাধুলা

বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ভাগে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫ 0
বাংলাদেশ দল। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ দল। ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) সূচির সাথে মিলে যাওয়ার কারণে আগামী বছর দুই ভাগে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এ কথা জানিয়েছেন।

 

মিরপুরে সাংবাদিকদের ফাহিম বলেন, ‘পিএসএলের কারণে, আগামী বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে আমাদের হোম সিরিজের সূচিতে পরিবর্তন করতে হচ্ছে। যেহেতু এটি একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, তাই এটি দুই ভাগে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) অনুযায়ী, আগামী মার্চের মাঝামাঝি বাংলাদেশ সফরে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে পাকিস্তান। তাই কোন ফরম্যাটে আগে খেলা উচিত তা নিয়ে আলোচনা করছে বিসিবি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কারণে সফরে সাদা বলের খেলা প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হবার সম্ভাবনা বেশি। পিএসএলের পরে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হতে পারে।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ভারত-শ্রীলঙ্কার মাটিতে অনুষ্ঠেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বলে জানান ফাহিম। মূল লড়াইয়ে নামার আগে নামিবিয়া ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। বিশ্বকাপের জন্য ২৮ জানুয়ারি ব্যাঙ্গালুরুর উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
সপ্তমবারের মতো মহাদেশীয় ফাইনাল নিশ্চিত করল। ছবি : সংগৃহীত
দাপটের জয়ে কোরিয়াকে বিদায় করে ফাইনালে জাপান

এএফসি নারী এশিয়ান কাপে দূরন্ত যাত্রা অব্যাহত রেখেছে জাপান। দক্ষিণ কোরিয়াকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ফাইনালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে জাপান। এটি হতে যাচ্ছে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের ফাইনালের রি-ম্যাচ। দুই বার এশিয়ার সেরা হওয়ার পথে অস্ট্রেলিয়াকেই হারিয়েছিল ২০১১ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাপান। ২০১৮ সালের পর এটি হতে যাচ্ছে জাপানের প্রথম মেজর ফাইনাল। সিডনিতে নিলস নিলসেনের দল পুরো ম্যাচজুড়ে ছিল অনবদ্য। দুই অর্ধে দুটি করে গোল করে তারা সপ্তমবারের মতো মহাদেশীয় ফাইনাল নিশ্চিত করল।   কোরিয়া রিপাবলিক কোচ শিন সাং-উউ উজবেকিস্তানকে ৬–০ গোলে হারানো দলে চার পরিবর্তন করেন, আক্রমণভাগে ফিরিয়ে আনেন জিওন ইউ–গিয়ংকে। অন্যদিকে নিলসেন ফিরিয়ে আনেন তার মূল খেলোয়াড়দের—ফিলিপাইন্সকে ৭–০ গোলে হারানো ম্যাচে যারা বিশ্রামে ছিলেন। গোলরক্ষক আয়াকা ইয়ামাশিতা, সেন্টার–ব্যাক সাকি কুমাগাই এবং আসরের এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা রিকো উয়েকি ছিলেন সাত পরিবর্তনের মধ্যে। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় জাপান। সপ্তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি হয়—মাইকা হামানোর ব্যাকহিল থেকে হিনাতা মিয়াজাওয়া বল বাড়ান হানা তাকাহাশিকে, যার শট ফিরিয়ে দেন কিম মিন–জুং। ফিরতি প্রচেষ্টায় ইউই হাসেগাওয়া সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এটা ছিল গোলের আগমনী বার্তা। ১৫তম মিনিটে জাপান এগিয়ে যায়। হাই-প্রেসিংয়ে কিম শিন–জিকে ভুল করতে বাধ্য করে ফুকা নাগানো বল কাড়েন এবং বক্সে উয়েকির সামনে বাড়িয়ে দেন। উয়েকি সহজেই আসরে নিজের ষষ্ঠ গোল করে জাপানকে এগিয়ে দেন (১-০)। চার মিনিট পর কোরিয়া রিপাবলিকের বিরল এক আক্রমণে সমতার সুযোগ পান পার্ক সু–জিয়ং, তার শট পোস্টের বাইরে যায়। অন্যদিকে ফুজিনো দারুণ ড্রিবলিংয়ে জায়গা তৈরি করেও শট উড়িয়ে মারেন। ২৫তম মিনিটে আসে ম্যাচের সেরা মুহূর্তগুলোর একটি—হামানো কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে তীক্ষ্ণ কোণ থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ালে জাপানের লিড দ্বিগুণ হয় (২-০)। চার মিনিট পর আবারও বল জড়ায় কোরিয়ার জালে—চাপের মুখে জাং সেল–গি ভুলবশত নিজ জালে হেড করেন। বল জালে যাওয়ার আগের ধাক্কার গোলরক্ষক মিন–জুংয়ের ওপর করা ফাউলের কারণে গোল বাতিল হয়। ৪৩তম মিনিটে ফুজিনোর গোলও বাতিল হয় হিকারু কিতাগাওয়ার হ্যান্ডবলের কারণে। বিরতির ঠিক আগে সু–জিয়ং আরেকটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন। জাপান স্বাচ্ছন্দ্য নিয়েই বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কোরিয়া আক্রমণ বাড়াতে নামায় উইঙ্গার ক্যাং চে–রিমকে। কিন্তু গোলের কাছাকাছি যায় জাপানই। উয়েকি–নাগানোর দারুণ সমন্বয়ে নাগানো বক্সে ঢুকে শট নেন, কিন্তু বল যায় বাইরে। ৬৩তম মিনিটে হামানোর কর্নার থেকে উয়েকির হেড বার কাঁপায়। ৭৫তম মিনিটে আসে জাপানের তৃতীয় গোল। মিন–জুং কর্নার ক্লিয়ার করতে লাফিয়ে বল ধরতে গিয়ে ভুল বিচার করেন, আর সাকি কুমাগাই অনায়াসে হেডে গোল করেন (৩-০)। তিন মিনিট পর কোরিয়া রিপাবলিক একটি গোল শোধ দেয়—সো–জিয়ংয়ের পাস থেকে চে–রিম দুর্দান্ত টার্ন নিয়ে নিচু শটে গোল করেন (৩-১)। আসরে পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রথমবারের মত জাপান কোন গোল হজম করল। ৮১তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে জাপান আবারও ব্যবধান বাড়ায়। বদলি খেলোয়াড় রেমিনা চিবা নিচু শটে মিন–জুংকে পরাস্ত করে দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের ফাইনালে তুলে দেন (৪-১)।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষ জর্ডান হারমানের

ছবি : সংগৃহীত

সেনেগালের ট্রফি কেড়ে নিয়ে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

ইউটিউব ও ফিফার বিশ্বকাপ চুক্তি; ম্যাচের অংশবিশেষ সরাসরি দেখা যাবে

ছবি : সংগৃহীত
এশিয়ান বীচ গেমসে কাবাডির গ্রুপ চূড়ান্ত

চীনের হাইনান প্রদেশের সানিয়া শহরে আগামী ২২ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ষ্ঠ এশিয়ান বীচ গেমস। এই গেমসের অন্যতম আকর্ষণীয় ইভেন্ট কাবাডির গ্রুপ বা 'পুল' বিন্যাস ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী জাতীয় কাবাডি দল এই গেমসে অংশ নিচ্ছে।  পুরুষ কাবাডিতে অংশ নিচ্ছে মোট ৮টি দল। ড্র অনুযায়ী বাংলাদেশ পড়েছে পুল এ-তে। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দলগুলো হলো পাকিস্তান, ইরান ও সিরিয়া। অন্যদিকে পুল বি-তে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত, চাইনিজ তাইপে, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। নারী কাবাডিতে এবার ৭টি দল অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ খেলবে পুল বি-তে। সেমিফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের লড়তে হবে থাইল্যান্ড, চাইনিজ তাইপে ও নেপালের বিপক্ষে। নারী বিভাগের পুল এ-তে স্থান পেয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও সিরিয়া। সানিয়া শহরে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে ১৪টি খেলার অধীনে মোট ১৫টি ডিসিপ্লিন এবং ৬৩টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়ান বীচ গেমস। ১০ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়ান বীচের সর্বোচ্চ এই আসর। ঐতিহাসিকভাবে বীচ কাবাডিতে বাংলাদেশের রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। ২০০৮ সালে বালিতে অনুষ্ঠিত প্রথম আসরে পুরুষ দল এবং ২০১০ সালে মাসকট ও ২০১২ সালে হাইয়াং আসরে নারী দল ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। এবার পদক পুনরুদ্ধারে নিবিড় অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে দুই দল। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন আশাবাদী যে, পাকিস্তান ও ইরানের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দিয়ে পদক তালিকায় নাম লেখাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সানিয়ার উত্তাল সাগরের ঢেউ আর তপ্ত বালুর ওপর বাংলাদেশের কাবাডি যোদ্ধারা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
হামলার প্রতিবাদে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আল্লাহ গজনফার। ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি আফগান তারকার, বার্তা ভারতের দিকেও

পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত কেটেছে মিরাজের। ছবি : সংগৃহীত

আইসিসির বড় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক

ছবি : সংগৃহীত

বিসিবি-প্রতিমন্ত্রী মুখোমুখি অবস্থানে

ছবি : সংগৃহীত
‘সাকিব নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে ফিরলে আমরা নমনীয় থাকব’

পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশ জাতীয় দলে ফেরার জোর গুঞ্জন উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় এখনো দেশে ফেরেননি এই অলরাউন্ডার। ফলে তাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এ পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানিয়েছেন, সাকিবের বিষয়টি পুরোপুরি আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, ‘সাকিবের বিষয়টি রাষ্ট্রীয় একটি সিদ্ধান্ত। তার নামে যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো তাকে ব্যক্তিগতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। যদি সে মামলাগুলো মোকাবিলা করে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে দেশে ফিরে আসে, তাহলে আমরা নমনীয় থাকব।’ এর আগে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদিন ফাহিম সাকিবের দ্রুত দেশে ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘সাকিবকে নিয়ে ইদানিং যেসব কার্যক্রম চলছে, তা বেশ দ্রুততার সঙ্গে হচ্ছে। আমি যতটুকু দেখছি বা আমি যতটুকু জানি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমার মনে হচ্ছে, হয়তো আমরা সামনে কিছুদিনের মধ্যেই দেখব সাকিব দেশে ফিরে এসেছে।’ তবে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে সাকিবকে পাওয়া যাবে কি না, এ বিষয়ে নিশ্চিত নন ফাহিম। তার মতে, সাকিব যেকোনো সময় ফিরতে পারেন, এবং দলে থাকলে তিনি বাড়তি শক্তি যোগ করবেন। ফাহিম বলেন, ‘না। আসার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যেকোনো সময় হয়তো চলে আসতে পারে। আমি ইতিবাচকভাবেই দেখব।আমি চাইব, সে আসুক। ব্যাপারটা যেন এমন হয় সে দলে থাকলে দলে ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করবে।’ ফাহিম আরো জানান, সাকিব জাতীয় দলে ফিরলে তার ভূমিকা, কতদিন খেলবেন বা কোন ফরম্যাটে খেলবেন, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচক প্যানেল, টিম ম্যানেজমেন্ট, ক্রিকেট বোর্ড এবং খেলোয়াড় নিজেকে নিয়ে সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমে। সবশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘সবার আগে দলের স্বার্থটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এরপর অন্য সব বিষয় বিবেচনায় আসবে।’

মারিয়া রহমান মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

তিন গোলের ঘাটতি, তবু আশা ছাড়ছে না টটেনহ্যাম

ছবি : সংগৃহীত

চেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি

ছবি : সংগৃহীত

লেভারকুজেনকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনাল

0 Comments