শিক্ষা

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮৬ পদে চাকরির সুযোগ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন বিভাগে ১৮৬ অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক নিয়োগে দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২১ জুনের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

 

পদের বিবরণ—

 

১. পদের নাম: অধ্যাপক

 

পদসংখ্যা: ৩৬টি বিভাগে মোট ৫৬ জন

 

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৫৫ বছর (বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য)

 

বেতন স্কেল: ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা (গ্রেড-৪)

 

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিএমডিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস/বিডিএস বা সমমানের ডিগ্রি এবং নির্দিষ্ট বিষয়ে এমএস/এমডি/এফসিপিএস/এমফিল (এমফিল শুধু বেসিক সায়েন্স ও প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের জন্য) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ বছর এবং অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৬ বছরসহ মোট যথাক্রমে ১০ বছর ও ১২ বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। স্বীকৃত পিয়ার রিভিউড জার্নালে ন্যূনতম ১২টি অরিজিনাল আর্টিকেল থাকতে হবে।

 

২. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

 

পদসংখ্যা: ২৪টি বিভাগে মোট ৫০ জন

 

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৫০ বছর (বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য)

 

বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা (গ্রেড-৫)

 

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা অধ্যাপকের মতোই হতে হবে, তবে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর এবং অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে পাঁচ বছর সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। স্বীকৃত পিয়ার রিভিউড জার্নালে ন্যূনতম ছয়টি অরিজিনাল আর্টিকেল থাকতে হবে। পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হবে।

 

৩. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

 

পদসংখ্যা: ২৯টি বিভাগে মোট ৮০ জন

 

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪৫ বছর (বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য)

 

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)

 

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সমমানের মূল শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ন্যূনতম তিন বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে এমডি/এমএস/এফসিপিএস ডিগ্রি থাকলে কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হবে না (যেহেতু এই ডিগ্রিগুলোকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য করা হয়)। এমফিল ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এক বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য করা হবে। স্বীকৃত পিয়ার রিভিউড জার্নালে ন্যূনতম তিনটি অরিজিনাল আর্টিকেল থাকতে হবে।

 

আবেদনের প্রক্রিয়া ও ফি: আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ মোট ১০ সেট আবেদনপত্র ‘রেজিস্ট্রার’ বরাবর পৌঁছাতে হবে। আবেদন ফি বাবদ ৬০০ টাকা জমা দিতে হবে।

 

আবদেন যেভাবে: নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য www.bmu.ac.bd এই ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

 

আবেদনের শেষ সময়: ২১ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে হিসাববিজ্ঞান পাঠদান পদ্ধতি পরিবর্তনের প্রস্তাব

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে একাদশ শ্রেণি থেকেই হিসাববিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র একসঙ্গে পাঠদানের সরকারি নির্দেশনা পরিবর্তনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারী দাবি করেছেন, হিসাববিজ্ঞান একটি প্রক্রিয়াভিত্তিক বিষয় হওয়ায় প্রথম পত্রের বিষয়বস্তু যথাযথভাবে আয়ত্ত করার আগে দ্বিতীয় পত্র পাঠদান শিক্ষার্থীদের জন্য জটিল হয়ে পড়ে।   এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক বরাবর মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) লিখিত আবেদন করেছেন ৩৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও ঢাকা উদ্যান সরকারি কলেজের প্রভাষক (হিসাববিজ্ঞান) মো. আব্দুর রাজ্জাক। বর্তমানে তিনি মাউশিতে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে উচ্চ মাধ্যমিক, অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে হিসাববিজ্ঞান পড়ানোর অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দেখেছেন, উচ্চ মাধ্যমিকের হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্রের ১০টি অধ্যায় ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন না করে দ্বিতীয় পত্রের বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের পক্ষে যথাযথভাবে অনুধাবন করা কঠিন। অথচ বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী প্রথম বর্ষ থেকেই দুই পত্র একসঙ্গে পাঠদান করা হচ্ছে।   তার মতে, এতে পাঠদানের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। আবেদনে এর প্রভাব এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও পড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।  সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে প্রায় ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। আবেদনে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের বাস্তব সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন পাঁচ শিক্ষক পাঁচটি পৃথক অধ্যায় পড়ালে শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে একাধিক অধ্যায় অনুসরণ করতে হয়। ফলে একটি অধ্যায়ের সঙ্গে আরেকটির সম্পর্ক বুঝতে এবং ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি নিতে তাদের সমস্যা হয়। আবার কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি কিংবা কোনো কারণে নির্ধারিত ক্লাস বাতিল হলে ওই শিক্ষকের পরবর্তী ক্লাস পেতে প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এতে পাঠের ধারাবাহিকতা আরও ব্যাহত হয়। অন্যদিকে পাঁচ শিক্ষক একই অধ্যায় পর্যায়ক্রমে পড়ালে তাদের পাঠদানের পদ্ধতি ও উপস্থাপনার ভিন্নতার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ অবস্থায় প্রথম বর্ষে শুধু হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র এবং দ্বিতীয় বর্ষে শুধু দ্বিতীয় পত্র পাঠদানের নির্দেশনা জারির প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ দুই শিক্ষকের সমন্বিত ও পরিকল্পিত পাঠদানের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হিসাববিজ্ঞান মূলত অঙ্ক ও অনুশীলননির্ভর বিষয়। শ্রেণিকক্ষে অঙ্ক করার সময় শিক্ষার্থীদের বইয়ের পাশাপাশি খাতা, কলম, পেন্সিল, রুলার, ইরেজারসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করতে হয়। এর মধ্যে পাঁচ শিক্ষক যদি পাঁচটি ভিন্ন বই অনুসরণ করে পাঠদান করেন, তাহলে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, একই বিষয়ের একাধিক বই কেনার সামর্থ্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীর নেই। ফলে শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন বই অনুসরণ করে পাঠদান করা হলে শিক্ষার্থীরা আর্থিকভাবেও চাপে পড়ে। এ কারণে শ্রেণিকক্ষে অননুমোদিত বই অনুসরণ করে পাঠদান বন্ধ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক অনুমোদিত বই অনুসরণ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।   কোচিংনির্ভরতা কমাতে বদলির প্রস্তাব হিসাববিজ্ঞান তুলনামূলক কঠিন বিষয় হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত পাঠদান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কোনো কোনো শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে কম পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কোচিং বা প্রাইভেট পড়ায় নিতে উৎসাহিত করেন। এ ধরনের প্রবণতা বন্ধে নিয়মিত শিক্ষক বদলির ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, হিসাববিজ্ঞানের অনেক শিক্ষক একই কলেজে ১০, ১৫ এমনকি ২০ বছর ধরে কর্মরত আছেন। দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে থাকার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে কোচিং বা প্রাইভেট পড়াকেন্দ্রিক নির্ভরতা তৈরি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত বদলি, শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান এবং অনুমোদিত বই অনুসরণের বিষয়গুলো নিশ্চিত করা গেলে কোচিংনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের পরিবেশও উন্নত করা সম্ভব। সব মিলিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের প্রক্রিয়াভিত্তিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে পাঠদান পদ্ধতি পুনর্বিন্যাস, প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র পৃথক বর্ষে পাঠদান, প্রতি শ্রেণিতে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষকের সমন্বিত পাঠদান, এনসিটিবি অনুমোদিত বই অনুসরণ এবং নিয়মিত শিক্ষক বদলির ব্যবস্থা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির দাবি জানিয়েছেন মো. আব্দুর রাজ্জাক।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২৫, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের সব মাদ্রাসায় বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ

ফাইল ছবি

দুই মাস পিছিয়ে ১৪ মার্চ থেকে এসএসসি পরীক্ষা

ছবি: সংগৃহীত
একাদশে ভর্তিতে ৭% কোটা, ৯৩% আসন মেধার ভিত্তিতে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালার খসড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। প্রস্তাবিত নীতিমালায় মোট আসনের ৭ শতাংশ বিভিন্ন কোটায় সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে। বাকি ৯৩ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে মেধার ভিত্তিতে।   খসড়া অনুযায়ী, সংরক্ষিত ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।   এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম তৈরি করে ভর্তি করা হবে।   তবে খসড়া নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আগে এতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন বা সংশোধন হতে পারে।   আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর: প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফলে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আবেদন এবং পছন্দক্রম সংশোধনের সুযোগ পাবেন। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার মধ্যে ভর্তি নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে আবেদন ও নির্বাচন বাতিল হয়ে যাবে। প্রথম দফার মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় প্রকাশের কথা রয়েছে। চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।   কোন বিভাগ থেকে কোথায় আবেদন করা যাবে: খসড়া নীতিমালায় বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগও রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পাস করা শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্যবিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তির সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।   মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৫ শতাংশ আসন: মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে। এ কোটায় আবেদনকারীদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইস্যু করা সনদ বা সংশ্লিষ্ট গেজেটের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তবে যোগ্য কোটাধারী শিক্ষার্থী না পাওয়া গেলে এসব আসন খালি রাখা হবে না। মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী নিয়ে আসন পূরণের কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ২ শতাংশ আসনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে।   মেধাক্রম নির্ধারণে ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ: একই জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এরপরও সমতা থাকলে বিভাগভেদে নির্দিষ্ট বিষয়ের নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে। বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞান, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করার প্রস্তাব রয়েছে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।   অনলাইনেই হবে পুরো ভর্তি কার্যক্রম: অনুমোদিত সব কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কলেজগুলোকে তাদের আসন সংখ্যা, বিভাগ, শিফট, ভার্সন, ভর্তি ফি এবং ন্যূনতম যোগ্যতার তথ্য নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। বোর্ড নির্ধারিত আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না। একইভাবে অনুমোদনহীন কোনো বিষয়, ক্যাম্পাস বা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করাও নিষিদ্ধ থাকবে। বেসরকারি কলেজগুলোকে ভর্তি শুরুর আগেই ভর্তি ফি, মাসিক বেতন ও অন্যান্য খরচের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।   মাইগ্রেশনের সুযোগ থাকছে: একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে এবারও মাইগ্রেশনের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর বোর্ডের অনুমতি নিয়ে কলেজ, বিভাগ বা বিষয় পরিবর্তন করা যাবে। তবে অন্য বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। একইভাবে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর পুনরায় বিজ্ঞান বিভাগে ফিরে যাওয়ার সুযোগও থাকবে না। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, গত বছরের নীতিমালাই মূলত বহাল থাকছে। বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়নি। শুধু বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ফি ৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। তিনি জানান, প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুমোদিত হলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাবা ছিলেন বোর্ড সচিব, টেনেটুনে পাস করা ছেলেকে পাইয়ে দেন জিপিএ-৫

ছবি: সংগৃহীত

অক্টোবরে এসএসসির নির্বাচনি পরীক্ষা, বোর্ড পরীক্ষা কবে?

আমরা ১১ মাসে যা করেছি, ঢাবিতে ১০৫ বছরে কেউ তা করেনি: সাদিক কায়েম

ছবি: সংগৃহীত
একাদশে ভর্তি শুরু হতে পারে ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৪ সেপ্টেম্বর

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হতে পারে। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর প্রস্তাব রয়েছে।   বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে প্রস্তাবিত সূচির বিষয়টি জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।   তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় বাঁচাতে একাদশে ভর্তির কার্যক্রম এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে খসড়া সূচি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর আবেদন ও ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ চূড়ান্ত হবে।   প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে আবেদন গ্রহণ করা হবে। একই দিন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের প্রস্তাব রয়েছে।   প্রথম ধাপের আবেদন শেষে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।   এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে ভর্তি সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। সবশেষে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।   অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আবেদন ও ক্লাস শুরুর তারিখ চূড়ান্ত হবে। এবার কয় ধাপে একাদশে ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে, সেটিও মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে।   সাধারণত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য তিন ধাপে আবেদন নেওয়া হয়। প্রথম ধাপে নির্বাচিত না হওয়া বা নির্বাচিত হয়েও ভর্তি নিশ্চায়ন না করা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ধাপে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। প্রয়োজন হলে চতুর্থ ধাপেও আবেদন নেওয়ার নজির রয়েছে।   তবে এবার শিক্ষার্থীদের সময় সাশ্রয়ের জন্য আবেদনের ধাপ কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়ার অন্যান্য নিয়মে বড় কোনো পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি।   বরাবরের মতো এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করবেন এবং পরীক্ষার ফল ও নম্বরের ভিত্তিতে আসন খালি থাকা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঢাবির সমাবর্তনে অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে বন্যার কারণে স্থগিত এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা শুরু আজ

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত ড. জালিল

0 Comments