খেলাধুলা

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগে ভাবতে বললেন তামিম

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ০৯, ২০২৬ 0
তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত
তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে চলমান আলোচনা-অনিশ্চয়তার মাঝে সংযত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে কথা বললেন তামিম ইকবাল। সাবেক এই অধিনায়কের মতে, তাৎক্ষণিক চাপ বা আবেগের বশে নয়—বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ মাথায় রেখেই যে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

রাজধানীর সিটি ক্লাব মাঠে জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের উদ্যোগে আয়োজিত জিয়া ইন্টার ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, ‘যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থই হতে হবে সর্বাগ্রে। এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা কয়েক বছর পর গিয়ে ক্রিকেটকে সমস্যায় ফেলবে।’

প্রকাশ্যে ধারাবাহিক মন্তব্যের বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে তিনি বলেন, ভেতরে আলোচনা না সেরে বারবার ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিলে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

‘আজ এক কথা, কাল আরেক কথা—এভাবে চললে বিভ্রান্তি বাড়ে। আমার মনে হয়, ভেতরে সব আলোচনা শেষ করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবার সামনে আনা উচিত,’ যোগ করেন তিনি।

নিজে বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতেন—এমন প্রশ্নে তামিম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মর্যাদা এবং আগামী এক দশকে সম্ভাব্য প্রভাব—সবকিছু বিবেচনায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। তার ভাষায়, ‘আমরা বোর্ডকে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবেই দেখি। সরকারের সঙ্গে আলোচনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বোর্ডের নিজস্ব অবস্থান ও সাহসী সিদ্ধান্ত থাকা দরকার।’

তিনি আরও বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব পাঁচ বা দশ বছর পর কী হতে পারে—সেই হিসাব না কষলে ভবিষ্যতে তার মাশুল দিতে হতে পারে। ‘আজকের সিদ্ধান্তে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেট কীভাবে প্রভাবিত হবে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,’ মন্তব্য করেন তামিম।

সবশেষে সাবেক এই ওপেনারের প্রত্যাশা একটাই—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যেন আসে সুপরিকল্পিত ভাবনা থেকে। ‘আমি শুধু এটুকুই চাই, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ যেন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। চিন্তা করে, ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সবচেয়ে জরুরি,’ বলেন তিনি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
কামিন্সদের ভেন্যুতে খেলেছে ম্যানচেস্টার–এসি মিলান

  ক্রীড়াঙ্গনে পার্থ মানেই ওয়াকা গ্রাউন্ডের স্মৃতি ভেসে ওঠে। তবে সাম্প্রতিক সময় পার্থের ওয়াকা পার্শ্ব চরিত্র, অপ্টাস স্টেডিয়ামই নায়কের ভূমিকায়। কয়েক বিলিয়ন অর্থে নির্মিত অপ্টাস স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ক্রিকেট দুটোই হয় বড় পরিসরে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া তো বটেই, পুরো অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে অন্যতম আধুনিক ক্রীড়া ভেন্যুর একটি অপ্টাস। অপ্টাসের আধুনিকতার নির্দশন এন্ট্রি থেকেই। অপ্টাস পরিদর্শন করতে হলে অভ্যর্থনা কক্ষের ডিসপ্লে মেশিনে ইনপুট দিতে হয় দর্শনার্থীকে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিজিটর পাশ প্রিন্ট হয়। রিসিপশন এরিয়া পার হতেই চোখে পড়বে অপ্টাসে হওয়া ফুটবল, ক্রিকেট ও কনসার্টের নানা রেকর্ড (আরক্রাইভ)। প্যাট কামিন্সদের ভেন্যুতে খেলেছে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব এসি মিলান এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও। ওয়াকা স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা যেখানে হাজার বিশেক, সেখানে অপ্টাসে তিনগুণ। গ্যালারির চেয়ার বেশ উন্নত মানের। একই মাঠে একাধিক খেলা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ড্রপ-ইন পিচের ব্যবহার করা হয়। নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল চলমান থাকায় ক্রিকেটের পিচ উঠিয়ে প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডের পাশে রাখা হয়েছে। পিচকে আলাদাভাবে সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।  ড্রেসিংরুমের আয়তন ও সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি। হোম এন্ড অ্যাওয়ে কোচদের জন্য আলাদা রুম। দুই পাশে মিটিং ও প্রজেক্টের সিস্টেম। খেলোয়াড়দের রিলাক্সের জন্য দুই ড্রেসিংরুমে চারটি করে ছোট পুল। চারটির মধ্যে দুটি পুলের পানি গরম আর দুটি ঠান্ডা। ক্রিকেটের জন্য রয়েছে ইনডোর নেট প্র্যাকটিস। ক্রিকেটের ইনডোরকে নারী এশিয়া কাপের জন্য প্রেস কনফারেন্স উপযোগী করা হয়েছে।  অপ্টাসের আরেকটি বড় বিশেষত্ব ফ্লাডলাইট। সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও আলো ঝলমলে। লাইটের আলো ছাদ থেকে দেখতে সৌখিন ক্রীড়াপ্রেমীরা সবচেয়ে বেশি পয়সা দিয়ে টিকিটও কেনেন। ফলে অপ্টাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা রুফ-টপ।  অপ্টাস স্টেডিয়ামের প্রেস বক্সের সামনে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার নানা কীর্তি। কোন খেলায় কোন সালে কী ঘটেছে। অল্প সময়ের মধ্যে অপ্টাসে খেলার কিছু স্মৃতিও রয়েছে। মাত্র ২-৩ বছরের ব্যবধানে কয়েক বিলিয়ন ডলারের স্টেডিয়াম নির্মিত হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ১০০ কোটি টাকার স্টেডিয়াম সংস্কারেই লাগে বছর পাঁচেকেরও বেশি সময়। বিসিবি পূর্বাচলে নিজস্ব ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নকশা ও পরিকল্পনার আগে অপ্টাস স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছিল ৷

মারিয়া রহমান মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

১১৪ রানে অলআউট বাংলাদেশও, সমতায় ফিরল পাকিস্তান

মাঠ থেকে হুসাইন তালাতকে নেওয়ার পথে। ছবি : সংগৃহীত

গুরুতর আহত পাকিস্তানি ফিল্ডার, নেওয়া হলো হাসপাতালে

ছবি : সংগৃহীত

দ্য হান্ড্রেডে বার্মিংহাম ফিনিক্সে খেলবেন মুস্তাফিজ

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোচ রঞ্চি-ওরামকে পাচ্ছে না নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দুই সহকারী কোচ কোচ লুক রঞ্চি ও জ্যাকব ওরামকে পাচ্ছে না নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আগামী ১৫ মার্চ থেকে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি খেলবে নিউজিল্যান্ড। এরপর এপ্রিলে বাংলাদেশ সফর করবে কিউইরা। একই সময়ে চলবে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। আগেই চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় তাদেরকে পিএসএলে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (এনজেডসি)। ঘরের মাঠে আগামী ১৫-২৫ মার্চ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টির পর এপ্রিলে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফর করার কথা রয়েছে কিউইদের। ঐ দুই সিরিজের সময় চলবে পিএসএল। ২৬ মার্চ শুরু হয়ে ৩ মে পর্যন্ত চলবে এ টুর্নামেন্ট। পিএসএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রঞ্চি। তার সহকারী হিসেবে থাকবেন ওরাম। নিউজিল্যান্ডের পারফরমেন্স ম্যানেজার মাইক স্যান্ডাল মনে করেন, দেশের বাইরে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়ানোর ভালো সুযোগ পেয়েছেন রঞ্চি ও ওরাম।   স্যান্ডাল বলেন, ‘কোচিং অভিজ্ঞতা এবং নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের বাইরে দক্ষতা বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছে রঞ্চি ও ওরাম। আমাদের ক্রিকেটারদের মতো বিশ্বজুড়ে আমাদের কোচদেরও চাহিদা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, পিএসএলে কাজ করার সুবাদে রঞ্চি ও ওরাম শুধু ব্যক্তিগতভাবে উপকৃত হবে না, তারা এমন কিছু জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবে, যা ভবিষ্যতে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য সহায়ক হবে।’ রঞ্চি-ওরামের অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টারের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন ওয়েলিংটনের কোচ জনি ব্যাসেট-গ্রাহাম ও এনজেডসি নেটওয়ার্ক কোচ গ্রায়েম অলড্রিজ। বাংলাদেশ সফরে থাকবেন ক্যান্টারবুরির ব্রেন্ডন ডনকার্স।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৭৪ রানে অলআউট পাকিস্তান

বিশ্বকাপে ইরানকে স্বাগতও জানাচ্ছেন ট্রাম্প, করছেন সতর্কও

পেনাল্টি মিস করে সমালোচনার মুখে ভিনিসিয়ুস

ছবি : সংগৃহীত
দ্য হানড্রেডে অবিক্রিত রিশাদ হোসেন

ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ দ্য হানড্রেড–এর প্রথমবারের নিলামে বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন অবিক্রিত থেকে গেছেন। নিলামে স্পিনার ক্যাটাগরিতে তার নাম ওঠে, কিন্তু কোনো দল তাকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি।   রিশাদের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৭৫ হাজার পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।   স্পিনার ক্যাটাগরিতে রিশাদের সঙ্গে নাম ওঠে জাফের চৌহান, উসমান তারিক এবং আকিল হোসেনের। তবে জাফের ও আকিলকেও কোনো দল কিনতে আগ্রহ দেখায়নি। একমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটার উসমান তারিক কিনে নেয় বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স, যেখানে তার নিলাম মূল্য ছিল ১ লাখ পাউন্ড, কিন্তু বিক্রি হন ১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে।   উসমানই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি পাকিস্তানের হয়ে এখন পর্যন্ত দল পেয়েছেন। অন্যদিকে নিলামের আগে নিজের নাম সরিয়ে নেন পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।   এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ অর্থে বিক্রি হয়েছেন ইংল্যান্ডের জর্ডান কক্স, যিনি ৩ লাখ পাউন্ডে ওয়েলস ফায়ার–এ যোগদান করেছেন।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

একসঙ্গে ৩ ফুটবলারকে হারাল বায়ার্ন মিউনিখ

ছবি : সংগৃহীত

লেভারকুজেনের মাঠে কোনোমতে হার এড়াল আর্সেনাল

ছবি : সংগৃহীত

৭ গোলের লড়াইয়ে চেলসিকে হারিয়ে এগিয়ে রইল পিএসজি

0 Comments