খেলাধুলা

বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলো ফিফা, খেলবেন বেলজিয়ামের বিপক্ষে

মারিয়া রহমান জুলাই ০৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

লাল কার্ড দেখলে সাধারণ নিয়ম হচ্ছে, এর পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না সেই ফুটবলার। সরাসরি লাল কার্ডের শাস্তি আরও বড়, ২ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা। 

 

তবে এবারের বিশ্বকাপে সে নিয়মের তোয়াক্কা করছে না ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখলেও তার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংস্থাটি। এর ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারবেন তিনি।

 

নিজেদের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ‘এফডিসির ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগানের স্বয়ংক্রিয় ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এক বছরের প্রবেশনারি সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হলো।’

 

সোমবার রাতে সিয়াটলে যুক্তরাষ্ট্রীয় সময় রাত আটটায় বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে নামবে তারা।

 

ইউএস সকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি এবং খুশি যে ফোলারিন বালোগান আগামীকালের ম্যাচে খেলার যোগ্যতা পেয়েছেন।’ 

 

বুধবার শেষ বত্রিশের ম্যাচে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই ম্যাচে ৪৫ মিনিটে দলের প্রথম গোলটি করেছিলেন বালোগান নিজেই। কিন্তু ৬৪ মিনিটে ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের বিপক্ষে একটি বাজে ট্যাকলের কারণে তাকে লাল কার্ড দেখানো হয়।

 

শুক্রবার বালোগান বলেন, এই সিদ্ধান্তকে তিনি অন্যায্য মনে করেন। কারণ তিনি আর মুহারেমোভিচ দুজনেই তখন বলের জন্য লড়াই করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি খেলাটা খেলে থাকেন, তাহলে বুঝবেন এমন কিছু পরিস্থিতি থাকে যা এড়ানো সম্ভব হয় না, আর পর্যালোচনার সময় সেটাকে প্রসঙ্গ ধরেই বিবেচনা করতে হয়।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
৫৯ বছর বয়সে গোল, ফুটবল বিশ্বকে আবারও চমকে দিলেন কিং কাজু

জাপানের ফুটবল আইকন কাজুয়োশি মিউরা। যিনি সবার কাছে ‘কিং কাজু’ নামে পরিচিত। ৫৯ বছর বয়সে আবারও ইতিহাস গড়েছেন তিনি। শনিবার এম্পেররস কাপে ইওয়াকি ফুরুকাওয়াকে ৭-০ গোলে হারিয়ে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে ফুকুশিমা ইউনাইটেড। ম্যাচটিতে গোল করে প্রায় চার বছর পর প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে নিজের নাম আবারও স্কোরশিটে তুলেছেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।   ম্যাচের ৫২ মিনিটে সতীর্থের কাটব্যাক থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই বল জালে জড়িয়ে ফুকুশিমাকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মিউরা। গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৫৯ বছর ১৪৯ দিন।   গোলের পর মাঠে ও বেঞ্চে থাকা সতীর্থরা তাকে অভিনন্দন জানান। তিন মিনিট পর তাকে বদলি করা হয়।   সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে জাপান ফুটবল লিগে সুজুকা পিজি (বর্তমান অ্যাতলেতিকো সুজুকা)-এর হয়ে এফসি ওসাকার বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছিলেন মিউরা।   জাপান জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ফুকুশিমা ইউনাইটেডে ধারে খেলতে আসার চুক্তিটি বাড়িয়েছেন। গত ডিসেম্বরে ইয়োকোহামা এফসি থেকে ক্লাবটিতে যোগ দেন তিনি এবং ২০২৬ মৌসুমে ৬টি ম্যাচ খেলেছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২৬, ২০২৬

হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পর অবশেষে দেখা দিলেন লিওনেল মেসি

ছবি: সংগৃহীত

মাঠে ফিরেই জোড়া গোলে ঝলক দেখালেন নেইমার

ছবি: সংগৃহীত

ভিনিসিয়ুসকে দলে ভেড়াতে বড় বাজি আর্সেনালের

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগের অল-স্টার ম্যাচে খেলবেন না মেসি

বিশ্রামের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) অল-স্টার ম্যাচ খেলবেন না ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি।   শনিবার (২৬ জুলাই) এমএলএস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী বুধবার নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লটে অনুষ্ঠিত হবে এমএলএস অল-স্টার ম্যাচ। এতে এমএলএসের সেরা খেলোয়াড়দের মুখোমুখি হবে মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের সেরা একাদশ।   মেসির পাশাপাশি অল-স্টার ম্যাচ থেকে আরও তিনজন খেলোয়াড়ের নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা হলেন শিকাগো ফায়ারের সাবেক ফরোয়ার্ড হুগো কুইপার্স, ইন্টার মায়ামির মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল এবং শিকাগো ফায়ারের ডিফেন্ডার এমবেকেজেলি এমবোকাজি।   সম্প্রতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ সময় খেলার পর বিশ্রাম নিচ্ছেন মেসি ও ডি পল। সে কারণেই তারা অল-স্টার ম্যাচে অংশ নিচ্ছেন না। অন্যদিকে, হুগো কুইপার্স সম্প্রতি শিকাগো ফায়ার ছেড়ে মেক্সিকোর ক্লাব সিএফ মনতেরেতে যোগ দিয়েছেন। আর দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার এমবোকাজি নিচের অংশে চোট পাওয়ায় ছিটকে গেছেন।   তাদের পরিবর্তে অল-স্টার দলে ডাক পেয়েছেন ইন্টার মায়ামির মিডফিল্ডার ইয়ানিক ব্রাইট, ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের আন্দ্রেস কুবাস, হিউস্টন ডায়নামোর ফরোয়ার্ড গুইলহার্মে এবং শিকাগো ফায়ারের ফরোয়ার্ড ফিলিপ জিঙ্কারনাগেল।   চলতি মৌসুমে ইয়ানিক ব্রাইটের শুরুর একাদশে খেলা ১২ ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৯টি জয়, দুটি ড্র ও একটি হারের রেকর্ড গড়েছে। আন্দ্রেস কুবাস ১২ ম্যাচে তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন। গুইলহার্মে হিউস্টন ডায়নামোর হয়ে প্রথম মৌসুমেই করেছেন আট গোল ও পাঁচ অ্যাসিস্ট। আর জিঙ্কারনাগেলের ঝুলিতে রয়েছে পাঁচ গোল ও সাতটি অ্যাসিস্ট।   মেসির অনুপস্থিতিতে অল-স্টার ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ কমে গেলেও, এমএলএস ও লিগা এমএক্সের তারকাদের লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহে ভাটা পড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।   সূত্র: রয়টার্স

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এলপিএলে ওপেনিংয়ে নেমেও ব্যর্থ মিরাজ

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া টেস্টে বড় ধাক্কা: প্রথম ম্যাচে নেই লিটন, অনিশ্চিত শরিফুল

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী তারকা, রিয়ালে যোগ দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তি হতে আর মাত্র এক ধাপ বাকি। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে মাদ্রিদ ক্লাবে রদ্রির যাওয়ার বিষয়টি এখন আগের চেয়ে আরো কাছে।   স্প্যানিশ তারকার ব্যক্তিগত শর্তাবলীতে মাদ্রিদ ক্লাব একমত হয়েছে। এই গ্রীষ্মের দলবদলের অন্যতম বড় চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পথে এখন কেবল দুই ক্লাবের মধ্যে অর্থ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো বাকি।   গণমাধ্যমের খভর, রদ্রি ইতোমধ্যে রিয়ালের জার্সি পরার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছেন। এখন তিনি দুই ক্লাবের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা শেষ হওয়ার অপেক্ষায়। এই চুক্তির মাঝে এখন একমাত্র বাধা আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে মীমাংসা।   নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক মাত্তেও মোরেত্তো জানিয়েছে, ট্রান্সফার ফি নিয়ে দুই ক্লাবের সমঝোতার অপেক্ষায় রদ্রি। রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি নিয়ে ব্যক্তিগত খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করেছেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। খেলোয়াড়ের দিক থেকে আর কোনো বাধা নেই। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন ম্যানসিটি ও রিয়ালের ওপর নির্ভর করছে।   ফির ব্যাপারে দুই দল সমঝোতা করলেই আসবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। রিয়াল ভক্তরা এই দলবদল নিয়ে কড়া নজর রাখছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৫, ২০২৬
লিওনেল মেসি। ছবি : সংগৃহীত

মেসির রক্তে ব্রাজিলের ছোঁয়া? গবেষণায় সামনে এলো অজানা পারিবারিক ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ মুখোশ উন্মোচন

ছবি - সংগৃহীত

জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে রেকর্ড নবমবার দুই শ রান ভারতের

0 Comments