আন্তর্জাতিক

বাব আল-মান্দেবও হরমুজ প্রণালীর মতো হয়ে যাবে: ইসমাইল কা'আনি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

 

ইসরায়েলিদের নতুন আগ্রাসন ও এর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করলেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার।মেহর সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসমাইল কা'আনি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার, বাব আল-মান্দেব ও ইসরায়েলিদের নতুন আগ্রাসন প্রসঙ্গে এক বার্তায় লিখেছেন:

 

“যুক্তরাষ্ট্রের নির্লজ্জ সমর্থনের ছায়ায় লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলিদের আগ্রাসন প্রতিরোধ অক্ষের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে। এর ফলে উভয় ফ্রন্টে সমর্থন জোরদার হবে, অন্যান্য ফ্রন্ট সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী-এর নৌ-যান চলাচলের পরিস্থিতিকে হরমুজ প্রণালী-এর পরিস্থিতির সঙ্গে সমতুল্য করা হবে।”

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন: “ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা জেনে রাখুক, দক্ষিণ লেবানন ও গাজায় একযোগে সংঘটিত অপরাধ তাদেরকে হিজবুল্লাহ-এর অভিযানের ঘূর্ণাবর্তে এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পুনরায় উত্থিত ঝড়ের মধ্যে আটকে ফেলবে।

 

সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বাব আল-মান্দেবও হরমুজ প্রণালীর মতো হয়ে যাবে: ইসমাইল কা'আনি

  ইসরায়েলিদের নতুন আগ্রাসন ও এর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করলেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার।মেহর সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসমাইল কা'আনি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার, বাব আল-মান্দেব ও ইসরায়েলিদের নতুন আগ্রাসন প্রসঙ্গে এক বার্তায় লিখেছেন:   “যুক্তরাষ্ট্রের নির্লজ্জ সমর্থনের ছায়ায় লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলিদের আগ্রাসন প্রতিরোধ অক্ষের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে। এর ফলে উভয় ফ্রন্টে সমর্থন জোরদার হবে, অন্যান্য ফ্রন্ট সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী-এর নৌ-যান চলাচলের পরিস্থিতিকে হরমুজ প্রণালী-এর পরিস্থিতির সঙ্গে সমতুল্য করা হবে।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন: “ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা জেনে রাখুক, দক্ষিণ লেবানন ও গাজায় একযোগে সংঘটিত অপরাধ তাদেরকে হিজবুল্লাহ-এর অভিযানের ঘূর্ণাবর্তে এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পুনরায় উত্থিত ঝড়ের মধ্যে আটকে ফেলবে।   সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠক করতে পারলে ‘সম্মানিত বোধ করবো’: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধের পর আইএইএর চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট, ইরানের ইউরেনিয়ামের খোঁজ নেই

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের গালাগাল প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

ছবি : সংগৃহীত
ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।  তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতাবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  শাহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তানকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল অন্যতম।  তিনি স্মরণ করে বলেন, পাকিস্তানের স্বাধীনতার সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান জাতির জনক মুহাম্মদ আলি জিন্নাহকে  অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে উপকৃত হয়েছে, যার মধ্যে টার্বেলা ড্যাম নির্মাণ অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি পাকিস্তানি যুর্ক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।  তিনি বলেন, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে রপ্তানি আরও বাড়াতে আগ্রহী। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করেছে। গত বছরের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে শাহবাজ শরিফ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি বজায় রাখা এবং প্রাণহানি রোধে তার ভূমিকার জন্য তিনি ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তথ্যসূত্র: সামা টিভি 

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২৩ বছরের আইনি লড়াই শেষে ডিভোর্স মামলায় শতকোটি টাকা পেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

ছবি : সংগৃহীত

আল-আকসার তত্ত্বাবধানে জর্ডানের ভূমিকা সম্মানের আহ্বান যুক্তরাজ্যের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য, ‘চাইলেই নিয়ন্ত্রণে নিতে পারি’

ছবি : সংগৃহীত
হাজিদের ব্যবহৃত ইহরামের কাপড় নিয়ে সৌদির অভিনব উদ্যোগ

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাজিদের ব্যবহৃত লাখ লাখ ইহরামের কাপড় ফেলে না দিয়ে সেগুলোকে পরিবেশবান্ধব সম্পদে রূপান্তর করার এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। ‘টেকসই ইহরাম’ নামের একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে হাজিদের ব্যবহৃত কাপড় পুনর্ব্যবহার (রিসাইকেল) করে ৫ হাজারেরও বেশি নতুন পণ্য তৈরি করা হয়েছে। সৌদি আরবের জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র সুলতান আল-হার্থি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই উদ্যোগটি মূলত দেশটির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’-এর লক্ষ্য অর্জনে, বিশেষ করে জাতীয় রূপান্তর কর্মসূচি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি সংগতিপূর্ণ। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, হজের সময় পুরুষদের জন্য সেলাইবিহীন দুটি সাদা সুতি কাপড় বা ইহরাম পরা আবশ্যক, যা সব ধরনের সামাজিক বা অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে সাম্যের প্রতীক হয়ে ওঠে। হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অর্থাৎ ১০ জিলহজ জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ও চুল কাটার পর হাজিরা ইহরামের অবস্থা থেকে বের হন এবং তাওয়াফ শেষে স্বাভাবিক পোশাকে ফিরে আসেন। এরপরই প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ইহরামের কাপড় উদ্বৃত্ত বা বর্জ্য হিসেবে থেকে যায়। সুলতান আল-হার্থি বলেন, এই প্রকল্প পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে। ফেলে দেওয়া ইহরামের কাপড় দিয়ে ৫ হাজারেরও বেশি নতুন পণ্য তৈরি করায় বর্জ্য পরিবহন এবং ডাম্পিংয়ের খরচ অনেকটাই কমেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০টি খণ্ডকালীন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে এবং ২৫ জন প্রান্তিক নারী দর্জিকে স্বাবলম্বী করা সম্ভব হয়েছে, যা চক্রাকার অর্থনীতির (সার্কুলার ইকোনমি) একটি দারুণ উদাহরণ। পরিবেশগত সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, এই উদ্যোগের ফলে ২১১ টনেরও বেশি কাপড়ের বর্জ্য আবর্জনার স্তূপে (ল্যান্ডফিল) যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে, যা হজের মৌসুমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এ ছাড়া হজের সময় চালানো বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ হাজি পরিবেশ সুরক্ষার এই কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন। প্রকল্পের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে জানা গেছে, প্রথমে পবিত্র স্থানগুলোর নির্দিষ্ট বুথ থেকে ব্যবহৃত কাপড় সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেগুলো কঠোরভাবে বাছাই করে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করা হয়। শতভাগ স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার পরই শুধু এগুলো দিয়ে নতুন পণ্য তৈরির কাজ শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রক্রিয়াজাত করা কাপড় দিয়ে আকর্ষণীয় ব্যাগ, বালিশ, বিভিন্ন ধরনের কভার এবং উপহার সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের সফলতার পেছনে সরকারি, বেসরকারি এবং অলাভজনক ২২টি সংস্থার যৌথ অংশীদারিত্ব কাজ করছে। শুধু কাপড়ই নয়, হজের সময় বেঁচে যাওয়া উদ্বৃত্ত খাবারকে জৈব সারে রূপান্তর করার জন্যও কাজ করছে জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। এই সফল মডেলটি আগামী দিনে সৌদি আরবের অন্যান্য বড় প্রকল্পেও ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করে একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।   সূত্র: আরব নিউজ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ওপর চাপ, প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ থামাতে পুতিনকে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জেলেনস্কির

ছবি: সংগৃহীত

মোজতবা খামেনিকে নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments