জাতীয়

অসমাপ্ত বিপ্লব সমাপ্ত করতে চাই : ওসমান হাদির ভাই

Unknown ডিসেম্বর ২১, ২০২৫

আর্থিক সহায়তা বা অনুদানের প্রত্যাশা নয়, বরং একটি অসমাপ্ত বিপ্লবকে পরিপূর্ণতা দেওয়াই মূল লক্ষ্য—এমন মন্তব্য করেছেন ওসমান হাদির ভাই। সাম্প্রতিক এক রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ব্যক্তিগত সুবিধা কিংবা অর্থনৈতিক প্রাপ্তির জন্য নয়, আদর্শিক লড়াইকে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ থেকেই তাদের পথচলা।


তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী অধ্যায় রয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেই আন্দোলনের লক্ষ্য পূর্ণতা পায়নি। সেই অসমাপ্ত অধ্যায়গুলোকে সামনে রেখে আজকের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। তার ভাষায়, আমরা কারও কাছে টাকা চাইতে আসিনি, অনুদান চাইতে আসিনি। আমাদের দাবি একটাই—দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনা এবং যে বিপ্লব শুরু হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ করা।


ওসমান হাদির ভাই আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণ ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ন্যায্যতার প্রশ্নে বঞ্চিত। এই বাস্তবতায় অর্থ নয়, প্রয়োজন ঐক্য, সাহস ও আদর্শে অটল থাকার মানসিকতা। তিনি দাবি করেন, প্রকৃত পরিবর্তন কখনোই অর্থের জোরে আসে না; আসে মানুষের সম্মিলিত প্রতিবাদ ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে।
বক্তব্যে তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিভ্রান্তি, হতাশা কিংবা স্বার্থপরতার জায়গা থেকে সরে এসে মূল লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আন্দোলনের পথ সহজ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যে বিপ্লব জনগণের স্বার্থে হয়, তা দমন করে থামিয়ে রাখা যায় না।


তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে সত্য ইতিহাস জানাতে হবে এবং তাদের সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যার ভিত্তিতে আগের আন্দোলনগুলো গড়ে উঠেছিল। তার মতে, এই সংগ্রাম কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য।


বক্তব্যের শেষাংশে ওসমান হাদির ভাই বলেন, আমরা পিছিয়ে যেতে রাজি নই। প্রয়োজনে ত্যাগ আরও বাড়বে, কিন্তু অসমাপ্ত বিপ্লব শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই থামবে না। তার এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা দেখা গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বন্দরে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ঘুষ ও অনৈতিক লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ফাইল প্রক্রিয়াকরণ, বিল অনুমোদন কিংবা অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন।   আদেশে বলা হয়েছে, বন্দরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফাইল প্রক্রিয়াকরণ বা বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে ঘুষ বা অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে এবং তদন্তে তা সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বন্দর প্রবিধান অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই নন, কোনো ঠিকাদার বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যদি বিল পাস কিংবা ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।   বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, বিভিন্ন সময় সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে ফাইল আটকে রাখা, বিলম্ব ও হয়রানির অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার দুর্নীতিবিরোধী বার্তা দিতে প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী সেবাগ্রহীতাদের কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়মের শিকার হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরায় খড় নিয়ে বিরোধ: স্বামীর মারধরে গৃহবধূ নিহত

ছবি: সংগৃহীত

একদিনের সফরে আজ মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের ওপর হামলায় আত্মরক্ষার্থে বল প্রয়োগের নির্দেশনা দিলেন ডিএমপি কমিশনার

ছবি: সংগৃহীত
দুই হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর

ঢাকার শাহবাগে জুট ব্যবসায়ী মো. মনির ও রিয়াজুল তালুকদার হত্যার ঘটনায় দায়ের করা দুই পৃথক মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি–এর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক–এর আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। দীপু মনির পক্ষে আইনজীবী রাশিদা আক্তার জুঁথি জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বলে নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম।   মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় জুট ব্যবসায়ী মো. মনির নিহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার গত ১৪ মার্চ হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে ৩৫১ জনকে এজাহারনামীয় এবং আরও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।   অন্যদিকে, ৪ আগস্ট পল্টনের তোপখানা এলাকায় গুলিতে রিয়াজুল তালুকদার নিহত হওয়ার ঘটনায় তার সহকর্মী বিল্লাল হোসেন ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আরেকটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৬৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।   আদালতের এ আদেশের ফলে আপাতত দুই মামলায় দীপু মনির জামিন স্থগিত থাকল। মামলা দুটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আইডিআরএর প্রথম নারী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন মীর নাদিয়া নিভিন

ছবি: সংগৃহীত

জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়

ছবি: সংগৃহীত

বিএমইউ সিন্ডিকেটে যুক্ত হলেন তিন সংসদ সদস্য

ছবি: সংগৃহীত
পরীমণির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ প্রমাণিত, বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েন

চিত্রনায়িকা পরীমণি–এর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত মো. গোলাম সাকলায়েনকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা/মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী ধাপে এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।   ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। ওই বছরের জুন মাসে দায়ের হওয়া একটি আলোচিত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার সঙ্গে পরীমণির ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।   অভিযোগের পর সাকলায়েনকে ডিবি থেকে অন্যত্র বদলি করা হয় এবং তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানায়। এরপর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয় এবং বিষয়টি সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) মতামতের জন্য পাঠানো হয়।   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও কল রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে সাকলায়েন একাধিকবার পরীমণির বাসায় যাতায়াত করেছেন। এছাড়া সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদনে তার সরকারি বাসভবনে পরীমণির দীর্ঘ সময় অবস্থানের তথ্যও উঠে আসে।   তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি দায়িত্বের বাইরে তিনি এমন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, যা সরকারি কর্মচারীর আচরণবিধির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। অভিযোগে বলা হয়, তার কর্মকাণ্ড সরকারের ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।   পরবর্তীতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়।   প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক বৈঠকে যোগ দিতে নিউইয়র্ক গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ছবি: সংগৃহীত

এস আলমের ‘হোটেল সাম্রাজ্য’ নিয়ে নতুন অনুসন্ধান, নজরে মালয়েশিয়ার দুই বড় সম্পদ

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জার্মানি

0 Comments