বিনোদন

অবশেষে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেন ঐশ্বরিয়া

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ০৯, ২০২৫

দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে ভারতের শোবিজে। গুঞ্জন সত্যি করে এবার বিচ্ছেদ হচ্ছে ভারতীয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া শর্মা ও বিগ বস তারকা নীল ভাটের।

 

২০২১ সালে চার হাত এক করে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন এই জুটি। বিয়ের চার বছর পর ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নীল ও ঐশ্বরিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই আলাদা থাকছেন। তখন থেকেই গণমাধ্যমে খবর ছড়ায় ভেঙে যাচ্ছে এই দম্পতির সংসার। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়েছেন তারা। শিগগিরই ডিভোর্স সম্পন্ন হবে!

এর আগে ঐশ্বরিয়ার ঘর ভাঙার খবর ছড়িয়ে পড়লে চটেছিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

গেল জুন মাসে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠলে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছিলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরেই চুপ আছি। আমি দুর্বল বলে নই, বরং আমার শান্তি রক্ষা করছি তাই। কিন্তু আপনাদের মধ্যে কেউ যেভাবে এমন কিছু লিখতে থাকো, যা আমি কখনো বলিনি।

 

তিনি আরো লেখেন, আপনারা এমন গল্প তৈরি করেন, যা কখনো সাপোর্ট করি না এবং তথ্য বা জিজ্ঞাসা ছাড়াই নিজেদের মতো প্রচারের জন্য আমার নাম ব্যবহার করেন, যা খুবই দুঃখজনক।

 

ঐশ্বরিয়া শর্মা স্টার প্লাসের রোমান্টিক নাটক গুম হ্যায় কিসিকে পেয়ার মে এ পত্রলেখা পাখি মোহিতেপাতিল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। ২০২৩ সালে, তিনি রিয়েলিটি শো ফিয়ার ফ্যাক্টর: খাতরোঁ কে খিলাড়ি ১৩ এবং বিগ বস ১৭ -এ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
ফোর্বসের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকায় জায়গা পেলেন হানিয়া আমির

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সি এশিয়ার সেরা প্রভাবশালী তরুণ তরুণীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকা প্রকাশ করে। চলতি বছর এ তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া বিভাগে ২৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের নাম দ্যুতি ছড়াচ্ছে। ২০১৬ সালে ‘জানান’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন হানিয়া। এরপর একের পর এক নাটক ও সিনেমায় অভিনয়প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘ফির ওহি মোহাব্বতে’ নাটকে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন সেরা টেলিভিশন সেনসেশন নারী বিভাগে হাম অ্যাওয়ার্ডস। ফোর্বসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসারী থাকা পাকিস্তানি নারী তারকাদের একজন হানিয়া আমির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। অভিনয়, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়। এই অর্জন উদ্‌যাপন করতে নিজের স্বাভাবিক ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতেই দেখা দেন হানিয়া। লাল রঙের ক্যামিসোল টপ ও জিন্সে ধরা দেন তিনি, যা নজর কাড়ে ভক্তদের। গত বছরের শেষে জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’ এর জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন হানিয়া আমির। এবার ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ায় এটি অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একটি অর্জন বা সম্মান নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত ও বড় সাফল্যের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে ধারণা করছেন অনেকে। বর্তমানে একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হানিয়া আমির। জানা গেছে, একটি ঐতিহাসিক পাকিস্তানি অরিজিনাল সিরিজে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আরিয়ান খানের সঙ্গে যোগাযোগের কারণ জানালেন রিয়া চক্রবর্তী

ছবি : সংগৃহীত

পোশাক নিয়ে হেনস্তার অভিযোগে নায়লা নাঈমের ক্ষোভ

ছবি : সংগৃহীত

শাকিব খানকে নিয়ে ভাইরাল হওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই : মিষ্টি জান্নাত

ছবি: সংগৃহীত
ডিপফেক ও পরিচয় অপব্যবহার ঠেকাতে আদালতের শরণাপন্ন বরুণ ধাওয়ান

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং ডিপফেক কনটেন্টের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিল্লি হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। নিজের ছবি, কণ্ঠস্বর ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অননুমোদিত ব্যবহার বন্ধে আইনি সুরক্ষা চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন তিনি।   ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটে অভিনেতার অনুমতি ছাড়াই তার নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিত্বের নানা বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। পাশাপাশি তাকে জড়িয়ে ভুয়া ভিডিও, বিকৃত ছবি এবং বিভ্রান্তিকর বিভিন্ন অনলাইন লিংকও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।   গত শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অভিনেতার স্বার্থ সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেওয়ার ইঙ্গিত দেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালত ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে আপত্তিকর এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কনটেন্ট যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।   এর আগে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, সালমান খান, বিবেক ওবেরয় এবং আল্লু অর্জুনসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও কয়েকজন তারকাও একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়ে আইনি সহায়তা নিয়েছেন।   প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এআই ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা তৈরির ঘটনা বাড়ছে। ফলে ব্যক্তিগত পরিচয়, সুনাম ও গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি এখন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।   আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ও পরিচয়ের অপব্যবহার রোধে শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা এবং কার্যকর নজরদারি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

আক্তারুজ্জামান মে ৩১, ২০২৬
অপু বিশ্বাস

আমার লেহেঙ্গাটা শাকিব খানের খাটের নিচে ছিল : অপু বিশ্বাস

জয়া আহসান । ফাইল ছবি

ছোটবেলার ঈদ ভাবনা নিয়ে মুখ খুললেন জয়া

ছবি : সংগৃহীত

রহস্য ঘেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত
বিতর্কের মুখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শো স্থগিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরোধিতার অভিযোগ উঠেছে। একটি পক্ষ ফেসবুকে সিনেমাটি প্রদর্শন না করার আহ্বান জানিয়ে প্রচার চালাচ্ছে।   এ অবস্থায় সিনেমা প্রদর্শনী আপাতত স্থগিত করেছে প্রশাসন। আগামীকাল শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিনেমাটি প্রদর্শনের কথা ছিল। শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এ বিষয়ে বলেন, সিনেমা প্রদর্শনীর বিষয়টা এখন জাতীয় ইস্যু হয়ে গেছে। যারা সিনেমাটির প্রদর্শনী বন্ধে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন, তারা বিভিন্ন রকম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এমতাবস্থায় আগামীকাল প্রদর্শনী করতে দেওয়াটা সমীচীন হবে না। তাই আপাতত স্থগিত। পরে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনেমাটির প্রদর্শনীর আয়োজনের কথা ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির। জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে ‘ভাতঘুমের সিনেমা আড্ডা’ শিরোনামে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে আসছে। তবে প্রদর্শনীর ঘোষণা আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর বিরোধিতা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এ প্রসঙ্গে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর নির্মাতা তানিম নূর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার নিজের এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফিল্ম সোসাইটি থেকে একটি ছেলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, তারা সিনেমাটি দেখাতে চায়। আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু গতকাল ফেসবুকে দেখলাম, বেশ কয়েকজন পোস্ট দিচ্ছে, একটি পক্ষ নাকি বলছে সেখানে সিনেমা নিষিদ্ধ, চালানো যাবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সেন্সর পাওয়া কোনো ছবি যেকোনো জায়গায় দেখানো যাবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্মাতা আরো বলেন, ‘তারা আমার ছবির পোস্টারে ক্রস চিহ্ন দিয়ে প্রচার করছে, উগ্রবাদী কথাবার্তা বলছে। এটা তো তারা করতে পারে না। এটা পুরোপুরি বেআইনি।’

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৯, ২০২৬
শবনম ফারিয়া । ছবি : সংগৃহীত

১২ বছরের অনলাইন হয়রানির অভিযোগ, মুখ খুললেন ফারিয়া

নাজিফা তুষি ও মেজবাউর রহমান সুমন । ছবি : সংগৃহীত

সুমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানালেন নাজিফা তুষি

সংগৃহীত ছবি

অ্যাজিলিটাস স্পোর্টস-এ আনুশকা শর্মার বিনিয়োগ

0 Comments