বিনোদন

আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে যা বলছে পুলিশ

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

ছোটপর্দার পরিচিত অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে অভিনয়ের কাজে নেপালে অবস্থানরত আলভী খবরটি নিশ্চিত করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

 

মিরপুর পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম আলমগীর জাহান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে থানায় ফোন আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মৃত নারী অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী।

স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন জাহের আলভী। তিনি লেখেন, “আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি বর্তমানে নেপালে শুটিংরত। খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই”। নিজের একমাত্র সন্তানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, “আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল”।

শোকাতুর এই অভিনেতা সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছেন। তিনি জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছেন এবং ফিরে সবার সাথে কথা বলবেন। সেই সাথে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কোনো ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর জন্য তিনি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে ইকরাকে বিয়ে করেছিলেন জাহের আলভী। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই দাম্পত্য জীবনে তাঁদের ‘রিজিক’ নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে বিনোদন অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
এআই দিয়ে এসব ছবি বানাতে গিয়ে অনেকেই পড়তে পারেন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদে
এআই অ্যাপে ছবি শেয়ারে সতর্কতা: ট্রেন্ডের আড়ালে ডিপফেকের চরম ঝুঁকি

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম খুললেই এখন চোখে পড়ে বন্ধুদের নব্বই দশকের চেনা-অচেনা সব রূপ। কারো পরনে সেই সময়ের পোশাক, কারো পেছনে পুরোনো ঢাকার আমেজ, আবার কেউ বনে গেছেন পুরোনো সিনেমার নায়ক-নায়িকা!      আর এই জাদু দেখাতে কোনো স্টুডিও বা ক্যামেরার দরকার হচ্ছে না; একটি মাত্র এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) অ্যাপে নিজের ছবি দিলেই কেল্লাফতে! মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই বদলে যাচ্ছে চেহারা, চুলের ছাঁট আর পেছনের পরিবেশ।       বিনোদনের জন্য এই ট্রেন্ড দারুণ হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক বড় প্রশ্ন—আমরা কি নিজেদের অজান্তেই সব ব্যক্তিগত তথ্য এআইয়ের হাতে তুলে দিচ্ছি?       এআই প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করার মানে শুধু নিজের চেহারাই নয়, বরং ছবির পেছনের ঘরবাড়ি, অফিসের আইডি কার্ড, কিংবা মেটাডেটায় থাকা লোকেশনের তথ্যও তাদের কাছে পৌঁছে যাওয়া। পাসওয়ার্ড চুরি হলে তা সহজে বদলে ফেলা যায়, কিন্তু মানুষের মুখের গঠন তো আর বদলানো যায় না! তাই কোনো অপরিচিত অ্যাপে হুড়মুড় করে ছবি আপলোড করার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখা খুব দরকার।     ছবি দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন:   মেয়াদ ও নিয়মকানুন: অ্যাপটি আপনার ছবি কতদিন জমা রাখবে, কাজ শেষে মুছে ফেলবে কি না, কিংবা আপনার ছবি দিয়ে তাদের এআই মডেলকে নতুন করে প্রশিক্ষণ দেবে কি না—সেসব শর্ত আগেই দেখে নিন।     অপ্রয়োজনীয় অনুমতি এড়িয়ে চলুন: একটি ছবি এডিট করতে গিয়ে পুরো ফোনের গ্যালারি, লোকেশন, ক্যামেরা বা কন্টাক্টসের পারমিশন (‘Allow All Photos’) দেওয়ার কোনো দরকার নেই। শুধু যে ছবিটি এডিট করবেন, সেটুকুরই অ্যাকসেস দিন।     জাতীয় পরিচয়পত্র ও গোপন নথি নয়: জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ব্যাংক কার্ডের মতো সংবেদনশীল কোনো কাগজপত্রের ছবি ভুলেও এআই টুলে দেবেন না।     ছবি মুছলেই কি সব শেষ?: অ্যাপ থেকে ছবি বা অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিলেই তথ্য যে তাদের সার্ভার থেকে পুরোপুরি মুছে যায়, তা কিন্তু নাও হতে পারে। অনেক সময় তাদের ব্যাকআপ সার্ভারে তথ্য থেকে যায়।     আজকের রেট্রো লুক, কালকের ‘ডিপফেক’?   আপনার ছবি আর কণ্ঠের নমুনা যদি সহজে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, তবে অসৎ উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করে ভুয়া প্রোফাইল বা বিভ্রান্তিকর 'ডিপফেক' ভিডিও বানিয়ে ফেলা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।     তবে তাই বলে কি এআই ব্যবহার একেবারেই বন্ধ করে দেবেন? একদমই নয়! এআই আমাদের ফটো এডিটিংয়ের কাজকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি কম সময়ে সৃজনশীল ভাবনার চমৎকার সুযোগ এনে দিয়েছে। শুধু খেয়াল রাখুন—আজকের এই চমৎকার রেট্রো লুক কালকেই পুরোনো হয়ে যাবে, কিন্তু অনলাইনে একবার যে তথ্যটা চলে গেল, তা কিন্তু এত সহজে মুছবে না। তাই ট্রেন্ডে মেতে উঠুন, তবে নিজের তথ্যের লাগামটা থাকুক নিজের হাতেই!

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

হৃদরোগ ও ঘুমের ধরন: যে ভঙ্গিতে ঘুমানো এড়িয়ে চলবেন

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরি।

জীবনের পরের ঢেউ যেদিকেই ভাসিয়ে নিক, শান্তিতে থাকতে প্রস্তুত: পূজা চেরী

ছবি: সংগৃহীত

মেয়ের জন্মদিনে আসন্ন সন্তান নিয়ে বার্তা দীপিকা-রণবীরের

ছবি: সংগৃহীত
ফিট থাকার রহস্য জানালেন মালাইকা

বলিউডের মডেল-অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার ফিটনেস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বেশ আলোচনার ঝড় ওঠে। যতই দিন যাচ্ছে, ততই যেন মোহময়ী হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী। এমন চেহারা ধরে রাখতে যে ধরনের ব্যায়াম করা জরুরি তা নিজেই শিখিয়ে দিলেন তিনি।   আপনি ব্যায়াম করেও পেটের মেদ কমাতে পারছে না। ভুঁড়ি দিন দিন বেড়েই চলেছে। পূজার আগে রোগা হওয়ার চেষ্টা চালাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট শুরু করে দিয়েছেন। একবেলা উপোস করে ওজন কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে খাওয়া-দাওয়া যদি পছন্দমতো করেও ওজন কমাতে হয়, তাহলে ব্যায়াম করতে হবে।    সামাজিক মাধ্যমে নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রায়ই নানা ধরনের ব্যায়ামের পদ্ধতি শেখান মালাইকা অরোরা। অভিনেত্রীর ফিটনেস নিয়ে আলোচনা সর্বত্রই। পেট-কোমর ও নিতম্বের মেদ কমাতে কেমন ব্যায়াম করা উচিত তা শিখিয়ে দিয়েছেন তিনি। তার মতো নির্মেদ চেহারা পাওয়া অসম্ভব নয়। যোগাসনের কিছু পদ্ধতিতেই তা সম্ভব করে গড়ে তুলবে।   অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ৪০ পেরিয়ে অনেকের পক্ষেই জিমে গিয়ে ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। তাই যোগাসনই ভালো বিকল্প হতে পারে। সঠিক নিয়ম মেনে অভ্যাস করলে পুরো শরীরের মেদ ঝরবে। এর পাশাপাশি পিঠ ও কোমরের পেশির জড়তাও দূর হবে। চলুন পূজার আগেই ছিপছিপে হবে চেহারা, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে—   কপোতাসন প্রথমে ম্যাটের ওপর হামাগুঁড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে বসুন। এবার ডান হাঁটু ভাঁজ করে বাঁ হাতের পাশ দিয়ে প্রসারিত করুন। বাঁ পা ঠেলে দিন পেছনের দিকে। এবার দুই হাতের তালু মাটিতে রাখুন। ঘাড়, পিঠ ও কোমর থাকবে টান টান। এ অবস্থান ধরে রাখুন ১০ সেকেন্ড। এবার বাঁ হাঁটু উল্টো দিকে ভাঁজ করে কোমরের কাছাকাছি টেনে আনতে চেষ্টা করুন। দুই হাত মাটি থেকে তুলে নিয়ে যেতে হবে মাথার পেছন দিকে। বাঁ পায়ের পাতা আর ডান হাতের কনুই একে অপরকে স্পর্শ করে থাকবে।   শলভাসন উপুড় হয়ে ম্যাটের ওপর শুয়ে পা দুটি একসঙ্গে টান টান করে রাখুন। দুই হাত রাখুন দুই ঊরুর নিচে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে এবার বাঁ পা ওপরের দিকে তুলুন। হাঁটু যেন ভাঁজ না হয়। ডান পা একেবারে টান টান থাকবে। এ অবস্থানে থাকুন ৫ সেকেন্ড। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে নিচে নামান। একই পদ্ধতিতে শ্বাস নিতে নিতে দুই পা ওপরের দিকে তুলুন। ৫ সেকেন্ড এ অবস্থানে থেকে শুরুর ভঙ্গিতে ফিরে আসুন। এভাবে তিন সেট অভ্যাস করতে হবে।   সিটেড হিপ রোটেশন ম্যাটে পা ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসুন। এবার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। হাঁটু সামান্য ভাঁজ করুন। এরপর নিতম্বের ওপর ভর দিয়ে পা ও কোমর বৃত্তাকারে ঘোরাতে হবে ধীরে ধীরে। এটি করার সময়ে মেরুদণ্ড যথাসম্ভব সোজা রাখার চেষ্টা করুন। এ ব্যায়ামে নিতম্বের মেদ কমবে, কাফ মাসলের ব্যায়ামও হবে। শরীরের নিম্নাংশের পেশির জোর বাড়বে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ, প্রতিবাদে ১২২ দৃশ্যশিল্পী

ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৫ জন শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

বাঁধনসহ আরও অনেকে। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে কী বলেছিলেন বাঁধন

ছবি: সংগৃহীত
মিথিলার সঙ্গে আলাদা থাকছেন সৃজিত, বিচ্ছেদের জল্পনা

টলিউডের নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। এবার নিজের জীবনে ‘স্টেবল পার্টনারশিপ’ বা স্থায়ী সঙ্গীর অভাবের কথা জানিয়েছেন সৃজিত। তার এই মন্তব্যের পর মিথিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।   সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের টকশো ‘স্ট্রেইট আপ উইথ শ্রী’ তে অতিথি হয়ে নিজের অতীত সম্পর্ক, সাবেক প্রেমিকাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং একাকিত্ব নিয়ে কথা বলেন সৃজিত। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জীবনের এই বয়সে এসে তিনি স্থায়ী সঙ্গীর অভাব অনুভব করেন।   সৃজিত ও মিথিলার বিয়ের প্রায় ছয় বছর পেরিয়ে গেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের একসঙ্গে সংসার করা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। গত কয়েক বছরেও একাধিকবার তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এবার সরাসরি মিথিলার নাম না নিলেও সৃজিতের ‘স্থায়ী সঙ্গী নেই’ মন্তব্য সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। তবে সৃজিত বা মিথিলা কেউই তাদের সম্পর্কের অবস্থা নিয়ে নতুন করে কোনো ঘোষণা দেননি। ফলে আপাতত বিষয়টি সৃজিতের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।   সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেমিকাদের সঙ্গেও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কথা জানান সৃজিত। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও ঋতাভরী চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেলেও তাদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।   সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গেও কথা বলেন সৃজিত। তিনি জানান, একসময় সুস্মিতা তার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সম্পর্কের নির্দিষ্ট লেবেল থাকে না। সময়ের সঙ্গে তাদের সেই ঘনিষ্ঠতা কমে গেছে, তবে তারা এখনো একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী।   সৃজিতের ভাষায়, জীবন একটি যাত্রার মতো, অনেকে কয়েকটি স্টেশন পর ট্রেন থেকে নেমে যায়। সুস্মিতাও নেমে গেছেন, হয়তো অন্য কোনো ট্রেনে উঠেছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘আক্রমণের লক্ষ্য সব সময় নারীরাই’, তৃষাকে সমর্থন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ কঙ্গনার

ছবি: সংগৃহীত

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ মৌসুমী হামিদের

ফাইল ছবি

আমাকে ভেঙে ফেলা এত সহজ নয়: বাঁধন

0 Comments