সারাদেশ

আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

 

গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে সংস্থাটির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১১ কেভি ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, ট্রান্সফর্মার মেরামত, সঞ্চালন লাইন উন্নয়ন এবং গাছের ডাল কাটার কাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না সেগুলো হলো- চালিবন্দর, কাষ্টঘর, সোবানীঘাট, বিশ্বরোড, জেলরোড, বন্দররোডসহ আশপাশের এলাকা। এছাড়া আমজাদ আলী রোড, কালীঘাট, ছড়ারপার, মাছিমপুর, মহাজনপট্টি, হকার্স মার্কেট, লালদীঘিরপাড়, ডাকবাংলা রোড, বুরহান উদ্দিন মাজার এলাকা, শাপলাবাগ, কুশিঘাট, মেন্দিবাগ, মিরাপাড়া, নোয়াগাঁও, সাদাটিকর, মিরেরচক, মুক্তিরচক, মুরাদপুর, টুলটিকর ও পীরেরচক এলাকাতেও একই সময়ে বিদ্যুৎ থাকবে না।

বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।

সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
হাতিয়ায় অভিযানে গ্রেপ্তার ‘মফুইল্ল্যা’, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ মো. মহিবুল্লাহ ওরফে ‘মফুইল্ল্যা’ চোরা (৪১) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে কোস্টগার্ড সদরদপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে এদিন সকালে উপজেলার মধ্য মাচুয়ারা এলাকায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মফুইল্ল্যা হাতিয়া উপজেলার বাসিন্দা। কোস্ট গার্ড জানায়, মহিবুল্লাহ তার এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুত করে রেখেছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড স্টেশন হাতিয়া ও পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার মহিবুল্লাহর বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অস্ত্র মামলা রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গ্রেপ্তার মহিবুল্লাহর বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আগেও অস্ত্র মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসী ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ছবি : সংগৃহীত

সকালের মধ্যেই ৫ জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

ঐক্য ভাঙলে আবার ভারত থেকে চলে আসবে দাদারা: স্পিকার

ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ১ লাখ ৩৮ হাজার টন জ্বালানিবাহী চার জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে ১ লাখ ৩৮ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে চারটি জাহাজ ভিড়েছে। বিপুল এই চালানে ডিজেল ও অকটেন উভয় ধরনের জ্বালানি রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, জাহাজ চারটির মাধ্যমে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬৫১ টন ডিজেল এবং ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন আনা হয়েছে। বন্দরের আলফা অ্যাংকরে থাকা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি অকট্রি’ জাহাজ থেকে ইতিমধ্যে লাইটারিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জাহাজটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে নোঙর কথা রয়েছে। বিপিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১৭ এপ্রিল চারটি জাহাজ চট্টগ্রামে এসেছে। চলতি সপ্তাহে আরও কয়েকটি পার্সেল আসার কথা রয়েছে। এতে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট থাকবে না বলে আশা করা হচ্ছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, অন্য জাহাজগুলোর মধ্যে পর্তুগালের পতাকাবাহী ‘এমটি কেপ বনি’ নিয়ে এসেছে ৩৩ হাজার ৩৯৮ টন ডিজেল। কেম্যান আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ এনেছে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন এবং চীনের পতাকাবাহী ‘এমটি লিয়ান সং হো’ বহন করে এনেছে ৪১ হাজার ৯০৭ টন ডিজেল। এই তিনটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের আলফা অ্যাংকরে অবস্থান করছে। ভেসেল ট্র্যাকিং সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ‘এমটি অকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ ১২ এপ্রিল, ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ ১০ এপ্রিল মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে এবং ‘এমটি লিয়ান সং হো’ ৮ এপ্রিল ভারতের শিখা বন্দর থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছায়।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জাটকা ধরার অপরাধে ২২ জেলে আটক, ১৫ জনের সাজা

ছবি : সংগৃহীত

টাকা না পেয়ে নড়াইলে বসতঘরের টিন খুলে নিল পাওনাদার

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে জ্বালানি সংকট, কোনো পাম্পেই মিলছে না তেল

ছবি : সংগৃহীত
আরেকটি উপজেলা পেতে যাচ্ছে বগুড়া

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা বন্দর জেলার ১৩তম উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। এরমধ্যেই প্রাক-নিকার (প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস–সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি) সভায় তা অনুমোদন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই মোকামতলাকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হবে। সোমবার বগুড়া সফরে এসে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।     বগুড়া জেলার প্রশাসনিক কাঠামো বিকেন্দ্রীকরণ ও সরকারি সেবা জনগণের দোরগড়ায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার মোকামতলা বন্দরকে নতুন উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশ, প্রশাসনিক কাঠামো পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং সরকারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন না হওয়ায় এটি এখনো কার্যকরভাবে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেনি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই মোকামতলা উপজেলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ইমতিয়াজ মোরশেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানা যায়, বগুড়া সিটি করেপোরেশন ও বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা বন্দরকে নতুন উপজেলা ঘোষণাসহ আট প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ১২ এপ্রিল রোববার প্রাক-নিকার (প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস–সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি) সচিব কমিটির সভা হয়। সেখানে বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়।   শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার পাচঁটি ইউনিয়ন যথাক্রমে মোকামতলা দেউলী, সৈয়দপুর, ময়দানহাট্টা এবং শিবগঞ্জ সদর নিয়ে মোকামতলা উপজেলা গঠন করার প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। এর আয়তন হবে ১২৮ দশমিক ৭৪ বর্গ কিলোমিটার। লোকসংখ্যা দাঁড়াতে পারে দেড় লাখের মতো।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
নিহত শাহ আলম। ছবি : সংগৃহীত

বন্ধুর কুড়ালের আঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

ছবি : সংগৃহীত

অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিকদের ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি কর্মকর্তার

ছবি: সংগৃহীত

জামালপুর কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

0 Comments