খেলাধুলা

১৯৯০-এর ‘ক্যামেরুন ট্র্যাজেডি’ কি ফিরিয়ে আনবে কেপ ভার্দে?

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে। চলতি বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচ শুরুর আগে ফুটবল রোমান্টিকদের মনে উঁকি দিচ্ছে ৩৬ বছর আগের এক ‘ভূতুড়ে স্মৃতি’। ১৯৯০ সালের মিলান ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের স্তব্ধ করে দেওয়ার স্বপ্ন দেখছে আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি, যেখানে ইতিহাস বলছে, আফ্রিকার দলগুলোর বিপক্ষে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পা হাঁকানোর রেকর্ড একদম নতুন নয়।

 

ফিফার তথ্যমতে, ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন। ইতিহাস আজ আবার এক অদ্ভুত মোহনায় এনে দাঁড় করিয়েছে আলবিসেলেস্তেদের। টানা তিন জয়ে উড়তে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল যখন শিরোপা ধরে রাখার মিশনে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে, ঠিক তখনই সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ জনসংখ্যার দেশ। যারা গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়ের মতো পরাশক্তিদের রুখে দিয়ে নকআউটের টিকিট কেটেছে।

 

পরিসংখ্যান ও শক্তিমত্তার বিচারে অপ্টার সুপারকম্পিউটার আর্জেন্টিনাকে ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ এগিয়ে রাখলেও, ফুটবল তো কেবল সংখ্যার খেলা নয়। ক্যামেরুন ম্যাচের সেই ‘ভূত’ তাড়া করছে আর্জেন্টিনাকে, আর কেপ ভার্দে কোচ বুবিস্তার নির্ভীক রণকৌশল এবং গোলরক্ষক ভোজিনহার অতিমানবীয় ফর্ম সেই ভূতকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জ্বালানি জোগাচ্ছে।

 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি সামনে রেখে ৩৯ বছর বয়সি মেসি মিয়ামির চেনা মাঠে আরেকটি রেকর্ড ভাঙার রাতে আলবিসেলেস্তেদের হাসাবেন, নাকি আফ্রিকার নতুন রূপকথা লিখে কেপ ভার্দে ১৯৯০-এর ক্যামেরুনকে ফিরিয়ে আনবে, তার উত্তর মিলবে মাঠেই।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত জার্মানির কোচ ক্লপ

বিশ্বকাপ ফুটবলে হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং শেষ বত্রিশের ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর পদত্যাগ করেন জার্মানির প্রধান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে জার্মানি জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ।    দায়িত্ব নেওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত জানিয়ে ক্লপ বলেন, ‘জাতীয় দল আমাদের জার্মানদের যেভাবে এক সুতোয় বেঁধে রাখে, তা আর অন্য কিছু দিয়ে সম্ভব নয়। আর এ বিষয়টিই এই দায়িত্বকে আমার কাছে এতটা বিশেষ করে তুলেছে। বিরতির পর আমি এখন নতুন করে শক্তি অর্জিত ও অনুপ্রাণিত বোধ করছি।’   ক্লাব ফুটবলে দারুণ সব সাফল্যের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটিই হতে যাচ্ছে ক্লপের প্রথম জাতীয় দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা। ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলে ৯ বছরের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের পূর্বে তিনি জার্মানির ক্লাব মাইনৎস ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের দায়িত্বে ছিলেন।   ক্লপের অধীনেই লিভারপুল ২০১৯-২০ মৌসুমে তাদের ইতিহাসে প্রথম প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয় করে। এর আগের মৌসুমে তিনি ক্লাবটিকে ১৪ বছরের মধ্যে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি এনে দিয়েছিলেন। এছাড়া তার অধীনে ২০২২ সালে এফএ কাপ এবং দুইবার লিগ কাপ জেতে অলরেডরা।   ২০২৩-২৪ মৌসুমের শেষে লিভারপুল ছাড়ার পর থেকে ক্লপ কোনো দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন না। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি রেড বুলের গ্লোবাল হেড অব সকার হিসেবে নিযুক্ত হন এবং পরের বছরের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করেন।    অ্যানফিল্ড ছাড়ার পর থেকেই বিভিন্ন দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জনে তার নাম জড়িয়েছে। গত মার্চে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তার জড়ানো গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে তিনি ডাগআউটে ফেরার পথ খোলা রেখে বলেছিলেন, 'কোচ হিসেবে আমার কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।'    লিভারপুলে ক্লপের দীর্ঘদিনের সঙ্গী পেপ লেইন্ডার্স এই নতুন কোচিং প্যানেলে সহকারী হিসেবে যোগ দিচ্ছেন। নতুন কোচিং প্যানেলের অধীনে জার্মানি তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর, নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে নেশনস লিগের লড়াইয়ে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমসে সরাসরি নকআউটে বাংলাদেশ, প্রথম রাউন্ড খেলতে হচ্ছে না

ছবি: সংগৃহীত

বিসিবির জেলা কোচ নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৯ প্রার্থী

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা

বিদায় বলে দিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ওতামেন্দি

আর্জেন্টিনার রক্ষণদুর্গের এক অবিচ্ছেদ্য নাম নিকোলাস ওতামেন্দি। অসংখ্য লড়াই, ট্রফি আর স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে অবশেষে ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বিশ্বকাপজয়ী এই ডিফেন্ডার। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। বিদায়ের আগে জিতেছেন ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এবং দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা।   ৩৮ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাক জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন। চলতি বছরের যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ছিলেন। তবে ফাইনালে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েছে।   বিদায়ের বার্তায় ইনস্টাগ্রামে ওতামেন্দি লিখেছেন, ‘আজ আমাকে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন কথাগুলো লিখতে হচ্ছে। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, আমার শেষ ম্যাচটিই ছিল একটি বিশ্বকাপের ফাইনাল। ফলাফল আমাদের প্রত্যাশামতো হয়নি, কিন্তু আমি মাথা উঁচু করেই বিদায় নিচ্ছি। কারণ আমি জানি, এই দল শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে লড়েছে।’   তিনি আরও বলেছেন, ‘ধন্যবাদ, আর্জেন্টিনা। আমাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।’   সম্প্রতি ইউরোপে ১৬ বছরের সফল অধ্যায় শেষ করে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রিভার প্লেটে যোগ দিয়েছেন ওতামেন্দি। ইউরোপে খেলেছেন পোর্তো, ভ্যালেন্সিয়া, ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেনফিকার মতো শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে।   নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ওতামেন্দি চারটি ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে জয়খরায় ইতি টানল ভারত

১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে যাচ্ছে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

ছবি: সংগৃহীত

এএফএ সভাপতির বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের তদন্ত ও ফোন জব্দের খবর নাকচ

ব্যালন ডি’অর। ছবি: সংগৃহীত
ফিগোর বর্ষসেরার তালিকায় রদ্রি শীর্ষে, ছিটকে গেলেন মেসি-ইয়ামাল

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন লিওনেল মেসি ও লামিন ইয়ামাল। আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসি তো অনেকটা একাই তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টেনেছেন। অন্যদিকে গোল-অ্যাসিস্ট খুব একটা বেশি না পেলেও আক্রমণভাগে ছাপ রেখেছেন বার্সেলোনার নম্বর ১০ ইয়ামাল। তাতে ফুটবলারদের জন্য সবচেয়ে মর্যাদার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে দুই প্রজন্মের তারকাকে রাখাই যায়।     কিন্তু এবারের ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে মেসি-ইয়ামাল কাউকেই দেখছেন না লুইস ফিগো। পর্তুগিজ ফুটবল কিংবদন্তির মতে, দুই জনের একজনও যোগ্য দাবিদার নয়। বরং বছরজুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জেতার দৌড়ে সবার চেয়ে তিনি এগিয়ে আছেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে।      সম্প্রতি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করার পাশাপাশি নিজ পছন্দের ব্যালন ডি’অরের ৪ দাবিদারের নাম প্রকাশ করেছেন ২০০০ সালের বর্ষসেরা ফুটবলার ফিগো। বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত পারফর্ম করলেও মেসি কিংবা ইয়ামালের হাতে এবারের ব্যালন ডি’অর দেখছেন না পর্তুগিজ কিংবদন্তি। ফিগোর মতে, সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে তালিকার এক নম্বরে রয়েছেন রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডারের ধারাবাহিক ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ব্যালন ডি’অরের রেসে তাঁকে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন সাবেক এই উইঙ্গার।     মার্কা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিগো বলেন, ‘বিশ্বকাপে রদ্রি অসাধারণ খেলেছে। ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে এটাই হয়তো ওর পাল্লা ভারী করে দেবে।’     রদ্রিকে দলে ভেড়াতে রিয়াল মাদ্রিদের আগ্রহে অবাক হননি ফিগো। বিষয়টি নিয়ে সাবেক এই পর্তুগিজ তারকা বলেন, ‘আমার মনে হয় চুক্তিটি সম্পন্ন করা বেশ কঠিন হবে। কারণ, ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে তাঁর চুক্তি রয়েছে। তবে সবাই জানে যে, রিয়াল মাদ্রিদ সব সময় বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দেরই নিজেদের দলে নিতে চায়।’     পরিসংখ্যানের বিচারে গোল বা অ্যাসিস্ট কম থাকলেও বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় ব্যালন ডি’অরের প্রথম সারির দাবিদারদের তালিকায় ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপেকেও রাখছেন ফিগো, ‘গোল কিংবা অ্যাসিস্টের দিক থেকে রদ্রি হয়তো খুব বেশি আলো ছড়াতে পারেনি, কিন্তু টুর্নামেন্টজুড়ে সে ছিল অসাধারণ। অন্যদিকে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে এমবাপেও এই পুরস্কারের লড়াইয়ে থাকার পুরো যোগ্যতা আছে।     ফিগোর সম্ভাব্য সেরা চারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন পিএসজির দুই তারকা—পর্তুগালের ভিতিনিয়া এবং ফ্রান্সের দেসিরে দুয়ে। ফিগো আরও যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় ভিতিনিয়া ও দুয়ে চমৎকার একটি মৌসুম কাটিয়েছে। যদিও বিশ্বকাপটি তাদের জন্য (বিশেষ করে পর্তুগালের হয়ে ভিতিনিয়ার) খুব একটা ভালো যায়নি, তবুও সারা বছরের পারফরম্যান্স বিচারে তারা ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকার দাবি রাখে।’

মারিয়া রহমান জুলাই ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইংলিশ ক্লাব ছাড়লেন বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশকে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের সমপর্যায়ে রাখছে দক্ষিণ আফ্রিকা

ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যে কি কুকুরেয়ার বিশেষ কুসংস্কার?

0 Comments