জাতীয়

বর্তমান সরকার নিরপেক্ষভাবেই দায়িত্ব পালন করছে : আইন উপদেষ্টা

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২২, ২০২৫

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবেই দায়িত্ব পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

 

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি বরং অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে তত্ত্বাবধায়কের মতো নিরপেক্ষ আচরণ আশা করেছে। বর্তমান সরকার সে অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্যের কারণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অগ্রসর হলে সেই সংশয় কাটবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসনের সব কার্যক্রম এখন থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরাসরি ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

 

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সেনাপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাদের সাবজেলে রাখার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত এ নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।

 

এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে এখনই নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা নিতে হবে। তিনি প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা ও সরকারে দলীয় ব্যক্তি থাকলে তাদের অপসারণের আহ্বান জানান।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
সদরঘাটে যাত্রীদের অচেতন করে সর্বস্ব লুটের চেষ্টা, সন্দেহভাজন আটক

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় দুই যাত্রীকে অচেতন করে তাদের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম মো. ফারুক (৪৪)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অজ্ঞান পার্টির সদস্য হিসেবে সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে।   নৌ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে ভোলা-ইলিশাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চের দ্বিতীয় তলায় ফারুককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি অন্য এক যাত্রীর ব্যাগে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি লঞ্চের কর্মীরা ও আনসার সদস্যরা লক্ষ্য করেন এবং দ্রুত নৌ পুলিশকে অবহিত করেন।   খবর পেয়ে সদরঘাট নৌ থানা ও টহল পুলিশের সদস্যরা লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফারুককে আটক করেন। এ সময় তার পাশে থাকা দুই যাত্রীকে তন্দ্রাচ্ছন্ন ও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়।   পরবর্তীতে অসুস্থ যাত্রীদের মুন্সিগঞ্জে নামিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে জানা গেছে।   প্রাথমিক তদন্তে নৌ পুলিশ ধারণা করছে, আটক ব্যক্তি তার সহযোগীদের সহায়তায় দুই যাত্রীকে চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় কোনো পদার্থ খাইয়ে অচেতন করেছিলেন। এরপর তাদের টাকা-পয়সা ও মূল্যবান মালামাল আত্মসাতের পরিকল্পনা ছিল।   পুলিশের রেকর্ড যাচাই করে জানা গেছে, ফারুকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় মামলা ও সাধারণ ডায়েরির তথ্য রয়েছে।   এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।

আক্তারুজ্জামান মে ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ভেঙে ফেলা হলো টোল ঘর

ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির চামড়ার বাজারে বড় ধস: দুই হাজার টাকার চামড়া বিক্রি ৫০০ টাকায়

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
হজ শেষে দেশে ফিরলেন প্রথম দফার যাত্রীরা, ঢাকায় অবতরণ প্রথম ফিরতি ফ্লাইট

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বহনকারী প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শনিবার ঢাকায় পৌঁছেছে।   শনিবার বেলা ১১টার দিকে সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদি আরবীয় এয়ারলাইন্স-এর একটি ফ্লাইট জেদ্দা থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করে।   বিমানবন্দর সূত্র জানায়, হজ-পরবর্তী ফিরতি যাত্রার প্রথম দিনে মোট ১৩টি ফ্লাইটে ৫ হাজার ৪৩৪ জন হজযাত্রী দেশে ফিরবেন। আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হবে।   এর আগে শুক্রবার তিন জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপের মাধ্যমে হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর ধাপে ধাপে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।   চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১৭ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী বহনকারী শেষ ফ্লাইট সৌদি আরবে পৌঁছায় ২১ মে।   ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হজযাত্রীদের আবাসন, তাঁবু ভাড়া, পরিবহন চুক্তি এবং ভিসা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে কোনো বড় ধরনের সময়সূচি বিপর্যয় ছাড়াই নিবন্ধিত সব হজযাত্রী সৌদি আরবে যেতে সক্ষম হয়েছেন।   সংশ্লিষ্টদের মতে, এবার হজ ব্যবস্থাপনায় আগাম প্রস্তুতি ও কার্যকর সমন্বয়ের কারণে যাত্রী পরিবহন কার্যক্রম ছিল সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন। আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যায়ক্রমে বাকি হজযাত্রীরাও দেশে ফিরবেন।

আক্তারুজ্জামান মে ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোণায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই তরুণের

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ১৬টি স্থানে দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও খাবার বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম

ছবি: সংগৃহীত
ঈদের ছুটিতেও পর্যটক সংকটে কুয়াকাটা, হতাশ ব্যবসায়ীরা

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিকে ঘিরে পর্যটকের ঢল নামার প্রত্যাশা থাকলেও দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত-এ দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। প্রত্যাশার তুলনায় পর্যটক কম আসায় হতাশা প্রকাশ করেছেন পর্যটন খাতের ব্যবসায়ী, হোটেল মালিক এবং শ্রমজীবীরা।   শনিবার কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট, তিন নদীর মোহনা, লেম্বুরবন ও গঙ্গামতী সৈকত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের ঈদ মৌসুমের তুলনায় পর্যটকের উপস্থিতি অনেক কম। সৈকতে কিছু দর্শনার্থী থাকলেও কোথাও দেখা যায়নি কাঙ্ক্ষিত জনসমাগম।   পর্যটক কম থাকায় আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউজগুলোর বুকিংও আশানুরূপ হয়নি। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের অনেক কক্ষ এখনো খালি রয়েছে।   কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটননির্ভর কুয়াকাটার অর্থনীতিতে পর্যটক কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ প্রায় সব খাতে। তিনি জানান, ২৩০টিরও বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউজের বেশিরভাগেই প্রত্যাশিত বুকিং হয়নি।   প্রেসিডেন্ট পার্ক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর জেনারেল ম্যানেজার মোরশেদ খান বলেন, পর্যটকদের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এবার এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক আসেননি এবং অনেক কক্ষ খালি রয়েছে।   এদিকে, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার মনে করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে ছুটির বাকি দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে পারে।   পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌপুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ জয়ন্ত কুমার জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।   পর্যটনসংশ্লিষ্টদের আশা, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে ঈদের বাকি ছুটির দিনগুলোতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে এবং ব্যবসায়িক স্থবিরতা কিছুটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

আক্তারুজ্জামান মে ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি: সংগৃহীত

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন তদন্ত প্রতিবেদন জমা ৩ জুন - স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

রাস্তায় পড়ে থাকা শত শত চামড়ায় ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ

0 Comments